বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬
কনফিউশন✍️ ডা:অরুণিমা দাস
কনফিউশন
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
হ্যাঁরে হাসো সব রেডী তো? বেরোতে হবে তো এবার। হ্যা সরু দি সব রেডী। তা এই বড়ো ব্যাগটা নিয়েছিস কেনো? আরে এই ব্যাগেই তো তোমার ভক্তদের পাপ পূণ্যের হিসেব আছে। সবাই ওই অঞ্জলীর সময়ে এসে দেবী এই বছর পাশ করিয়ে দাও,পরের বছর ভালো করে পড়বো এসব বলবে আর তুমিও গলে যাবে এসব হবেনা। না রে হাসো, এবারে আমি স্ট্রিক্ট হয়ে গেছি,তাই ওসব কথায় ভুলবোনা ভেবেছি। হাসো বললো এই তো কদিন আগে ঘুরতে গেছিলাম ওখানকার হাল হকিকত দেখতে,তো কিছু বাড়িতে উঁকি মেরে দেখি কিছু খোকা খুকী ফোন নিয়ে ব্যস্ত,এক জায়গায় তো দেখি বই থেকে আলো ঠিকরে এক খুকীর মুখে পড়ছে,ভাবলাম লেডি বিদ্যাসাগর হবে বোধহয়! ওমা কাছে গিয়ে দেখি সে ট্যাবে ওয়েব সিরিজ দেখছে তাও বইয়ের মাঝে লুকিয়ে। এদিকে দুদিন পরে তার নাকি ফাইনাল পরীক্ষা। কিকরে বুঝলি যে ওর পরীক্ষা? তা তো খুব সহজ দিদি,ওনারা যে যেমন দাবী জানান আমিও ডায়েরীতে নোট করি। তাদের লিস্টও বানিয়েছি। কেউ বলছে কুল খেয়েছি ক্ষমা করে দাও দেবী! তোমায় আরো বড় কুল দেবো শুধু পাশটুকু করিয়ে দাও। কেউ আবার বইপত্রে ফুল রেখে দিয়েছে তোমার পুজোর,এসব করে তোমাকে ফুল বানিয়ে পাশ করে যাওয়ার ধান্দা। আর এই মামনি যে ট্যাব দেখছেন বইয়ের ভেতরে তিনি দুসপ্তাহ আগেই জানিয়েছেন পড়া ভালো হয়নি,এবারটা শুধু উতরে দাও দেবী। সেই দু সপ্তাহ হিসেব করেই বুঝেছি পরশু ওনার পরীক্ষা।
-বা হাসো তুই তো বেশ স্মার্ট হয়ে উঠেছিস দেখছি।
- হে হে,তা হয়েছি তোমার সাথে থেকে।
- আসলে কি বলতো? আমায় বোকা ওরা বানাচ্ছে,সে বানাক কিন্তু নিজেদের যেনো বোকা না বানায়। আর ওদের কি দোষ দেবো বলতো? এখন তো পড়াশোনা ধরন ধারণ এত চেঞ্জ হয়েছে ওরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে পড়াশোনার প্রতি। আগেকার দিন কি আর আছে বল! ওদের উচিত বইপত্র আমার কাছে না দিয়ে ফোন ট্যাব জমা রাখা। কিন্তু বাবুদের তো ওসব ছাড়া চলবেনা। ওনারা আমায় দেখার নাম করে বাড়ী থেকে বেরোবেন তারপর বাইক করে ঘুরবেন নিজেরা আর ইচ্ছে হলে প্যান্ডেলে ঢুকে দয়া করে সেলফিতে আমায় জায়গা দেবেন। আমি নিজেই কনফিউজড হয়ে যাই আমি কি বিদ্যার দেবী নাকি প্রেমের দেবী! এদিকে বিশ্বকর্মাদা এসে বলে গেছেন মোবাইল জমা নাকি ওনার পুজোর দিন করা উচিত। উনি নাকি ওসব নিয়ে ডিল করেন। তাই আমিও বেশী কথা বাড়াইনি। যে যা ভালো বোঝে তাই করুক।
- তা ঠিক বলেছো দিদি।
- তার চেয়ে চল আমরা বরং পুজোটা ভালো করে কাটিয়ে আসি। ওদের জ্ঞানচক্ষু যাতে খোলে সেই আশীর্বাদ করি। হ্যা আর ফলমূল দেখে খেতে হবে বুঝলি! মৌচাক সিনেমার নীপা নাম শুনেছিলাম,
এখন নাকি সেই নামের ভাইরাস এসেছে শুনলাম। তাই সাবধানে থাকতে হবে সবাইকে। আর ওখানে নাকি বইমেলা শুরু হয়েছে, তাই যখন ফিরবো তোর এই বড়ো ব্যাগে বিভিন্ন স্বাদের বইপত্র নিয়ে ফিরবো।
হ্যা দিদি তাই চলো,প্যান্ডেল সব রেডী আমাদের আসার অপেক্ষায় সবাই বসে আছে।
সবাইকে জানাই সরস্বতী পুজোর শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬
ডিজিটালাইজেশন✍️ ডা:অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
মাঠের আত্মকথা✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬
আশাপূর্ণা দেবী✍️ ডা: অরুণিমা দাস
আশাপূর্ণা দেবী
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
আশাপূর্ণা দেবী নামটি শুনলেই মনের এক কোণে আশার সঞ্চার হয় কোথাও। আজ এই বিশিষ্ট লেখিকার জন্মদিনে কিছু লিখতে গিয়ে কোথাও যেনো কলম থমকে দাঁড়াচ্ছে। এত বড় মনের লেখিকা জন্মেছিলেন কোলকাতাতে, কিন্তু কোনোদিন বিদ্যালয়ের মুখ দেখেননি। পরিবারে শিল্পচর্চা ছিলো বলেই হয়তো তাঁর কলম এত বলিষ্ঠ ছিলো। প্রথাগত শিক্ষায় শিক্ষিত না হলেও মানবিকতার শিক্ষায় তিনি দীক্ষিত ছিলেন। তাইতো তার কলম থেকে সৃষ্টি হয়েছিলো প্রথম প্রতিশ্রুতি, সুবর্ণলতা,বকুলকথার মতন উপন্যাস। যদিও তিনি ছোটোদের গল্প লেখার মধ্যে দিয়ে লেখার জগতে প্রবেশ করেছিলেন,তারপর ধীরে ধীরে উপন্যাস বড়গল্প এইসব লেখার মধ্যে ডুব দিয়েছিলেন। বাইরে না বেরিয়েও নারী জীবনের অনেক কথাই তিনি তুলে ধরেছেন তাঁর লেখায়, তাদের জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনা,ত্যাগ এসবের কথাও উঠে এসেছে তাঁর লেখায়। পুরুষের মনের অন্তর্দ্বন্দ্বও প্রতিফলিত হয়েছে তাঁর কলমের আঁচড়ে। তবে সব লেখাই ছিলো সহজ সরল ও বোধগম্য।
তাঁর লেখা 'প্রথম প্রতিশ্রুতি' এই উপন্যাসের জন্য তিনি জ্ঞাপীঠ পুরস্কার পান। এছাড়াও পদ্মশ্রী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাহিত্য পুরস্কার, সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার এবং এরকম আরও অনেক কিছু উপাধি পেয়েছিলেন তিনি। বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য আজও বাঙালী তাঁকে মনে রেখেছে আর ভবিষ্যতেও রাখবে এই আশা রাখি।
"বিশিষ্ট লেখিকা আশাপূর্ণা দেবীর জন্মদিনে জানাই সশ্রদ্ধ অভিবাদন
প্রতিশ্রুতি থাক গল্পপড়া ও সাহিত্যচর্চার,নিয়োজিত হোক প্রাণমন"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনাম-শুভারম্ভ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম-শুভারম্ভ
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বছর শেষে আবার এক নতুন বছরের আগমন। ইচ্ছে পূরণের লক্ষ্যে পূর্ণ উদ্যমে এগিয়ে চলা এক এক ধাপ করে। নতুন বছরে নতুন আশা নিয়ে আগের বছরের ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার একটা সুযোগ। সময় মতো খাওয়া দাওয়া করা। বেশী করে ফল ও জল খাওয়া,কেউ কিছু বাজে মন্তব্য করলে উত্তেজিত না হওয়া এসব রেজোলিউশন নিয়েছি। পড়াশোনায় ফাঁকি দেবোনা,বেশী গল্পের বই কিনবোনা,আরও বেশি কেস রিপোর্ট পাবলিশ করতে হবে,লিখতে হবে সুযোগ পেলে এসব অনেক কিছুই ভেবেছি জানিনা কতটা রাখতে পারবো কথাগুলো! বদমাইশি বুদ্ধিগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখবো,জাঙ্ক ফুড,ফ্রায়েড ফুড কম খাবো এসব হরেক রকম চিন্তাভাবনা করে চলেছি। এক বছরে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়েছে,মানিয়ে নিয়েছি কিছুটা আর বাকিটা চেষ্টা চলছে। নতুন জায়গায় নিজেকে সেফ মার্ক করাটাও একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি।
আজ আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন,কল্পতরু উৎসব। এইদিন শ্রীরামকৃষ্ণদেব কল্পতরু ভাব নিয়ে সকলের ইচ্ছে পূরণ করেন।
সকলকে জানাই হ্যাপি নিউ ইয়ার ও কল্পতরু উৎসবের শুভেচ্ছা। ঈশ্বরের আশীর্বাদ নিয়ে ভালো কাটুক সবার এই আশাই রাখি।
"অধরা স্বপ্নেরা দিক ধরা,ইচ্ছেডানারা পাখনা মেলো
পূরণ হোক সবার স্বপ্ন,মনের কথাগুলো বলেই ফেলো।"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...
-
ঘোষ বুড়ী ©সুদেষ্ণা দত্ত গ্রামের নাম সুন্দরগ্রাম--বাংলা মায়ের কোল ঘেঁষা সুজলা,সুফলা,শান্তির নীড় ঘেরা এক গ্রাম।গ্রামের অধিকাংশ লোকই কৃষি...
-
আমার অকাজের লিস্টি ✍️ ডা: অরুণিমা দাস ২০২৫ এ পড়ে ফেলা বইগুলোর তালিকা তৈরী করেই ফেললাম। ভিন্ন স্বাদের সব বইগুলো। মন ভালো করে দেয়। তালিকা...
-
অণু গল্প ----সাথী হারা। কলমে-- পারমিতা মন্ডল। দীঘার সমুদ্রে একা একা হেঁটে চলেছে সৈকত । এই বালুকাবেলায় , রামধনু রং আকাশের দিকে তাকিয়ে মনটা বড়...