নির্বাচন করবে ভাগ্য নির্ধারণ
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
ভোট,যেনো এক বড় উৎসব। সারাবছর যে জনসাধারণের খোঁজ নেয়না কেউ এই সময়ে সেই জনসাধারণকে সেলিব্রিটি ট্রিটমেন্ট দিয়ে রাজাদের নিজেদের জায়গা পাকা করে নেওয়ার লড়াইকেই ভোট নামকরণ করা হয়। দিনে দুমুঠো পেট ভরে খেতে না পাওয়া গরীব মানুষের পাতে বিরিয়ানি পোলাও এর সুগন্ধী চাল তাকিয়ে থাকে তাদের দিকে তির্যক দৃষ্টিতে। নির্বাচন সভা যেনো জানান দেয় গদিতে রাজার বসার সময়, যে সকলের ভালো করবে। এই আশ্বাসেই ভর্তি হতে থাকে ব্যালট বক্স। রোদে গরমে তেতে পুড়ে আঠেরো থেকে আশি লাইন দিয়ে দায়িত্ব নিয়ে রাজার গদিতে বসা সুনিশ্চিত করে, রাজা পরে কথা রাখবে কিনা সেটা বিতর্কিত বিষয়।
রোদে গরমে সভা ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ
তো চললোই,এরপর আসে বাছাইয়ের দিন।
বাছাই এর দিন সকাল থেকেই রিমোট হাতে টিভির সামনে আপামর জনগণ,পারলে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে নিতেও দুবার ভাবেনা। গদিতে বসার ভাগ্য নির্বাচন শুরু হয়। ব্যালট বক্স থেকে বেরিয়ে আসা কাগজ নাম্বার দিতে থাকে রাজাদের। মার মার কাট কাট লড়াইয়ের পর সন্ধ্যের দিকে বাছাই পর্ব শেষ হলে বিজয়ীর মুকুট ওঠে নির্বাচিত রাজার মাথায়। কিন্তু এসবের পর জনসাধারণের কতটা সুবিধে দেবে রাজা আর তাদের দেওয়া কথাগুলো রাখবে কিনা সেটার উত্তর দেবে ভবিষ্যত। আর সাথে সাথে
চিনিয়ে দেবে রাজার আসল রূপ! রাজা শুধু কথা দেয় নাকি কথা রাখতেও জানে। ভান্ডার ভরে উঠুক রাজার কিন্তু জনসাধারণ যেনো বঞ্চিত না হয় তার থেকে কারণ এত বড় পদ্ধতির মূলে জনসাধারণের ভূমিকাই মুখ্য,বাকি সব গৌণ।
নির্বাচনের শেষে বাছাই পর্ব তৈরী করে ভবিষ্যতের নেতা
জনগণকে দেওয়া কথা রেখো,হয়ো তাদের মাথার উপর ছাতা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন