বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্যের অনুভূতি গুলো একটু বেশিই আলগা হয়ে পড়েছে। এখন রাস্তায় দেখা হয়ে সুপ্রভাত বা অন্য কিছু অভিবাদন জানানোর চেয়ে মোবাইলে উইশ করাটা বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। রাস্তায় কোনো কিছু ঘটলে সেটা নিয়ে এগোনোর আগে মানুষ সেলফি তুলে ধরছে। কাউকে কিছু দান করলে আগে ফেসবুকে জানানো চাই। নিজের মনে খুশি হবার থেকে সো অফ করে সবাইকে জানিয়ে দেওয়াটা শ্রেয় মনে করছে আজকাল। মি টাইম এখন স্ক্রীন টাইমে রূপান্তরিত হয়ে যাচ্ছে। আর ফ্রী টাইমে মোবাইল আইপ্যাড ঘাটছে কিন্তু একটু কাছে পিঠে হেঁটে আসতে অনীহা প্রকাশ করছে। এতে শুধু সমাজ থেকে দূরে থাকছে শুধু তাই নয়, অনেক কিছু ব্যাধি শরীরে বাসা বাঁধছে। ব্যস্ততা বেড়েছে অনেকটাই কিন্তু তার মধ্যেও যে প্রাণ খুলে বাঁচা যায় সেটাই ভুলতে চলেছি আমরা। ছোট ছোট খুশীর মুহূর্তগুলো সেগুলো শুধু ক্যামেরাতেই বন্দী থাকেনা, ইন্সটাগ্রামে রিল না বানানো অব্দি যেনো মনে একটা অশান্তি থাকে। তাই বড্ড বেশী সামাজিক হচ্ছি মনে হচ্ছে কিন্তু আদপে মানুষের সাথে যোগাযোগ কমছে। ব্যস্ততা শুধুই অজুহাত, ইচ্ছে করলেই খোঁজ খবর নেওয়া যায় কিন্তু নেই সময় আর মানসিকতা সেসব করার। সহানুভূতি গুলো যেটুকু রয়েছে তাও হয়তো একদিন আদিযুগের না শোনা শব্দে পরিণত হবে। তাই সময় থাকতেই সতর্ক হতে হবে সকলকে।

"মানসিক দূরত্ব বেড়েছে,অধিকমাত্রায় হতে গিয়ে সামাজিক
সোশ্যাল মিডিয়ার চাপে তাই অনুভূতির সাথে সম্পর্ক ব্যস্তানুপাতিক।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...