সোমবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

মুক্তি বনাম বন্দীত্ব✍️ ডা: অরুণিমা দাস

মুক্তি বনাম বন্দীত্ব
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

খাঁচা ছেড়ে বেরিয়ে এসে করলাম কি অবিচার!
গাছের ডালে ভাবছে বসে খেচর।

বন্দীত্ব ছেড়ে মুক্তির স্বাদ তো পেতেই চায় পক্ষীমন
আর মানুষকে মুক্তি দেয় মোবাইল,হেডফোন।

মোবাইল স্ক্রীনে আটকে গিয়ে চোখ,মানব জীবন হচ্ছে স্ক্রল
মুক্ত হয়ে সুখে আছে পাখি,
মানুষ হয়েছে গ্যাজেটের হাতের পুতুল।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস 

বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৪

স্বামী বিবেকানন্দ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

স্বামী বিবেকানন্দ
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

হে মহামানব আজি তোমার জন্মদিনে
প্রণাম জানাই তোমার চরণে।
তোমারি আদর্শে যেন সদা চলতে পারি
ঈশ্বরকে সেবি,জীবে প্রেম করি।
ভুলে সব ভেদাভেদ,উঁচু নীচু জাতপাত
সবার তরে বাড়িয়ে দিই সাহায্যের হাত।
হিন্দু ধর্ম পেয়েছিল মর্যাদা তোমারই চেষ্টায়
তোমার কর্মকাণ্ড রয়েছে সব মনের খাতায়।
ধন্য হয়েছে এই ভুবন মহামানবকে পেয়ে
থাকবে তুমি বেঁচে চিরদিন মানবহৃদয়ে।

©️রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস


বন্ধুত্বের সম্পর্ক✍️ ডা:অরুণিমা দাস

বন্ধুত্বের সম্পর্ক
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

বন্ধু মানে যে খুব আপন, যাকে মন খুলে সব কথা বলা যায়। যে অপরজনের নীরবতা দেখে বুঝে যায় কিছু তো একটা ব্যাপার হয়েছে সেই বন্ধু। যতই ঝগড়া হোক দিন শেষে সব কিছু মিটমাট করে নিয়ে গলা জড়িয়ে খাবার খেতে বসা,এগুলোই বন্ধুত্বের দাবীদার। সব রাগ অভিমান জেদ ভুলে গিয়ে কঠিন সময়েও হাতে হাত ধরে চলাটা বন্ধুত্ব। যে সম্পর্ক হয় লৌহ কঠিন,মজবুত যাকে ভাঙ্গার সাধ্য নেই কারোর সেটাই বন্ধুত্বের দৃঢ় বন্ধন। আর যার কাছে এরম বন্ধু আছে সে দুনিয়ার সবচেয়ে সৌভাগ্যশালী মানুষ। এরকম ভাগ্য খুব কমজনের ই হয়।
আজকাল এই বন্ধন খুব কম দেখা যায়। যত বড় হচ্ছি বন্ধুত্ব কম হচ্ছে,কলিগ হচ্ছে বেশী। স্বার্থের তাগিদে কথা বলতে আসছে,স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে চলে যাচ্ছে। তার মাঝেও দু একজন ভালো বন্ধু পেলে মনে হয় বড়ো গিফট। দিনশেষে নিজেকেই নিজের বড়ো বন্ধু হতে হয়, সব জমে থাকা কথা জমা হয় ডায়েরির পাতায়।

বন্ধুত্বের সম্পর্ক হোক মজবুত,না ধরে যেনো ভাঙন
ভুল বোঝাবুঝি হলে মিটিয়ে ফেলো,দিনের শেষে তুমিই তোমার আপন।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস



বৃহস্পতিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৪

ব্যবহার দিয়ে যায় চেনা✍️ ডা: অরুণিমা দাস

ব্যবহার দিয়ে যায় চেনা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

কথায় আছে ব্যবহারই মানুষের পরিচয়। ভালো ব্যবহারের প্রত্যুত্তরে ভালো ব্যবহার করা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার কিন্তু কেউ যদি খারাপ ব্যবহার করে তার উত্তরে ভালো ব্যবহার করাটাই আসল শিক্ষার পরিচয়। আজকাল কারোর কাছে ভালো ব্যবহার পাওয়াটা প্রত্যাশার চেয়ে অনেকটা বেশী। মানুষের ধৈর্য্য অনেক কমে যাওয়ায় অপর প্রান্তের ভালো ব্যবহার করা মানুষের ওপর তার মন্দ ব্যবহারের কি প্রতিক্রিয়া হয় সেটা ভাবার সময় টুকুও নেই। অপর প্রান্তের মানুষের সাথে দুটো হেসে কথা বলার মানসিকতাও নেই আজ সকলের। যান্ত্রিকতার যুগে মানুষের মনও সংবেদনশীলতা হারিয়ে কঠোর হয়ে উঠেছে,তাই খারাপ ব্যবহার করার আগে দুবার ভাবেওনা। নিজের সহনশীলতা বজায় রেখে অপর প্রান্তের মানুষের সাথে সুব্যবহার করাটাই আসল শিক্ষার পরিচয়,এতেই মানুষের গুণগত মানের সঠিক প্রকাশ হয়।

"ব্যবহার হোক ভালো সর্বদা,মন্দ বা ভালো কথার প্রত্যুত্তরে
ধৈর্য্যচ্যুতি না ঘটিয়ে সংবেদনশীলতা বাঁচিয়ে রেখো অন্তরে।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস



শিরোনাম - অপ্রকাশিত অনুভূতি✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - অপ্রকাশিত অনুভূতি ✍️ ডা: অরুণিমা দাস কিছু অনুভূতি মনের গভীরে থাকাই শ্রেয়। সেটা হয়তো প্রকাশ করলে সমস্যা হতে পারে,তাই প্রকাশ না কর...