শিরোনাম - একটা ছোট্ট ভালো লাগা
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
কলেজ জীবনের প্রিয় এক বন্ধু যার সাথে প্রায় চার বছর দেখা হয়নি আর ফোনেও খুব একটা কথা হতোনা দুজনের ব্যস্ততার কারণে। এই বছরের প্রথম থেকে দেখা হবার প্ল্যান করেও সম্ভব হয়নি দুজনের ব্যস্ততার কারণে আর অবশ্যই ডিউটিতে চাপের জন্য। আমার যেদিন ডিউটি থাকতো না সেদিন ওর থাকতো আর ওর যেদিন ডিউটি থাকতো না সেদিন আমার থাকতো। ব্যাটে বলে কিছুতেই মিলছিলোনা। একদিন হঠাৎই বন্ধু ফোন করে বললো চলো একদিন দেখা করবো। একটা দিন ম্যানেজ করে নিয়েছি,তাও ডিপার্টমেন্ট অনেক কথা শুনিয়ে দিয়েছে। শুনে বললাম ছাড়ো তো, দুটো কান সরলরেখায় আছে,এক কান দিয়ে শুনে নেবে আর আরেক কান দিয়ে বের করে দেবে কথা গুলো। তো চলো দেখা করা যাক। একটা গ্রামের মতো জায়গা থেকে ডিউটি করে সেখানে এত স্ট্রেস সামলে সে যে একটা দিন বের করতে পেরেছে এটাই আমার জন্য অনেক বড়ো ব্যাপার। সম্প্রতি তার সাথে দেখা করে খাওয়াদাওয়া গল্প আড্ডা দিয়ে মনটা ভালো হলো। আর তার ডিউটিতে বেশ কিছু অনভিপ্রেত ঘটনা শুনে মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে উঠেছিলো। যাই হোক একটা কাজের জায়গায় ভালো মন্দ দুই ই থাকবে এবং সেটা মেনে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। আর চাপের মাঝে আড্ডা গল্প এগুলো নিজেকে ভালো রাখার রসদ। অনেক কথা হলো,কাজের জায়গা নিয়ে কথা ছাড়াও একটু বুকশপে ঘোরা,এককোণে বসে বইয়ের কিছুটা পড়ে বিষয়বস্তু বুঝে নেওয়া,কফি খেয়ে ক্লান্তি দূর সরিয়ে নিজেদের সতেজ রাখা। নিজেকে ভালো রাখতে এই জিনিসগুলো খুব দরকার। এই মিটিংগুলো স্ট্রেস বাস্টারের কাজ করে আবার পুরোনো কিছু মনে রাখার মতো দিনের কথাও জানান দিয়ে যায়। এই ছোট ছোট ভালোলাগা গুলো যেমন আত্মতৃপ্তি দেয় আবার নতুন উদ্যমে কর্মজীবনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস