"NOT ME BUT YOU"
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬
কনফিউশন✍️ ডা:অরুণিমা দাস
কনফিউশন
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
হ্যাঁরে হাসো সব রেডী তো? বেরোতে হবে তো এবার। হ্যা সরু দি সব রেডী। তা এই বড়ো ব্যাগটা নিয়েছিস কেনো? আরে এই ব্যাগেই তো তোমার ভক্তদের পাপ পূণ্যের হিসেব আছে। সবাই ওই অঞ্জলীর সময়ে এসে দেবী এই বছর পাশ করিয়ে দাও,পরের বছর ভালো করে পড়বো এসব বলবে আর তুমিও গলে যাবে এসব হবেনা। না রে হাসো, এবারে আমি স্ট্রিক্ট হয়ে গেছি,তাই ওসব কথায় ভুলবোনা ভেবেছি। হাসো বললো এই তো কদিন আগে ঘুরতে গেছিলাম ওখানকার হাল হকিকত দেখতে,তো কিছু বাড়িতে উঁকি মেরে দেখি কিছু খোকা খুকী ফোন নিয়ে ব্যস্ত,এক জায়গায় তো দেখি বই থেকে আলো ঠিকরে এক খুকীর মুখে পড়ছে,ভাবলাম লেডি বিদ্যাসাগর হবে বোধহয়! ওমা কাছে গিয়ে দেখি সে ট্যাবে ওয়েব সিরিজ দেখছে তাও বইয়ের মাঝে লুকিয়ে। এদিকে দুদিন পরে তার নাকি ফাইনাল পরীক্ষা। কিকরে বুঝলি যে ওর পরীক্ষা? তা তো খুব সহজ দিদি,ওনারা যে যেমন দাবী জানান আমিও ডায়েরীতে নোট করি। তাদের লিস্টও বানিয়েছি। কেউ বলছে কুল খেয়েছি ক্ষমা করে দাও দেবী! তোমায় আরো বড় কুল দেবো শুধু পাশটুকু করিয়ে দাও। কেউ আবার বইপত্রে ফুল রেখে দিয়েছে তোমার পুজোর,এসব করে তোমাকে ফুল বানিয়ে পাশ করে যাওয়ার ধান্দা। আর এই মামনি যে ট্যাব দেখছেন বইয়ের ভেতরে তিনি দুসপ্তাহ আগেই জানিয়েছেন পড়া ভালো হয়নি,এবারটা শুধু উতরে দাও দেবী। সেই দু সপ্তাহ হিসেব করেই বুঝেছি পরশু ওনার পরীক্ষা।
-বা হাসো তুই তো বেশ স্মার্ট হয়ে উঠেছিস দেখছি।
- হে হে,তা হয়েছি তোমার সাথে থেকে।
- আসলে কি বলতো? আমায় বোকা ওরা বানাচ্ছে,সে বানাক কিন্তু নিজেদের যেনো বোকা না বানায়। আর ওদের কি দোষ দেবো বলতো? এখন তো পড়াশোনা ধরন ধারণ এত চেঞ্জ হয়েছে ওরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে পড়াশোনার প্রতি। আগেকার দিন কি আর আছে বল! ওদের উচিত বইপত্র আমার কাছে না দিয়ে ফোন ট্যাব জমা রাখা। কিন্তু বাবুদের তো ওসব ছাড়া চলবেনা। ওনারা আমায় দেখার নাম করে বাড়ী থেকে বেরোবেন তারপর বাইক করে ঘুরবেন নিজেরা আর ইচ্ছে হলে প্যান্ডেলে ঢুকে দয়া করে সেলফিতে আমায় জায়গা দেবেন। আমি নিজেই কনফিউজড হয়ে যাই আমি কি বিদ্যার দেবী নাকি প্রেমের দেবী! এদিকে বিশ্বকর্মাদা এসে বলে গেছেন মোবাইল জমা নাকি ওনার পুজোর দিন করা উচিত। উনি নাকি ওসব নিয়ে ডিল করেন। তাই আমিও বেশী কথা বাড়াইনি। যে যা ভালো বোঝে তাই করুক।
- তা ঠিক বলেছো দিদি।
- তার চেয়ে চল আমরা বরং পুজোটা ভালো করে কাটিয়ে আসি। ওদের জ্ঞানচক্ষু যাতে খোলে সেই আশীর্বাদ করি। হ্যা আর ফলমূল দেখে খেতে হবে বুঝলি! মৌচাক সিনেমার নীপা নাম শুনেছিলাম,
এখন নাকি সেই নামের ভাইরাস এসেছে শুনলাম। তাই সাবধানে থাকতে হবে সবাইকে। আর ওখানে নাকি বইমেলা শুরু হয়েছে, তাই যখন ফিরবো তোর এই বড়ো ব্যাগে বিভিন্ন স্বাদের বইপত্র নিয়ে ফিরবো।
হ্যা দিদি তাই চলো,প্যান্ডেল সব রেডী আমাদের আসার অপেক্ষায় সবাই বসে আছে।
সবাইকে জানাই সরস্বতী পুজোর শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬
ডিজিটালাইজেশন✍️ ডা:অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
মাঠের আত্মকথা✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬
আশাপূর্ণা দেবী✍️ ডা: অরুণিমা দাস
আশাপূর্ণা দেবী
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
আশাপূর্ণা দেবী নামটি শুনলেই মনের এক কোণে আশার সঞ্চার হয় কোথাও। আজ এই বিশিষ্ট লেখিকার জন্মদিনে কিছু লিখতে গিয়ে কোথাও যেনো কলম থমকে দাঁড়াচ্ছে। এত বড় মনের লেখিকা জন্মেছিলেন কোলকাতাতে, কিন্তু কোনোদিন বিদ্যালয়ের মুখ দেখেননি। পরিবারে শিল্পচর্চা ছিলো বলেই হয়তো তাঁর কলম এত বলিষ্ঠ ছিলো। প্রথাগত শিক্ষায় শিক্ষিত না হলেও মানবিকতার শিক্ষায় তিনি দীক্ষিত ছিলেন। তাইতো তার কলম থেকে সৃষ্টি হয়েছিলো প্রথম প্রতিশ্রুতি, সুবর্ণলতা,বকুলকথার মতন উপন্যাস। যদিও তিনি ছোটোদের গল্প লেখার মধ্যে দিয়ে লেখার জগতে প্রবেশ করেছিলেন,তারপর ধীরে ধীরে উপন্যাস বড়গল্প এইসব লেখার মধ্যে ডুব দিয়েছিলেন। বাইরে না বেরিয়েও নারী জীবনের অনেক কথাই তিনি তুলে ধরেছেন তাঁর লেখায়, তাদের জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনা,ত্যাগ এসবের কথাও উঠে এসেছে তাঁর লেখায়। পুরুষের মনের অন্তর্দ্বন্দ্বও প্রতিফলিত হয়েছে তাঁর কলমের আঁচড়ে। তবে সব লেখাই ছিলো সহজ সরল ও বোধগম্য।
তাঁর লেখা 'প্রথম প্রতিশ্রুতি' এই উপন্যাসের জন্য তিনি জ্ঞাপীঠ পুরস্কার পান। এছাড়াও পদ্মশ্রী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাহিত্য পুরস্কার, সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার এবং এরকম আরও অনেক কিছু উপাধি পেয়েছিলেন তিনি। বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য আজও বাঙালী তাঁকে মনে রেখেছে আর ভবিষ্যতেও রাখবে এই আশা রাখি।
"বিশিষ্ট লেখিকা আশাপূর্ণা দেবীর জন্মদিনে জানাই সশ্রদ্ধ অভিবাদন
প্রতিশ্রুতি থাক গল্পপড়া ও সাহিত্যচর্চার,নিয়োজিত হোক প্রাণমন"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনাম-শুভারম্ভ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম-শুভারম্ভ
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বছর শেষে আবার এক নতুন বছরের আগমন। ইচ্ছে পূরণের লক্ষ্যে পূর্ণ উদ্যমে এগিয়ে চলা এক এক ধাপ করে। নতুন বছরে নতুন আশা নিয়ে আগের বছরের ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার একটা সুযোগ। সময় মতো খাওয়া দাওয়া করা। বেশী করে ফল ও জল খাওয়া,কেউ কিছু বাজে মন্তব্য করলে উত্তেজিত না হওয়া এসব রেজোলিউশন নিয়েছি। পড়াশোনায় ফাঁকি দেবোনা,বেশী গল্পের বই কিনবোনা,আরও বেশি কেস রিপোর্ট পাবলিশ করতে হবে,লিখতে হবে সুযোগ পেলে এসব অনেক কিছুই ভেবেছি জানিনা কতটা রাখতে পারবো কথাগুলো! বদমাইশি বুদ্ধিগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখবো,জাঙ্ক ফুড,ফ্রায়েড ফুড কম খাবো এসব হরেক রকম চিন্তাভাবনা করে চলেছি। এক বছরে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়েছে,মানিয়ে নিয়েছি কিছুটা আর বাকিটা চেষ্টা চলছে। নতুন জায়গায় নিজেকে সেফ মার্ক করাটাও একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি।
আজ আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন,কল্পতরু উৎসব। এইদিন শ্রীরামকৃষ্ণদেব কল্পতরু ভাব নিয়ে সকলের ইচ্ছে পূরণ করেন।
সকলকে জানাই হ্যাপি নিউ ইয়ার ও কল্পতরু উৎসবের শুভেচ্ছা। ঈশ্বরের আশীর্বাদ নিয়ে ভালো কাটুক সবার এই আশাই রাখি।
"অধরা স্বপ্নেরা দিক ধরা,ইচ্ছেডানারা পাখনা মেলো
পূরণ হোক সবার স্বপ্ন,মনের কথাগুলো বলেই ফেলো।"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫
আমার অকাজের লিস্টি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
আমার অকাজের লিস্টি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
২০২৫ এ পড়ে ফেলা বইগুলোর তালিকা তৈরী করেই ফেললাম। ভিন্ন স্বাদের সব বইগুলো। মন ভালো করে দেয়।
তালিকা নিম্নরূপ -
অতঃপর মরিসাকি বইঘরের দিনগুলি - সাতোশি ইয়াগিসাওয়া
আরক্ত ভৈরব - হিমি মিত্র রায়
কে সেই হত্যাকারী - মহুয়া ঘোষ
কালিগুণীন ও বজ্রসিন্দুক রহস্য - সৌমিক দে
কামোগাওয়া রেস্তোরায় আপনাকে স্বাগতম - হিসাশি কাশিওয়াই
একডজন পৌরাণিক - সমুদ্র বসু
হাসতে হাসতে খুন - পূর্ণেন্দু পত্রী
কুসুমপুরে কিডন্যাপ - সুমন্ত কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
গোয়েন্দা শিখা - প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
দধীচি - তমোঘ্ন নস্কর
ফারাওয়ের অভিশাপ - নন্দিতা মুখোপাধ্যায়
চতুষ্পাঠী - স্বপ্নময় চক্রবর্তী
বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে - হিমাদ্রী কিশোর দাশগুপ্ত
কপিলাবস্তুর কলস - প্রীতম বসু
রামায়ণ রহস্য - সিজার বাগচী
চিলেকোঠার ঘর - রাস্কিন বন্ড
এছাড়াও রয়েছে পূজাবার্ষিকি - সর্বভূতেষু,
মাসিক পত্রিকা,কিছু অর্ধসমাপ্ত বই। আগামীতে আরো পড়ার ইচ্ছে রইলো।
সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫
শিরোনাম - প্রাপ্য✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম - অপরিবর্তিত✍️ ডা: অরুণিমা দাস
সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫
শিরোনাম - আঁধারনাশিনী✍️ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম - আঁধারনাশিনী
✍️ডা: অরুণিমা দাস
পুরোদমে চলছে প্রস্তুতি,আর ব্যাগ গোছানোতে ব্যস্ত শ্যামা। মহাদেব এসে বলছেন কিগো হলো? বলি আমার বাঘছালগুলো নিয়েছো তো?
- হ্যা গো নিয়েছি।
- কতগুলো এক্সট্রা নিয়ে নিও। তোমার ঐ বুকের ওপর আলতা পায়ে দাঁড়ানোর জন্য আমার পোশাকগুলো রেঙে ওঠে। বাঘছাল ছাড়া অন্য পোশাক ঠিক পোষায় না আমার।
- আমি তো ইচ্ছে করে দাঁড়াইনা বাপু। সে তো অনেক যুগ আগের গল্প,লোডশেডিং হয়ে গেছিলো তাই ভুল করে তোমার ওপরে দাঁড়িয়ে পড়েছিলাম। আলো আসাতে লজ্জায় আমার জিভ কাটা যায় আর কি! এই গল্পই তো বহুবছর ধরে চলে আসছে।
- আমার ওপরে তোমার অধিকার,মুণ্ড থেকে মন সবখানেতে তুমি বিরাজমান শ্যামা।
গণেশের প্রবেশ,
ও মাম্মা! দেখোনা দিদিরা বলছে এবারে তোমরা দুজনে যাবে,আমায় নিয়ে যাবেনা। কেনো গো? আমিও যাবো।
-না গনু সোনা,এবারে তুমি নয়। পরের বছর আবার যেও।
-কেনো মাম্মা?
এই গনু কথা শুনতে হয় বড়োদের,মহাদেব বললেন। তুমি কদিন আগেই ঘুরে এসেছো আর নয়। এবার তোমরা চার ভাইবোন বাড়ী সামলে রাখবে। আমি আর মাম্মা ঘুরে আসবো। অনেক লাড্ডু মিষ্টি আনবো তোমার জন্য। এখন যাও,আমরা একটু প্যাকিং করে নিই।
মুখ গোমড়া করে গনু চলে গেলো দিদিদের কাছে।
-চলো গিন্নী সব গুছিয়ে নাও। তোমার জন্য একটু সাজগোজের জিনিস এনেছি।
-দূর আমি কালো,সাজ কি আমায় মানায়?
কি যে বলো? ওই কালো রূপেই মজেছি আমি। রূপ দিয়ে কি হয় বলো? গুণটাই আসল।
-তাও তো ছেলেরা ফর্সা মেয়ে খোঁজে।
-মন কালো না হলেই হবে গিন্নী।
-তবে আমায় বরং আত্মরক্ষার অস্ত্র দিয়ো কিছু। ওখানে যা অবস্থা কসমেটিকসের চেয়ে লড়াইয়ের কসরত শিখে নেওয়াটা বেটার।
-তা ঠিক গিন্নী।
-দেখো তোমার সাথে কথা বলতে বলতে আমার প্যাকিং কমপ্লিট। এরপর বেরোবার পালা।
চলো সব প্যান্ডেল সেজে উঠেছে। আলোর মেলা চারিদিকে। তোমার পুজোয় সব আঁধার কেটে আলোর দিশা দেখুক সবাই। সকল কষ্ট ঘুচুক সবার।
সকলকে জানাই শ্যামাপুজো ও দীপাবলির শুভেচ্ছা। আলোর জোয়ারে ভেসে উঠেছে শহর, আমরাও সামিল হই এই আনন্দঘন মুহূর্তে।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫
শিরোনাম - নাড়ু কাহিনী✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
শিরোনাম - প্ল্যান অফ পুজো✍️ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম - প্ল্যান অফ পুজো
✍️ডা: অরুণিমা দাস
অফিস থেকে ফিরে ফ্রেশ হয়ে লো টোনে মিউজিক প্লেয়ার চালিয়ে দিলো বিশাল। একটু পরেই কাজ নিয়ে বসতে হবে ল্যাপটপে। এবারের টার্গেট কমপ্লিট না করতে পারলে পুজোতে ছুটি দেবেননা বস বলেই দিয়েছেন। তাই একটু স্ট্রেসেই আছে বিশাল। এক কাপ কফি নিয়ে সোফায় হেলান দিয়ে বসলো বিশাল। কিছুক্ষণের মধ্যেই মোবাইলটা বেজে উঠলো। বসের ফোন ভেবে তাড়াতাড়ি রিসিভ করতে গিয়ে দেখে স্ক্রীনে ভাসছে অঙ্কুরের নাম! ফোনটা ধরতেই ওপাশ থেকে আওয়াজ এলো করে বিশু কি খবর তোর?এখন তো তোর পাত্তা পাওয়াই মুশকিল।
- আর পাত্তা? বস যা টার্গেট দিয়েছে খুব চাপে আছি রে! কমপ্লিট করতে না পারলে পুজোতে নো ছুটি। সেই জন্য ঘাড় গুঁজে ল্যাপটপের সামনে বসে আছি সারাদিন। তোর খবর বল অঙ্কু।
- আমার আবার কি খবর? তোর তো ওয়ার্ক ফ্রম হোম আর আমার ওয়ার্ক আউট অফ হোম। পুজোতেও ডিউটি বাড়বে,আমি জুনিয়র মোস্ট বলে পুজোর চারদিনে দুদিন তো ডিউটি দেবেই। আর তখন পেশেন্ট লোড ও বাড়বে,কি যে করবো জানিনা!
- কি আর করবি? পেশেন্ট দেখবি অফলাইনে আর অনলাইনে দেখবি ঠাকুর।
অঙ্কুর হেসে ফেললো। তারপর বললো,
- ছাড় তো এসব! পুজো প্ল্যান কিছু করেছিস?
বিশাল - প্ল্যান? ধুর ওসব করে কি করবো বল তো? বস ছাড়বে কিনা তার ঠিক নেই।
অঙ্কুর - এক কাজ করি চল,আমরা বরং এবারে একটা ঘরোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করি। একটু অন্যরকম হবে। বেশ নাটক,নাচ গান,আবৃত্তি আর খাওয়াদাওয়া থাকবে। কোথাও যখন সেরকম বেরোতে পারবনা তখন বাড়ীতেই কিছু হোক।
বিশাল - আইডিয়াটা মন্দ নয় বুঝলি! আমার বাড়ির বৈঠক খানাতে একটা ছোট্ট আয়োজন হতেই পারে। ডিউটি শেষ করে রাতের বেলা না হয় আয়োজন হবে।
অঙ্কুর - ছোটবেলাতে পুজোর আগে যেমন কদিন স্কুলে প্রোগ্রাম হতো সেটা মাথায় রেখেই কিছু ভাবি বুঝলি!
বিশাল - হ্যা ভাব সেরকম কিছুই। আর হয়তো ম্যাক্স ১০ মিনিট আমি কথা বলতে পারবো। তারপর আবার ল্যাপটপে বসতে হবে।
অঙ্কুর - একটা ভালো নাটক ভেবেছি,'চোখে আঙুল দাদা!' আমাদের স্কুলের গ্রুপে দিয়ে দেবো। আরো কিছুক্ষন নিশ্চয়ই রাজী হবে। বেশ একটা মজার পরিবেশ তৈরি হবে।
বিশাল - হ্যা তাই কর। আর যারা নাটকে অভিনয় করবেনা তারা গান বা আবৃত্তি করতে পারবে। পুজোতে বেরোতে না পারলেও মনমরা হয়ে থাকবোনা কেউ।
অঙ্কুর - ঠিক বলেছিস। ওই জন্য এখন থেকে প্ল্যান করা শুরু করলাম। আর পুজোতে ট্রিপ যেটা আমরা প্ল্যান করেছিলাম আগে ওটা না হয় পুজোর পরে টার্গেট ফুলফিল হলে ডিসেম্বরে করা যাবে।
বিশাল - এখন যা মার্কেট,আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর যুগে সবাই রিপ্লেসেবল। তাই বসের দেওয়া টার্গেট যেমন করেই হোক কমপ্লিট করে আমায় দুটো দিন পুজোতে ম্যানেজ করতে হবে। সাথে নাটকের জন্য রিহার্সালও আছে।
অঙ্কুর - হ্যা ওই শনি বা রবিবার করে রিহার্সাল করতে হবে। আর তো সময় পাবোনা অন্যদিন গুলো। তাও আমার রোববার রোটেশন ডিউটি পড়ে গেলে মুশকিল।
বিশাল - দেখ যেটুকু বুঝলাম ওই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আর গেট টুগেদার ওটাই পুজোতে আমাদের আসল প্ল্যান। এর মধ্যে দিয়েই আমরা নিজেদের খুশী রাখবো। মা দুর্গা আসছেন বলে কথা! মন খারাপের কোনো অবকাশ নেই। প্যান্ডেল হপিং করতে না পারলেও অনলাইন শপিং আর টিভিতে ঠাকুর দেখতে কোনো বাধা তো নেই।
অঙ্কুর - একদম। বাড়ী বসে ঠাকুর দেখার মধ্যেও আনন্দ আছে। আশীর্বাদ নিশ্চই কম কিছু পাবোনা এতে। আর রোগী সেবা মানেই ঈশ্বর সেবা।
বিশাল - যান্ত্রিক জীবন থেকে একটু সরে গিয়ে যেটুকু আনন্দ ভাগ করে নিতে পারবো সেটাই অনেক। এই বছর টার্গেট ফিল করে কে বলতে পারে পরের বছর হয়তো চারদিনই ছুটি পেলাম।
কাজের মধ্যে দিয়েই নয় এই বছর ঈশ্বর কৃপা লাভ করবো।
অঙ্কুর - নে তোর দশ মিনিট প্রায় শেষ হয়ে এলো। মন দিয়ে কাজ কর। ইনিশিয়াল প্ল্যান তো হলো, বাকিটা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আপডেট হবে সময় মতন।
বিশাল - হ্যা,এখন ফোনটা রাখি। কাজ নিয়ে বসি। দেখি কতদূর এগোতে পারি। ভালো থাকিস। তোর সাথে কথা বলে মনটা ভালো হয়ে গেলো। একরাশ ভালোলাগা জন্ম নিলো। আশা রাখি প্ল্যানমাফিক অনুষ্ঠানটা ভালোই হবে।
অঙ্কুর - চল বাই,পরে আবার কথা হবে।
কর্মব্যস্ততা আর চাপের মাঝেও দুই বন্ধু যে প্ল্যান করলো পুজোর জন্য সেটা যেনো সাকসেসফুল হয় তার জন্য শুভকামনা রইলো।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
সূচনা✍️ ডা: অরুণিমা দাস
সূচনা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
কাল সারারাত ডিউটি করার পর,সকালে ভাবলাম একটু মহালয়া শুনবো। কিন্তু ঘুমের জন্য শোনা হলো না। ২-৩ ঘন্টা ঘুমের পর সকালে আবার একটা কেস উঠলো। ওটিতে স্যার মহালয়ার গান চালিয়েছিলেন। বেশ একটা অন্যরকম অনুভূতি। তার মধ্যেই একটা সিজার হলো। স্যার হেসে জিজ্ঞেস করলেন কি হয়েছে? দুর্গা না মহিষাসুর? হেসে বললাম দুর্গা,কিন্তু!
-কিন্তু কি রে?
- স্যার বাচ্চাটার ক্লেফট লিপ আর প্যালেট আছে। সত্যিই দুর্গা,ওকে এরপর কতগুলো অপারেশনের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে কাটা তালু আর কাটা ঠোঁট ঠিক করতে। তবুও পূণ্য লগ্নে জন্মেছে মেয়েটা! সবাই বলছে ঠিক লড়বে কিন্তু ওর মায়ের মন খারাপ কারণ প্রথম সন্তান মেয়ে আবার দ্বিতীয় সন্তানও মেয়ে তাও আবার একটু ত্রুটিপূর্ণ। বোঝানো হলো ছেলে মেয়ে সবাই সমান মন খারাপ কোরোনা তাও এরকম দিনে। বাচ্চাটাকে নবজাতক বিভাগে পাঠিয়ে ওটি শেষে সবাই ফিরলাম যে যার মতো,বুঝলাম দেবীপক্ষের সূচনা বোধহয় এভাবেও হয়। ভালো থাকুক বাচ্চাটা,বড়ো হোক নিজের জীবনীশক্তি দিয়ে লড়াই করে।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
শিরোনাম - বসু কথা✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
শিরোনাম - স্ট্র্যাটেজি✍️ ডা:অরুণিমা দাস
আমার ডায়েরি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
আমার ডায়েরি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
সারাদিনের কাজের শেষে ডায়েরী লেখা অভ্যেস রিনির। ডিনার করে ডায়েরী টা খুলে বসলো ও। পাতা গুলো উল্টোতে গিয়ে একটা পাতায় গিয়ে চোখ আটকে গেলো ওর। ওর কলেজ জীবনের কিছু কথা নিয়ে লেখা ছিল।
পড়তে শুরু করলো ও। লেখা রয়েছে,
আশা করি তোমরা সকলে ভালো আছো। একসময় আমাদের চার জনের একটা দল ছিল। কলেজে পড়তে এসে তোমাদেরকে পেয়ে নিজেকে খুব লাকি ভেবেছিলাম। ভেবেছিলাম তিনটে বছর খুব আনন্দে কাটবে। কিন্তু মাস তিনেক পর বুঝতে পারলাম ভাবনা সব ভুল ছিল। তোমাদের ব্যবহারে নিজেকে খুব এলোমেলো লাগছিলো। তোমাদের মতো অতটা আধুনিক হতে পারিনি, না পোশাকে, না খাওয়াদাওয়া আর পানে। একটু একটু করে দূরে সরিয়ে দিচ্ছিলে আমায়। কোথাও খেতে বা ঘুরতে গেলে আমাকে আলাদা করে দিয়ে অনুভব করাতে বাধ্য করলে যে আমি ভিন্ন। বুঝতে পেরেছিলাম, আসতে আসতে সরে এলাম। কলমকে নিজের বন্ধু করলাম। দু একটা লেখা যখন সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করতাম, হাসতে তোমরা। উল্টোপাল্টা মন্তব্যও করতে। কিন্তু দমে যাইনি আমি। হয়তো খুব ভালো লিখি না কিন্তু কলমকে বন্ধু করে খুব শান্তিতে আছি। আজও তোমাদের সাথে দেখা হলে হাসিমুখে কুশল বিনিময় করি। এটা আমার মা বাবার শেখানো আর আমি এটাকে ভদ্রতা বলে মনে করি । আজ তোমরা আমায় না ডাকলেও আর দুঃখ হয়না। নিজের জগতে আমি বেশ ভালো আছি। তোমাদের নেগেটিভ কথা আমার মধ্যে অনেক পজিটিভিটির সঞ্চার করেছে। তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ তোমাদের কাছে। তোমরা তোমাদের মত করে ভালো থেকো ত্রয়ী। ঈশ্বরের কাছে তোমাদের সার্বিক মঙ্গল কামনা করি।
পুরোটা পড়ার পর চোখের কোলটা ভিজে এলো ওর। সত্যি এখন অনেক বেশী ভালো আছে ও। নিত্য দিনের অসম্মান হজম করার চেয়ে কলমের সাথে বন্ধুত্ব করে খুব শান্তিতে আছে ও। চিৎকার গুলো কলম দিয়ে বেরিয়ে যায় সহজেই। কষ্ট সব ধুয়ে মুছে যায় কালির স্রোতে। বুক ভরে একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে রিনি। এরকম শান্তির জীবন যাপনের চেয়ে বড় কিছু হতে পারেনা। লোক দেখানো বন্ধুত্বের থেকে নিজেই নিজের বন্ধু হওয়া অনেক ভালো।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
আমার ডায়েরি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
আমার ডায়েরি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
সারাদিনের কাজের শেষে ডায়েরী লেখা অভ্যেস রিনির। ডিনার করে ডায়েরী টা খুলে বসলো ও। পাতা গুলো উল্টোতে গিয়ে একটা পাতায় গিয়ে চোখ আটকে গেলো ওর। ওর কলেজ জীবনের কিছু কথা নিয়ে লেখা ছিল।
পড়তে শুরু করলো ও। লেখা রয়েছে,
আশা করি তোমরা সকলে ভালো আছো। একসময় আমাদের চার জনের একটা দল ছিল। কলেজে পড়তে এসে তোমাদেরকে পেয়ে নিজেকে খুব লাকি ভেবেছিলাম। ভেবেছিলাম তিনটে বছর খুব আনন্দে কাটবে। কিন্তু মাস তিনেক পর বুঝতে পারলাম ভাবনা সব ভুল ছিল। তোমাদের ব্যবহারে নিজেকে খুব এলোমেলো লাগছিলো। তোমাদের মতো অতটা আধুনিক হতে পারিনি, না পোশাকে, না খাওয়াদাওয়া আর পানে। একটু একটু করে দূরে সরিয়ে দিচ্ছিলে আমায়। কোথাও খেতে বা ঘুরতে গেলে আমাকে আলাদা করে দিয়ে অনুভব করাতে বাধ্য করলে যে আমি ভিন্ন। বুঝতে পেরেছিলাম, আসতে আসতে সরে এলাম। কলমকে নিজের বন্ধু করলাম। দু একটা লেখা যখন সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করতাম, হাসতে তোমরা। উল্টোপাল্টা মন্তব্যও করতে। কিন্তু দমে যাইনি আমি। হয়তো খুব ভালো লিখি না কিন্তু কলমকে বন্ধু করে খুব শান্তিতে আছি। আজও তোমাদের সাথে দেখা হলে হাসিমুখে কুশল বিনিময় করি। এটা আমার মা বাবার শেখানো আর আমি এটাকে ভদ্রতা বলে মনে করি । আজ তোমরা আমায় না ডাকলেও আর দুঃখ হয়না। নিজের জগতে আমি বেশ ভালো আছি। তোমাদের নেগেটিভ কথা আমার মধ্যে অনেক পজিটিভিটির সঞ্চার করেছে। তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ তোমাদের কাছে। তোমরা তোমাদের মত করে ভালো থেকো ত্রয়ী। ঈশ্বরের কাছে তোমাদের সার্বিক মঙ্গল কামনা করি।
পুরোটা পড়ার পর চোখের কোলটা ভিজে এলো ওর। সত্যি এখন অনেক বেশী ভালো আছে ও। নিত্য দিনের অসম্মান হজম করার চেয়ে কলমের সাথে বন্ধুত্ব করে খুব শান্তিতে আছে ও। চিৎকার গুলো কলম দিয়ে বেরিয়ে যায় সহজেই। কষ্ট সব ধুয়ে মুছে যায় কালির স্রোতে। বুক ভরে একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে রিনি। এরকম শান্তির জীবন যাপনের চেয়ে বড় কিছু হতে পারেনা। লোক দেখানো বন্ধুত্বের থেকে নিজেই নিজের বন্ধু হওয়া অনেক ভালো।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পাঠ প্রতিক্রিয়া বইয়ের নাম - কপিলাবস্তুর কলসলেখক - প্রীতম বসু ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
শিরোনাম - নাচ না জানলে উঠোন বাঁকা✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫
চিঠিপত্র - ল্যান্ডিং ইন ধরাধাম লেটার টু ফ্যামিলি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫
Title: MiddleMen: Bridging Justice
বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫
WeDidIT: Cultivating Compassion and Leadership Through Volunteering
বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫
সাফল্য দেবে ধরা✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫
কবিগুরুর সৃষ্টি ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫
ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫
বেদুইন✍️ ডা:অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫
লেটার টু বৃষ্টি দি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০২৫
স্বপ্ন সফলে প্রয়াস✍️ ডা:অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫
তেল কারে কয়?✍️ ডা:অরুণিমা দাস
তেল কারে কয়?
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
একটা কথা আছে না, "বাটার লাগানে বালে কি হাত মে হামেশা চাক্কু রহতা হ্যায়।" কথাটা বাস্তবে সবসময় যুক্তিযুক্ত। যন্ত্রের কোনো অংশ শব্দ করে প্রতিবাদ জানালেই তাকে তেল দেওয়া হয় যাতে আর শব্দ না করে, কিন্তু তার সাথে এটাও সতর্কতার সঙ্গে দেখা হয় যাতে এটা আর পুনরাবৃত্তি না হয়। মুখ বুজে নিঃশব্দে কাজের বোঝা টেনে যাও, তাহলেই তুমি সবার চোখে সেরা। যেই না আওয়াজ করেছো তখনি জেনে নিও তোমার বদলের জন্য সবাই উঠে পড়ে লাগবে। তেল তোমায় ততদিন দেবে যতদিন তার নিজের স্বার্থ আছে। স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে আর এক ফোঁটা তেল খরচ করতেও তার বিবেকে বাঁধবে। তখন বরং সে ভাববে পরিবর্তনের কথা, নতুন কাউকে আনলে সে বরং আগের লোকের থেকে ভালো কাজ দেবে। সবাই শুধু মুনাফা লোটার খেলায় মত্ত কেউ অন্যের ভালো চায় না। যতদিন পর্যন্ত তুমি সার্ভিস দিতে পারবে ততদিন পর্যন্ত তুমি সবার চোখে ভালো। যেদিন থেকে কলরব শুরু করবে সেদিন থেকেই তুমি বাতিলের খাতায়। যন্ত্র আর যন্ত্রাংশ একটি প্রতীক মাত্র, বর্তমান সময়ে এই ভাবেই সবকিছু চলছে। যুগের সাথে এসব বাতিল তালিকার সংখ্যা আরও বাড়বে বই কমবেনা।
"তেলের কদর বুঝবে, যতদিন পর্যন্ত মুখবুজে করে যাবে কাজ
পরিত্যক্ত ঘোষণা করবে সেদিন, যেদিন করবে তুমি আওয়াজ!"
শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫
চাওয়া পাওয়া✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫
গুরুপূর্ণিমা✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫
শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...
-
ঘোষ বুড়ী ©সুদেষ্ণা দত্ত গ্রামের নাম সুন্দরগ্রাম--বাংলা মায়ের কোল ঘেঁষা সুজলা,সুফলা,শান্তির নীড় ঘেরা এক গ্রাম।গ্রামের অধিকাংশ লোকই কৃষি...
-
আমার অকাজের লিস্টি ✍️ ডা: অরুণিমা দাস ২০২৫ এ পড়ে ফেলা বইগুলোর তালিকা তৈরী করেই ফেললাম। ভিন্ন স্বাদের সব বইগুলো। মন ভালো করে দেয়। তালিকা...
-
অণু গল্প ----সাথী হারা। কলমে-- পারমিতা মন্ডল। দীঘার সমুদ্রে একা একা হেঁটে চলেছে সৈকত । এই বালুকাবেলায় , রামধনু রং আকাশের দিকে তাকিয়ে মনটা বড়...