বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনাম-কণ্ঠস্বর✍️ ডা:অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সেদিনের ক্লাসরুমটা খুব চুপচাপ ছিলো✍️ ডা:অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
শিরোনাম - মাঝরাতের অচেনা ফোন✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬
থমকে দাঁড়ায় সময় যখন ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
যে চিঠি কখনো হয়নি পাঠানো✍️ ডা: অরুণিমা দাস
যে চিঠি কখনো হয়নি পাঠানো✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
আমার ডায়েরি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
আমার ডায়েরি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
সারাদিনের কাজের শেষে ডায়েরী লেখা অভ্যেস রিনির। ডিনার করে ডায়েরী টা খুলে বসলো ও। পাতা গুলো উল্টোতে গিয়ে একটা পাতায় গিয়ে চোখ আটকে গেলো ওর। ওর কলেজ জীবনের কিছু কথা নিয়ে লেখা ছিল।
পড়তে শুরু করলো ও। লেখা রয়েছে,
আশা করি তোমরা সকলে ভালো আছো। একসময় আমাদের চার জনের একটা দল ছিল। কলেজে পড়তে এসে তোমাদেরকে পেয়ে নিজেকে খুব লাকি ভেবেছিলাম। ভেবেছিলাম তিনটে বছর খুব আনন্দে কাটবে। কিন্তু মাস তিনেক পর বুঝতে পারলাম ভাবনা সব ভুল ছিল। তোমাদের ব্যবহারে নিজেকে খুব এলোমেলো লাগছিলো। তোমাদের মতো অতটা আধুনিক হতে পারিনি, না পোশাকে, না খাওয়াদাওয়া আর পানে। একটু একটু করে দূরে সরিয়ে দিচ্ছিলে আমায়। কোথাও খেতে বা ঘুরতে গেলে আমাকে আলাদা করে দিয়ে অনুভব করাতে বাধ্য করলে যে আমি ভিন্ন। বুঝতে পেরেছিলাম, আসতে আসতে সরে এলাম। কলমকে নিজের বন্ধু করলাম। দু একটা লেখা যখন সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করতাম, হাসতে তোমরা। উল্টোপাল্টা মন্তব্যও করতে। কিন্তু দমে যাইনি আমি। হয়তো খুব ভালো লিখি না কিন্তু কলমকে বন্ধু করে খুব শান্তিতে আছি। আজও তোমাদের সাথে দেখা হলে হাসিমুখে কুশল বিনিময় করি। এটা আমার মা বাবার শেখানো আর আমি এটাকে ভদ্রতা বলে মনে করি । আজ তোমরা আমায় না ডাকলেও আর দুঃখ হয়না। নিজের জগতে আমি বেশ ভালো আছি। তোমাদের নেগেটিভ কথা আমার মধ্যে অনেক পজিটিভিটির সঞ্চার করেছে। তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ তোমাদের কাছে। তোমরা তোমাদের মত করে ভালো থেকো ত্রয়ী। ঈশ্বরের কাছে তোমাদের সার্বিক মঙ্গল কামনা করি।
পুরোটা পড়ার পর চোখের কোলটা ভিজে এলো ওর। সত্যি এখন অনেক বেশী ভালো আছে ও। নিত্য দিনের অসম্মান হজম করার চেয়ে কলমের সাথে বন্ধুত্ব করে খুব শান্তিতে আছে ও। চিৎকার গুলো কলম দিয়ে বেরিয়ে যায় সহজেই। কষ্ট সব ধুয়ে মুছে যায় কালির স্রোতে। বুক ভরে একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে রিনি। এরকম শান্তির জীবন যাপনের চেয়ে বড় কিছু হতে পারেনা। লোক দেখানো বন্ধুত্বের থেকে নিজেই নিজের বন্ধু হওয়া অনেক ভালো।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
জি ভরকে খাইয়ে আইসক্রিম✍️ ডা: অরুণিমা দাস
রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫
শিরোনাম - ইফতার✍️ ডা:অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
জীবনের গল্প✍️ ডা: অরুণিমা দাস
জীবনের গল্প
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
আজকেই ডিউটি তে আলোচনা হচ্ছিলো যে জীবনটা আজকাল কেমন হয়ে গেছে। যন্ত্রের মতো আসছি ডিউটি করছি রাউন্ড দিচ্ছি হোস্টেল ফিরছি। ছোটবেলাটা বড্ড মনে পড়ে সবার। শিশু শল্য বিশেষজ্ঞ এক দিদি বললেন চল আজ ছোটবেলার কিছু গল্প হয়ে যাক। শিশু দের নিয়েই যখন তোদের আমাদের জীবন বেষ্টিত আছে হোক কিছু শিশুসুলভ গল্প। দিদি শুরু করলেন,স্কুল থেকে পুলকারে ফিরছেন তখন রেজাল্ট বের করে মনে পড়লো জি কে তে তো উতরাতে পারেননি। অত্যন্ত নিপুণতার সাথে এফ টাকে এ করে হাসিমুখে বাড়ি ফিরেছেন। আর রেজাল্ট মায়ের হাতে পড়তেই বেধড়ক মার,চোখে সর্ষেফুল দেখার মতো অবস্থা প্রায়। শুনে আরেকজন দাদাও শুরু করলেন ছোটবেলায় কুকুরের লেজে পটকা বেঁধে দিয়ে তাকে সারামাঠ ছোটানোর গল্প। আমারও এক দুটো গল্প বেরোলো। বন্ধুদের কথা শুনে বাড়ি থেকে পয়সা চুরি করে ব্যাগে জমানো আর সেটা দিয়ে আলুকাবলি,চুরমুর খাওয়া। একদিন ব্যাগ পরিষ্কার করতে গিয়ে ঝনঝন করা কয়েনের শব্দ শুনে সেই শব্দ গুলো তারপর পিঠে পড়েছিল। ম্যাথে ২৯ পেয়ে বাড়ীতে ৪০ বলা, তারপর মার্কশিট আসতেই আসল খেলা শুরু। জুতো,স্কেল,ঝাড়ু কিছুই বাদ যায়নি, সবগুলোর মার খেয়েছি। আরে দেখ গল্প করতে করতে ওটি শেষ হয়ে এলো রে, ব্লাড ও চালিয়ে দিয়েছি দিদি। এবার বাচ্চাকে রিভার্স করানোর পালা। এরকম গল্প মাঝে মাঝেই হলে মন্দ হয় না বল? দিদি বলল। আমরাও বললাম একদম, তবেই না এই স্মৃতিভরা মেঠোপথে দু একবার চক্কর মেরে আসার সুযোগ হবে। ছোটবেলায় মনে হতো বড়ো কবে হবো? আর এখন বড় হয়ে মনে হয় ছোটবেলা কি আবার ফিরে পাবো?
"জীবন চলছে নিজের মতো করে,ছোটবেলা ফিরে পেতে খুব ইচ্ছে করে আজকাল
স্ট্রেসফুল বড়বেলাটা বুঝিয়ে দিচ্ছে কঠিন বাঁধনে বাঁধতে হবে জীবনের সুর লয় তাল।"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
শিরোনাম-রক্তের টানে✍️ ডা:অরুণিমা দাস
শিরোনাম-রক্তের টানে
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
সন্ধ্যে ছটা বাজে প্রায়। গাইনি ওটির বাইরে অস্থির ভাবে পায়চারী করছে অনিল আর ওর মা বাবা। ওটির মধ্যে অনিলের স্ত্রী রিক্তার সিজার চলছে। প্রায় আধঘন্টা পরে সিস্টার তোয়ালে মোড়া জ্যান্ত পুতুল এনে তুলে দিল অনিলের হাতে।ওর মা বাবা ছুটে এলেন,বললেন কী হয়েছে সিস্টার!ছেলে না মেয়ে? সিস্টার কিছুক্ষন চুপ করে রইলো,তারপর বললো স্যার এসে আপনাদের জানাবেন সবটা। বলে সিস্টার বাচ্চাটাকে অনিলের হাত থেকে নিয়ে চলে গেলো।কিছুসময় পরে ডা: ঘোষ বললেন আপনারা আমার চেম্বারে আসুন,কিছু কথা আছে। ওরা তিনজন গেলো ডা: ঘোষের চেম্বারে। ডা:ঘোষ জানালেন যে বাচ্চাটা জন্মেছে,অ্যাম্বিগুয়াস জেনিটালিয়া নিয়ে মানে ছেলের মত দেখতে হলেও ভেতরকার অঙ্গ গুলো মেয়ের মতো। একটা সেক্স চেঞ্জ অপারেশন করে হয়তো জিনিসটা ঠিক করা যাবে। অনিলের মা বললেন আচ্ছা বুঝেছি,তৃতীয় লিঙ্গের জন্ম দিয়েছে রিক্তা। আমি মেনে নেবোনা এই সন্তানকে,সাফ জানিয়ে দিলাম।অনিল কিছু বলতে যাচ্ছিলো! ওর মা বললো নয় ওই বাড়িতে আমি থাকবো নাহলে ওই পাপ থাকবে। এবার তুই ঠিক কর কি করবি? অনিল বুকের ওপর পাথর চাপা দিয়ে মায়ের আদেশ মেনে নেয়। নিজের মাকেই আজ তার কেমন যেন অচেনা লাগছে। কিকরে এরকম করতে পারে ওর মা? নিজের ছেলের অংশকে এভাবে অস্বীকার করতে পারছে মা?যেটা কোনোদিন মায়ের কাছে আশা করেনি কোনোদিন সে। কিন্তু মায়ের কাছে তখন মনুষ্যত্বের চেয়ে বংশমর্যাদা বেশী বড়ো হয়ে উঠেছিল।
এরপর বছর পনেরো কেটে গেছে।অনিলের কোনো সন্তান হয়নি আর। অনিলের মায়েরও বেশ বয়স হয়েছে। একদিন রাস্তা পার হবার সময় পাথরে হোচট খেয়ে পড়ে যান উনি। একটা গাড়ী এসে আচমকা ধাক্কা মারে। মাথা ফেটে বেশ রক্ত পড়ছে।রাস্তার লোকেরা জড়ো হয় কিন্তু কেউ ওনাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়না। ভিড় ঠেলে এগিয়ে আসে এক মহানুভব,বলে আপনারা সরে যান,আমি ওনাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবো।ডাক্তার জানান বেশ গুরুতর চোট ওনার মাথায়,স্টিচ দিতে হবে আর এক ইউনিট রক্তও দিতে লাগবে। অনিলবাবুও এসে হাজির হন কিন্তু রক্তের গ্রুপ মেলেনা। সেই মহানুভব এগিয়ে এসে বলে আমারও এক গ্রুপ,আমি রক্ত দেবো। অনিলবাবু বললেন আপনার নাম?নীলাভ নিজের নাম বলে বললো আমি কিন্তু তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ।অনিলবাবু একমুহূর্ত না ভেবেই নীলাভর রক্ত মাকে দেওয়ার জন্য রাজী হলেন। পরে যখন জ্ঞান ফিরলো অনিল বাবুর মায়ের,তখন জানতে পারলেন এক তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি তাকে রক্ত দিয়েছে!শুনে মাথা নীচু করে রইলেন,হয়তো বছর পনেরোর আগের দিনটি মনে পড়ছিল তাঁর। পাশের বেডে শুয়ে থাকা নীলাভর মুখের দিকে তাকিয়ে দেখলেন তিনি,আজ মনে হচ্ছে এ তার অনেক দিনের চেনা কেউ,আজ বড়ো আপন মনে হচ্ছে নীলাভকে তাঁর।ঈশ্বর ছাড়া কেউ জানলোনা যে এই নীলাভই সেই সন্তান। কিছুকিছু সম্পর্কের সমীকরণ ওলট পালট হয়ে গিয়েও শেষ অব্দি হঠাৎ করে একদিন সিড়িভাঙা অঙ্কের মত মিলে যায়,হয়তো সকলের অজান্তেই আর অচেনা মানুষকেও ভীষণ চেনা লাগে।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৪
শিরোনাম - ছেঁড়া তার✍️ ডা:অরুণিমা দাস
সোমবার, ১৭ জুন, ২০২৪
অনাদর✍️ ডা:অরুণিমা দাস
শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
বোধবুদ্ধি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৩
টার্গেট✍️ ডা: অরুণিমা দাস
টার্গেট
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
পছন্দের খেলা ছিলো দুটো, ক্রিকেট আর ক্যারম। একটা আউটডোর গেম আর একটা ইনডোর গেমস। যাইহোক টিভি তে যখন ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে শচীন কে নামতে দেখতাম মাঠে, বেশ একটা অন্য রকম অনুভুতি হতো। আর নিজে যখন বাড়ির পাশের মাঠে খেলতে যেতাম আমার বন্ধুদের শর্ত দিতাম আমি শুধু ব্যাট ই করবো, বল করবো না। ওরা মাঝে মাঝেই প্রতিবাদ করতো, আমি শুনতাম না। আরও বলতাম যেদিন আমি খেলতে আসবো না সেদিনও আমার এম আর এফ ব্যাটটা দিয়ে ওদের খেলতে দেবো। কিন্তু যেদিন আসবো সেদিন ব্যাট আমার, যতক্ষণ ইচ্ছে ব্যাট করবো কিন্তু বল করবো না। বাড়িতে সবাই আমার এসব দুষ্টুমির জন্য বকা দিতো কিন্তু আমি গায়ে মাখতাম না। বন্ধুরা নাম দিয়েছিল হিটলার শচীন। বড়ো হবার পর ওদের বলেছিলাম ব্যাটটা কে মনে করি জীবনের হাল, কোনোদিন কোনো অবস্থাতেই ওটা ছাড়বো না। শচীন হতে পারবোনা হয়তো কোনোদিন কিন্তু জীবনের ইনিংস গুলো খেলতে হয়তো পারবো বা পারতে হয়তো হবেই। বন্ধুরা চুপ করে শুনেছিল। আজও দেখা হলে বলে ওই দিন গুলো খুব মিস করি, আমিও বলি সত্যি খুব মিস করি রে দিন গুলো। আজও গুছিয়ে রাখা আছে সেই ব্যাট টা। সময় পেলে ক্রিজে নেমে পড়ি।
আর ক্যারম টাও সময় পেলে খেলতে বসে পড়ি কলেজ কমন রুমে। ছোটবেলায় লাল গুটি জালে না পড়া অবদি খেলতাম। অন্য কেউ লাল গুটি ফেলে দিলে আমি আবার সেটা তুলে বোর্ডে রাখতাম আর টার্গেট করতাম ওটা ফেলার। সবাই হাসতো কিন্তু আমি আজও ভাবি ওই লাল গুটির মতন জীবনের টার্গেট পূরণ না করা অবদি লড়ে যাওয়া উচিত সবারই। আজকাল কার দিনে সময়ের অভাবে মাঠে নেমে খেলা ধুলা অনেক কমে গেছে। বাচ্চা রা পাহাড় প্রমাণ সিলেবাস শেষ করতে করতে হাপিয়ে উঠেছে, কিন্তু বিকেলে ১-২ ঘণ্টা নিয়ম করে খেলতে দেওয়া উচিত ওদের। প্রকৃতির সাথে একটা সংযোগ হবে এতে,জীবনের লড়াই টাও কিছুটা হলেও বুঝতে পারবে ওরা।
"হাতে থাক ব্যাট আর লড়তে থাকি জীবনের লড়াই
চলার পথ ক্রিজ হোক,সবার সাপোর্ট থাকা চাই।"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২২
শিরোনাম - ঘুঙুর✍️ডা: অরুণিমা দাস
শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০২২
পুজোর স্মৃতি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
সোমবার, ২২ আগস্ট, ২০২২
শিরোনাম - সহানুভূতি ✍️ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম-সাহস✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম-সাহস ✍️ ডা: অরুণিমা দাস সত্যি কথা বলতে সত্য কিন্তু অপ্রিয় হয়। মিথ্যেকে আড়াল করার অনেক পন্থা পাওয়া গেলেও সত্যকে চাপা দেওয়া একটু...
-
রিক্ত -------- আফ্রিকার এক গভীর জঙ্গলে ঘেরা পাহাড়ের ক্লিফে পা ঝুলিয়ে সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে সুমিত ভাবছে, এরকম কি ওর সাথে ঘটা উচিত ছিলো? ও তো...
-
ঘোষ বুড়ী ©সুদেষ্ণা দত্ত গ্রামের নাম সুন্দরগ্রাম--বাংলা মায়ের কোল ঘেঁষা সুজলা,সুফলা,শান্তির নীড় ঘেরা এক গ্রাম।গ্রামের অধিকাংশ লোকই কৃষি...
-
তার আঁচলের প্রতিটি ভাঁজে, লুন্ঠিত হৃদয়ে স্পৃহাহীন আমি সজল চোখে দেখি তার নীরবে চেয়ে থাকা । মনে পড়ে সেদিনের কথা, যেদিন ওই পদ্মফুলের পাপড়ির ...