বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬

শিরোনাম - হাতিয়ার✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - হাতিয়ার
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

কলমের মাধ্যমে প্রতিবাদ অনেকদিন ধরেই চলে আসছে। কথায় আছে 'বল্লমের খোঁচার চেয়ে কলমের খোঁচা বড়।' কলমের সাহায্যে চিন্তাধারার বিকাশ ও প্রতিবাদ জানানো খুব সহজ। বিপ্লবের অনল শুধু বারুদ আর অস্ত্রে জ্বলেনা,কলম দিয়েও সচেতন ভাবে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা যুগ যুগ ধরে স্থায়িত্ব অর্জন করে। স্বাধীনতা সংগ্রামের আন্দোলন থেকে বাংলা ভাষার জন্য লড়াই সবেতেই কলম লিখেছিলো প্রতিবাদের ভাষা। আর শাসক শ্রেনী কলমকে ভয় পায় কারণ কলম জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বড় হাতিয়ার। জনগণকে প্রতিবাদের ভাষা শিখিয়ে দেয় কলম। প্রতিবাদ শুধু মুখে বা অস্ত্রে হয়না,পোস্টার ব্যানার এসব দিয়েও হয়। এতে কলমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। নিজেদের মতাদর্শকে জাগ্রত করতে অনেক মনীষী,স্বাধীনতা সংগ্রামী ও যোদ্ধারা কলমকে অসি বানিয়েছেন ও সফল হয়েছেন জনগণকে উদ্ধুদ্ধ করতে। বিপ্লব শুধু অস্ত্র দিয়ে হয়না সবার আগে দরকার সচেতনতা ও বিপ্লব আনার প্রেক্ষাপট তৈরি করা। কলমের দ্বারা এটি খুব সহজেই করা যায়। বিপ্লব ও সাহিত্য একে অপরের হাত ধরে চলে। সাহিত্য যেমন বিপ্লব আনতে পারে আবার বিপ্লবের ইতিহাস সাহিত্য পড়েই জানা যায়। কলমের চেয়ে নিরাপদ ও বলিষ্ঠ হাতিয়ার খুব বেশি কিছু হয়না। সেটা মেনেই বর্তমানে প্রতিবাদে সোচ্চার হচ্ছে অনেকেই কলমের জোরে। কেউবা কি বোর্ডের জোরে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে প্রতিবাদের ভাষা। এভাবেই কলমের খোঁচায় বিপ্লব আসুক যুগে যুগে।

"প্রতিবাদের ভাষা প্রকাশে কলম হোক নির্ভরযোগ্য  হাতিয়ার
বিপ্লবের অনল আসুক লেখনীর হাত ধরেই প্রতিবার।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬

শিরোনাম - এক যে ছিল রাজা✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - এক যে ছিল রাজা

✍️ ডা: অরুণিমা দাস


অস্থির ভাবে পায়চারি করছিলেন রাজা। বড় হতাশ লাগছে তাঁর। মানুষই যদি বিরোধিতা করে,তাহলে তিনি লড়বেন কাদের নিয়ে? কি ভাবে সমাজ এগোবে? এমন সময় দারোয়ান এসে বলল একজন গেঁয়ো ব্রাহ্মন দেখা করতে চাইছে। একটু বিরক্ত হয়ে তিনি বললেন,এখন আমার সময় নেই বলে দে। দারোয়ান বলল,বলেছি। কিন্তু উনি যেতে চাইছেন না। তখন রাজা বললেন,পাঠিয়ে দে।


এক ব্রাহ্মন ঘরে ঢুকলো। খাটো ধুতি,গায়ে নামাবলি,মাথায় টিকি।


আমি নদীয়ার মহাদেব ভট্টাচার্য। সেদিন ছিল বৈশাখ মাস। টোল থেকে ফিরতেই অপর্ণা এসে ঝাঁপিয়ে পড়লো কোলে। ওর মা ডাকলো ঘর থেকে। ভেতরে যেতে বলল,মেয়ের তো ৭ বছর বয়স হোল। আমি বললাম,পাত্র পাচ্ছি কই? যার কাছেই যাই। ১০০০ টাকার কমে পন নেবেনা কেউ। একজন কুলীন ব্রাহ্মন,বয়সটা  ৭০ এর ঘরে। ৫০ টাকায় কন্যা উদ্ধার করেন তিনি। নিজের মনের সঙ্গে অনেক লড়াই করে অপুর সাথে বিবাহ দিলাম। গতকাল নারায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় দেহ রেখেছেন। যথাবিহিত বিধি অনুসারে কন্যাকে সতী করার নির্দেশ দিয়েছেন তারা। ভেবেছিলাম,পত্র ছিঁড়ে ফেলবো। কিন্তু পত্রবাহক গ্রামের মাতব্বরদের জানিয়েই এসেছেন আমার বাড়ি। কোন উপায় ছিলনা। রাজা বলে উঠলেন তারপর?


তারপর মেয়েকে সাজালাম জ্বলে উঠলো চিতা। মেয়ে বলল বাবা,বাড়ি চলো। আগুনে আমার বড় ভয়। আমি বললাম,আমার গলাটা একবার ছাড় মা। কচি হাত দুটো গলাটা ছাড়তেই ছুঁড়ে দিলাম অগ্নিকুণ্ডে। আগুনের মধ্যে থেকে একটা রিনরিনে গলা পাওয়া গেল,বাবাআআআআ।


সেই ডাক আমি ভুলতে পারিনি। তারপর থেকে একদিনও রাত্রে ঘুম হয়নি। উঠতে বসতে খেতে শুতে শুধু এক আওয়াজ। বাবাআআআআআ। আমি পারিনি তাকে বাঁচাতে। আপনি পারেন। পায়ে ধরি আপনার। মেয়েগুলোকে বাঁচান। কতো মেয়ে ঘরে ঘরে আপনার মুখ চেয়ে আছে বাঁচার অপেক্ষায়। আছি আমরা,মেয়ের বাপ মায়েরা। বলতে পারিনা সমাজের ভয়ে,একঘরে হয়ে যাবার ভয়ে। কিন্তু আপনি পারবেন সেই দৃঢ়তা আছে আপনার মধ্যে।


উঠে দাঁড়ালেন রাজা রামমোহন রায়। বললেন,আমায় আপনি শক্তি দিলেন। পারতে আমাকে হবেই। এখানে না হলে ব্রিটেন যাবো। প্রিভি কাউন্সিলে দরবার করবো। তারপর তো


বাকিটা ইতিহাস। সেই যুগে দাঁড়িয়ে তাঁর সেই লড়াই কতোটা কঠিন ছিল বলে বোঝানো যাবেনা। কলকাতার রাজ পরিবার থেকে ভারতের পণ্ডিত সমাজ সকলে ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। কম নিন্দা অপমানের ঝড় বয়নি তাঁর ওপর দিয়ে। কিন্তু বটবৃক্ষের মতো অটুট আর উচ্চশির ছিলেন তিনি। রামমোহন রায়,ভারতের 'প্রথম আধুনিক মানুষ'। আজ ২২ শে মে তাঁর জন্মদিনে প্রনাম জানাই তাঁকে। হে মহামানব,লহ প্রণাম।🙏🙏🙏


©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস



বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

শিরোনাম - অপরাধবোধ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - অপরাধবোধ
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

পারিপার্শ্বিক অবস্থার জন্য নিজেকে দায়ী করা এক অপরাধবোধের জন্ম দেয়। আর এই অপরাধবোধ ভেতরে ভেতরে কাউকে ক্ষয় করে কারণ সেটা প্রকাশ করা যায়না। এরকম অনেক ঘটনা চোখে পড়ে। কলেজের কোনো স্টুডেন্ট তার রুমমেটটির মনের অবস্থা জেনেও যদি তাকে সাপোর্ট না দেয় আর পরে সে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলে তখন মনে হয় কেনো যে ওর কথাগুলো মন দিয়ে শুনলাম না! কেনো ওকে একটা কাউন্সেলিং করাতে বললাম না! একটা নীরব অনুতাপ কাজ করে মনে। আবার কোনো সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝিতে ইগো নিয়ে দুজনে বসে থাকলে সেই সম্পর্ক টেকেনা। হয়তো কারো একজনের মনে হয় এতটা রুক্ষ না হলেও পারতাম। এটা আরেক
ধরণের অপরাধবোধ। স্কুলে যাওয়া একটা বাচ্চা রাস্তার উপর বসে থাকা ভিখিরিকে খাবার দিতে গেলে বাড়ীর লোক বারণ করে। পরের দিন যখন ভিখিরিকে দেখতে পায়না, তাতে বাচ্চাটির থেকেও বাড়ীর লোকের বেশী অপরাধবোধ কাজ করে। ভাবে হয়তো শিশুটিকে ঠিক শিক্ষা দিতে পারেনি। অনেক সময় একটানা ডিউটি করতে করতে জুনিয়র কিছু ভুল করলে তাকে বকা দিলে পরে মনে হয় নিজেও তো এরকম বকা খেয়েছি অনেক। জানি তো কেমন মানসিক অবস্থা হয় ও আত্মবিশ্বাস কমে যায়। তাই ওকে না বকলেও হতো। একটা চাপা অনুশোচনা কাজ করে।
এরকম অনেক উদাহরণ রয়েছে। কয়েকটি তুলে ধরা হলো। আসলে কারোর এমন কোনো আচরণের জন্য অপরের কিছু ক্ষতি হলেই নিজের মধ্যে একটা অপরাধবোধ তৈরি হয় আর সেটা প্রকাশ না করতে পারার জন্য তার দায়ভার বহন করে চলতে হয়। এতে মনের ওপর চাপ পড়ে। মানসিক অবসাদের সৃষ্টি হয়। তাই এরকম কিছু হলে আত্মসমালোচনা করে বা কাউকে সরি বলে নিজের ভুল স্বীকার করা উচিত। আর জীবনে খুব বেশি প্রভাব পড়লে অবশ্যই কাউন্সেলিং করানো উচিত। নিজের কাছে সৎ থাকার মতন ভালো কিছু কোনোদিন হয় না,সেটাই সকলের কাম্য হওয়া দরকার।

"এমন কিছু কাজ না হোক,যাতে অপরাধবোধ নীরবে করে যায় ক্ষতি 
আগে থেকেই সতর্ক হও,লক্ষ্য রাখো পারিপার্শ্বিক গতি প্রকৃতি।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

শিরোনাম - সংবেদনশীলতা✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সংবেদনশীলতা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

বর্তমান যুগে প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে এমন প্রভাবিত করেছে যে আজ মানবিকতা প্রায় লুপ্ত হতে চলেছে। এখন কারোর খবর নিতে হলে মোবাইলে নম্বর ডায়াল করে অপর প্রান্তের খোঁজ নিয়ে নিচ্ছে। তার বাড়ি গিয়ে সম্মুখ সাক্ষাৎ কিংবা দু চারটে মনের কথা বিনিময় এসব লুপ্তপ্রায় আজ। রাস্তায় কারোর সাথে কোনো ঘটনা ঘটলে মানুষ সেটাকে মোবাইলে তুলে সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করতে বেশি ব্যস্ত থাকে,ভুলে যায় যে রাস্তার মানুষটিকে সাহায্য করার প্রয়োজন। কাউকে কিছু দান করলে সেটাও সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখানো জরুরি তাদের জন্য। আগে একান্নবর্তী পরিবারে একসাথে বসে গল্পগুজব মনের কথা বিনিময় এসব হতো কিন্তু এখন সেসবের সময় নেই কারোর হাতে। ভিডিও কলে ভার্চুয়াল যোগাযোগ রাখতে তারা পটু কিন্তু আত্মিক সংযোগ স্থাপন করতে তারা অপারগ। দিনে দিনে কেমন যান্ত্রিক হয়ে উঠেছে সবাই। যন্ত্র দিয়েছে বেগ কিন্তু করে নিয়েছে আবেগ। স্কুলে শিক্ষকদের সম্মান করতে ভুলে যাচ্ছে ছাত্ররা। একটু বকাঝকা করলেই শিক্ষককে হুমকি দিচ্ছে ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়াতে ছেড়ে দেওয়ার। কোনো প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করছে কিন্তু নিজস্ব চিন্তাধারাকে কাজে লাগাতে পারছেনা। পড়াশোনা করে মানুষ হবার জায়গায় যন্ত্রের গোলাম হয়ে উঠছে। বাচ্চারা ভিডিও গেমস,মোবাইলে আসক্ত হয়ে বিকেলে মাঠে যাওয়া ভুলে যাচ্ছে। তাদের মধ্যে সহানুভূতি ও মানবিক মূল্যবোধ গড়েই উঠছেনা। আলবার্ট আইনস্টাইন একসময় বলেছিলেন "এটা ভয়ঙ্কর ভাবে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে আমাদের প্রযুক্তি আমাদের মানবিকতাকে ছাড়িয়ে গেছে।" আজকের জীবনে এরই প্রতিফলন ঘটছে। প্রযুক্তিগত ভাবে উন্নত হবার দরকার অবশ্যই কিন্তু সেটা মানবিকতার ওপর যেনো প্রভাব না ফেলে সেদিকে নজর দেওয়া দরকার। মানবিক সম্পর্ক রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবার। প্রযুক্তি উন্নত হচ্ছে সেটা কিন্তু মানুষের দ্বারাই তাই প্রকৃত মানবিক সম্পর্ক রক্ষার দায়িত্ব সেটাও আমাদের সবার হওয়া উচিত। এর ফলে সচেতন ও সংবেদনশীল সমাজ গড়ে উঠবে। 

"প্রযুক্তিকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দিলে ক্ষয়িষ্ণু হবে মানবিকতা
উন্নত হবার সাথে গড়ে তোলা উচিত সামাজিক সংবেদনশীলতা।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

শিরোনাম - দুরত্ব✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - দুরত্ব
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

আধুনিকতা মানেই অন্যরকম একটা ব্যাপার, উন্নতির পথে এগিয়ে যাবার সিড়ি তৈরি করে দেয় আধুনিকতা। আজকাল কেউ আর পুরোনো যুগে পড়ে থাকতে চাইছে না। সবাই আধুনিক হতে চাইছে। প্রকৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে উন্নয়নের পথে চলতে গিয়ে সংযোগ ছিন্ন হচ্ছে প্রকৃতি থেকে। আজকাল কেউ সবুজ পরিবেষ্টিত বাগান ঘেরা বাড়ী পছন্দ করেনা,বরং সুইমিং পুল,জিম যেখানে আছে সেরকম বহুতল ফ্ল্যাটে থেকে নিজের স্ট্যাটাস বাড়ানোকে আধুনিকতা তকমা দিয়েছে। আজকাল বাচ্চারা স্কুল থেকে ফিরে মাঠে গিয়ে খেলতে অস্বস্তি বোধ করে,কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভিডিও গেমে চোখ রাখতে কোনো কষ্ট হয়না তাদের। আধুনিকতা আসলে মানুষকে প্রকৃতির উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে শেখাচ্ছে কিন্তু তাদের জীবন যাপনকে অনিয়ন্ত্রিত করে তুলেছে। এটাও দেখা গেছে গত কয়েক বছরে বই পড়াতে আগ্রহ কমেছে। সেই জায়গায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা নেটফ্লিক্স, প্রাইম এসবে চোখ থাকছে তাদের। এর সাথে যুক্ত হয়েছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। মানুষের ভাবনা শক্তির বিকাশ ঘটাতে না দিয়েই এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স তাকে স্পুন ফিড করছে। শুধু শারীরিক ভাবেই নয় মানসিক ভাবেও প্রকৃতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে আধুনিকতার কবলে পড়ে। প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করলে যেমন মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে,উদ্বেগ কম হয় সেটা আজকাল আর হয়না। মানুষ ভুগছে নেচার ডেফিসিট ডিসঅর্ডার ব্যাধিতে। আধুনিকতা মানুষকে বিলাসবহুল জীবন ধারণের সুযোগ দিলেও প্রকৃতির সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে অনেকগুণ শারীরিক ও মানসিক দুভাবেই। তাই সময় থাকতেই নিজেদের ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া উচিত ও প্রকৃতির সাথে ভারসাম্য রেখে চলা দরকার নয়তো একদিন প্রকৃতির রোষানলে পড়বো আমরা সবাই তখন প্রকৃতির ছুঁড়ে দেওয়া চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবার সাহস মানুষ পাবেনা, হেরে যাবে তখন আধুনিকতা। 

"আধুনিকতা নিশ্চিত করেছে দুরত্ব,মানুষ আক্রান্ত নেচার ডেফিসিট ডিসঅর্ডারে
সমাধান হোক সময় থাকতে,যথাযথ ব্যবস্থা করো সামলে রাখতে প্রকৃতিরে।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বন্ধ ঘরের জানালা✍️ ডা: অরুণিমা দাস

বন্ধ ঘরের জানালা ✍️ ডা: অরুণিমা দাস ফাইনাল পরীক্ষার শেষে তিন্নি আর ওর ভাই টুবাই এসেছে মামাবাড়িতে। এসে দাদু দিদা মামা মামীদের আদর যত্নে ওরা ...