পাঠ প্রতিক্রিয়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
পাঠ প্রতিক্রিয়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫

আমার অকাজের লিস্টি✍️ ডা: অরুণিমা দাস

আমার অকাজের লিস্টি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

২০২৫ এ পড়ে ফেলা বইগুলোর তালিকা তৈরী করেই ফেললাম। ভিন্ন স্বাদের সব বইগুলো। মন ভালো করে দেয়।

তালিকা নিম্নরূপ -

অতঃপর মরিসাকি বইঘরের দিনগুলি - সাতোশি ইয়াগিসাওয়া
আরক্ত ভৈরব - হিমি মিত্র রায়
কে সেই হত্যাকারী - মহুয়া ঘোষ
কালিগুণীন ও বজ্রসিন্দুক রহস্য - সৌমিক দে
কামোগাওয়া রেস্তোরায় আপনাকে স্বাগতম - হিসাশি কাশিওয়াই
একডজন পৌরাণিক - সমুদ্র বসু
হাসতে হাসতে খুন - পূর্ণেন্দু পত্রী
কুসুমপুরে কিডন্যাপ - সুমন্ত কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
গোয়েন্দা শিখা - প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
দধীচি - তমোঘ্ন নস্কর
ফারাওয়ের অভিশাপ - নন্দিতা মুখোপাধ্যায়
চতুষ্পাঠী - স্বপ্নময় চক্রবর্তী
বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে - হিমাদ্রী কিশোর দাশগুপ্ত
কপিলাবস্তুর কলস - প্রীতম বসু
রামায়ণ রহস্য - সিজার বাগচী
চিলেকোঠার ঘর - রাস্কিন বন্ড

এছাড়াও রয়েছে পূজাবার্ষিকি - সর্বভূতেষু,
মাসিক পত্রিকা,কিছু অর্ধসমাপ্ত বই। আগামীতে আরো পড়ার ইচ্ছে রইলো।


সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

পাঠ প্রতিক্রিয়া বইয়ের নাম - কপিলাবস্তুর কলসলেখক - প্রীতম বসু ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

পাঠ প্রতিক্রিয়া 
বইয়ের নাম - কপিলাবস্তুর কলস
লেখক - প্রীতম বসু 
✍️ ডা: অরুণিমা দাস 


বেশ কিছু মাস আগে পড়েছিলাম হিমাদ্রী কিশোর দাশগুপ্তের লেখা বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে বইটি। অসম্ভব ভালো লেগেছিল বইটি যার জন্য ভাতঘুম কেও অগ্রাহ্য করেছিলাম। তেমনি আজ রাতের ঘুম কে অগ্রাহ্য করে পড়ে শেষ করলাম কপিলাবস্তুর কলস বইটি। ৪০০ পাতার বইটিতে ছত্রে ছত্রে রয়েছে থ্রিলারের ছোঁয়া। বিষয়বস্তু বুদ্ধদেবের পবিত্র অস্থি নিয়ে। সেই অস্থি নিয়ে বেআইনি ব্যবসার জন্য কত লোকে কতরকম প্ল্যান করেছিল। উদ্দেশ্য ছিলো মুনাফা লোটার। কিন্তু কপিলাবস্তু নেপাল না ভারতের এই দ্বন্দ্বে ইউ এন নিউইয়র্কে যে বিতর্ক সভা অনুষ্ঠিত হবার ঘোষণা হয় সেই সভাতে আসার জন্য ড: উইকিস এর ছাত্রী রিধিমা যে তথ্যগুলো সংগ্রহ করে তাতে বোঝা যায় পিতরাওয়া তে পাওয়া অস্থি কপিলাবস্তুর নয়। আর এটা সত্যি প্রমাণ করতে গিয়ে খুন হন ড উইকিস ও তার সহকারী ড হফম্যান আর প্রফেসর রিচার্ড। আসল কলসের সন্ধান দিয়ে গেছিলেন রিধিমার দাদা ড: সিদ্ধার্থ বোস তাঁর লেখা ডায়েরীতে, আসল কলসের উদ্ধারকর্তা ছিলেন দেবচরণ, তার স্ত্রী তুলসী আর মেয়ে রাজকুমারী। আর সিদ্ধার্থ বে আইনী কাজে লিপ্ত না হতে চাওয়ায় কু কীর্তির অধিকারী লি ঝেন তাকে সরিয়ে দিতে চেয়েছিলো তার পোষা গুন্ডাদের দিয়ে। কিন্তু গুন্ডারা সিদ্ধার্থ কে ড্রাগ ইনজেক্ট করে এক বৌদ্ধ মঠে লিনপোচে নামক লামার হাতে তুলে দেয়। লামা তাকে প্রাণে বাঁচিয়ে প্রচার করে যে বোধিসত্ত্ব মঞ্জুশ্রী লামা ফিরে এসেছেন মঠে আর সকলের কাছে ভগবান হিসেবে পূজিত হন। লিনপঁচে এর আসল উদ্দেশ্য ছিলো বুদ্ধের হাড়গুলো একে একে সংগ্রহ করে একটা কাঠামো বানিয়ে চড়া দামে বিক্রি করার। তাই লি ঝেন কে দিয়ে এক জিগস পাজলারকে নিয়ে আসেন মঠে যার নাম ছিলো হরিপরসাদ। হরিকে নিয়ে যাওয়া হয় মঞ্জুশ্রী লামা এর সামনে। মঞ্জুশ্রী ওরফে সিদ্ধার্থ সেও পাজল সলিউশনে বেশ চোস্ত ছিলো। সে হরিকে ওয়ার্ড জাম্বল দিয়ে পালাবার পথ বলে দেয় যা লিনপঁচে বুঝতে পারে না। এদিকে রিধিমাকে লি ঝেন এর লোকেরা কব্জা করে অনেক বিপদে ফেলে। উদ্ধারকর্তা হয় সুনয়ন,ড: উইকিস এর ছেলে। নিউইয়র্কের বেস্ট হ্যাকারদের মধ্যে একজন ছিলো সুনয়ন। সুনয়নের মা  ভক্তি দেবী সেই দেবচরণের বংশধর ছিলেন। রিধিমা কিছু তথ্য ভক্তিদেবীর থেকেও পেয়েছিল। রিধিমাকে সমস্ত বিপদ থেকে সুনয়ন উদ্ধার করে ফাইনালি ডিবেট সভাতে লি ঝেন এর আসল স্বরূপ প্রকাশ করে দেয়। এদিকে হরি মঞ্জুশ্রী লামার সংকেত অনুসরণ করে পালিয়ে যায় ও পুলিশের সাহায্যে মঞ্জুশ্রী লামাকে উদ্ধার করে। রিধিমা ফিরে পায় হারিয়ে যাওয়া দাদা সিদ্ধার্থকে। সাহসিকতার জন্য সুনয়ন পুলিৎজার পুরস্কার পায়। ভক্তির থেকে বুদ্ধাপট সংগ্রহ করে এক মিউজিয়ামে রেখেছিলেন ড: উইকিস্। সেটা সিদ্ধার্থ উদ্ধার করতে সাহায্য করে। সব শেষে রিধিমা সিদ্ধার্থ আর সুনয়ন রওয়ানা দেয় ভারতের উদ্দ্যেশ্যে। সুনায়ন যাবে তরাই অঞ্চলে গবেষণা করতে যেখানে তার পূর্বপুরুষ দেবচরন এক সময় থাকতেন। আর সিদ্ধার্থকে নিয়ে রিধিমা দিল্লী ফিরে গিয়ে সুনয়নের জন্য অপেক্ষায় থাকবে। 
আর পাঠকেরা যারা বইটি পড়েননি আর অপেক্ষা না করে পড়ে ফেলুন টানটান উত্তেজনা আর গবেষণা মূলক থ্রিলার এই বইটি। দুর্দান্ত এক অভিজ্ঞতা হবে,এটুকু বলতে পারি। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫

পাঠ প্রতিক্রিয়া বইয়ের নাম - বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে লেখক - হিমাদ্রী কিশোর দাশগুপ্ত✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 পাঠ প্রতিক্রিয়া
 বইয়ের নাম - বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে
 লেখক - হিমাদ্রী কিশোর দাশগুপ্ত
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

সম্প্রতি পড়ে শেষ করলাম বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে বইটি। অনেকদিন পর সম্পূর্ণ ভিন্নস্বাদের একটা গল্প পড়লাম। বইটি শেষ না হওয়া অবধি এক অমোঘ আকর্ষণ অনুভব করছিলাম যেই টানে ভাতঘুমের সুযোগ হেলায় দূরে সরিয়ে পুরোটা পড়লাম এক অদ্ভুত সুন্দর ভালোলাগা নিয়ে। 
গল্পের ঘটনাস্থল কম্বোডিয়ার আঙ্কোরভাট মন্দির যেখানে রয়েছে বিষ্ণুলোক,যেখানে ঠাঁই পেতে অনেক পূণ্য অর্জন করতে হয়। সেই মন্দিরের সংস্কার কার্যে ভারত থেকে এক প্রত্নতত্ত্ব বিদ তাঁর টিম নিয়ে উপস্থিত হন। কিন্তু তাদের কাজে বাঁধা দিতে অনেকেই পেছনে লেগেছিল। তাদের বেশিরভাগের মতলব ভালো ছিলোনা। এর আগে বলে নেওয়া যাক বর্মন রাজাদের কিছু কথা। রাজা মহাবর্মনের শাসনকালের পর হরিদেব আর ধরিন্দ্রী বর্মনের মধ্যে সিংহাসন দখলের এক ঠান্ডা যুদ্ধ চলছিল। চামদের সাথে ফন্দি করে কিভাবে রাজা উগ্রদেব ধরীন্দ্রি বর্মনকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন আর সেই পরিকল্পনা সফল হতে দেননি চম্পা নামে একজন নর্তকী যাকে বিষ্ণুর স্বপ্নাদেশে প্রাণভিক্ষা দিয়েছিলেন রাজা ধরীন্দ্রি বর্মন। আবার এটাও বলা আছে গল্পে যে হরিদেব যাতে সিংহাসনে বসতে না পারেন তাই একপ্রকার তাকে পথ থেকে সরিয়ে দেন ধরীন্দ্রী বর্মন,তাও মাহুতের সাহায্য নিয়ে হাতির পায়ের তলায় পিষে দিয়ে। তারপর সেই মাহুতকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। মাহুতের মেয়ে ও স্ত্রী সেই বদলা নিতে উগ্রদেবকে প্ররোচিত করে রাজা ধরিন্দ্রী বর্মনকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য। চম্পা নিজের প্রাণের বিনিময়ে ধরিন্দ্রীকে বাঁচিয়ে দেয়। কিন্তু তার প্রাণপুরুষ বনহির সাথে তার মিলন হয়না। সেই বনহি এই জনমে স্বাগত নামে জন্ম নেয় যে ওই প্রত্নতত্ত্ববিদের টিমে ছিলো। চম্পা মাঝে মাঝেই এক খাম মেয়ের রূপ ধরে এসে বিষ্ণুলোকের চাতালে বসে স্বাগতকে পূর্বজন্মের কথা গল্পের মতো করে বলতো। আর মন্ত্রমুগ্ধের মত স্বাগত শুনতো সেই গল্প হারিয়ে যেতো বনহির মধ্যে। উগ্রদেবের উত্তর পুরুষ হারুম চেষ্টা করে উগ্রদেবকে মুক্তি দিয়ে বিষ্ণুলোকে প্রবেশ করানোর কিন্তু শেষ পর্যন্ত উগ্রদেবের মুক্তি হয়না আর তার প্রবেশও হয়না বিষ্ণুলোকে। এর মাঝেই দুজন ব্যক্তির খুন হয় বিষ্ণু লোকে গুপ্তধনের সন্ধানে গিয়ে। তাই কম্বোডিয়া সরকার সংস্কারকার্য বন্ধ করিয়ে স্বাগতদের দেশে ফিরে যেতে বলেন। আর স্বাগত বিষ্ণুমন্দিরে দাঁড়িয়ে প্রতিজ্ঞা করে আর কোনোদিন এখানে সে আসবেনা কারণ এলেই চম্পার কথা তার মনে পড়বে আর নিজেকে সামলাতে পারবেনা। সব কিছু ভুলে যেতে চেষ্টা করবে স্বাগত। কিন্তু স্বাগত ভুলতে পারলেও এই গল্পের চিত্রপট পাঠকের মনে এক চিরস্থায়ী জায়গা করে নেবে বলে আশা রাখি। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৫

পাঠ প্রতিক্রিয়া বইয়ের নাম-কামোগাওয়া রেস্তোরায় আপনাকে স্বাগতম লেখকের নাম-হিসাশি কাশিওয়াই✍️ ডা:অরুণিমা দাস

পাঠ প্রতিক্রিয়া
 বইয়ের নাম-কামোগাওয়া রেস্তোরায় আপনাকে স্বাগতম
 লেখকের নাম-হিসাশি কাশিওয়াই
✍️ ডা:অরুণিমা দাস


সম্প্রতি পড়েছি কামোগাওয়া রেস্তোরায় আপনাকে স্বাগতম বইটি। বইটি মূলত জাপানী লেখকের লেখা,অনুবাদ করেছেন ফারহানা জাহান। থ্রিলার, ভৌতিক,তন্ত্র,হাসি মজা এসব বই পড়ার পর ভিন্ন স্বাদের একটি বই হলো এই বইটি। 
যে খাবার অনেকদিন আগে খেয়েছেন,কিন্তু হারিয়ে ফেলেছেন সেই স্বাদ,আবার যদি খেতে চান সেই খাবার তার সন্ধান করতে পারেন কামোগাওয়া রেস্তোরায়। রেস্তোরাঁর মালিক হলেন নাগারে কামোগাওয়া,সহকারী হিসেবে তাঁর মেয়ে কোয়িশি কামোগাওয়া। তাঁরা শুধু হারিয়ে যাওয়া স্বাদের খাবারই পরিবেশন করবেন না,ফিরিয়ে দেবেন খাবারের পারিপার্শ্বিক পরিবেশের অনুভূতি। গোয়েন্দা গল্প অনেক পড়লেও কোয়িশির খাদ্য গোয়েন্দা পরিষেবার কোনো তুলনা হয়না। রেস্তোরায় গ্রাহক শুধু হারিয়ে যাওয়া খাবারের স্বাদ পাবেন না,সাথে পাবেন গোয়েন্দা পরিষেবার সুবিধা। সমস্ত উদ্দেশ্য পূরণ করতে মেয়ে ও বাবা নিজেদের সবটুকু দিয়ে চেষ্টার কোনো খামতি রাখেন না। এই ভিন্ন স্বাদের বই 'কামোগাওয়া রেস্তোরায় আপনাকে স্বাগতম' বইটিতে পাঠকদের সুস্বাগতম। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

মঙ্গলবার, ১৩ জুন, ২০২৩

পাঠ প্রতিক্রিয়া ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

পাঠ প্রতিক্রিয়া
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
বইয়ের নাম - জাল
লেখক - মোহাম্মদ নাজিমুদ্দিন

সম্প্রতি পড়ে শেষ করেছি জাল নামের গল্প বইটি। থ্রিলার প্রেমীদের জন্য আদর্শ একটি বই। কিভাবে একজন নামকরা ব্যারিস্টার কে মিথ্যে খুনের অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে আর এক্স ডিবি কে এস কে এর ক্ষুরধার বুদ্ধি আর জটিল পাসলস সলভ করার নৈপুণ্যতায় ব্যারিস্টার রক্ষা পায় শেষ অব্দি সেটাই গল্পের মূল বিষয়। আরও কিছু বিশেষ চরিত্র হলো ডা: মামুন, রফিক, মাহবুব এনারা। আসল খুনি কে ছিলো! খুঁজে বের করতে গিয়ে নাজেহাল হন ডিবি ইনভেস্টিগেটর আমিনুল আর তার সহকারীরা। তাই মাঝে মধ্যে শরনাপন্ন হতেন কে এস কে এর কাছে। এদিকে ব্যারিস্টার নিজেও আলাদা ভাবে কে এস কে এর কাছে যান নিজেকে উদ্ধার করার জন্য। ব্যারিস্টার জানায় একটা জালে তিনি ক্রমাগত আটকা পড়ে চলেছেন। শেষ পর্যন্ত বুদ্ধির জোরে কে এস কে উদ্ধার করেন ব্যারিস্টার কে জাল থেকে। দুর্দান্ত এক থ্রিলার, আর টানটান উত্তেজনায় ভরপুর এই বইটি। আশা করি সকলের ভালো লাগবে।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস




বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ, ২০২২

গ্রন্থালোচনা ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 গ্রন্থালোচনা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

নীহার রঞ্জন গুপ্ত সম্পর্কে কিছু কথা ও তাঁর লেখা 'হাসপাতাল' উপন্যাসের পাঠ প্রতিক্রিয়া

লেখক পরিচিতি -
 ডাঃ নীহাররঞ্জন গুপ্ত (জন্মঃ ৬ই জুন, ১৯১১ – মৃত্যুঃ ২০শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৬) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি ছিলেন জনপ্রিয় রহস্য কাহিনীকার এবং চিকিৎসক। তিনি বিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্র  কিরীটি রায়ের স্রষ্টা হিসেবে উপমহাদেশে স্মরণীয় হয়ে আছেন।১৯১১ সালের ৬ই জুন তৎকালীন  যশোরের (বর্তমান নড়াইল জেলার) লোহাগড়া উপজেলার ইটনায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পরিবার ছিল বিখ্যাত কবিরাজ বংশীয়। তার পিতা-মাতার নাম সত্যরঞ্জন গুপ্ত এবং লবঙ্গলতা দেবী। তিনি শৈশবকাল কাটিয়েছেন কলকাতায়।
ছোটবেলা থেকেই তিনি সবসময় স্বপ্ন দেখতেন লেখক হবার। একসময় তিনি  শান্তিনিকেতনে  গিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের  আশীর্বাদ গ্রহণসহ তাঁর অটোগ্রাফ সংগ্রহ করেন। আঠারো বছর বয়সে নীহাররঞ্জন তার প্রথম উপন্যাস রাজকুমার 
রচনা করেন। ইংল্যান্ডে অবস্থানকালীন সময়ে তিনি গোয়েন্দা গল্প রচনায় আগ্রহান্বিত হয়ে লেখার উত্তরন ঘটান এবং আগাথা ক্রিস্টির সাথে সাক্ষাৎ করেন। ভারতে ফিরে এসে তিনি তার প্রথম গোয়েন্দা উপন্যাস  কালোভ্রমর রচনা করেন। এতে তিনি গোয়েন্দা চরিত্র হিসেবে কিরীটি রায়কে সংযোজন করেন যা বাংলা গোয়েন্দা সাহিত্যে এক অনবদ্য সৃষ্টি। পরবর্তীতে কিরীটি খুব জনপ্রিয়তা পায় বাঙালি পাঠকমহলে। তিনি বাংলা সাহিত্যে রহস্য কাহিনী রচনার ক্ষেত্রে অপ্রতিদ্বন্দ্বী লেখক ছিলেন। উপমহাদেশীয় প্রেক্ষাপট ও উপযোগী করে রচিত হয়েছে তার রহস্য উপন্যাসগুলো। বর্মা বা অধুনা মায়ানমার দেশের কথা বার বার ঘুরে ফিরে এসেছে তার রচনায়। এ পর্যন্ত প্রায় পঁয়তাল্লিশটি উপন্যাসকে  বাংলা ও হিন্দি ভাষায় চলচ্চিত্রায়ণ করা হয়েছে যথাক্রমে টলিউড ও বলিউডে এছাড়াও তিনি শিশুদের উপযোগী সাহিত্য পত্রিকা সবুজ সাহিত্যের সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৮৮ সালে  বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রকর এস এম সুলতান  ইটনায় অবস্থিত নীহাররঞ্জন গুপ্তের বাসভবনে  শিশুস্বর্গ প্রতিষ্ঠা করেন। ২৪ নভেম্বর, ১৯৯৩ সালে নড়াইলের তৎকালীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলী হোসেন এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরবর্তীতে এস এম সুলতানের মৃত্যুর পর শিশু সংগঠনের কর্মীরা তা দখল করে। ২০০৩ সালে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ নীহাররঞ্জন গুপ্তের বাসভবন অধিগ্রহণ ও সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগী হয়। কিন্তু, আজ অবদি এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।

সদ্য পড়ে শেষ করেছি ওনার লেখা একটি বই, হাসপাতাল। খুব সংক্ষিপ্ত ভাবে সেই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার চেষ্টা করছি।

"সৌজন্য বল, বন্ধুত্ব বল, তার মধ্যে অর্থের দেনাপাওনা আনতে নেই। কারণ তাতে করে অতি বড় বন্ধুত্ব বা সৌজন্যের মধ্যেও চিড় খেতে পারে।" -হাসপাতাল

যেহেতু ডাক্তার তাই হাসপাতাল নামে একটা উপন্যাস থাকবেনা আর তা পড়বোনা - তা কি হয়। সব ডাক্তারদের এই বইটি পড়া উচিত বলে আমার মনে হয়। এক মেয়ের জীবন সংগ্রাম। মেয়েদের নিত্য দিনের ইনকমপ্লিট এবরশনের অভিজ্ঞতা। আর পুরুষ সমাজের নিত্য অভ্যাস। হয়ত দিনশেষে বইটি সেই ডাক্তারনীকে করে তুলবে অনেক শক্ত। দিনশেষে কি শর্বরী কি খুব সুখে ছিল? রাত গুলো কি নির্ঘুম হয়নি মাঝে মাঝে? শৈবাল এর দিকটা উপন্যাসে কমই ছিল। সেও বিশাল ভুলের সাক্ষী। কিন্তু সংসারে জেদ, অভিমান খুব খারাপ জিনিস। একপক্ষের জেদ সংসারে আরেকপক্ষকে জেদ করতে শেখায়। মানুশ বেশিদিন সহ্য করেনা। অপরদিকে জলি সেই একরোখা স্বামীকেই মানিয়ে নেবার অসম্ভব ক্ষমতায় কি সুন্দর সাজিয়ে নিল। স্বামীও হয়ে গেল সামাজিক। স্বামীকেও মাঝে মাঝে কম্প্রোমাইজ করতে হয়। আর উপন্যাসের নামের প্রতি সুবিচার রেখে বারবার এসেছে রোগীদেরকথা, ডাক্তারদের কথা, অসহ্য রোগের কথা। আর দিনশেষে লেখক দাবী রেখেছেন ভবিষ্যতের দিকে। রোগের এই জ্বালা থেকে মানুষ যেন মুক্তি পায়। চিকিৎসকের জীবন যে একটা ব্যবসা নয় এটুকু যেন সবাই জানতে পারে। অর্থের মোহে কেউ যেন শতকরা নব্বইজন ডাক্তারের মত ডাক্তারী পড়তে না যায়। আজও যে সব জীবানু মানুষের শরীরে রোগ ছড়িয়ে তাদের অকাল মৃত্যুমুখে টেনে নিয়ে যাচ্ছে তাদের যেন ধ্বংস করার পথ খুজে পায় পড়াশোনা করে। এই রোগ ও রোগের দু:স্বপ্নকে মুছে ফেলে যেন সব চিকিৎসক মঙ্গলের, শান্তির, সুন্দর স্বাস্থ্যের সন্ধান দিতে পারে মানুষকে।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৩ মার্চ, ২০২২

বিষয় - গ্রন্থালোচনা

বিষয় - গ্রন্থালোচনা
✍️ডা: অরুণিমা দাস 

বইমেলা থেকে সদ্য কেনা বইটি পড়ে বেশ ভালো লাগলো। মানুষ যখন বৃদ্ধ হয় তার মূল্য কমে যায়, কিন্তু বৃদ্ধ যদি প্রভূত সম্পত্তির মালিক হন তাহলে তো কোনো কথাই নেই।এরকমই এক অকৃতদার মানুষের সম্পত্তি আত্মসাৎ করার জন্য নানান কৌশল অবলম্বন করেন রিস্তেদারেরা। সেই কৌশল গুলোকেই ফুটিয়ে  তুলেছেন নারায়ণ সান্যাল তাঁর কাঁটা সিরিজের অন্যতম গল্প 
"রিস্তেদারের কাঁটা "তে। 
এই গল্পেরই কিছু লাইন তুলে নিজের পাঠ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার চেষ্টা করছি। 

বাসু বললেন, “শোন টুকু, তোমার বয়স কম, অভিজ্ঞতাও অল্প। যে ঘটনা তোমাদের বাড়িতে ঘটেছে তার ছকটা অতি পরিচিত। যুগে যুগে, দেশে দেশে,এই নাটকটা অভিনীত হয়ে গেছে।
পরিকল্পনার ছকটা সব ক্ষেত্রেই এক রকম। অগাধ সম্পত্তির মালিক বৃদ্ধ বয়সে অসুস্থ হয়ে পড়েন-হয়তো তখন তিনি বিপত্নীক, নিঃসন্তান। সম্পত্তির লোভে দূর-সম্পর্কের আত্মীয়েরা এসে জোটে। যারা এতদিন বৃদ্ধের দেখ্‌ভাল করছিল, নানা ছুতোয় তাদের দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়। পাড়া প্রতিবেশী শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলে। নৌকার হালটা কব্জা করার পরেই রিস্তেদারেরা দাবী করে,বৃদ্ধ মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন! নিজের সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা আর তাঁর নেই। আদালত ওদেরই একজনকে সম্পত্তির অছি নিযুক্ত করে। একাহ্নে নাটকের প্রথম অঙ্কের সমাপ্তি ঘটে। দ্বিতীয় অঙ্কে বৃদ্ধকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় কোনও আরোগ্য-নিকেতনে, নার্সিংহোমে, কখনো বা মানসিক উন্মাদাগারে। সেই বিখ্যাত আরবীয় উটের ক্লাসিকাল কাহিনীটি পুনরাভিনীত হয়।রিস্তেদারেরা স্থায়ীভাবে সম্পত্তির দখল নেয় – আর উট নিজের তাঁবু ছেড়ে বাইরে এসে হয়ে যায় ‘অবন –ঠাকুরের’ উট!

বিষদে জানতে হলে অবশ্যই পড়তে হবে গল্প বইটি। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শুক্রবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

গ্রন্থালোচনা - আর্টিমিসিয়া

গ্রন্থালোচনা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

সম্প্রতি নারায়ণ সান্যালের লেখা একটি গল্প পড়লাম,আর্টিমিসিয়া। হয়ত এই বছর অনেক গল্প বই পাঠ করবো,মুগ্ধ হবো, পাঠ প্রতিক্রিয়া দেবো। কিন্তু বছরের শুরুতে 'নিউটাউন বইমেলা ২০২২' থেকে সংগ্রহ করা এই বইটি আমার কাছে অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি বই। কেন! বলছি। বলার আগে আমার এই প্রচ্ছদের ছবিটা একবার দেখে নেওয়া উচিত। ছবির স্রষ্টা আর্টিমিসিয়া জেন্টেলেসচি,যাকে নিয়ে এই গ্রন্থ। আমি আঁকার বিষয়ে অনেক কিছু বুঝতাম না। কিন্তু এই গ্রন্থ আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। আঁকারও ব্যাকরণ আছে, জ্যামিতি আছে,দর্শন আছে,দৃষ্টিকোণ আছে। এছাড়াও এই গ্রন্থের রচয়িতা নারায়ণ সান্যাল রেনেসাঁ যুগে রোমে আর ফ্লোরেন্সে মহিলাদের সামাজিক অবস্থাগত পার্থক্য লেখার মধ্যে দিয়ে অঙ্কন করেছেন। 

আর্টিমিসিয়া জেন্টিলেসচি রেনেসাঁ যুগের একমাত্র মহিলা-শিল্পী যিনি সার্থকতার গৌরীশৃঙ্গে উপনীত হয়েছিলেন। ফ্লোরেন্স আকাডেমিয়ার প্রথম ও একমাত্র সদস্যা। অন্যান্যরা : বত্তিচেল্লি, বেলিনী, লেঅনার্দো, মিকেলাঞ্জেলো, কারজ্জিত্ত, গ্যালিলেও! ফ্লোরেন্সের উফিজি সংগ্রহশালায় মহিলাশিল্পীর আঁকা একটি মাত্র চিত্রই তখন স্থান পেয়েছিল - বলা বাহুল্য সেটি ছিল আর্টিমিসিয়ার আঁকা।

এই গ্রন্থকে উপন্যাস বলা যায় না। এই গ্রন্থ লেখক  এক অবহেলিত শিল্পীর জীবন সম্পর্কে তাঁর করা পর্যবেক্ষণ গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। অবহেলার কারণ তিনি ছিলেন একজন মহিলা - আর্টিমিসিয়া জেন্টিলেসচি। যার নামের মধ্যেই "আর্ট" (ব্যক্তিগত মনভাব)! আর তাঁর জীবন যুদ্ধ যেমন লেখক একনাগারে কোন পর্ব, অনুচ্ছেদে বিরতি না দিয়ে মসৃণ ভাবে বর্ণনা করেছেন, এই বই পড়ার সময়ও বিরতি প্রয়োজন বলে আমার ব্যক্তিগত ভাবে মনে হয়নি। কিন্তু সময় অকুলান বলে বিরতি নিতে হয়েছে। বেশি কিছু আর বলবো না। শুধু বলব, এই গ্রন্থ ও এই গ্রন্থের নায়িকা মনে এক গভীর দাগ কেটে দিয়েছেন। যে দাগ শক্তি যোগায়, প্রেরণা দেয়। আমার মনে হয় এই গ্রন্থ সবার পড়া উচিত আর এর মাধ্যমেই আর্টিমিশিয়াকে ওঁর যোগ্য সম্মান দেওয়া হবে হয়তো। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

প্রিয় গ্রন্থ

গ্রন্থালোচনা
✍️ডা: অরুণিমা দাস

গ্রন্থের নাম - শিখণ্ডী
লেখিকার নাম - দেবারতি মুখোপাধ্যায়

সদ্য সদ্য পড়ে শেষ করেছি *শিখণ্ডী* নামক উপন্যাস টি। বেশ ভালো লেগেছে। বইটি কিনেছিলাম, কারণ নামটি বেশ আকৃষ্ট করেছিল মনকে। আরও একটি কারণ ছিল অবশ্য,পুরাণের গল্পের প্রতি একটা টান।কিন্তু বইটি পড়ে বুঝতে পারলাম শুধু পুরাণ নয়,বইটি প্রতিহিংসা, কামনা,সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে সমাজ এবং সবশেষে থ্রিলার এর ওপর নির্ভর করে রচিত হয়েছে।

সারাংশ : মহাভারতের অনেক চরিত্রের কথা আমরা জানি, কিন্তু কিছু কিছু এমন চরিত্রও ছিল যাদের ওপর বিশেষ আলোকপাত করা হয়নি কোনোদিনই। সেরকম একটি উপেক্ষিত চরিত্র ছিল শিখণ্ডী, যে আজও মানুষের মনে কিছুটা হলেও দাগ কাটে ভীষ্মহন্তা বলে। আর এই উপন্যাসে সেই শিখণ্ডী র চরিত্র কে ফুটিয়ে তুলতে মিতু নামক একজনকে আনা হলো, যে কিনা শিখণ্ডী র মত ক্লীব বা আজকের সমাজের চোখে বৃহন্নলা। মিতু ছোটবেলায় একটি আশ্রমে থেকে মানুষ হচ্ছিলো, বড়ো হবার সাথে সাথে বাহ্যিকতায় ওর মধ্যে পুরুষালী গুণাবলী দেখা গেলেও অন্তঃস্থলে নারীর বৈশিষ্ট বিরাজমান ছিল। আশ্রমের অনেকেই ওর সাথে অভব্য আচরণ করেছিল কিন্তু তাও মিতু হেরে যায়নি জীবন যুদ্ধে। অনেক লাঞ্ছনা, গঞ্জনা সহ্য করে নার্সিং ট্রেনিং নেওয়ায় নিজেকে নিয়োজিত করেছিল। শহরে যখন একটি মেসে এসে থাকতে শুরু করেছিল মিতু, পাশে পেয়েছিল সাহানার মতো এক বন্ধুকে যে সবসময় মিতুর ছায়া সঙ্গী হয়ে থাকতো। এই বন্ধুত্বের জন্যই শেষ পর্যন্ত মিতু ধরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিল আশ্রমের খারাপ লোক গুলো কে। 
একটা সাবলীল ভাষায় দুই সময়ের সমান্তরাল ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে উপন্যাসের শেষে রয়েছে একটি দারুন সামাজিক বার্তা যা পাঠক মনকে নাড়া দিয়ে যায়। সমাজের সব চেয়ে উপেক্ষিত শ্রেণীকে নিয়ে যে এত ভালো কিছু লেখা যায়, তার জন্য লেখিকা কে কুর্নিশ জানাই। 
সাধারণ মানুষ মহাভারতে পঞ্চপাণ্ডব আর দৌপ্রদীকে যে চোখে দেখে এসেছে সেই দৃষ্টি পুরোদস্তুর ঘুরিয়ে দিয়ে অন্য একটি দিক আবিষ্কার করতে সাহায্য করবে এই যুগের পাঠক সমাজকে। 
মহাভারত না পড়লেও অনেকেই ঠাকুমা বা দিদার কাছে গল্প নিশ্চই শুনেছেন। কিন্তু সেই গল্প গুলো সবসময় একই দৃষ্টিভঙ্গী থেকে দেখা হয়েছে। পঞ্চ পাণ্ডব যেমন সর্বদা শ্রেষ্ঠ,দৌপ্রদী সতী,কৌরবরা খল নায়ক, শিখণ্ডী দুর্ভাগ্যের স্বীকার প্রভৃতি। কিন্তু এই উপন্যাসে লেখিকা মহাভারতের চরিত্র গুলোকে অন্য দৃষ্টিভঙ্গী দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন। 

সবশেষে বলবো পুরাণ আর থ্রিলারের সংমিশ্রণে উপন্যাসটি অন্য এক মাত্রা পেয়েছে আর বইটির প্রতি পরতে পরতে একটা রহস্য লুকিয়ে রয়েছে যেটা সত্যিই প্রশংসার দাবী রাখে।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - দুরত্ব✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - দুরত্ব ✍️ ডা: অরুণিমা দাস আধুনিকতা মানেই অন্যরকম একটা ব্যাপার, উন্নতির পথে এগিয়ে যাবার সিড়ি তৈরি করে দেয় আধুনিকতা। আজকাল কেউ আ...