বৃহস্পতিবার, ২৯ মে, ২০২৫

শিরোনাম - চিত্ত ও বিত্ত✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - চিত্ত ও বিত্ত
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

মন সদা সর্বদা চঞ্চল, তাকে বাগে আনা খুব দুষ্কর। নানা চিন্তার সমারোহে সে সর্বদা জর্জরিত। কিছু না কিছু ভাবছেই সে। তেমনি বিত্ত বা সম্পত্তি সেও সদা পরিবর্তনশীল। আজ তার কারণে কেউ ধনবান আবার কেউ বা তাকে হারিয়ে পথে নামতে বাধ্য হয়েছে। চিত্ত আর বিত্তকে ধরে রাখা খুব মুশকিল কাজ। আজ এখানে তো কাল সেখানে। তাও এই দুই জিনিসকে ধরে রাখার নিরলস প্রচেষ্টাই আমাদেরকে রোজকার কাজের জন্য অনুপ্রেরণা জোগায়। আর এই অনুপ্রেরণার জন্যই আমরা এগিয়ে চলি নিজের লক্ষ্যে। তাই বলাই যায় চিত্ত বিত্ত দুজনের অবস্থান একরকম। আর এদেরকে বাগে রেখে চলতে পারলেই জীবনটা অন্য রকমের হতে পারে। আবার এদের বাগে আমরা এসে গেলে তখন জীবন আরেকরকম। এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে জীবনতরী বেয়ে চলাই আসল লক্ষ্য হোক সকলের। 

"চিত্ত বিত্ত সদা চঞ্চল,বাগে আনার জন্য করতে হয় কসরত 
এই দুইয়ের ভারসাম্য বজায়ে আসুক সকলের জীবনে শুভ মহরৎ।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০২৫

শিরোনাম - উপদেশ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - উপদেশ
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

কিছুদিন আগে একটা ভিডিও দেখেছিলাম যেখানে এক মেয়ে তার মাকে ফোনে শ্বশুর বাড়িতে ঘটা রোজকার ঘটনাগুলো শেয়ার করছিল। কিছুটা সুনাম কিছুটা দুর্নাম সব মিলিয়ে মিশিয়ে। মা তাকে একটি কথাই বলেছিল বিয়ে হয়েছে এখন তোমার, শ্বশুর বাড়ীর সব কথা আমাকে বলার দরকার নেই। নিজের বুদ্ধিমত্তা আর বিশ্লেষণ ক্ষমতা দিয়ে প্রতিটি সমাধান করো তোমার কোনো কিছু অসুবিধে হলে। আমার উপদেশ তোমার ভালো নাও লাগতে পারে। নিজের সংসার নিজেকেই মানিয়ে গুছিয়ে রাখতে হবে,তবে সেটা করতে গিয়েই কোনোভাবেই গুরুজনদের অশ্রদ্ধা করোনা কোনোদিন। যেটা বুঝেছিলাম ভিডিওটি দেখে যে এর মধ্যে একটি ছোট্ট কিন্তু গভীর বার্তা রয়েছে মেয়ের প্রতি মায়ের। কোনো মা চাইবেননা তার মেয়ের সংসার ভেঙে যাক, চাইবেন তার মেয়ে সুখে শান্তিতে সংসার করুক। ছোটবেলা থেকেই তাই মায়েরা মেয়েদের শিক্ষা দেন সব রকম পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার জন্য। এবার কোনোদিন বিরূপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে সেটা আলাদা কথা। সেটাও তাকে নিজেকেই সমাধান করতে হবে। তার জন্য কারোর সাহায্য বা দখলদারির দরকার যেনো না পড়ে। 

"নিজ বুদ্ধিতে চালাও পরিবার,সংসার সুখের হয় রমনীর গুণে
যে শিক্ষা পেয়েছো ছোটবেলা থেকে সেটাই প্রয়োগ করো  প্রয়োজনে!"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫

সিন্দুরিয়া✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 সিন্দুরিয়া
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

প্রাচীন কালে মাটি,গাছ এদেরকে প্রাকৃতিক শক্তির প্রতীক হিসেবে ধরে নেওয়া হতো। লাল রং ছিলো তাদের কাছে সৃষ্টির প্রতীক। সেই সময় থেকে ভারতীয় শাস্ত্রে তথা হিন্দু ধর্মে সিঁদুরের ব্যবহার শুরু হয়। বিবাহিত মহিলারা সিঁদুর পরেন স্বামীর মঙ্গলার্থে। আর প্রাচীন বিশ্বাস এই সিঁদুর নারীর শক্তি প্রদর্শন করে সমস্ত বিপদ থেকে দূরে রাখে তাকে আর পরিবারকে। সব নারীই হলো শক্তির উৎস, তাই সিঁদুরের ব্যবহার এই শক্তিকে প্রতিফলিত করে। সম্প্রতি এই সিঁদুর শব্দটি গোটা দেশের জন্য একটা আলোড়ন তৈরী করেছে। কিছু নৃশংস মানুষের বর্বরোচিত আচরণে কয়েক জন নারী তাদের আপনজনকে হারিয়েছে। কিন্তু প্রতিটি  ক্রিয়ার এক সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া থাকে। সেই প্রতিক্রিয়া স্বরূপ জাতি ধর্ম নির্বিশেষে লড়েছে এই দেশ, এক নারীর সার্বিক ক্ষতির বদলা নিয়েছে আরেক নারীই, যার জন্য তার প্রতিবেশী দেশকে অনেক মূল্য চোকাতে হয়েছে। রাত জেগে টিভির পর্দায় চোখ রেখেছে জনগণ,যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ধ্বংস স্তুপে পরিণত হয়েছে অন্যের ক্ষতি করা সেই প্রতিবেশী দেশটি। আর সাংবাদিক সম্মেলনে দুই নারীর দৃঢ় কন্ঠস্বর আমাদের সকলকে মনে করিয়ে দিয়েছে সিঁদুরের শক্তি কতখানি। এর পর আশা রাখি আর কোনোদিন সিঁদুরের শক্তি খর্ব করার মতন দুঃসাহস কারোর হবে না,এই ঘটনা চিরকাল যেনো ইতিহাসের পাতায় জ্বলজ্বল করে মনে করিয়ে দেবে সিঁদুরের শক্তি ঠিক কতখানি!

"মিশন সিন্দুরিয়া,আলোড়ন ফেলে দিয়েছে সকল দেশবাসীর মনে
মর্যাদা থাকুক অটুট,কেউ যেনো কোনোদিন তার প্রতি আঘাত না হানে।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস


সোমবার, ১২ মে, ২০২৫

রবীন্দ্রনাথের লেখা গল্পের নারীচরিত্র বিশ্লেষণ গল্পের নাম - দেনাপাওনা নারী চরিত্রের নাম - নিরুপমা✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 রবীন্দ্রনাথের লেখা গল্পের নারীচরিত্র বিশ্লেষণ
 গল্পের নাম - দেনাপাওনা
 নারী চরিত্রের নাম - নিরুপমা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

রবীন্দ্রনাথের লেখা গল্পের নারী চরিত্র হিসেবে প্রথমেই মনে আসে নিরুপমার নাম। দেনাপাওনা গল্পটি প্রথম পড়েছিলাম ক্লাস নাইনে,নিরুপমার দুঃখের কাহিনী সেই ছোট বয়সেই মনে আলোড়ন তুলেছিল আমার। তার পিতার আর্থিক সংগতি না থাকার জন্য যে কষ্ট তাকে ভোগ করতে হয়েছিল, যেভাবে অর্থলোভী আর বনেদী নামের আড়ালে লুকিয়ে থাকা নৃশংস মানুষদের অত্যাচারের স্বীকার হতে হয়েছিল নিরুপমাকে,সেরকম আজও অনেক মেয়েকে নিপীড়িত হতে হচ্ছে। পণপ্রথা তারপরও রদ হয়নি,এখনো সেই অভিশাপ বয়ে চলেছে সমাজ। পিতা রামসুন্দর মিত্রের গলগ্রহ হয়ে থাকতে চায়নি নিরুপমা,তার শ্বশুরবাড়িতে পিতার অপমান সহ্য করতে সে আর পারেনি একটা সময়ের পর। একটু ভালবাসা চেয়েছিল সে,বদলে জুটেছিল অবহেলা আর গঞ্জনা। টাকাপয়সার বিচারই তখন বোধহয় মানসম্মানের মাপকাঠি ছিলো। দিনের পর দিন নাওয়া খাওয়া ছেড়ে জীবনের প্রতি মায়া কমাতে চেয়েছিল নিরুপমা আর সফলও হয়েছিল। বেঁচে থাকলে যে সম্মান তার প্রাপ্য ছিলো সেই সম্মান সে পায়নি,বরং চলে যাওয়ার পর তাকে ধুমধাম করে ধরাধাম থেকে বিদায় জানানো হয়েছিলো। পিতার বুকের জ্বালা কমাতে গিয়ে নিরুপমার এই আত্মবলিদান সকল পাঠকের মনে চিরস্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০২৫

শিরোনাম-লহ প্রণাম ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 শিরোনাম-লহ প্রণাম
✍️ ডা:অরুণিমা দাস


প্রণমি তোমারে অন্তর হতে,প্রিয় কবি হে মোর 
হিয়ার মাঝে সদা প্রাণবন্ত তুমি ও তোমার কণ্ঠস্বর।

স্কুলের পথ ভুলেছ, সৃষ্টি করেছো অসামান্য রচনা
লেখালিখির চেষ্টা করি মাত্র,তুমিই যে অনুপ্রেরণা।

জটিল জীবন সহজ হয়,তোমার লেখায় আর গানে
আশার আলো সঞ্চারিত হয় অন্ধকারের মধ্যিখানে।

দিকে দিকে চলছে আজ পঁচিশে বৈশাখ উদযাপন 
তোমার শুভ জন্মদিনে জানাই সশ্রদ্ধ অভিবাদন।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ১ মে, ২০২৫

শিরোনাম- শ্রম দিবস✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম- শ্রম দিবস
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

নিশ্চুপে নিঃশব্দে ওরা যে কাজ করে চলে 
দিবারাত্র হয় সারা,মাথার ঘাম পায়ে ফেলে।

তাদের জানাতে সম্মান,একটি দিন বরাদ্দ কেবলি
বাকি দিনগুলোয় ওদের সকলে বেমালুম ভুলি।

শ্রমজীবীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের যথাযোগ্য মূল্যায়ন হোক
মে দিবস শুধু কেনো!বাকী দিনও তাঁদের প্রতি সশ্রদ্ধ সম্মান অটুট থাকুক।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...