বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

দেশপ্রেম - আবেগ না দায়িত্ব✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 দেশপ্রেম - আবেগ না দায়িত্ব
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

দেশের প্রতি ভালোবাসা সকল মানুষেরই থাকে। সেই ভালোবাসার প্রকাশ শুধু আবেগ দিয়ে হয়না, তার জন্য দেশের প্রতি সবার যা কর্তব্য সেটা পালন করা উচিত। দেশের দায়িত্ববান নাগরিক হিসেবে নৈতিক শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে সবার উচিত দেশের উন্নতির জন্য সচেষ্ট থাকা। আর অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে সততার সাথে কাজ করলে দেশের উন্নতি হতে বাধ্য। ইঞ্জিনিয়াররা যেমন প্রযুক্তিগত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে দেশের নাম বিদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছে, চার্টার্ড অ্যাকাউ্ট্যান্ট, অর্থনীতিবিদ এরা দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা রাখার কাজে নিয়োজিত,ডাক্তাররা মানুষকে সুস্থ রেখে মরবিডিটি কমিয়ে আনার প্রচেষ্টায় সাফল্য অর্জন করছে, সেনাবাহিনীতে যারা আছেন তারা শত্রুদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করছেন। এভাবে সবাই গঠনমূলক কাজ ও সংঘবদ্ধতার মাধ্যমে দেশের জন্য ভালোবাসা পোষণ করছেন। তাই শুধু আবেগের বশবর্তী হয়ে নয়, সুচারুভাবে ও নিপুণতার সাথে কাজ করতে হচ্ছে সবাইকে। কোনোকাজে অবহেলা করা যাবেনা। সুনাগরিক হিসেবে এগুলো আমাদের সকলের দায়িত্ব আর শুধু স্বাধীনতা দিবস বা প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন নয় সবদিনই সচেতন ভাবে দায়িত্ব পালন করে দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করা যাবে। 


"নাগরিক হিসেবে সুপ্রচেষ্টা থাকুক,চিন্তাধারার হোক বিকাশ
আবেগ নয় শুধু,দায়িত্ব ও কর্তব্যের সম্মিলনে থাকুক দেশপ্রেমের প্রকাশ।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নেতা ও নেতৃত্ব✍️ ডা:অরুণিমা দাস

নেতা ও নেতৃত্ব
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

নেতা মানেই যে শুধু শাসক হবেন এমন হওয়া কাঙ্ক্ষিত নয়। শাসন তার কাজের একটা অংশ অবশ্যই কিন্তু তার সাথে এমন ভাবে নেতৃত্ব দিতে হবে যাতে তার অধীনে থাকা সকলে আত্মবিশ্বাসে উদ্বুদ্ধ হতে পারে। তাঁর শেখানো চেতনার পাঠ সবাইকে স্বনির্ভর করে তুলবে,সবাই মাথা উঁচু করে চলতে পারে সেই শক্তিতে বলীয়ান করবে। নেতা মানে সমাজের মাথা আর তার সব কথা শুনে চলতে হবে এরম সম্পর্ক যেনো জনগণের সাথে তার না হয়। ভয়ে শুধু নেতাকে সম্মান করতে হবে, তেল দিয়ে চলতে হবে, তবেই নেতা জনগণের জন্য কাজ করবেন, মন থেকে তাকে সম্মান দেওয়া যাবেনা এরম নেতা কখনো কাম্য নয়। প্রকৃত নেতা কখনোই এসবের ধার ধারেন না,তিনি স্বমহিমায় নিজের কাজের মধ্যে দিয়ে জনগণের কাছে সেরার স্থান অর্জন করেন। 
আজ মারাঠারাজ শিবাজীর জন্মজয়ন্তীতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে এই মহান নেতার কর্মকান্ডের কিছু অংশকে বর্তমান সমাজের শাসকদল আদর্শ করতেই পারেন। মারাঠাদের উত্থান মূলত হয়েছিল শিবাজী মহারাজের হাত ধরে। একজন নেতা হিসেবে তিনি শুধু এক জাতির উত্থানই করেননি সেই জাতিকে সংঘবদ্ধ ও শক্তিশালী করে তুলেছিলেন তার আদর্শ,সামরিক শাসনশৈলী ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে। অবশ্য এর পেছনে তাঁর শিক্ষাগুরু দাদোজা কোন্ডোদেবের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাঁর প্রভাবেই শিবাজী মহারাজ এক সাহসী সৎ নেতৃত্ববান ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছিলেন। 
তাই মাঝে মাঝেই ইতিহাসের পাতায় চোখ রেখে অতীতের কিছু ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমানে সমাজ চালানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে হয়তো ভালোই হবে, মঙ্গল হবে সমাজ ও সংস্কারক সকলের। 

"নেতার কর্মকান্ডের কাহিনী হোক ভবিষ্যতের জন্য  
 অনুপ্রেরণা
শুধু কথায় নয় কাজেও দেখিয়ে দিক বর্তমান,
জাগুক সমাজ চেতনা।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শিরোনাম - আলিঙ্গন✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - আলিঙ্গন
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

জীবনে টিকে থাকতে হলে হাজারো ঝড় ঝাপটা সামাল দিয়ে এগোতে হবে। সেই আদিম যুগ থেকে চলছে সংগ্রাম, চার্লস ডারউইনের অরিজিন অফ স্পিসিসে আছে স্ট্রাগল ফর এক্সিস্টেন্স মানে জীবন যুদ্ধে বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম। এই জন্যই হয়তো বিবর্তনবাদের উৎপত্তি হয়েছে। আদিম যুগে চার হাত পা ওয়ালা মানুষ থেকে দু পায়ে হাঁটা, দু হাত দিয়ে লড়াই করা "হোমো সেপিয়েন্স" হতে দিনের পর দিন লড়াই চালিয়ে যেতে হয়েছে। 
তাই পরিবর্তন এলে তাকে দূরে না সরিয়ে আলিঙ্গন করতে হবে। "জীবন প্রাকৃতিক এবং স্বতস্ফূর্ত পরিবর্তনের একটি সিরিজ"। জীবনে চলার পথে চ্যালেঞ্জ আসা মানে বাধা কাটিয়ে এগিয়ে যাওয়ার রহস্য উন্মোচন হওয়া। বিবর্তনবাদ শুধু বইতে নয়, সবার জীবনেও পরিলক্ষিত হয়। সাথে মানুষের মানসিকতারও পরিবর্তন হয়। পরিবর্তন যখন অবশ্যম্ভাবী তখন তার সাথে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে এগিয়ে যাওয়া উচিত, কিন্তু লক্ষ্য স্থির রাখতে হবে সর্বদা। আবার পরিবর্তনের হওয়াতে গা ভাসিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়াটাও ঠিক নয়। 

"বিবর্তন বাদ শেখায় সবাইকে,পরিবর্তনকে করো আলিঙ্গন
এগোনোর পথে থেমে থেকোনা,হোক চিন্তাধারার উন্নয়ন।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

পাওয়ার অফ থিঙ্কিং✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 পাওয়ার অফ থিঙ্কিং
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

স্বাধীন ভাবে চিন্তা ভাবনা করতে হলে অবশ্যই মনের সহযোগিতা প্রয়োজন। আজকাল মানুষের কাছে সময়ের বড় অভাব। নতুন কিছু টপিক এলে সেটা নিয়ে ভাবার আগেই গুগল বা উইকিপিডিয়া দেখে নিচ্ছে। হাতের কাছে যখন যন্ত্র রয়েছে তখন মাথা খাটিয়ে কি লাভ! এরকম চিন্তা মনে পোষণ করে রেখেছে। আসলে জীবনে ক্রমবর্ধমান চাপ মানুষকে স্বাধীন ভাবে ভাবার সময়টুকু দেয়না। তাই ইন্টেলিজেন্ট কোশেন্ট যাই থাক পেশেন্স আজকাল বড্ড কমে গেছে সবার। 
ভাইরাল ট্রেন্ড হোক বা রিলসই হোক এগুলো সবার চিন্তাধারাকে নিয়ন্ত্রণ করেনা। কেউ কেউ নিজের মতন করে ভাবতে চায়। ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে জীবন চলবেনা এগুলো অনেকেই জানেন কিন্তু মানেন না হয়তো।
তবে যতই গুগল উইকি থাক জীবনে চলার পথে কোনো বাধা এলে সেটা থেকে উদ্ধার হতে মাথা খাটাতেই হবে। অভ্যাসের দাস হলেও তখন উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে নিজেকে আর পরিস্থিতিকে সামলাতে হবে। 
মডার্ন হয়ে ট্রেন্ডি হবার চক্করে নিজের ভাবনা চিন্তার বিকাশ বন্ধ হতে দিয়ে লাভ নেই। চারপাশের পরিবেশ যেমনই থাক নিজেকে প্রভাবিত হতে না দিলে কেউই সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেনা। তাই দিনে একটু সময় হলেও নিজের সাথে কাটানো উচিত, যাতে সবকিছুর থেকে আলাদা হয়ে নিজেকে খুঁজে বের করা যায়। 

"ভাবনা চিন্তার বিকাশ হোক স্বতন্ত্র,কারোর হাতে না থাক তার নিয়ন্ত্রণ
ভাইরাল ট্রেন্ডকে দূর হটাও মনের সাথে মস্তিষ্কের ঘটাও মিলন।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - অপ্রকাশিত অনুভূতি✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - অপ্রকাশিত অনুভূতি ✍️ ডা: অরুণিমা দাস কিছু অনুভূতি মনের গভীরে থাকাই শ্রেয়। সেটা হয়তো প্রকাশ করলে সমস্যা হতে পারে,তাই প্রকাশ না কর...