বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫

তেল কারে কয়?✍️ ডা:অরুণিমা দাস

তেল কারে কয়?
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

একটা কথা আছে না, "বাটার লাগানে বালে কি হাত মে হামেশা চাক্কু রহতা হ্যায়।" কথাটা বাস্তবে সবসময় যুক্তিযুক্ত। যন্ত্রের কোনো অংশ শব্দ করে প্রতিবাদ জানালেই তাকে তেল দেওয়া হয় যাতে আর শব্দ না করে, কিন্তু তার সাথে এটাও সতর্কতার সঙ্গে দেখা হয় যাতে এটা আর পুনরাবৃত্তি না হয়। মুখ বুজে নিঃশব্দে কাজের বোঝা টেনে যাও, তাহলেই তুমি সবার চোখে সেরা। যেই না আওয়াজ করেছো তখনি জেনে নিও তোমার বদলের জন্য সবাই উঠে পড়ে লাগবে। তেল তোমায় ততদিন দেবে যতদিন তার নিজের স্বার্থ আছে। স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে আর এক ফোঁটা তেল খরচ করতেও তার বিবেকে বাঁধবে। তখন বরং সে ভাববে পরিবর্তনের কথা, নতুন কাউকে আনলে সে বরং আগের লোকের থেকে ভালো কাজ দেবে। সবাই শুধু মুনাফা লোটার খেলায় মত্ত কেউ অন্যের ভালো চায় না। যতদিন পর্যন্ত তুমি সার্ভিস দিতে পারবে ততদিন পর্যন্ত তুমি সবার চোখে ভালো। যেদিন থেকে কলরব শুরু করবে সেদিন থেকেই তুমি বাতিলের খাতায়। যন্ত্র আর যন্ত্রাংশ একটি প্রতীক মাত্র, বর্তমান সময়ে এই ভাবেই সবকিছু চলছে। যুগের সাথে এসব বাতিল তালিকার সংখ্যা আরও বাড়বে বই কমবেনা।


"তেলের কদর বুঝবে, যতদিন পর্যন্ত মুখবুজে করে যাবে কাজ

পরিত্যক্ত ঘোষণা করবে সেদিন, যেদিন করবে তুমি আওয়াজ!"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস 


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

বন্ধ ঘরের জানালা✍️ ডা: অরুণিমা দাস

বন্ধ ঘরের জানালা ✍️ ডা: অরুণিমা দাস ফাইনাল পরীক্ষার শেষে তিন্নি আর ওর ভাই টুবাই এসেছে মামাবাড়িতে। এসে দাদু দিদা মামা মামীদের আদর যত্নে ওরা ...