বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫

সিন্দুরিয়া✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 সিন্দুরিয়া
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

প্রাচীন কালে মাটি,গাছ এদেরকে প্রাকৃতিক শক্তির প্রতীক হিসেবে ধরে নেওয়া হতো। লাল রং ছিলো তাদের কাছে সৃষ্টির প্রতীক। সেই সময় থেকে ভারতীয় শাস্ত্রে তথা হিন্দু ধর্মে সিঁদুরের ব্যবহার শুরু হয়। বিবাহিত মহিলারা সিঁদুর পরেন স্বামীর মঙ্গলার্থে। আর প্রাচীন বিশ্বাস এই সিঁদুর নারীর শক্তি প্রদর্শন করে সমস্ত বিপদ থেকে দূরে রাখে তাকে আর পরিবারকে। সব নারীই হলো শক্তির উৎস, তাই সিঁদুরের ব্যবহার এই শক্তিকে প্রতিফলিত করে। সম্প্রতি এই সিঁদুর শব্দটি গোটা দেশের জন্য একটা আলোড়ন তৈরী করেছে। কিছু নৃশংস মানুষের বর্বরোচিত আচরণে কয়েক জন নারী তাদের আপনজনকে হারিয়েছে। কিন্তু প্রতিটি  ক্রিয়ার এক সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া থাকে। সেই প্রতিক্রিয়া স্বরূপ জাতি ধর্ম নির্বিশেষে লড়েছে এই দেশ, এক নারীর সার্বিক ক্ষতির বদলা নিয়েছে আরেক নারীই, যার জন্য তার প্রতিবেশী দেশকে অনেক মূল্য চোকাতে হয়েছে। রাত জেগে টিভির পর্দায় চোখ রেখেছে জনগণ,যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ধ্বংস স্তুপে পরিণত হয়েছে অন্যের ক্ষতি করা সেই প্রতিবেশী দেশটি। আর সাংবাদিক সম্মেলনে দুই নারীর দৃঢ় কন্ঠস্বর আমাদের সকলকে মনে করিয়ে দিয়েছে সিঁদুরের শক্তি কতখানি। এর পর আশা রাখি আর কোনোদিন সিঁদুরের শক্তি খর্ব করার মতন দুঃসাহস কারোর হবে না,এই ঘটনা চিরকাল যেনো ইতিহাসের পাতায় জ্বলজ্বল করে মনে করিয়ে দেবে সিঁদুরের শক্তি ঠিক কতখানি!

"মিশন সিন্দুরিয়া,আলোড়ন ফেলে দিয়েছে সকল দেশবাসীর মনে
মর্যাদা থাকুক অটুট,কেউ যেনো কোনোদিন তার প্রতি আঘাত না হানে।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...