বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫

চিঠিপত্র - ল্যান্ডিং ইন ধরাধাম লেটার টু ফ্যামিলি✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 চিঠিপত্র - ল্যান্ডিং ইন ধরাধাম
 লেটার টু ফ্যামিলি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

প্রিয় বাড়ীর সবাই উইথ নন্দী ভৃঙ্গি,

                     পৌঁছে গেছি আমি ধরাধামে। বৃষ্টি পড়ছে অল্প বিস্তর। তবে আবহাওয়া ভালোই। বাবাইকে এস এম এস করেছি কিন্তু তিনি যদি নেশায় ভুলে গিয়ে মাম্মাকে জানাতে ভুলে যায় তাই সবাইকে লিখছি এই চিঠি যাতে সবাই আমার পৌঁছনোর খবর জেনে যায়। এখানে তো এলাহী আয়োজন করেছে ভক্তরা। র‍্যাটস তো এক দৃষ্টে খাবার গুলো দেখছে খালি,আর ভাবছে কখন খেতে বসবে!এসেই আমি আগে শপিং মল গুলোতে ঘুরেছি বুঝলি সরু দিদি এই লক্ষী দিদিরা। তোমরা ঠিক বলতে,একটু মধ্যপ্রদেশটা কমাতে হবে নইলে ড্রেস গুলো ভুড়িতে এসে আটকে যাচ্ছে। নেক্সট ইয়ার পাক্কা ১৫ কেজি কমাবো ওজন। তবেই মডার্ন টি শার্ট গুলো পরা যাবে। তবে সব কিছুর মাঝেও থমথমে পরিবেশ। শিক্ষকদের মধ্যে একটা চাপা কষ্ট,শিক্ষার সঠিক পরিবেশের অভাব, ছাত্রছাত্রী গুলো তো খালি সেলফি তুলছে আর আমায় দেখার নাম করে টিউশন ফাঁকি দিয়েছে। ভেবেই ভালো লাগে আমরা কোনো স্মার্ট ফোন নিয়ে বড় হয়নি। নয়তো আমরাও এরকম লাগামছাড়া জীবন যাপনে ব্যস্ত হয়ে পড়তাম। সরু দিদি তোমাকেই কিছু একটা করতে হবে। এদের মাথায় একটু সুবুদ্ধি সফট্ওয়ারটা দিও প্লিজ। আর লক্ষী দিদি তুমি যখন আসবে পুজোতে একটু উদ্যোক্তাদের বলো কম খরচ করে বাকি টাকা যেনো একটু দুঃস্থ অসহায়দের কাজে লাগায়। আমাদের তো সাধারণ জীবন যাপনে অভ্যস্ত করেছে মাম্মা,তাই আমাদের লাক্সারি পোষায়না। এখানে ছোঁড়াগুলো যা সেজে গুজে ঘুরছে আমার তো ভয় লাগে কাতু টা আবার ওদের পাল্লায় পড়ে বিগড়ে না যায়। এই দেখো পৌঁছনোর খবর লিখতে গিয়ে কত কি লিখে ফেললাম। যাই একটু মোদক আর লাড্ডু খেয়ে আসি, পেট টা খিদে খিদে করছে। র‍্যাটসকে পাঠাই চিঠিটা পোস্ট করে দিতে। তোমরা সবাই ভালো থেকো। আমার জন্য চিন্তা করো না। সাবধানে ফিরে আসবো আমি পুজো শেষে। তারপর নেক্সট প্ল্যান হবে সবাই মিলে আসার। এখনকার জন্য টা টা বাই। 
                                            
                                              ইতি          
                                 তোমাদের প্রিয় গণু সোনা
            
                                                
তারিখ : ২৭.০৮.২০২৫                          

বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫

Title: MiddleMen: Bridging Justice

In our increasingly unequal world, where justice often feels out of reach for the most vulnerable, MiddleMen, founded by Sree Krishna Seelam, stands as a beacon of hope—making legal access affordable, humane, and equitable.

MiddleMen operates as a non-profit arm under the WeDidIT foundation, both established by the visionary Sree Krishna Seelam . While WeDidIT fosters humanity and empathy in society, MiddleMen focuses its mission on delivering justice—especially to those marginalized by systemic inequities .

At its core, MiddleMen harnesses artificial intelligence to dismantle legal barriers for the underprivileged. Their platform uses AI tools such as:

Lexum: A tool for accessing relevant legal precedents and case data.

AI Lawyer: Serves as a virtual legal assistant.

Ferret.ai: A dedicated research companion.

DoNotPay: A consumer rights advocate in digital form .


This suite of AI not only streamlines legal support—it composes a justice ecosystem that’s both accessible and far-reaching.


Justice isn't about privilege—MiddleMen’s platform reflects that belief. They offer:

An interactive dashboard for real-time case tracking, fostering full transparency for clients.

Lawyer matchmaking based on case specifics and legal specialization, ensuring relevance and efficacy.This model reframes justice not as an expensive right but as a fundamental human need.

In an “inhumane world” marked by growing materialism and disparity, MiddleMen's mission is revolutionary: Justice is only equal if even the poorest get resolution with dignity . By leveraging digital innovation, Sree Krishna Seelam’s initiative empowers individuals traditionally excluded from legal redress, restoring faith and fairness where it’s needed most.

বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫

WeDidIT: Cultivating Compassion and Leadership Through Volunteering

In the midst of the COVID-19 pandemic in March 2020, Sree Krishna Seelam, a visionary social entrepreneur, launched WeDidIT Foundation, a youth-centric non-profit based in Vijayawada, India. 


Despite starting with just seven volunteers operating from a residence within a containment zone, WeDidIT experienced explosive growth. This remarkable progress culminated in WeDidIT being honored with the Economic Times Award for Excellence in Social Entrepreneurship in 2021—a testament to its lasting impact .

WeDidIT's ethos is deeply rooted in the belief that volunteering is not just an act of service but a path to personal transformation and leadership.

During the pandemic lockdown, volunteers were encouraged to feed birds or animals at home, share photos on social media, and tag friends—creating a ripple effect of simple acts of kindness. startupindiamagazine.com


Another notable initiative involved youth interviewing senior citizens (75+) in their circles, compiling responses and videos. These intergenerational exchanges fostered empathy, wisdom, and strengthened bonds between generations .


Beyond localized projects, WeDidIT aligns with the United Nations Sustainable Development Goals—addressing issues such as No Poverty, Quality Education, Gender Equality, Clean Water and Sanitation, and Climate Action, among others . The foundation’s deeper mission is to cultivate volunteers into empathetic, purpose-driven leaders who carry the spirit of service beyond any single initiative . rebelmindset.blogspot.com


With the rallying cry, “To leave this planet a better place than it was before we arrived,” WeDidIT extends an open invitation to individuals of all walks of life—students, professionals, artists, and activists—to join a movement rooted not in perfection, but in shared humanity and purposeful action. 

#WeDidIT #youthleadership #volunteering 
 




বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫

সাফল্য দেবে ধরা✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 সাফল্য দেবে ধরা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

সফলতার গোপন মন্ত্র লুকিয়ে রয়েছে নিজের মধ্যেই। এর জন্য কারোর সাহায্যের দরকার পড়ে না। খালি নিজেকে হেরে যেতে দেওয়া যাবেনা। নিজবুদ্ধিতে বলীয়ান হয়ে এগোতে হবে। সুপ্ত প্রতিভা সকলের মধ্যেই রয়েছে, খালি তাকে জাগিয়ে তুলতে হবে। সমস্ত দুনিয়া তোমার ওপর ভরসা না করলেও নিজের ওপর নিজের ভরসাটাই আসল। হার মানলে চলবে না। এতেই লুকিয়ে রয়েছে সফলতার চাবিকাঠি। জীবনে বড় হতে গেলে আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। আত্মবিশ্বাসী হলে তবেই সফল হওয়া যায়। আমি এই কাজটা পারবোই, যদি আমি না পারি তাহলে কেউ পারবেনা এরকম ভাবনা নিজের মধ্যে জাগিয়ে রাখতে হবে। মনের গভীরে সফলতার বীজ পুঁতে রাখলে একদিন ঠিকই সেই চারা বৃক্ষে পরিণত হবে, গর্বে বুকটা ভরে যাবে। মন প্রাণ খুলে বিজয়ী হবার আস্বাদ নেওয়া যাবে। শুধু চাই সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা আর দৃঢ় প্রত্যয়।

"সফল হওয়ার সব রকম সম্ভাবনা রয়েছে নিজের মধ্যেই লুক্কায়িত
বিশ্বাস রেখো নিজের ওপর,বিজয়ী হবার বাসনা কোরোনা অবদমিত।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫

কবিগুরুর সৃষ্টি ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 কবিগুরুর সৃষ্টি 
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

কবিগুরুকে নিয়ে লিখতে গেলেই কোথা থেকে শুরু করবো কিছুই বুঝতে পারিনা। বড্ড বেশী দুঃসাহসী মনে হয় নিজেকে। তাঁর সৃষ্টির ছোঁয়া কোথায় না নেই? ছোটগল্প, উপন্যাস, বড়গল্প, কবিতা, নাটক,গান সবকিছুতে তাঁর উজ্জ্বল উপস্থিতি স্বমহিমায়। শিশু ভোলনাথের কবিতা দিয়ে প্রথম রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির সাথে আলাপ। তারপর বাকী স্রষ্টার সাথে পরিচয় হলো ধীরে ধীরে। অমল ও দইওয়ালা থেকে শুরু করে শিশুমনে দাগ কেটে,কাবুলিওয়ালাতে এক অটুট পিতা পুত্রী বন্ধন,তোতাকাহিনীতে লেখাপড়ার এক অনন্য দিক খুলে দেনা পাওনাতে নারী জীবনের দুর্ভোগ ও অসহায় গরীব পিতার হাহাকার পাঠকের মনে গভীর ছাপ ফেলে যায়। অচলায়তন পড়ে তো কুসংস্কার বিরুদ্ধ চিন্তাভাবনা প্রোথিত হয় হৃদয়ে। আর মন ভালো করার জন্য ওনার গান তো সর্বক্ষণের সঙ্গী। গীতবিতানটা খুলে দেখি যখন, তখন মনে হয় স্কুলের ফটক পার না করেও যে এত কিছু সৃষ্টি করা যায়! এটা সত্যিই খুব অবাক করে দেয়। শুধু কলমকে সঙ্গী করে কবিগুরু অসামান্য সৃষ্টি দিয়ে আমাদের সবাইকে ভরিয়ে তুলেছেন,সমৃদ্ধ হয়েছি আমরা সকল বিশ্ববাসী। জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময় সকলের বুক গর্বে ভরে ওঠে, শিহরণ জাগে সারা শরীরে। ওনার সৃষ্টি এভাবেই যুগান্তরিত হোক,সাহিত্যের প্রতি সকলকে অনুরক্ত করুক। 

"কবিগুরুর সৃষ্টি সকল পাঠকের মনে জাগায় গভীর আলোড়ন
জন্মান্তর বলে যদি কিছু থাকে,ধরায় তোমাকে ফিরে পেতে চায় মন।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫

ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট✍️ ডা: অরুণিমা দাস

ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট
✍️ ডা: অরুণিমা দাস


বন্ধু হবে নাকি তুমি?পায়ের কাছে এসে পড়ল ছোট্ট চিরকুট
কে পাঠালো এটা! ছাদে দাঁড়িয়ে বললো মেয়েটা, বড়ই অদ্ভুত।

নজর গেলো একটু দূরে পাশের বাড়ির ছাদের কোণে
রুগ্ন এক মেয়ে দাড়িয়ে, একদৃষ্টে তাকিয়ে তার পানে।

খানিক পরে এসে পড়লো আবার একটি কাগজের দলা
লেখা তাতে অসুস্থ আমি,তাই পারি নে বাইরে যেতে হয়না কারোর সাথে কথা বলা।

এবার যে উত্তর দেওয়ার পালা,লিখলো মেয়েটি সাদা পাতায়
আজ থেকে তুমি হলে আমার সই, মনের কথা সব বোলো আমায়।

বন্ধু পেয়ে ভীষণ খুশি হলো যে রুগ্ন মেয়ে,লিখলো নামটি কী তোমার? 
লিখলো বন্ধু,নাম আমার মাধবী,সই বলেই ডেকো না হয়।

রুগ্ন মেয়ের নাম ছিল কল্যাণী, মাধবী আর তার মধ্যে গড়ে উঠেছিল সখ্যতা
চিঠি চালাচালি করেই হতো তাদের সব মনের কথা।

বন্ধুত্বের পরশ আর ডাক্তারের পথ্য নিয়মিত পেয়ে
পেয়েছিল মনের জোর কল্যাণী,ছিলনা আর রুগ্ন মেয়ে।

একদিন ছিঁড়ে গেলে বন্ধুত্বের বাঁধন, পরিবার সহ কল্যাণী গেলো অন্য বাসায়
যাওয়ার আগে মাধবীকে বলে গেলো দেখা করিস নতুন ঠিকানায়।

চোখের জলে বিদায় জানিয়েছিল মাধবী তার প্রাণের সই কে
পুরনো দিনের সেই কথাগুলো মাধবী বলছিল তার ছেলেকে।

ছেলে বললো কোরোনা দুঃখ,এখন চিঠি না থাকলেও আছে তো তোমার ফেসবুক ইনস্টা
তোমার প্রাণের সই কে পাই কি না খুঁজে,চলো করি চেষ্টা।

মিলল অনেক নাম আর ছবি ফেসবুক খুলে সার্চ করে
মাধবী দেখতে লাগলো সব ছবি গুলো উৎকণ্ঠা ভরে।

একটা সময় ফোনের স্ক্রীনে আটকে গেলো চোখ তার
এই তো সইয়ের ছবি, সাথে নিয়ে তার ভরা সংসার।

চোখের জল বাঁধ মানে না,ছেলে বললো পাঠাই তবে  রিকোয়েস্ট
মা বললো হ্যাঁ,একদিন সে বাড়িয়েছিল বন্ধুত্বের হাত,আজ হোক ওর টেস্ট।

চলে গেলো রিকোয়েস্ট খানি, অধীর আগ্রহে বসে আছে মাধবী
এতদিন পরে চিনতে কি পারবে কল্যাণী তার সইয়ের বন্ধুত্বের দাবী?

অ্যাকসেপ্ট হলো রিকোয়েস্ট ভীষণ খুশি মাধবী
মেসেজ পাঠালো সে,কল্যাণী আমায় চিনতে কি পারবি!

উত্তর এলো হ্যাঁ পেরেছি চিনতে, তুই যে আমার প্রাণের সই
ছোট্ট কাগজে যে বন্ধুত্ব শুরু হয়েছিল,আজ তা রিনিউ হোক ডিজিটাল মাধ্যমেই।

কতদিন খুঁজেছি তোকে,জানতাম না তোর নতুন ঠিকানা
আজ ফেসবুক মিলিয়ে দিল আমাদের,তবে ধন্যবাদ আমার ছেলের পাওনা।

উত্তর দিলো কল্যাণী,আজ চিঠির যুগকে খুব মিস করি
দেখি যদি আমরা ধীরে ধীরে মডার্ন যদি হতে পারি!

মায়ের মুখে দেখে হাসি ছেলে আজ বড়ই খুশি যে
কিছু বন্ধুত্ব যে নিখাদ ভালোবাসায় ভরা,বুঝেছে সেও।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস 

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...