গুরুপূর্ণিমা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
গুরুপূর্ণিমা সাধারণত প্রতি বছরের একটি নির্দিষ্ট দিনে, নির্দিষ্ট তিথিতে পালিত হয়। 'গুরু' শব্দের অর্থ যিনি জ্ঞানের আলোতে চালিত করে আধ্যাত্মিকতার বীজ মনে প্রোথিত করেন। ভক্ত ও গুরুর মধ্যে সেতুবন্ধন এই দিনটি। অনেকে মনে করেন এই দিনটি মহাভারত রচয়িতা ব্যাসদেবের প্রতি উৎসর্গীকৃত যিনি জ্ঞানের এক ভান্ডার ছিলেন তাই এই দিনটিকে ব্যাস পূর্ণিমাও বলা হয়ে থাকে। জন্মের পর পিতা মাতা আমাদের গুরু,আস্তে আস্তে যখন বড় হই আমরা তখন শিক্ষক আমাদের শিক্ষা দিয়ে জ্ঞানের আলোতে চালিত করেন। ছাত্ররা এই দিন তাদের শিক্ষকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে প্রার্থনা, আচার অনুষ্ঠান ও ভক্তির মাধ্যমে। যদিও গুরুকে সম্মান জানানোর কোনো বিশেষ দিন হয়না, তাও হিন্দুধর্ম মতে এই দিনটি সবার কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এই দিনে গুরু মন্ত্র জপ করলে মন শুদ্ধ হয়, ঈশ্বরের কৃপা লাভের পথ প্রশস্ত হয়। তাই বৈদিক যুগ থেকেই গুরুকে শ্রদ্ধা জানাতে এই দিনটি পালিত হয়ে আসছে। এই দিনে গুরুকে সম্মান জ্ঞাপন করলে অক্ষয় আশীর্বাদ প্রাপ্তি হয়।
"গুরুমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে গুরুকে করো সম্মান প্রদর্শন
চলার পথে বাঁধা দূর হোক,গুরুই হোক ধ্যান জ্ঞান।"
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন