কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

শিরোনাম - ছুটছি মিছে কীসের পানে✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম - ছুটছি মিছে কীসের পানে
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

সকলে মিলে ছুটছি মিছে কিসের পানে
            শান্তি যে নেই কোনোখানে।
ব্যস্ত সবাই যে যার নিজের কাজে
             রয়েছে টাকার সুখে সবাই মজে।
কেউ বন্দী ল্যাপটপে,কেউ বা আবার ফোনে
             যান্ত্রিক হয়েছে সবাই,ভুলেছে আপনজনে।
ক্লান্ত সবাই সুখের পেছনে ছুটে ছুটে
            লাভ হয়নি কিছুই,শান্তির ঘুম গেছে উঠে।
সুখ পেতে সবাই,ছোটে মরীচিকার পিছনে
           ভুলে গেছে তাই,সুখ যে আছে নিজের মনে।
তাই কলম সঙ্গী করে স্ট্রেস হোক দূর দিনের শেষে 
       আর গল্পের বইতে থাকে স্লিপিং পিল যে মিশে।
সুখের পিছনে মিছেই ছোটা সবই যে শুধু মায়া
           দিনের শেষে সঙ্গী কেবল নিজের ই ছায়া।
বন্ধ হোক তবে মিছে এই ছোটাছুটি
           সুখ পেতে তাই শুধু নিজেকে নিয়ে মাতি।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস 
            
            
              
             
             

রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫

ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট✍️ ডা: অরুণিমা দাস

ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট
✍️ ডা: অরুণিমা দাস


বন্ধু হবে নাকি তুমি?পায়ের কাছে এসে পড়ল ছোট্ট চিরকুট
কে পাঠালো এটা! ছাদে দাঁড়িয়ে বললো মেয়েটা, বড়ই অদ্ভুত।

নজর গেলো একটু দূরে পাশের বাড়ির ছাদের কোণে
রুগ্ন এক মেয়ে দাড়িয়ে, একদৃষ্টে তাকিয়ে তার পানে।

খানিক পরে এসে পড়লো আবার একটি কাগজের দলা
লেখা তাতে অসুস্থ আমি,তাই পারি নে বাইরে যেতে হয়না কারোর সাথে কথা বলা।

এবার যে উত্তর দেওয়ার পালা,লিখলো মেয়েটি সাদা পাতায়
আজ থেকে তুমি হলে আমার সই, মনের কথা সব বোলো আমায়।

বন্ধু পেয়ে ভীষণ খুশি হলো যে রুগ্ন মেয়ে,লিখলো নামটি কী তোমার? 
লিখলো বন্ধু,নাম আমার মাধবী,সই বলেই ডেকো না হয়।

রুগ্ন মেয়ের নাম ছিল কল্যাণী, মাধবী আর তার মধ্যে গড়ে উঠেছিল সখ্যতা
চিঠি চালাচালি করেই হতো তাদের সব মনের কথা।

বন্ধুত্বের পরশ আর ডাক্তারের পথ্য নিয়মিত পেয়ে
পেয়েছিল মনের জোর কল্যাণী,ছিলনা আর রুগ্ন মেয়ে।

একদিন ছিঁড়ে গেলে বন্ধুত্বের বাঁধন, পরিবার সহ কল্যাণী গেলো অন্য বাসায়
যাওয়ার আগে মাধবীকে বলে গেলো দেখা করিস নতুন ঠিকানায়।

চোখের জলে বিদায় জানিয়েছিল মাধবী তার প্রাণের সই কে
পুরনো দিনের সেই কথাগুলো মাধবী বলছিল তার ছেলেকে।

ছেলে বললো কোরোনা দুঃখ,এখন চিঠি না থাকলেও আছে তো তোমার ফেসবুক ইনস্টা
তোমার প্রাণের সই কে পাই কি না খুঁজে,চলো করি চেষ্টা।

মিলল অনেক নাম আর ছবি ফেসবুক খুলে সার্চ করে
মাধবী দেখতে লাগলো সব ছবি গুলো উৎকণ্ঠা ভরে।

একটা সময় ফোনের স্ক্রীনে আটকে গেলো চোখ তার
এই তো সইয়ের ছবি, সাথে নিয়ে তার ভরা সংসার।

চোখের জল বাঁধ মানে না,ছেলে বললো পাঠাই তবে  রিকোয়েস্ট
মা বললো হ্যাঁ,একদিন সে বাড়িয়েছিল বন্ধুত্বের হাত,আজ হোক ওর টেস্ট।

চলে গেলো রিকোয়েস্ট খানি, অধীর আগ্রহে বসে আছে মাধবী
এতদিন পরে চিনতে কি পারবে কল্যাণী তার সইয়ের বন্ধুত্বের দাবী?

অ্যাকসেপ্ট হলো রিকোয়েস্ট ভীষণ খুশি মাধবী
মেসেজ পাঠালো সে,কল্যাণী আমায় চিনতে কি পারবি!

উত্তর এলো হ্যাঁ পেরেছি চিনতে, তুই যে আমার প্রাণের সই
ছোট্ট কাগজে যে বন্ধুত্ব শুরু হয়েছিল,আজ তা রিনিউ হোক ডিজিটাল মাধ্যমেই।

কতদিন খুঁজেছি তোকে,জানতাম না তোর নতুন ঠিকানা
আজ ফেসবুক মিলিয়ে দিল আমাদের,তবে ধন্যবাদ আমার ছেলের পাওনা।

উত্তর দিলো কল্যাণী,আজ চিঠির যুগকে খুব মিস করি
দেখি যদি আমরা ধীরে ধীরে মডার্ন যদি হতে পারি!

মায়ের মুখে দেখে হাসি ছেলে আজ বড়ই খুশি যে
কিছু বন্ধুত্ব যে নিখাদ ভালোবাসায় ভরা,বুঝেছে সেও।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস 

সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫

বাংলার রূপকার ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 বাংলার রূপকার
✍️ ডা: অরুণিমা দাস 

সুদূর পাটনার বাকিপুর থেকে মহানগর কোলকাতা
হেঁটে পাড়ি দিলেন তিনি,ভরসা শুধু পায়ের পাতা।

সম্বল বলতে শুধু তখন পাঁচ টাকা পঁচিশ পয়সা
খাবার আর বাসস্থান জোগাতে সেটাই শুধু ভরসা।

মাতৃহারা ছিলেন তিনি,পিতাই ছিলেন সব
খুবই কষ্টের মধ্যে কেটেছিল তাঁর শৈশব।

কলকাতায় এসে করেন ডাক্তারিতে ভর্তির আবেদন 
থাকতেন কলেজ স্ট্রীটে,পয়সার টানাটানি ভীষণ।

পড়াশোনা শেষে শুরু করলেন তিনি প্র্যাকটিস
রোজগার হতো না মন্দ,কেবল খালি উনিশ বিশ।

বারোশো টাকা করে সম্বল,গেলেন তিনি বিদেশ
চূড়ান্ত সম্মান অর্জনে করলেন মনোনিবেশ।

ভারতীয় বলে জুটেছিল শুধুই প্রত্যাখ্যান
কিছুতেই কিন্তু হাল ছাড়েননি ডা:বিধান।

প্রায় বার তিরিশেক করে গেছিলেন টানা আবেদন
দুবছরে মেডিসিন,সার্জারির চূড়ান্ত ডিগ্রী করলেন অর্জন।

ফিরে এলেন তিনি দেশে,শুরু করলেন ডাক্তারি
মনে এলো প্রেমের জোয়ার,হলেন প্রেম পূজারী।

প্রেম যে তাঁর, মানল হার অর্থদণ্ডের বিচারে
প্রত্যাখিত হয়ে এলেন ফিরে,মন দিলে রোজগারে।

সাল যখন উনিশশো আটচল্লিশ,ছেড়ে দিয়ে ডাক্তারি
গ্রহণ করলেন মুখ্যমন্ত্রিত্ব,গড়লেন কল্যাণী সহ আরো উপনগরী।

দায়িত্বে ছিলেন যতদিন,করে গেছেন শুধু বাংলার উন্নয়ন
তাঁর কাছে থাকবে চিরঋণী বাংলার আপামর জনগন।

তিরোধানের পরে ঘরে মেলে এগারো টাকা পঁচিশ পয়সা
জীবনের সঞ্চয় শুধু ছয় টাকা আর মানুষের ভালোবাসা।

আজ তাঁর জন্ম ও মৃত্যুদিনে জানাই তাঁকে নমস্কার মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকুন বাংলার রূপকার।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০২৫

শিরোনাম-লহ প্রণাম ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 শিরোনাম-লহ প্রণাম
✍️ ডা:অরুণিমা দাস


প্রণমি তোমারে অন্তর হতে,প্রিয় কবি হে মোর 
হিয়ার মাঝে সদা প্রাণবন্ত তুমি ও তোমার কণ্ঠস্বর।

স্কুলের পথ ভুলেছ, সৃষ্টি করেছো অসামান্য রচনা
লেখালিখির চেষ্টা করি মাত্র,তুমিই যে অনুপ্রেরণা।

জটিল জীবন সহজ হয়,তোমার লেখায় আর গানে
আশার আলো সঞ্চারিত হয় অন্ধকারের মধ্যিখানে।

দিকে দিকে চলছে আজ পঁচিশে বৈশাখ উদযাপন 
তোমার শুভ জন্মদিনে জানাই সশ্রদ্ধ অভিবাদন।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ১ মে, ২০২৫

শিরোনাম- শ্রম দিবস✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম- শ্রম দিবস
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

নিশ্চুপে নিঃশব্দে ওরা যে কাজ করে চলে 
দিবারাত্র হয় সারা,মাথার ঘাম পায়ে ফেলে।

তাদের জানাতে সম্মান,একটি দিন বরাদ্দ কেবলি
বাকি দিনগুলোয় ওদের সকলে বেমালুম ভুলি।

শ্রমজীবীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের যথাযোগ্য মূল্যায়ন হোক
মে দিবস শুধু কেনো!বাকী দিনও তাঁদের প্রতি সশ্রদ্ধ সম্মান অটুট থাকুক।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫

শিরোনাম - স্বাগতম ১৪৩২ ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - স্বাগতম ১৪৩২
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

নববর্ষের হরষে বৈশাখের আগমনী বার্তা,জানাও তারে সাদর সম্ভাষণ 
মাস ও বচ্ছর পয়লাতে চলছে হালখাতা ও বর্ষবরণের আয়োজন।

প্রস্তুতি সব সম্পন্ন প্রায়,সকলেই যে আনন্দে আত্মহারা 
বাংলা টু নিউইয়র্ক টাইমস স্কোয়ার,আসন্ন মুহূর্তের জন্য চলে মহড়া।

একটি বছর ঘুরে এলো যে ১৪৩২ সন,নতুন আরেক বছর
সম্ভাবনায় পূর্ণ এই বর্ষে সবার প্রতি রইলো শুভেচ্ছা নিরন্তর।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস


শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫

জেনারেশন গ্যাপ ডা:অরুণিমা দাস

 জেনারেশন গ্যাপ
 ডা:অরুণিমা দাস

এসেছে দাদু অনেকদিনের পরে,খুশি তাই সকলে
ছুট্টে এসে জড়িয়ে ধরে নাতি আবদারখানা বলেই ফেললে।

চাই তার আইপ্যাড ফর ইমপ্রুভমেন্ট ইন এডুকেশন
ছোট্ট হেসে দাদু বলেন তাই নাকি!আগে বইতে করো কনসেনট্রেশন।

দাদুর মুখে ইংরেজি শুনে নাতি হয় ভীষণ অবাক
বুঝতে পেরে দাদু বলেন গ্যাজেট সব চুলোয় যাক।

বই পড়ো ভালো করে,বুক ভরে ঘ্রাণ নাও বইয়ের 
আইপ্যাড না বললে কিসব, ওসবকে করো ইগনোর।

হয়েছি আমরাও বড়ো,করেছি শিক্ষকতা বছরের পর বছর
লাগেনি কোনো ডিজিটাল হেল্প,ছিলাম বই আর ডিকশনারি নির্ভর।

আমিও ফেসবুক করি,শুনলে হতবাক হবে তুমি জানি তা
কিন্তু নই আমি গ্যাজেট নির্ভর,আছে নিজস্বতা।

আজও বলবো হোয়োনা যান্ত্রিক,তুমি যে আমার বড়ই নিকট
জানি একথা শুনে লাগবে খারাপ তোমার,জেনারেশন গ্যাপ যে বড়ই প্রকট।

দাদুর কথায় হেসে নাতি বলে, ভুল হয়েছে আমারই
আইপ্যাড আর নয়,জ্ঞান বাড়াবো বিভিন্ন বই পড়েই।

আজ তাই বুঝতে পারি তোমরা কতটা আলাদা ছিলে,ছিল অন্যরকম চিন্তা ভাবনা
তুমিই হবে আমার চলার পথে আদর্শ,বই হবে বন্ধু ওসব গ্যাজেট আর মানবো না।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫

আজি এ দোলেতে✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 আজি এ দোলেতে
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

বসন্তের সমাগমে চারিদিক যে হয়েছে মুখর
প্রকৃতি রেঙেছে লাল পলাশে খুশি ভরপুর।

দোল উৎসবে রঙের খেলাতে মেতেছে সবাই
লাল সবুজ হলুদ আবিরে সকলেরে রাঙাই।

মনের গভীরে যায় যে রঙ,আসে তার ছাপ রেখে
এই দোলেতে আনন্দ দ্বিগুণ হোক সেই রঙখানি মেখে।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - দুরত্ব✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - দুরত্ব ✍️ ডা: অরুণিমা দাস আধুনিকতা মানেই অন্যরকম একটা ব্যাপার, উন্নতির পথে এগিয়ে যাবার সিড়ি তৈরি করে দেয় আধুনিকতা। আজকাল কেউ আ...