মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৩

শিরোনাম - ইচ্ছে✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - ইচ্ছে
✍️ ডা: অরুণিমা দাস


স্টিয়ারিংয়ে রেখে হাত,মনে হচ্ছে আমি আজ পক্ষীরাজ
ট্রাফিকের মাঝে ক্যামেরায় বন্দী হচ্ছে দৃশ্যের কোলাজ।

চাইছে যে যেতে মন সবুজের মাঝখানে
আকাশ আর মাঠ মেশে যেইখানে।

এই শহর থেকে অনেক দূরে, যেখানে গ্রাম্যতা প্রকট
যাবো চলে,সঙ্গী হবে সাধের এই শকট। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৩

টার্গেট✍️ ডা: অরুণিমা দাস

টার্গেট
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

পছন্দের খেলা ছিলো দুটো, ক্রিকেট আর ক্যারম। একটা আউটডোর গেম আর একটা ইনডোর গেমস। যাইহোক টিভি তে যখন ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে শচীন কে নামতে দেখতাম মাঠে, বেশ একটা অন্য রকম অনুভুতি হতো। আর নিজে যখন বাড়ির পাশের মাঠে খেলতে যেতাম আমার বন্ধুদের শর্ত দিতাম আমি শুধু ব্যাট ই করবো, বল করবো না। ওরা মাঝে মাঝেই প্রতিবাদ করতো, আমি শুনতাম না। আরও বলতাম যেদিন আমি খেলতে আসবো না সেদিনও আমার এম আর এফ ব্যাটটা দিয়ে ওদের খেলতে দেবো। কিন্তু যেদিন আসবো সেদিন ব্যাট আমার, যতক্ষণ ইচ্ছে ব্যাট করবো কিন্তু বল করবো না। বাড়িতে সবাই আমার এসব দুষ্টুমির জন্য বকা দিতো কিন্তু আমি গায়ে মাখতাম না। বন্ধুরা নাম দিয়েছিল হিটলার শচীন। বড়ো হবার পর ওদের বলেছিলাম ব্যাটটা কে মনে করি জীবনের হাল, কোনোদিন কোনো অবস্থাতেই ওটা ছাড়বো না। শচীন হতে পারবোনা হয়তো কোনোদিন কিন্তু জীবনের ইনিংস গুলো খেলতে হয়তো পারবো বা পারতে হয়তো হবেই। বন্ধুরা চুপ করে শুনেছিল। আজও দেখা হলে বলে ওই দিন গুলো খুব মিস করি, আমিও বলি সত্যি খুব মিস করি রে দিন গুলো। আজও গুছিয়ে রাখা আছে সেই ব্যাট টা। সময় পেলে ক্রিজে নেমে পড়ি।
আর ক্যারম টাও সময় পেলে খেলতে বসে পড়ি কলেজ কমন রুমে। ছোটবেলায় লাল গুটি জালে না পড়া অবদি খেলতাম। অন্য কেউ লাল গুটি ফেলে দিলে আমি আবার সেটা তুলে বোর্ডে রাখতাম আর টার্গেট করতাম ওটা ফেলার। সবাই হাসতো কিন্তু আমি আজও ভাবি ওই লাল গুটির মতন জীবনের টার্গেট পূরণ না করা অবদি লড়ে যাওয়া উচিত সবারই। আজকাল কার দিনে সময়ের অভাবে মাঠে নেমে খেলা ধুলা অনেক কমে গেছে। বাচ্চা রা পাহাড় প্রমাণ সিলেবাস শেষ করতে করতে হাপিয়ে উঠেছে, কিন্তু বিকেলে ১-২ ঘণ্টা নিয়ম করে খেলতে দেওয়া উচিত ওদের। প্রকৃতির সাথে একটা সংযোগ হবে এতে,জীবনের লড়াই টাও কিছুটা হলেও বুঝতে পারবে ওরা।

"হাতে থাক ব্যাট আর লড়তে থাকি জীবনের লড়াই
চলার পথ ক্রিজ হোক,সবার সাপোর্ট থাকা চাই।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস


রবিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৩

সাত শব্দের শিরোনাম✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 সাত শব্দের শিরোনাম
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

চিত্র ১
এগিয়ে চলাই জীবন
দেখাচ্ছে দিশা রবির কিরণ

চিত্র ২
যতই চাপুক মাথায় ভার
নারী,থেকো উন্নতশির।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৩

শিরোনাম - সময়✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সময়
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

উপহার যদি দেওয়া যায়, আমার মতে সেরা উপহার হলো সময় দেওয়া। সময় কাউকে দেওয়া মানে সেই মুহূর্ত গুলো দেওয়া যা কখনো আর ফিরে আসবে না কিন্তু স্মৃতির মণিকোঠায় ছাপ পড়ে থাকবে। আজকাল কার যুগে মানুষ এতটাই যান্ত্রিক হয়ে পড়েছে যে সময়ের অভাব বড্ড প্রকট। মোবাইল, ল্যাপটপ বা আইপ্যাড এসবে এতটাই বুঁদ হয়ে গেছে যে কাছের মানুষ আত্মীয় স্বজনদের সময় দেবার কথা ভুলেই গেছে। এর দরুন সম্পর্কে চিড় ধরছে, ভাঙ্গন ধরছে সম্পর্কে। ডিভোর্সের সংখ্যা বাড়ছে, একাকীত্ব বাড়ছে। তাই সময় দেওয়া টা খুব প্রয়োজন। আর সারাদিনে নিজের জন্য সময় বের করে নিজের সাথে সময় কাটানো টাও নিজেকে দেওয়া সেরা উপহার। সময় বের করে নিজের প্যাশন গুলো এক্সিকিউট করাটাও দরকার।  সময় থাকতে সচেতন হওয়া দরকার, সময় দেওয়াটা খুব প্রয়োজন, নিজের ভালোর জন্য আর চারপাশের সবার ভালোর জন্য। 

"দিনদিন মানুষ হয়ে উঠতে যান্ত্রিক,সময় দিতে পারছে কোথায়
উপহার হিসেবে দাও তাই সময়,সেরা হয়ে থাকবে স্মৃতির পাতায়।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৩

শিরোনাম - উপলব্ধি✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - উপলব্ধি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

সারি বেঁধে দাড়িয়ে আছে নৌকারা
ভাসবে নদীতে পাল তুলে,হবে বাঁধনহারা।

আকাশ বাতাস সাক্ষী হবে পাল তুলে দেবে মাঝি
লক্ষ্য গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া তাদের কাজ সকাল সাঁঝি।

মোরা থাকি ভালোর অপেক্ষায়,জীবনতরী ভাসিয়ে দিয়ে
কখনো ভালো কখনো মন্দ! জীবন সব মিলিয়ে মিশিয়ে।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...