শুক্রবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৩

শিরোনাম- বৃষ্টি তুমি ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম- বৃষ্টি তুমি                                            ✍️ ড: অরুণিমা দাস                              
               
বৃষ্টি তুমি তো প্রকৃতির এক অপরূপ সৃষ্টি         
 নামো যখন অঝোর ধারায় দেখতে লাগে খুব মিষ্টি।    
   
গ্রীষ্মের দাবদাহে ক্লান্ত যখন এই ধরাভূমি         
সবার মনে দোলা দিতে আসো তুমি।          
            
একটু ঠাণ্ডা হবার অপেক্ষায়,                                 ধরণী তোমার আসার দিন গুনে যায়।
         
যখন বারিধারা হয়ে ঝরে পড়ো
এই শুষ্ক ধরণীর বুকে প্রাণের সঞ্চার করো।      
   
তোমার প্রতিটি ফোঁটায় থাকে প্রাণের স্পন্দন        এই ধরণী তাই হয়ে ওঠে তোমার ক্রীড়াঙ্গণ।     
             
মাঠ ঘাট যখন তুমি জলে ভরো                     
তোমারি অপেক্ষায় থাকা চাতকের তৃষ্ণা তুমি হরো।  
   
প্রতি গ্রীষ্মের শেষে তাই তোমার আসার প্রহর গুনি। 
বর্ষা তুমি এসে প্রতিবার করে যাও আমাদের ঋণী।
   
তোমার ঋণ মেটাতে আজ ধরার কাছে আমার অঙ্গীকার          
গাছ লাগাবো,গাছ বাঁচাবো বৃষ্টি তোমায় আনতে প্রতিবার।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৩

সঠিক নাকি সুহৃদয়✍️ ডা: অরুণিমা দাস

সঠিক নাকি সুহৃদয়
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

কোনো কোনো সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে গেলে কঠোর হৃদয়ের পরিচয় দিতে হতে পারে। জীবনের চড়াই উতরাই তে আমরা নানা ঘটনার সম্মুখীন হয়ে থাকি। সেখানে অনেক ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। হয়তো এমন এক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো যাতে বাস্তবতা কে জড়িয়ে ধরতে গিয়ে হৃদয়হীনতার পরিচয় দিতে হলো। তার চেয়ে যদি হৃদয় দিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, যাতে সহৃদয়তার পরিচয় দেওয়া যায়, সেটা সঠিক সিদ্ধান্ত অনেক ক্ষেত্রে নাও হতে পারে। আবার সহৃদয়তার সাথে আপোষ করে কোনো সিদ্ধান্ত নিলে সেটা যথাযথ হতে পারে, এবং বেশির ভাগ সময় সেটা সঠিক সিদ্ধান্ত হয়ে থাকে। সিদ্ধান্ত যেমন ভাবেই নেওয়া হোক তাতে যেনো মানবিকতার ছোঁয়াটুকু লেগে থাকে,এটাই সকলের কাম্য হওয়া উচিত। 

"প্রয়োজন বিশেষে সঠিক হও বা হও যদি সুহৃদয়
  সিদ্ধান্ত  হোক তোমার সদা প্রাণবন্ত,কল্যাণময়"।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৩

শিরোনাম - বন্ধুর মতো ✍️ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - বন্ধুর মতো
✍️ডা: অরুণিমা দাস

বিশ্বাস করো কাকে! সে কি বন্ধু সত্যিই তোমার?
গোপনে সে করে ফন্দি,  তোমায় ফাঁদে ফেলবার।

গলা জড়িয়ে তোমার করে সে দারুণ নাটক
বুঝতেও পারবেনা তুমি পড়েছো তার জালে আটক।

মিষ্টি হেসে পেছন থেকে যখন সে চালিয়ে দেবে ছুরি
সম্বিত ফিরলে দেখো রক্তাক্ত শরীর-হয়ে গেছে তখন অনেক দেরী!

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩

শিরোনাম - বর্ষবরণ ✍️ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম - বর্ষবরণ
✍️ডা:অরুণিমা দাস

বছর শুরুর প্রথম দিনে চলছে বৈশাখী বরণের আয়োজন
নববর্ষ,হালখাতা- আনন্দ উৎসবে মেতে উঠেছে জনসাধারণ।

পুরনো সব দুঃখ ভুলে,ভেদাভেদ সকল দূরে সরিয়ে ফেলে
জাতিধর্ম নির্বিশেষে বাঁচো নতুনের আশায় মনের আগল খুলে।

আকাশ বাতাস মুখরিত,বঙ্গবাসী গাও নববর্ষের জয়গান
ফুল,ফলের গন্ধ প্রকৃতিতে মিশে,সাথে পাখির কলতান।

নতুন বছরের প্রথম দিনে সকলকে জানাই প্রাণভরা
শুভেচ্ছা
ভালো কাটুক এই বছর, পূর্ণ হোক মনের সকল ইচ্ছা।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৩

শিরোনাম - বহুরূপী✍️ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - বহুরূপী
✍️ডা: অরুণিমা দাস

বহুরূপী আমি,প্রকাশ আমার নানা ছদ্মবেশে
আয় যা হয় দিন চলে যায় কায়ক্লেশে।

আনন্দ দিতে পারি আমি সকলকে
রংচং দিয়ে চাপা রাখি মনের কষ্টকে।

যেমন খুশী সাজতে যে আমি পারি
জীবন সংগ্রামে লড়তে কভু যেনো না ডরি।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শনিবার, ১ এপ্রিল, ২০২৩

এপ্রিল ফুল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

এপ্রিল ফুল
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

এপ্রিল ফুল হলো ইংরাজী বছরের এমন একটা দিন(১ লা এপ্রিল),যখন এক মুহূর্তের জন্য হলেও বোকা হতে ভালোবাসেন পৃথিবীবাসী। এ এক সার্বজনীন বোকা বানানোর উৎসব। প্রশ্ন ওঠে? একটাদিন। তারপর সেই পরশ ধরেই এগিয়ে চলে স্মৃতির বস্তা বোঝাই গাড়ি।
পয়লা এপ্রিল। বছরের ৯২ তম দিন। পথ চলা তখনও অনেক বাকি। ১৫৬২। পোপ গ্রেগরি খ্রিস্টানদের জন্য আনলেন নতুন ক্যালেন্ডার। এর আগে পর্যন্ত নতুন বছর পালিত হতো এপ্রিল ১ এ। এই পরিবর্তনের খবর গোটা পৃথিবীর জানতে লেগে গিয়েছিল বিস্তর সময়। মানুষ তখনও এপ্রিল ১ কে কেন্দ্র করেই পাঠিয়ে চলেছে শুভেচ্ছা বার্তা। আর সেগুলোই জমা হয়েছে মজার দিনের গল্প হিসাবে।
এই ছিল গল্প এক। গল্প, কারণ ইতিহাস আজও এই ঘটনার কোনও জ্যান্ত দলিল প্রকাশ করে উঠতে পারেনি।

এবারে গল্প দুই - রোমান মৃত্যুর দেবতা প্লুটো স্ত্রী পারসিফনকে অপহরণ করে আনলেন। এবারে পারসিফনের মা দেবী সেরিস মেয়েকে অনেক খোঁজার চেষ্টা করেন। কিন্তু পাননা। মেয়ের ঠিকানা তখন পাতালপুরী। সেরিস দেবী হলেও পেরে ওঠেননি মেয়েকে খুঁজতে। এক মায়ের বোকামি স্মরণ করে ১ এপ্রিল পালন করা হয় বলে অনেকে মনে করেন।

ব্রিটিশ লোককথা- ব্রিটেনের নটিংহ্যামশায়ারের 'গথাম' শহর, বোকাদের শহর। তেরো শতকের দিকে নিয়ম ছিল,ব্রিটেনের রাজা যেখানে যেখানে পা রাখবেন তা রাষ্ট্রের সম্পত্তি। গথামবাসীরা শুনলেন রাজা আসছেন শহরে। ঠিক হলো বন্ধ হবে রাজ যাত্রা। তাঁরা কিছুতেই গথামকে হারাবে না। রাজার কানে খবর গেলো। সৈন্য পাঠালেন।
সৈন্যরা এসে দেখেন প্রবেশদ্বার থেকেই সারা শহরে হুলস্থূল কাণ্ড। সব বাসিন্দা বোকার মতন কাজ করে চলেছেন। রাজা বললেন, এমন বোকাদের শাস্তি দেওয়া যায় না। তাই মাফ করে দিলেন। গথাম থেকে গেলো চিরতরে মুক্ত। এই "ট্রিক" স্মরণেই এপ্রিল ফুল। ১৫৩০ সালের ১ এপ্রিল। জার্মানির অগসবারগ শহরে একটা আইনি মিটিং হওয়ার কথা। এই মিটিং নিয়ে তোড়জোড় চলছিল জোরকদমে। কিন্তু মিটিংয়ের দিন তারা জানতে পারলেন খবরটা ভুয়ো।
মিটিং এর ফলাফল নিয়ে সাধারণ মানুষের মাথায় ছিল এক আকাশ চিন্তা। যতই হোক আগামী দিনের আইনি স্বাধীনতা কতটা সাধারণ মানুষের ঝুলিতে, এই নিয়েই ছিল আলোচনা? কিন্তু আমলারা কই? কিছু অত্যন্ত চালাকরা আগে থাকতে এই মিটিং এর ফলাফল জানতে চেয়ে অনেক টাকা এক বাজিকরের কাছে পারিশ্রমিক হিসেবে দিয়ে বসে। পাওয়া গেলো না তাঁকেও। অর্থাৎ টাকা গচ্চা গেলো। এই ঘটনাও হতে পারে এপ্রিল ফুলের উৎস লেখনী।

১৫৭২ সালের ১ এপ্রিল। হল্যান্ডের ডেন ব্রিয়েল শহরটাকে লর্ড আল্ভার স্প্যানিশ শাসন থেকে মুক্ত করে ডাচ বিদ্রোহীরা। এইদিন তারা লর্ড আল্ভাকে পুরো বোকা বানিয়ে ছাড়ে। তাঁকে  স্মরণ করেও এপ্রিল ফুল পালিত হতে পারে। মূলত এই ঘটনার পর অনেক জায়গায় বিদ্রোহ সোচ্চার হয় আর স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা আদায় করে হল্যান্ড। 
বড়ো বড়ো দেশে এরকম ছোট ছোট ঘটনা ঘটেই থাকে। এরকম ছোট ছোট ঘটনাই আজ একত্র হয়েছে। রিইউনিয়ন। অনেকাংশ সহমত হবেন কি না জানিনা,এরকম বোকা বনে যাওয়ার ঘটনা গুলোই দু কলি হাসিয়ে তোলে কখনও,মনের অজান্তেই।
তবে বর্তমানে এই দিবস পালনের যৌক্তিকতা কি আদৌ আছে? প্রশ্ন যুক্তিবাদীদের। মানুষকে মিথ্যা বলে ঠকানো বা বোকা বানিয়ে মজা পাওয়া মানেই বোকামি। মিথ্যা বলা কোনও সভ্য সমাজ মেনে নেয়না। তাই মিথ্যা বলে মানুষকে বোকা বানানো কোনও উৎসবের নামান্তর হতে পারেনা। পরিশেষে খেয়াল রাখতে হবে এত্ত রোম্যান্টিসিজম অন্য কারও আবেগে আঘাত না করে বসে। যাঁরা অধীর আগ্রহে থাকেন কীভাবে এই দিনে কাছের জনকে বোকা বানাবেন, তাঁদের জন্যে এই শেষটুকু।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস



শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...