শিরোনাম - অপ্রকাশিত অনুভূতি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
কিছু অনুভূতি মনের গভীরে থাকাই শ্রেয়। সেটা হয়তো প্রকাশ করলে সমস্যা হতে পারে,তাই প্রকাশ না করাই হয়তো ভালো। এমনও হতে পারে যে অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যমে হয়তো শত্রুকে জিতিয়ে দেবার রাস্তা তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। কর্ম জীবনে অনেক কিছুই দেখা যায় আর বোঝাও যায় কিন্তু সেখানে খারাপ লাগার ব্যাপার গুলো সর্বসম্মুখে প্রকাশ না করাই হয়তো বুদ্ধিমানের কাজ। নিজের মতো কাজ করে এগিয়ে যাওয়া উচিত। আর সব সত্যি কথা বলতে পারলে কোনো মানুষই বন্ধু থাকবেনা, মুখোশ খুলে আসল রূপ বেরিয়ে পড়বে। যাদের থেকে বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে সেখান থেকে দূরত্ব বজায় রাখাই শ্রেয়। আবার অনেকসময় কেউ ভালো কিছু করলো কিন্তু তাকে ধন্যবাদ দেওয়া হয়না, সেই অনুভূতি অন্যরকম হয়। তখন তাকে মনে মনে ধন্যবাদ জানানো যেতে পারে। অপ্রকাশের জন্য সেসব অনুভূতি যাতে মনের ভার না হয়ে ওঠে সেজন্য কিছু কথা লেখা থাক বরং খাতার পাতায়। এতে মনের ওপর চাপও পড়বে না আর অপ্রিয় সত্য বলে শত্রু বাড়ার সম্ভাবনাও কম থাকবে। অপ্রকাশের মাধ্যমে যে এক অন্যরকম ভালোলাগা আছে তার ছাপ থেকে যাক। টক্সিক মানুষদের কাছে অনুভূতি প্রকাশ না করে নিরাপদ দুরত্বে অবস্থান করাতে নিজের ভালো। আর নিজেকে কীভাবে ভালো রাখতে হবে এটা নিজে ছাড়া কারোর পক্ষেই জানা সম্ভব নয়।
"কিছু অনুভূতি থাক একান্ত আপন,সযত্নে মনের কোণে
সব কিছু বুঝেও প্রকাশ্যে তা ভুল করেও এনোনা টেনে।"
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন