বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

শিরোনাম - অ্যাডাপটেশন✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - অ্যাডাপটেশন
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

পরিবর্তন জীবনের জন্য অপরিহার্য। পরিবর্তন না হলে একঘেয়েমি থেকে বেরিয়ে আসা যায়না। পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নেওয়াটাই আসল চ্যালেঞ্জ। আর এই চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে অনেকেই ইতস্ততঃ বোধ করে তাই পরিবর্তনকে গ্রহণ করতে অনীহা প্রকাশ করে। ঝড় উঠলে যেমন সবাই ভয় পায় সব নষ্ট হয়ে যাওয়ার তেমন আরেকটি দিক দিয়ে ভেবে দেখলে ঝড় কিন্তু পথের বাধা গুলোকে দূর হটিয়ে দেয়। চলার পথ সুগম করে তোলে। তাই পরিবর্তনকে সবসময় নেতিবাচক হিসেবে না ভাবাই উচিত। কিংবা কেউ যখন বাসস্থান পরিবর্তন করে নতুন জায়গায় এসে মানিয়ে নেওয়ার একটা চিন্তা কাজ করে। কিছুদিন পর নতুন পরিবেশে ঠিক খাপ খাইয়ে নেয়। জীবনে যখন বন্ধুদের স্বরূপ প্রকাশ পায় তখন নিজেকে পরিবর্তন করার দরকার পড়ে আত্মসম্মান বজায় রাখার জন্য। আর আত্মসম্মান রক্ষা করার মানে কিন্তু নিজেকে অহংকারী করে তোলা নয় বরং যারা কাউকে ছোট করে সেখান থেকে নিজেকে দূরে রাখা। ডারউইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্বও বলে পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। ভয় না পেয়ে খুশি মনে পরিবর্তনকে আলিঙ্গন করা দরকার। তবেই আজ হোমো সেপিয়েন্স এসেছে। ভয় তো লাগবেই কিন্তু ভয়ের আগে যে জয় অপেক্ষা করতে পারে সেটা ভেবেই নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া দিয়ে নিজের অভিজ্ঞতাকে সম্মান প্রদর্শন করা উচিত।সব পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারলে জীবন সুন্দর হয়ে ওঠে।

"মানিয়ে নিতে হবে পরিবর্তনের সাথে নিজেকে, ভয়কে দূরে সরিয়ে 
জয় আছে অপেক্ষায়,বাধা পেরিয়ে এগোলেই দেবে বিজয়মাল্য পরিয়ে।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

শিরোনাম - রে'স ক্রিয়েশন✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - রে'স ক্রিয়েশন
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

সত্যজিৎ রায় ছিলেন বিখ্যাত কবি ও লেখক সুকুমার রায়ের সন্তান। তবে তিনি পিতার পরিচয়ে নয় নিজের অসামান্য ও কালজয়ী সৃষ্টির মাধ্যমে আজও বাঙালির মনে শ্রেষ্ঠত্বের আসন লাভ করেছেন। সত্যজিৎ রায় শুধু বিশ্ববরেণ্য বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক ছিলেননা,ছিলেন লেখক,
চিত্রনাট্যকার ও শিল্পী। পথের পাঁচালী ও অপু ট্রিলজির মাধ্যমে ভারতীয় সিনেমাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেন ও বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দেন। এছাড়া গুপী বাঘাকে নিয়ে তাঁর বানানো সিনেমাগুলো বারবার দেখলেও কোনোদিন পুরোনো হয়না। ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে তিনি প্রথম অস্কার বিজয়ী হয়েছিলেন এবং তাঁর হাতে পুরস্কারও তুলে দেওয়া হয় অন্যভাবে। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি সাহিত্যেও তাঁর কিছু কালজয়ী সৃষ্টি রয়েছে। ফেলুদা,প্রফেসর শঙ্কু ও তারিণী খুড়ো এরা কখন যে ছোট থেকে বড় সব প্রজন্মের জন্য প্রিয় হয়ে উঠেছেন তা শুধু সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্টির জন্য। শিশুদের জন্যও তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়। নানারকম কল্পবিজ্ঞান কাহিনী,রহস্য ও গোয়েন্দা গল্প শিশুমনকে কল্পনার জগতে নিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা জোগায়। চলচ্চিত্রে বাস্তবতা ও আধুনিক শৈল্পিকতার ছোঁয়া এনেছিলেন তিনি। নানারকম পোস্টার ও গ্রাফিক ডিজাইন করতেন খুব সুন্দরভাবে ও যত্ন সহকারে। ভবিষ্যতের চিত্র পরিচালকদের জন্য তিনি এক অন্যতম অনুপ্রেরণা। মার্টিন স্কোরসেজি,আকিরা কুরোসাওয়া এবং ওয়েস অ্যান্ডারসনের মতো বিশ্ববিখ্যাত পরিচালকরা সত্যজিৎ রায়ের কাজ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছেন। সত্যজিৎ রায়কে নিয়ে অনেক অজানা তথ্যপ্রকাশ হয় নিয়মিত ভাবে,  'বিচিত্রপত্র' নামক এক পত্রিকায়,যার উপদেষ্টা ওনার পুত্র সন্দীপ রায় যিনি আরেকজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক। বিচিত্রপত্রের এক প্রবন্ধ বার্ষিকী সংখ্যায় সোনার কেল্লা সিনেমার সমস্ত শিল্পীদের জানা অজানা অনেক তথ্য দেওয়া ছিলো এবং ওই সিনেমা পরিচালনা করার সময়কার অনেক গল্প বলা হয়েছিলো। আজও বিচিত্রপত্র সত্যজিৎ রায়ের সমস্ত ঐতিহ্য বহন করে চলে কখনো গল্পের মাধ্যমে,কখনো বা প্রবন্ধের মাধ্যমে। 
তাঁর সৃষ্টি ও সাহিত্যকীর্তি পাঠকবর্গের মনের বিকাশ ঘটিয়ে চলেছে ও ভবিষ্যতেও চালাবে। 

"তাঁর অনন্য ও অসাধারণ সৃষ্টি করেছে যে তাঁকে অবিস্মরণীয়
রে'স ক্রিয়েশন,আট থেকে আশি সবার মনে প্রভাব ফেলে চলেছে আজও।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

নববর্ষের প্রথম দিনে অঙ্গীকার✍️ ডা: অরুণিমা দাস

নববর্ষের প্রথম দিনে অঙ্গীকার
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

বছরের শুরু মানেই রেজোলিউশন নেওয়া যে এই করবো,সেই করবো। এখন তো আবার দুবার করে রেজোলিউশন নেওয়া চলে,ইংরেজি বছরের শুরুতে আর বাংলা বছরের শুরুতে। তবে বাঙালী বলে নববর্ষের শুরুতেই বেশি করে অঙ্গীকারবদ্ধ হই। ভালো হয়ে থাকবো,কারোর মনে কষ্ট দেবোনা এগুলো দিয়ে শুরু হয় অঙ্গীকার নেওয়া। পেশেন্ট পার্টি যতই খারাপ হোক তাদের সাথে হাসিমুখে বলল বলবো। পঞ্চম বার সিজার হতে আসা পেশেন্ট দের প্লাসেন্টা ইউটেরাসে আটকে গিয়ে হেবি ব্লিডিং হলেও খুশি মনে ম্যানেজ করবো। কিন্তু রাগ করবোনা যতই যাই হয়ে যাক। গ্যাংরিন হয়ে যাওয়া পেশেন্ট অনিয়ন্ত্রিত শর্করা নিয়ে এলে তাকে বকাঝকা না দিয়ে বোঝাবো ভালোভাবে। জুনিয়র দের মাথায় উঠতে দেবোনা। এতো গেলো কাজের জায়গার কথা,এরপর আসা যাক অন্য কথায়। গল্পের বই বেশী কিনবোনা। আগে বুক সেলফ বানাতে হবে সেটা মাথায় রাখবো। ৩-৪ টে বই একসাথে পড়বোনা। একটা বই পড়া শেষ করে আরেকটা বই পড়া শুরু করবো। নতুন জামাকাপড় কিনবো,পুরোনোগুলো বের করে আলমারি পরিষ্কার রাখবো। কসমেটিকস কিছু কিনবো,বই না কেনার জন্য কিছু টাকা বাঁচলে। সাজুগুজুতে মন দেবো। বাইরের খাবার বেশী খাবোনা, বাড়ীর খাবার খাবো ভালো করে। চকোলেট আইসক্রিম খাওয়া কমিয়ে দেবো। লেখালিখিটা নিয়মিত করার চেষ্টা করবো। জার্নালে আরো পাবলিকেশন করবো। পড়ার বই থেকে কম দুরত্ব বজায় রাখবো। অপ্রিয় সত্য কথা কম বলবো। আর কেউ ইনসাল্ট করে কিছু বললে হাসিমুখে বেরিয়ে আসবো কারণ এটা তাঁর নীচু ও বিষাক্ত মানসিকতার পরিচয়। অনেক কিছু অঙ্গীকারের কথা লিখলাম কিন্তু কতটা পালন করতে পারবো জানিনা। তাও তো ইচ্ছে করে বছরের শুরুতে কিছু প্রমিস করতে নিজের জন্য। আর ভালোমানুষ হবার জন্য চেষ্টা করবো,এটাই সবচেয়ে বড় অঙ্গীকার। 

"বছর শুরুতে করি ভালো কিছু অঙ্গীকার,নিজেকে শোধরাতে
তবেই না বছর শেষে সেটার ফলাফল যে পাবে হাতে নাতে।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

শিরোনাম - ছুটছি মিছে কীসের পানে✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম - ছুটছি মিছে কীসের পানে
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

সকলে মিলে ছুটছি মিছে কিসের পানে
            শান্তি যে নেই কোনোখানে।
ব্যস্ত সবাই যে যার নিজের কাজে
             রয়েছে টাকার সুখে সবাই মজে।
কেউ বন্দী ল্যাপটপে,কেউ বা আবার ফোনে
             যান্ত্রিক হয়েছে সবাই,ভুলেছে আপনজনে।
ক্লান্ত সবাই সুখের পেছনে ছুটে ছুটে
            লাভ হয়নি কিছুই,শান্তির ঘুম গেছে উঠে।
সুখ পেতে সবাই,ছোটে মরীচিকার পিছনে
           ভুলে গেছে তাই,সুখ যে আছে নিজের মনে।
তাই কলম সঙ্গী করে স্ট্রেস হোক দূর দিনের শেষে 
       আর গল্পের বইতে থাকে স্লিপিং পিল যে মিশে।
সুখের পিছনে মিছেই ছোটা সবই যে শুধু মায়া
           দিনের শেষে সঙ্গী কেবল নিজের ই ছায়া।
বন্ধ হোক তবে মিছে এই ছোটাছুটি
           সুখ পেতে তাই শুধু নিজেকে নিয়ে মাতি।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস 
            
            
              
             
             

বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬

অদৃশ্য ক্ষত✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 অদৃশ্য ক্ষত
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

সকলের চোখে যা দৃশ্যমান সেই ক্ষত নিরাময় খুব সহজে হয়ে যায়। বাহ্যিক ক্ষত মেরামতির জন্য দরকার সঠিক সময়ে চিকিৎসা ও ওষুধের প্রলেপ। কিন্তু যেই ক্ষত দেখা যায়না,যা অদৃশ্য সেই ক্ষত নিরাময় কিন্তু সহজে হয়না। মনের গভীরে থাকা ক্ষত শারীরিক ক্ষতের চেয়ে অনেকগুণ বেশী মারাত্মক। মানুষের মন ই যদি ভালো না থাকলো তাহলে কিসের ভালো থাকা! কথার খোঁচা, কোনো বিরূপ ঘটনা কিংবা কোনো আবেগপ্রবণ ঘটনা মনকে ক্ষতবিক্ষত করতে যথেষ্ট। আর এই ক্ষতের প্রলেপ দেওয়া কিন্তু সহজ নয়। অনেক সময় এমন কিছু ট্রমা হয়ে যায় যে সেটা নিরাময় করতে যথাযথ কাউন্সেলিং দরকার হয় কিনমা পোস্ট ট্রমাটিক ডিসঅর্ডার এর জন্য প্রয়োজন ট্রমা থেরাপি দরকার হয়। তাই মনের কথা চেপে রেখে ক্ষত না বাড়তে দেওয়া উচিত। যারা অন্তর্মুখী স্বভাবের তারা লেখার মাধ্যমে নিজের মনের কথা প্রকাশ করতে পারে। বিশ্বাস করে কাউকে বলা যাবে এমন কাউকেও মনের কথা বলতে পারে কিন্তু অন্তরে ক্ষত লালন করে নিজের ক্ষতি করা যে কোনো রোগের চেয়েও বেশী মারাত্মক। ধীরে ধীরে এই ক্ষত এমন শাখা প্রশাখা বিস্তার করে যে সেই ক্ষত নিরাময় করা একসময় অসম্ভব হয়ে পড়ে। আজকাল তাই মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখার ওপরে বেশী গুরুত্ব দেওয়া হয়। মন ঠিক থাকলে সব ঠিকঠাক চলবে। তাই কথা বলার সময় বা কারোর কোনো ব্যবহারে অন্য কাউকে আঘাত করা উচিত নয়। বাইরের হাসিমুখ দেখে কারোর ভেতরের কষ্টটা হয়তো বোঝা যায়না। সবাই লড়াই করছে নিজেকে ভালো রাখার জন্য,ক্ষত গুলোকে লুকিয়ে প্রতিদিন হাসিমুখে লড়াই করছে,তাই কোনোভাবেই তাদের অদেখা লড়াইকে অসম্মান করা উচিত নয়। 

"কথা দিয়ে হোক বা আচরণ দিয়েই হোক কোরোনা করো মনের ক্ষতি
অদৃশ্য ক্ষত হয়না নিরাময়,মনে রেখো ব্যবহারই মানুষের পরিচিতি।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬

এপ্রিল ফুল✍️ ডা: অরুণিমা দাসএপ্রিল ফুল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

এপ্রিল ফুল
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শুধু এপ্রিলের প্রথম দিনটাই কেনো ফুল বা বোকা বানানোর জন্য বরাদ্দ? আর অন্য দিনগুলো নয় কেনো? এ নিয়ে অনেক ইতিহাস রয়েছে। 
পয়লা এপ্রিল। বছরের ৯২ তম দিন। পথ চলা তখনও অনেক বাকি। ১৫৬২,পোপ গ্রেগরি খ্রিস্টানদের জন্য আনলেন নতুন ক্যালেন্ডার। এর আগে পর্যন্ত নতুন বছর পালিত হতো এপ্রিল ১ এ। এই পরিবর্তনের খবর গোটা পৃথিবীর জানতে লেগে গিয়েছিল বিস্তর সময়। মানুষ তখনও এপ্রিল ১ কে কেন্দ্র করেই পাঠিয়ে চলেছে শুভেচ্ছা বার্তা। আর সেগুলোই জমা হয়েছে মজার দিনের গল্প হিসাবে।
এই ছিল গল্প এক। গল্পই বটে! কারণ ইতিহাস আজও এই ঘটনার কোনও জ্যান্ত দলিল প্রকাশ করে উঠতে পারেনি। 
এটা তো গেলো ইতিহাস! কিন্তু বাস্তব? সেটা তো অন্য কিছু বলে। যখন ছোট ছিলাম তখন বড় হবার লোভ আমাদের বোকা বানায়। বলা হয় যখন ভালো করে পড়াশোনা করো, মাধ্যমিক পরীক্ষা জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা! তখন কি বোকা হইনা আমরা? উচ্চমাধ্যমিকের পরে ভালো কলেজে ভর্তি হয়ে গেলেই লাইফ সেট। এগুলো আসলে বোকা বানানোর দুর্দান্ত ফন্দি। এই ট্র্যাপে পা দিয়েই বছরের পর বছর আমরা বোকা হচ্ছি। বসের টার্গেট পূরণের ট্র্যাপ সেটাও আরেকটা বড় ট্র্যাপ। আর বিজ্ঞাপনে একটা প্রোডাক্ট কিনলে গাড়ি বাড়ি ফ্রী,লাকী ড্রতে বড় ইনাম! এসব তো বোকা বানানোর জন্য যথেষ্ট। চটকদার জীবনের হাতছানি,জীবনে সুখ শান্তি ঐশ্বর্যে থাকতে হলে প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে,এটাও একটা ফাঁদ। মরীচিকার পেছনে ছুটে ছুটে ছোট থেকে বড় হই, বুড়ো হই। কিন্তু চালাক ও পরিণত হতে পারি কয়জন? কেউ ভাবছে নেশায় আসক্ত হয়ে দুঃখ ভোলা যাবে,কিন্তু নেশার জন্য তার শরীরের কতটা ক্ষতি হচ্ছে সেটা ভাবছেনা একবারও! বোকা কি হচ্ছে না সে? আবার কেউ ভাবছে অন্যের লেগপুল করে এগিয়ে যাবে। কিন্তু এটা ভাবেনা যে তার অসৎ কর্মের জন্য সে কতটা পিছিয়ে পড়বে! তাই এমন ভাবে কাউকে বোকা বানানোর দরকার নেই যাতে নিজেই জ্যাক অ্যাস হয়ে যেতে হয়। বোকা বানাও মজাদার উপায়ে কিন্তু কারোর ক্ষতি না করে। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সংবেদনশীলতা✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সংবেদনশীলতা ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমান যুগে প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে এমন প্রভাবিত করেছে যে আজ মানবিকতা প্রায় লুপ্ত হতে চলেছে। এখন ...