কবিগুরুর সৃষ্টি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
কবিগুরুকে নিয়ে লিখতে গেলেই কোথা থেকে শুরু করবো কিছুই বুঝতে পারিনা। বড্ড বেশী দুঃসাহসী মনে হয় নিজেকে। তাঁর সৃষ্টির ছোঁয়া কোথায় না নেই? ছোটগল্প, উপন্যাস, বড়গল্প, কবিতা, নাটক,গান সবকিছুতে তাঁর উজ্জ্বল উপস্থিতি স্বমহিমায়। শিশু ভোলনাথের কবিতা দিয়ে প্রথম রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির সাথে আলাপ। তারপর বাকী স্রষ্টার সাথে পরিচয় হলো ধীরে ধীরে। অমল ও দইওয়ালা থেকে শুরু করে শিশুমনে দাগ কেটে,কাবুলিওয়ালাতে এক অটুট পিতা পুত্রী বন্ধন,তোতাকাহিনীতে লেখাপড়ার এক অনন্য দিক খুলে দেনা পাওনাতে নারী জীবনের দুর্ভোগ ও অসহায় গরীব পিতার হাহাকার পাঠকের মনে গভীর ছাপ ফেলে যায়। অচলায়তন পড়ে তো কুসংস্কার বিরুদ্ধ চিন্তাভাবনা প্রোথিত হয় হৃদয়ে। আর মন ভালো করার জন্য ওনার গান তো সর্বক্ষণের সঙ্গী। গীতবিতানটা খুলে দেখি যখন, তখন মনে হয় স্কুলের ফটক পার না করেও যে এত কিছু সৃষ্টি করা যায়! এটা সত্যিই খুব অবাক করে দেয়। শুধু কলমকে সঙ্গী করে কবিগুরু অসামান্য সৃষ্টি দিয়ে আমাদের সবাইকে ভরিয়ে তুলেছেন,সমৃদ্ধ হয়েছি আমরা সকল বিশ্ববাসী। জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময় সকলের বুক গর্বে ভরে ওঠে, শিহরণ জাগে সারা শরীরে। ওনার সৃষ্টি এভাবেই যুগান্তরিত হোক,সাহিত্যের প্রতি সকলকে অনুরক্ত করুক।
"কবিগুরুর সৃষ্টি সকল পাঠকের মনে জাগায় গভীর আলোড়ন
জন্মান্তর বলে যদি কিছু থাকে,ধরায় তোমাকে ফিরে পেতে চায় মন।"
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন