সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৪

শিরোনাম - কোলকাতা মানে✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম - কোলকাতা মানে
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

কোলকাতা মানেই মনে আসে,"সিটি অফ জয়"!
নিশ্চিন্তে আছি সকলে, নন্দনে চলে ঘটক থেকে রয়।

কোলকাতা মানে ফুটবল, ক্রিকেট আর সাথে দাদাগিরি
হাত রিক্সা থেকে ট্রাম ট্যাক্সি, আমাতে তোমাতে ঘোরাঘুরি।

কোলকাতা মানে কফিহাউস সাথে বইপাড়া,ক্লাসিক্যাল থেকে রক মিউজিক
হাওড়া ব্রিজের নীচে গঙ্গা চলছে বয়ে,স্টেশনে বড় ঘড়ি চলে টিক-টিক।

কোলকাতা মানে ভিক্টোরিয়া থেকে ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম, প্রিন্সেপ আর বৌ বাজার
ধুমধাম করে বারো মাসে তেরো পার্বণ!অপেক্ষায় থাকি বছর ভর।

কোলকাতা মানে মিছিলে স্লোগান জেগে উঠেছে সকলে
ন্যায় পাবার আশায় থাকি,দেখা যাক!জাস্টিস আসে কার দখলে।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - গোপালের স্বাদবদল✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম - গোপালের স্বাদবদল
✍️ ডা:অরুণিমা দাস 

দিয়ার ঠাকুমা রমা দেবী গোপালের বড়ো ভক্ত।নিয়মিত গোপালের পুজো করেন নিষ্ঠাভরে,দিয়া পাশে বসে দেখে।গোপালের সামনে সাজানো ফল,মিষ্টি দেখে দিয়া একদিন ঠাকুমাকে জিজ্ঞেস করে আচ্ছা ঠামি গোপাল দাদা ফল,নাড়ু এসব কেনো খায়?দাদা তো আমার মত ম্যাগি,চিপস খেতে পারে বলো!!ঠামি শুনে বলেন চুপ করো দিদিভাই,গোপাল সবসময় ফল,নাড়ু,মাখন এসবই খেতে ভালোবাসে।দিয়া সব শুনে চুপ থাকলো। 

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে দিয়াদের বাড়িতে বেশ বড়ো করে পুজো হয়।সকাল থেকেই পুজোর জোগাড় করছে ঠাকুমা আর দিয়ার মা।পুরোহিত মশাই এসে জোগাড়যন্ত্র সব ঠিক আছে কিনা দেখছিলেন, হঠাৎ একটা থালার দিকে চোখ যেতেই আঁতকে উঠে বললেন একি অনাচার রমা দেবী??রমাদেবী হাতজোড় করে বললেন কোনো ত্রুটি হয়েছে কী??পুরোহিতমশাই বললেন ঘোর অনাচার হয়েছে।গোপালের প্রসাদে ম্যাগি আর চিপস,এসব কি হচ্ছে??চেঁচামেচি শুনে দিয়ার মা বাবা ছুটে এলেন।দিয়ার মা সব দেখে বললেন এটা দিয়ারই কাজ।পাশের ঘর থেকে কান ধরে দিয়াকে নিয়ে এলেন,বললেন তুমি এসব করেছ তো!!যাও ওই ম্যাগীর প্লেট আর চিপস সব তুলে আনো।মায়ের কাছে বকুনি খেয়ে কাঁদোকাঁদো মুখে প্লেটগুলো তুলে আনলো।দেখলো তার গোপাল দাদার মুখ চোখ কেমন শুকনো হয়ে গেছে।মনে মনে বললো কি করবো বলো দাদা??আমি জানি তুমি এসব খেতে চাও,কিন্তু ওরা তোমায় এসব দিতে দেবে না। পুরোহিত মশাই পুজোর জায়গা শুদ্ধ করে পুজোতে মন দিলেন।গোপালের আসনে ফুল দেওয়ার সময় মনে হলো ওনার হাতে দুফোঁটা জল পড়লো।সবাই তাকিয়ে দেখে গোপালের চোখে জল।দিয়া সেটা দেখে বললো প্রতিদিন এক খাবার খেতে ভালো লাগেনা দাদার,গোপাল দাদাকে তাই আমি ম্যাগি দিয়েছিলাম।হঠাৎ পুরোহিত মশাই বললেন রমা দেবী,একবার ম্যাগীর প্লেটটা রাখুন তো সামনে।একথা শুনে দিয়া একছুটে ম্যাগীর প্লেটটা নিয়ে এসে গোপাল দাদার সামনে রাখলো আর মনেমনে বললো খাও দাদা।সবাই তাকিয়ে দেখলো গোপালের মুখে হাসির ঝিলিক।ঠাকুমা দিয়াকে জড়িয়ে ধরে বললেন এতদিন পুজো করেও গোপালের মনের কথা বুঝতে পারিনি দিদিভাই, তুমি বুঝে গেলে কি করে??দিয়া বললো দুপুরে যখন তুমি ঘুমাও তখন তো আমি ঠাকুরঘরে এসে কত গল্প করি গোপাল দাদার সাথে।সবাই শুনে খুব হাসতে লাগলো।দিয়ার বাবা বলে ওঠেন তাহলে গোপাল দাদারও স্বাদ বদল করতে ইচ্ছে করে মাঝে মাঝে,কি বলো দিয়া??দিয়া বললো হ্যা বাবা,ওই জন্য ফল মিষ্টি সরিয়ে ম্যাগি দিয়েছিলাম।আর দিয়ার গোপাল দাদা প্রাণভরে দিয়াকে আশীর্বাদ করে বললেন এভাবেই সবার ইচ্ছে গুলোকে পূরণ করার চেষ্টা কোরো,যেভাবে আমার ইচ্ছে পূরণ করলে।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস 

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৪

জ্ঞানস্ফুরণ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 জ্ঞানস্ফুরণ
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

নিজের জ্ঞান জ্ঞাপন করতে হলে অন্তরের শক্তির পূর্ণ জাগরণ প্রয়োজন। জ্ঞান প্রচুর কিন্তু তার প্রয়োগ করতে না পারলে সেই জ্ঞান থাকা বৃথা। চিরাচরিত পথে চললে হয়তো জ্ঞান সেভাবে প্রয়োগ করা যায় না কিন্তু বাস্তব জীবনের জীবন্ত অভিজ্ঞতা নিজের জ্ঞান সত্তাকে প্রস্ফুটিত করতে সাহায্য করে। জ্ঞান থাকা যেমন দরকার তেমন জ্ঞানের স্ফুরণ হওয়াও খুব দরকার। আর এই স্ফূরণের জন্য নিজেকে সবদিক থেকে প্রস্তুত করতে হবে,মানসিক ও শারীরিক উভয়দিক থেকেই শক্তিশালী হতে হবে। রাস্তায় যেমন অতর্কিত আক্রমণের মুখে পড়লে মাথা খাটিয়ে উদ্ধার হতে হবে তেমনি পরীক্ষার হলে শক্ত প্রশ্ন এলে সেটাকেই কায়দা করে নিজের কোর্টে নিয়ে আসতে হবে। সপক্ষে বিপক্ষে যেদিকেই জ্ঞান প্রয়োগ হোক না কেনো সেটা করার জন্য নিজেকে বলিষ্ঠ করে তুলতে হবে পূর্ণপ্রস্তুতি সহযোগে। 

"শক্তিশালী করো নিজেকে,জ্ঞানের হোক সংযোগ
স্ফুরণ ঘটবে জ্ঞানের,যখন সম্পূর্ণ হবে শক্তির প্রয়োগ!"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৪

শিরোনাম-বিচার✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 শিরোনাম-বিচার
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

বিচারের আশায় আদালতে আবেদন
অন্ধ যে বিচার, নিশ্চই জানো জনগণ। 

কালো কাপড়ে চোখ বেঁধে রয়েছে যে মূর্তি জাস্টিসিয়ার 
বিচারক করবেন নাকি নিরপেক্ষ বিচার!

আজব দুনিয়া এখন! করে সে অস্বীকার সত্যিকে
জয় হয় সেই কথার যা আবৃত থাকে মিথ্যার মোড়কে। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০২৪

নারী স্বাধীনতা- অপেক্ষার হোক অবসান✍️ ডা:অরুণিমা দাসনারী স্বাধীনতা- অপেক্ষার হোক অবসান✍️ ডা:অরুণিমা দাস

নারী স্বাধীনতা- অপেক্ষার হোক অবসান
✍️ ডা:অরুণিমা দাস


স্বাধীন ভাবে বাঁচতে তো চায় সবাই,পায় কি কেউ পূর্ণ স্বাধীনতা
নারীরা আজও পুরুষদের পদদলিত, পুরুষরাই সমাজের হোতা।।

পুরুষ শাসিত সমাজে নেই কি তার স্বাধীন ভাবে বাঁচার অধিকার
সকলের মত সমাজে নারীও গলা তুলে কথা বলার দাবিদার।।

দেশকে স্বাধীন করতে যারা পুরুষের সাথে হাতে হাত ধরে চালিয়েছে সংগ্রাম
সেই মাতঙ্গিনী, সরোজিনী র দেশে কোনো নারী কুড়োবেনা কোনো বদনাম।।

নিজের জীবনে স্বাধীনতার স্বাদ নিতে,আশায় বুক বেঁধে চলছে নারীদের লড়াই
স্বাধীনতা যেদিন তুমি পূর্ন রূপে ধরা দেবে নারীর জীবনে,সেদিন বদলে যাবে জীবনের মানেটাই।।

তুমি আসবে বলেই সেই অপেক্ষায় দিন গুনে চলে সব নারী
আসবে যখন সমাদরে তুমি,খুশিতে মাতবে সবাই, অবসান হবে নিশির এই আশাই করি।।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

নারী স্বাধীনতা- অপেক্ষার হোক অবসান✍️ ডা:অরুণিমা দাস

নারী স্বাধীনতা- অপেক্ষার হোক অবসান
✍️ ডা:অরুণিমা দাস


স্বাধীন ভাবে বাঁচতে তো চায় সবাই,পায় কি কেউ পূর্ণ স্বাধীনতা
নারীরা আজও পুরুষদের পদদলিত, পুরুষরাই সমাজের হোতা।।

পুরুষ শাসিত সমাজে নেই কি তার স্বাধীন ভাবে বাঁচার অধিকার
সকলের মত সমাজে নারীও গলা তুলে কথা বলার দাবিদার।।

দেশকে স্বাধীন করতে যারা পুরুষের সাথে হাতে হাত ধরে চালিয়েছে সংগ্রাম
সেই মাতঙ্গিনী, সরোজিনী র দেশে কোনো নারী কুড়োবেনা কোনো বদনাম।।

নিজের জীবনে স্বাধীনতার স্বাদ নিতে,আশায় বুক বেঁধে চলছে নারীদের লড়াই
স্বাধীনতা যেদিন তুমি পূর্ন রূপে ধরা দেবে নারীর জীবনে,সেদিন বদলে যাবে জীবনের মানেটাই।।

তুমি আসবে বলেই সেই অপেক্ষায় দিন গুনে চলে সব নারী
আসবে যখন সমাদরে তুমি,খুশিতে মাতবে সবাই, অবসান হবে নিশির এই আশাই করি।।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শুক্রবার, ৯ আগস্ট, ২০২৪

শিরোনাম - স্বাচ্ছন্দ্য✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - স্বাচ্ছন্দ্য
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

"যুদ্ধ এসেছে,বুদ্ধ হেসেছে।" জনপ্রিয় এক ব্যান্ডের এই গান একসময় খুব শোনা যেতো। কিন্তু বাস্তবে চিত্র পুরো আলাদা। জনদরদী বুদ্ধ বাবু কোনোদিনই হাসেননি কোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে। রাইটার্স থাকাকালীন এমনকি রাইটার্স ছাড়ার পরও বিলাসবহুল জীবনের ধারে পাশে যাননি। নিজের দু কামরার ফ্ল্যাট আর বই ভর্তি ঘর,যেখানে সাদামাটা ভাবে থাকতেই উনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। ভুল করেও সেই বাড়ী ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবেননি তিনি। সেই প্রাণপ্রিয় বাড়ী থেকেই ঈশ্বরের বাড়ীতে যাত্রা করলেন স্বমহিমায়,নিস্তব্ধে। করে গেছেন দেহদানের অঙ্গীকার,আলিমুদ্দিন থেকে সারা রাস্তা ছেয়ে গেছে পুলিশবাহিনীতে, গ্রিন করিডোরে আসবেন উনি নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে,ছাত্রছাত্রীরা ডিসেকশন হলে শুনবে এক মহামানবের কথা,ভিসেরা টেবিলে রাখা সেই মহামানবের হৃদয় খানি ইশারায় তাদের বলবে প্রকৃত অর্থেই মানুষ হয়ো,হৃদয়বান হয়ো। সবার কানে বাজবে,'যুদ্ধ থামুক,বুদ্ধ হাসুক!' 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৪

মুক্তা আহরণ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 মুক্তা আহরণ
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

মনি মুক্তা পেয়ে গেলে তো জীবন ধন্য। কোনো কষ্ট নেই,নেই কোনো চিন্তা। সুখের আবেশে দিন অতিবাহিত হয়ে যায়। কিন্তু মুক্তো পাওয়া কি অত সোজা! সোজা হলে ডুবুরী দের আর সমুদ্রে ডুব দিতে হতো না। মুক্তা যেমন নিজে থেকে এসে ধরা দেয় না তেমনি মানুষের জীবনে সুখ স্বাচ্ছন্দ্য, সফলতা এমনি এমনি আসে না। অনেকটা পথ পেরিয়ে এসে সফলতা অর্জন করা যায়। জীবনে কোনো কিছুই সহজলভ্য নয়, ভালো দিন পেতে গেলে যেমন অনেকগুলো খারাপ দিনের সাথে লড়তে হবে, তেমনি সিঁড়িভাঙ্গা অঙ্কের মতো একটার পর একটা ধাপ অতিক্রম করে শেষ ধাপে সমাধান পাওয়া যাবে সাথে সফলতাও ধরা দেবে। 
খালি সমুদ্রের কাছে গেলে হবেনা, গভীরে ডুব দিতে হবে মুক্তোর সন্ধানে।

"ডুব দিলে গভীর সমুদ্রে,তবেই মুক্তোর সন্ধান মিলিবে 
কষ্ট করলেই জীবন উঠবে ভরে সাফল্য আর হাসির কলরবে।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ৫ আগস্ট, ২০২৪

শিরোনাম-প্রতিবিম্ব✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম-প্রতিবিম্ব
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

বলবে লোকে অনেক কথা, কান দিয়ে কোনো লাভ নেইকো
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখো,তৈরি হবে ভিতর আর বাইরের মধ্যে ভরসার সাঁকো।

দরকার নিজের সাথে কথা বলার হাতে কিছু সময় নিয়ে
আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কৌশল যে রয়েছে এই উপায়ে। 

দর্পণে যেমন প্রতিফলিত হয় আকারে বড়ো অবয়ব
মনের আরশিতে ফুটুক সুবিশাল প্রতিকৃতি!দূরে থাক ভয়,নিরাশা সব। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...