বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

ক্লাপিং টাইম✍️ ডা: অরুণিমা দাস

ক্লাপিং টাইম
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

গ্রীনিচের সময় যেমন ভারতের থেকে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পিছিয়ে তেমনি বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন টাইম টেবিল রয়েছে। মানুষের জীবনও ঠিক তাই, আজ খারাপ সময় যাচ্ছে পিছিয়ে পড়ছে কেউ তার মানে এই নয় যে সে সারাজীবন পিছিয়ে থাকবে। হয়তো তার চেষ্টায় কোনো গলদ ছিলো বা হয়তো তার এগিয়ে যাওয়ার সময় এখনো আসেনি। আর ঠিক সেই মুহূর্তে অন্য কারোর উন্নতি হলো,তার মানে সেই সময় তখন তার জন্য উপযুক্ত। কারোর উন্নতি দেখে হিংসে না করে সেখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে কি ত্রুটি ছিলো চেষ্টার যে পিছিয়ে পড়তে হলো! সময় নিজের গতিতে চলবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে নিজের মনকে, অধ্যবসায় আর চেষ্টা এই দুই হলো সাফল্যের চাবিকঠি। আজ খারাপ হয়েছে তো কি হলো? কাল না হলে পরশু ভালো তো হতেই পারে। মনে আশার আলো সর্বদা জ্বালিয়ে রাখতে হবে যাতে নিরাশার মেঘ না ঘনিয়ে আসে মনের কোণে।
"Untill its my time,i will clap for others"
অন্যের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হতে হবে, নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে, তবেই একদিন পৌঁছে যাবে সাফল্যের শিখরে। মনে হিংসার জন্ম নিলে নেগেটিভ চিন্তারও সঞ্চার হবে ক্রমশঃ পিছিয়ে যেতে হবে এর জন্য। তার চেয়ে স্বত প্রণোদিত চেষ্টায় যাতে সাফল্য অর্জন করা যায় সেদিকে মন দেওয়া উচিত,তখন অন্যেরা হাততালি দিয়ে তোমার জয়কে স্বাগত জানাবে, তোমায় আদর্শ করে নিজের লক্ষ্য স্থির করবে।

"অন্যের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে চলার পথ সুগম হোক
লক্ষ্য থাক সর্বদা শিখর ছোঁয়ার হিংসা দ্বেষ দূর হটুক।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস


মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

পূণ্য হোক নিজের✍️ ডা: অরুণিমা দাস

পূণ্য হোক নিজের
✍️ ডা: অরুণিমা দাস


করতে হয় যদি মহৎ কাজ করো তা নিজের মতো করে
সর্বসম্মুখে বাহবা পেতে ভালো মানুষের মুখোশ না পরে।


দান ধ্যানে মগ্ন হয়ে অবিচার করো না কারোর প্রতি
সৎ থাকো নিজের কাছে, বিরাজ করবে প্রশান্তি।

প্রচারের আলোয় আলোকিত না হলে ক্ষতি তো কিছু নেই
অন্তর হতে উদ্ভাসিত আলোয় ভরুক মন,পরম প্রাপ্তি যে সেই।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

ফেক স্মাইল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

ফেক স্মাইল
✍️ ডা: অরুণিমা দাস 


মুখে বলছি আছি ভালো, সাথে বিগ স্মাইল
মনের ভেতরে চলছে দুঃখ কষ্টের মিছিল।

 ভালো নেই,পারছি বলতে কই সাহস করে?
লোকের চোখে করুণার পাত্র হতে মন যে ডরে।

তার চেয়ে বলি চলো অল ইজ ফাইন,আই অ্যাম ওকে
দুনিয়ায় কেউ তাহলে আঘাত করবেনা তোমাকে। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

বিশ্বকর্মা পুজো স্পেশাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

বিশ্বকর্মা পুজো স্পেশাল
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

ও বিশু দা,সব রেডি তো? গাড়ী টা ঠিক আছে কিনা চেক করে নিয়েছো? হাতিয়া বলে উঠলো। 
- হ্যা চেক করে নিয়েছি সব। তোর ওপর কোনো দায়িত্ব দিয়ে কি আর আমি নিশ্চিন্ত হতে পারি?
- এরকম করে বললে তো? জানো আমি কি করছিলাম?
- কি রাজকার্য করছিলে শুনি? নিজের খাবার গুলো প্যাক করছিলে! এই তো? 
- না গো বিশু দা! আমি তোমার জন্য অনলাইনে এস্পেশাল মাঞ্জা দেওয়া সুতো অর্ডার দিচ্ছিলাম। ডেলিভারির ঠিকানা মর্ত্যে দিয়েছি। 
- বা বেড়ে বুদ্ধি হয়েছে তো তোর! ডায়েট টা  করতে   বলেছিলাম ওই জন্য। বুদ্ধি খোলতাই হচ্ছে তোর। 
- ডায়েট তো সেরকম করিনি বিশু দা! সরস্বতী দি বলেছিল অনলাইনে অর্ডার টা দিতে। দিদি তো এসব অনলাইন জিনিস গুলো ভালো বোঝে। 
- হ্যা তুমি তো আবার দিদি ভক্ত। তা তোমার দিদির এসব অনলাইনে কাজ করার যে সফটওয়্যার সেটা কিন্তু বানায় তোমার এই বিশু দা। বুঝেছ?
- হাতিয়া ঘাড় নেড়ে বললো হ্যা দাদা!
ওদের কথার মাঝে বিশু দাদার ফোনে একটা কল আসে। ফোন খুলে দেখে মা দুর্গার ফোন। বিশু দা বলে হ্যা মা বলুন, এই তো বেরোবো একটু পরেই। আপনার কোনো চিন্তা নেই। কাল গনু আসবে তো! ওর জন্য সব প্যান্ডেল রেডী কিনা, নিরাপত্তা কেমন থাকবে ওর সব দেখে নেবো আজ রাতের দিকে। ওকে খালি অ্যান্টাসিডটা গুছিয়ে পাঠিয়ে দেবেন। আহা! বাছা আমার একটু খেতে না হয় ভালোইবাসে, তা বলে এরকম বলবে তুমি বিশ্বকর্মা? না মা সেটা নয়, সাবধান থাকা ভালো। আপনি কি রাগ করলেন? না বিশু রাগ করিনি। তবে হ্যা বাপু মর্ত্যে গিয়ে আবার বেশি ঘুড়ি লাটাই নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যেওনা! ওসব মাঞ্জা সুতো দিয়ে যেনো আমার কোনো ভক্তের ক্ষতি না হয় দেখো। আচ্ছা মা খেয়াল রাখবো। তাহলে বেরিয়ে পড়ো এবার। সাবধানে যেও বাছা। পৌঁছে সরু কে একটা মেসেজ করে দিও। হ্যা মা মেসেজ করে দেবো। রাখি এখন। 
এই হাতিয়া চল চল। গাড়ীতে উঠি। ওখানকার যা রাস্তা ঘাট পৌঁছতে অনেক সময় লাগবে। ভক্তরা না খেয়ে রয়েছে সব। 
-ছাড়ো তো বিশু দা! রাতে তো সব ছাইপাশ খেয়ে পড়ে থাকবে তোমার ভক্ত রা! মাইকের শব্দ আর ওদের উদ্দাম নাচে আমার ঘুমটাই মাটি হবে। সে যাই হোক,ফিরে এসে ঘুমিয়ে নেবো। 
-হ্যা সে যা পারিস করিস,এখন চল বেরোই আমরা। প্যান্ডেলে সকলে অপেক্ষা করছে। 
- চলো বিশু দা। 
একটা বছরের অপেক্ষার পর বেশ ভালোই লাগে খাতির যত্ন পেতে। কি বলো? 
-ভালো বলেছিস হাতিয়া। 
বিশুদা আর হাতিয়া গাড়ীতে উঠে রওনা দিলো মর্ত্যের পথে। ভালো কাটুক বিশ্বকর্মা পুজো সকলের। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

মানুষ ও মানসিকতা✍️ ডা: অরুণিমা দাস

মানুষ ও মানসিকতা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

যতই দিন দিন মানুষের জীবন যাত্রার মানের উন্নতি হোক, মানসিকতার উন্নতি সেরকম হয়নি আজ অবদি আর হবে বলে আশা করাও উচিত নয়। উচ্চশ্রেণীর মানুষেরা নিম্নশ্রেণীর মানুষের ওপর চিরকাল অত্যাচার করে এসেছে, উপকারীর উপকারের প্রতিদান হিসেবে পিঠে ছুরি বসিয়েছে এটাই হয়ে চলেছে দিনের পর দিন। চিন্তাধারার কোন উন্নতি সেরকম ভাবে লক্ষ্য করা যায়না। নিম্নবিত্ত রা চিরকাল লাঞ্ছিত,নিপীড়িত। হয়তো দিন দিন উন্নতির শিখরে পৌঁছতে গিয়ে মস্তিষ্কের ইমোশনাল লোবে মরচে ধরেছে, তাই পশুর ন্যায় আচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে মানুষের মধ্যে। পশুদের হয়তো অত বুদ্ধি নেই কিন্তু কোনোদিন তারা নীচতা করেনি উপকারীর সাথে বা বিশ্বাসভঙ্গ করেনি। পশু চাইলে কোনোদিন মানুষ হয়ে উঠতে পারবে না কিন্তু দিন দিন বিকৃত রুচির পরিচয় দিয়ে মানুষ পশুতে খুব সহজেই রূপান্তরিত হতে পারে।

"সমাজের শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ,দাও পরিচয় উন্নত মানসিকতার
পশুর ন্যায় আচরণ করে ভোঁতা কোরোনা ক্ষুরধার বুদ্ধির।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস



মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

শিরোনাম - জীবনের অঙ্ক✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - জীবনের অঙ্ক
✍️ ডা: অরুণিমা দাস


সাফল্যের শিখরে ওঠার পথ নয় যে খুব সোজা
প্রতি মুহূর্তে চ্যালেঞ্জ,নিজের মধ্যে সেরাকে খোঁজা 

সিড়িভাঙ্গা অঙ্কের মতোই  জীবনের ছক সাজানো
সব ধাপেই রয়েছে এক নতুন ধাঁধা লুকোনো।

পড়বে তুমি ফাঁদে যখনই শর্ট কার্ট চাইবে নিতে
নিরলস পরিশ্রমে চলো,কাটবে একদিন বিজয়ীর লাল ফিতে।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

ফিরে দেখি যখন

ফিরে দেখি যখন

✍️ ডা: অরুণিমা দাস


হারিয়ে যাওয়া জিনিস, সে তো অনেক কিছু! প্রথমেই মনে পড়ে ছোটবেলা,যেটা কোনোদিন ফিরে আসবেনা। আসবেনা ফিরে টেনশন ফ্রি দিন গুলো,পরীক্ষার আগে ঘুড়ি ওড়ানো দিন গুলো, টেনেটুনে ইতিহাস পাস করার দিন গুলো। ঠাকুমার ঝুলি থেকে বের হওয়া গল্পগুলো, শুনতে শুনতে কল্পনার পথ বেয়ে পৌঁছে যাওয়া রাজ্যে, রাত গুলোতে শিহরণ জাগানো গল্প শোনা আসবেনা সেসব ফিরে। সপ্তাহের শেষে মামাবাড়ি গিয়ে দিদার কাছে পিঠেপুলি আর আচারের আবদার, দাদুর কাছে একটা ডিউস বল কেনার জন্য দাবি করায় কুড়ি টা অঙ্ক কষতে বসা! সত্যিই ফিরবেনা সেসব দিন। স্কুল পালিয়ে বন্ধুদের সাথে চুরমুর খেতে যাওয়া, আজও হাতছানি দেয়। পারিনা শুধু ফিরে পেতে সেসব কিছু। মহালয়ার আগে টেপ রেকর্ডারে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের ক্যাসেট লাগিয়ে ঠিক ভোরবেলায় চালিয়ে দেওয়া,আসবেনা সেইসব। কালের ফেরে বড়ো হচ্ছি, বড্ড মন কেমন করে হারিয়ে যাওয়া জিনিস গুলো ফিরে পেতে, কিন্তু কোনোভাবেই সম্ভবপর নয় তা এখন। তাই ফটো এ্যালবাম আর স্মৃতির পাতায় চোখ রেখে বসে থাকা,এগুলোই ভরসা এখন।

হারিয়ে গেছে অনেক কিছু লিস্ট যে লম্বা বিশাল

খুঁজে বেড়াই তাদের হাতড়াই বুনি স্মৃতির জাল।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস



মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

শিক্ষকের প্রতি✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিক্ষকের প্রতি
✍️ ডা:অরুণিমা দাস


জন্মের পর বাবা মা ই হলেন প্রথম শিক্ষাগুরু

ওনাদের পরে শিক্ষকদের কাছে জ্ঞানার্জন শুরু ।


শিক্ষকই হলেন প্রকৃত মানুষ গড়ার প্রধান কারিগর

তার আদর্শেই অনুগামী আমরা, তিনিই আমাদের ঈশ্বর।


শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়ে প্রকৃত মানুষ গড়ার কর্মকাণ্ডে আপনারা সদা নিয়োজিত

মাথা উঁচু করে বাঁচতে শেখান, হতে দেন না কভু পরাজিত।


আঁধার থেকে আলোর পথে চলার দিশা দেখান তিনি

তাঁর কাছে আমরা ছাত্রগণ থাকবো চিরদিন ঋণী।


পিতামাতা দিলেন মোদের ছোট থেকে বড়  হবার শিক্ষা

আর শিক্ষকেরা দিলেন মোদের মনুষ্যত্বের দীক্ষা।


জীবনে চলার পথে তিনিই যেনো হন আমাদের আদর্শ

জ্ঞানচক্ষু খুলুক মানুষের,সুশিক্ষা যেনো করে স্পর্শ।


জন্মেছিলেন এক মহামানব এই ভারতের ই ঘরে

ডা: সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন নাম তাঁর,যা সবার মুখে  ফেরে।


পালন করি তার জন্মদিন শিক্ষক দিবস হিসেবে

সকল শিক্ষক শিক্ষিকার প্রতি মনে সদা ভক্তি রবে।


©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস


শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...