বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২

শিরোনামঃ চিত্রালোচনা নামঃ ভবিষ্যৎ কলমেঃ নন্দিনী তিথি



গড়তে সুন্দর জীবন, দেখালে আমায় পৃথিবীর অপরূপ মুখ,

দেখি এসে তোমাদের দ্বন্দের উপর বসবাস।

যেখানে, একটু একটু করে পালাতে বাধ্য হচ্ছে প্রতিনিয়ত, বিরাজমান সুখ।

দুইপাল্লারই ভারী রেষের মাঝে,

হচ্ছি আমি শেষ, বসে।

শিখাবে যেখানে আমায় শৃঙ্খলা, আদর্শতা ও ভালোবাসা।

সেখানে‌ অনুশীলন করিয়ে যাচ্ছো প্রতিনিয়ত, ইগো আর দ্বন্দের বইয়ের বিশালতা।

একে অন্যের দেমাগের কারিশমা, সবই ফলছে আমার উপরে।

এরই প্রভাবে গড়ে উঠছি দিন দিন আমি প্রতিবন্ধী আর অবাধ্যের নেতা।

এখন কোথাও আমার যাবার নেই মানা,

মেতেছি উচ্ছন্নে, উল্লাসে, বেপরোয়া হয়ে!

আর মনে মনে চলছি খুঁজে,

পৃথিবীর মাঝে একটু নির্ভেজাল ভালোবাসা।

Copyright ©️ All Right reserved Nandini Tithi

মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২

শিরোনাম - সেতু✍️ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সেতু
✍️ডা: অরুণিমা দাস

কমপ্লেক্সে ভুগছো তোমরা আর হচ্ছে ইগোর লড়াই
মাঝে রয়েছি ফেঁসে আমি, নেই কারোর কোলে ঠাই।

মুখ দেখাদেখি বন্ধ তোমাদের হাঁটছো যে বিপরীতে
আমার জীবন কাটছে তাই অনাদর আর অবহেলাতে।

এসব যদি করবে তবে, কি দরকার ছিলো আমায় দুনিয়াতে আনার?
বোঝনা কেন!তোমাদের দুজনের সাথে থাকতে ভালো লাগে আমার।


থামাও এসব লড়াই এবার, বুজিয়ে ফেলো মনের ফাটল
আমি সেতু হয়ে তোমাদের মাঝে থাকতে চাই অটল।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২২

চিত্রালোচনা নামঃ দৃঢ়তা কলমেঃ নন্দিনী তিথি


 

সূর্য উঠিয়াছে, তবু নাহি তাঁহার রশ্মির দেখা, চারদিকে ধূধূ করিতেছে কুয়াশা।

কুয়াশা দলেদেরকে তেজে পুড়িয়া, পারিতেছে না করিতে রঙিনভোর।

আজি কুয়াশার কাছে সূর্যের তেজও মানিয়াছে হার!

তবু ওইদিকে মানে নাই গায়ের লোকেরা হার,

তাহারা পদব্রজে চলিতেছে এক প্রান্তর হইতে আরেক প্রান্তর।

স্কন্ধে স্কন্ধ‌ মিলাইয়া, দিগন্তের পানে চাহিয়া।

রঙিন ভোরের আলো ফুটাইতে ব্যস্ত তাহারা,

সকলকিছুকে না করিয়া পরোয়া।।


Copyright ©️ All Right reserved Nandini Tithi.



সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২২

শিরোনাম - ঘুঙুর✍️ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - ঘুঙুর
✍️ডা: অরুণিমা দাস

বেশ কিছুদিন হলো বিয়ে হয়েছে তনুজা আর সৌরভের। দেখাশোনা করেই বিয়ে,তাই সম্পর্কটা মজবুত করার চেষ্টা দুজনের মধ্যে সমান ভাবে আছে। তনুজা মনে মনে স্বামীর যে ছবি এঁকে রেখেছিল তার সাথে সৌরভকে মেলানোর চেষ্টা করে। আগের সম্পর্কটা ভেঙ্গে যাওয়ার পর খুব ভেঙে পড়েছিল তনুজা। ওর ঠাকুমা বলেছিলেন মনের মানুষ যে হয় সে কখনোই ছেড়ে যাবে না তোকে,সে তোকে বুঝবে,তোর পাশে থাকবে। আর এই ছেলে বোধহয় তোর মনের মানুষ ছিলোনা। মনের মানুষের সাথে সম্পর্ক এতো ঠুনকো হবে না সে সেটা ভেঙে দেওয়া খুব সহজ হবে। সেদিন চুপ করে শুনেছিল তনুজা। তারপর থেকে মা বাবার ওপর বিয়ের ভার ছেড়ে দিয়েছিলো। 
এই কদিনে সৌরভের সঙ্গে বেশ একটা মনের মিল গড়ে উঠেছে ওর। সৌরভ পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, আর সাথে একটা ক্লাউড কিচেন চালায়, দুঃস্থ বাচ্চাদের খাবার সার্ভ করে। বিয়ের পর তনুজা এর মধ্যে ইনভলভড হতে চেয়েছিল কিন্তু সৌরভ বলেছিলো কটাদিন একটু রিল্যাক্স করে নাও তারপর এসব করো। সৌরভ যখন অফিসে থাকতো,তনুজা লাঞ্চের পর বিশ্রাম নিয়ে ডান্স প্রাকটিস করতো টেপ চালিয়ে। একসময়  ওর খুব ইচ্ছে ছিলো ভালো ড্যান্সার হবে। কিন্তু বাড়ীর কারোর সায় না থাকায় ওর স্বপ্ন পূরণ হয়নি। সৌরভকে এসবের বিন্দুমাত্র বলেনি কোনোদিন। ভাবতো ও এসব মেনে নেবে কিনা! বিয়ের পর তনুজার প্রথম জন্মদিনে খুব বড়ো আয়োজন করেছে সৌরভ। তনুজার বাপের বাড়ীর সবাই আমন্ত্রিত। একফাঁকে সৌরভ তনুজাকে ডেকে বললো রুমে যাও, একটা দারুণ সারপ্রাইজ আছে তোমার জন্য। তনুজা বেডরুমে এলো,লাইট জ্বালতেই দেখলো,একি! বিছানায় সুন্দর করে সাজানো রয়েছে নাচের পোশাক আর এক জোড়া ঘুঙুর। আনন্দে তনুজার চোখে জল চলে এলো। দেখি পা দুটো দেখি! ঘুঙুরটা পরিয়ে দিই। তনুজার পা টা নিয়ে ঘুঙুর পরিয়ে দিলো সৌরভ। এসব তুমি কি করে জানলে? তনুজা জিজ্ঞেস করে। সৌরভ বলে জানিনা আমি তোমার মনের মানুষ হয়ে উঠতে পারবো কিনা! তবে তোমার ইচ্ছে অনিচ্ছের কথা এটুকু তো জানতেই পারি বলো। একদিন দুপুরে অফিস থেকে ফিরে দেখি তুমি ডান্স প্রাকটিস করছো, বাড়ীতে আর ঢুকিনি, মুগ্ধ হয়ে নাচ দেখছিলাম। তারপর তোমার মায়ের সাথে কথা বলে জানতে পারি যে তুমি ডান্স খুব ভালবাসতে। আজ তাই তোমার জন্মদিনে উপহার দিলাম যাতে তোমার স্বপ্নপূরণ হয়। আর এই নাও ক্লাসিক্যাল ডান্স স্কুলে ভর্তির ফর্ম, ফিল আপ করে নিও। আমি জমা দিয়ে আসবো। এখন চলো কেকটা কাটবে, সবাই অপেক্ষা করছে। আজ ঠাকুমার কথাগুলো খুব মনে পড়ছে তনুজার, মনের মানুষ সেই হয় যে না বলা সত্ত্বেও মনের সব কিছু বোঝে। সৌরভ বললো কি ভাবছেন ম্যাডাম? চলুন। হ্যা আসছি, বলে সৌরভের কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে তনুজা বললো "আমার প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে, তাই হেরি তায় সকল খানে।" সৌরভ বললো বাকিটা শোনার অপেক্ষায় রইলাম। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

কুয়াশার ঘন চাদরে মোড়া সকাল বেলা
এগিয়ে চলি মোরা,কাজ পড়ে আছে যে মেলা।

আকাশখানি লালের আভায় উঠেছে সেজে
সূর্য দেব দিচ্ছেন উকি তারই মাঝে।

জীবিকার তাগিদে চলেছি মোরা আলপথ ধরে
সাক্ষী রয়েছে প্রকৃতি যে মোদের তরে।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২২

শিরোনাম - তৃষিত সকলে✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - তৃষিত সকলে
✍️ ডা: অরুণিমা দাস


হাত দুখানি তুলে জানাচ্ছে তারা করুন আর্তি
আসুক বারিধারা,জীবনে বয়ে আনুক শান্তি।

তৃষ্ণা মেটাতে চায় যে শুধু দু আজলা জল
উন্নয়নের ঠেলায় ভুগছে তারা সকল।
 
সময় থাকতে থাকতেই সচেতন হই আমরা
জনমানবশূন্য মরুভূমি না হোক এই ধরা। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

অজুহাতের দোহাই✍️ ডা: অরুণিমা দাস

অজুহাতের দোহাই
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

সকল মানুষের দুহাত থাকা সত্ত্বেও তৃতীয় হাতটি বেশী শক্তিশালী যেটা মানুষকে দিনের দিন অলস, ল্যাদখোর করে তুলছে, ঠেলে দিচ্ছে অবনতির দিকে। কী সেই তৃতীয় হাতটি! সেই তৃতীয় হাতের নাম হলো অজুহাত। আজকাল মানুষ নানা রকম অজুহাত দেখিয়ে কাজের জায়গায় ও অন্যান্য স্থলে নিজের পতন অনিবার্য করে তুলছে। চেষ্টায় তাদের নানা ত্রুটি রয়েছে,সেটা অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু একবার চেষ্টা করে কোনো কাজ না হলে অজুহাত দেখিয়ে সেখান থেকে সরে না এসে পুনরায় চেষ্টা করা উচিত অবশ্যই,যাতে স্থিতধির নাগপাশে বন্দী না থেকে সফলতার মুখ দেখতে পারা যায়। 
অজুহাতের যে বিষাক্ত বিষ তাদের মনকে স্পর্শ করেছে,অসুস্থ করে তুলেছে সেই  অসুখ থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র অ্যান্টিডোট হলো চেষ্টা! পুনরায় চেষ্টা! "একবার না পারিলে দেখ শতবার,কিন্তু হেরে গিয়ে পিছিয়ে পড়া মানা বারংবার।" এভাবে বারবার চেষ্টা করতে করতে ঠিক চেষ্টার সুড়ঙ্গ ধরে পৌঁছে যাবে আলোর ঠিকানায় যেখানে অপেক্ষা করছে সাফল্যের সিড়ি বেয়ে ওঠার সর্বপ্রথম ধাপ। আর এই সিড়ি বেয়ে একবার উঠতে শুরু করলে খুব একটা পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। তাই অজুহাতের সুযোগ নিয়ে নিজের হাত দুখানি কে অচল না করে দেওয়াই শ্রেয়। বরং হাত দুখানি কাজে লাগিয়ে সফলতার শীর্ষে পৌঁছনোর জন্য অজুহাতকে পঙ্গু বানিয়ে ফেলাই এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার একমাত্র রাস্তা। 

"হাত দুখানি কাজে লাগাও,যাতে না ঘটে কোনো বিড়ম্বনা
দুর করে অজুহাত এগিয়ে চলো,থাকবে সাফল্যের সম্ভাবনা।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২২

শিরোনাম - নিঃসঙ্গতা ও একটা বাড়ী✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - নিঃসঙ্গতা ও একটা বাড়ী
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

বাড়ীর সামনের বাগানে বসেছিলেন মিনতি দেবী। ওনাকে বাগানে ছেড়ে দিয়ে গেছে কাজের মেয়ে সুমনা। ছেলে প্রথম কয়েকদিন বিদেশে নিয়ে গিয়ে রাখলেও মন থেকে মানিয়ে নিতে পারেননি মিনতি দেবী। গাঁয়ের বাড়ির প্রতি টান আবার তাকে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে দেশে। নিঃসঙ্গ হলেও তাঁর বুকের ভিতর একটা পুরনো দিনের বাড়ির ছবি গাঁথা হয়ে আছে। যে বাড়িতে একসময় অনেক ঠাকুর চাকর ছিলো, নায়েব গোমস্তা ছিল। গমগম করতো সারাদিন। তারপর একসময় জমিদারী উঠে গেলো, ছেলে গাঁয়ের মায়া ত্যাগ করে বিদেশে পাড়ি জমালো। কত কি মনে পড়ছে আজ মিনতি দেবীর! হঠাৎ পায়ের কাছে কিছু একটা এসে পড়লো। ঝুঁকে পড়ে দেখলেন একটা ক্রিকেট বল পড়ে আছে। দাও না গো বল টা! একটা বাচ্চা সামনে এসে বললো। বল টা তুলে দিলেন বাচ্চাটার হাতে। নাম জিজ্ঞেস করায় বললো টুটুল আমার নাম। 
-তা টুটুল বাবু রোজ খেলা হয় নাকি? 
-হ্যা খেলি তো! রোজ বিকেলে খেলতে আসি। 
-তাহলে আমার কাছেও এসো মাঝে মধ্যে। তোমার মত আমার একটা নাতি আছে। কিন্তু আমার কাছে থাকে না,খুব মনে পড়ে ওর কথা বুঝলে!
- আমারো ঠাম্মা আছে জানো! কিন্তু আমাদের সাথে থাকে না। মা বলে ঠাম্মা বন্ধুদের সাথে আশ্রমে থাকে। 
- মিনতি দেবী মনে মনে বললেন ও বৃদ্ধাশ্রম! বুঝেছি।
- কি বুঝলে? 
- কিছু না কিছু না! যাও তুমি খেলতে যাও। 
টুটুল চলে গেলো। 
মিনতি দেবীর চারপাশের নিঃসঙ্গতা বলে উঠলো এই তো একটা কথা বলার লোক পেলে! ওর মধ্যে তুমি নাতি আর তোমার মধ্যে ও ঠাম্মাকে খুঁজে পেয়েছে। 
কদিনে বেশ ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গেছে মিনতি দেবী আর টুটুলের মধ্যে। টুটুল একদিন পুরো বাড়ীটা ঘুরে ঘুরে দেখছিল। ফ্ল্যাট বাড়ীতে থাকতে থাকতে দম বন্ধ হয়ে আসে ওর। খুব ছোট জায়গা,এই শুরু হতে না হতেই শেষ হয়ে যায়। নিজের ঠাম্মা র কাছে দেশ বাড়ীর গল্প শুনেছে, এরকম একটা বাড়ীর ছবিই মনে মনে একেছিল কিন্তু যাওয়া হয়নি কোনোদিনই। আজ সেই গল্প গুলো একটু একটু করে সত্যি মনে হতে লাগলো। 
ধীরে ধীরে টুটুল বড়ো হয়, মিনতি দেবীরও বয়স হতে থাকে। টুটুল কলেজে পড়তে যায় আর সেভাবে আসা হয়না মিনতি দেবীর কাছে। তবে রবিবার গুলো নিয়ম করে আসে টুটুল। ছেলের দেশে ফেরার সম্ভাবনা নেই জেনে তার সম্মতি নিয়ে টুটুলকে বাড়ীটা দান করেন মিনতি দেবী। বেশ কয়েক বছর পর সুপ্রতিষ্ঠিত টুটুল বাড়িটায় বানিয়েছে অনাথ আশ্রম। ওর ধারণা অনাথ শিশুদের বুকের মাঝেও নিশ্চয় এরকম একটা বাড়ীর স্বপ্ন ঘুমিয়ে আছে। আজ আর মিনতি দেবী নিঃসঙ্গ নন। বয়সের ভার তার শরীরকে ন্যুব্জ করলেও মনকে নাড়া দিতে পারেনি। অনাথ বাচ্চারা সেটা হতে দেয়নি। তাদের সাথে খুব আনন্দ করে দিন কাটান মিনতিদেবী। আজ আর বাড়ীটাও নিঃসঙ্গ নয়,একদল কচিকাঁচাদের সাথে সেও মেতে উঠেছে আনন্দে। টুটুলকে প্রাণ ভরে আশীর্বাদ করেন ওর মহৎ কাজের জন্য। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২২

ঈর্ষা আমারো তো হয়

 


আমি চাই তুমি সবার সাথে কথা বলো,

কিন্তু কিছু সময় তো আমারো রাখো

সেদিন তুমি তাকিয়ে ছিলে ঐ যে হালকা বেগুনী রঙের জামা পড়া মেয়েটার দিকে

কখনও আমার দিকে কেন তাকাও না অপলকে,

আর প্রতি রাতে যখন হাঁটতে বের হয়ো একলা পথে

কি হয়?যদি আমায় একটু সঙ্গে নিতে।

যখন দেখি সবার সাথে মিসছো তুমি হেসে হেসে

হিংসা আমার ও হয় কেন আসো না আমায় একটু ভালোবেসে।।

🙏🙏

বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২২

নামঃ‌ জীবিকা কলমেঃ‌নন্দিনী তিথি

পড়ছে কাঁপানো শীত, পড়ছে ঘন সাদা কুয়াশা।

তবুও বেড়োতে হবে, নাইলে যে গাইবে পেটে ক্ষুধার গীত।
কেউ নিয়ে সবজি, কেউ নিয়ে মাছ, এমন করে চলছে তাঁরা পায়ে হেঁটে বাজারের পথে।
রোজকারের থেকে একটু বেশি লাভের আশা নিয়ে।
পরনে কারো আছে পাতলা পুরোনো চাদর, কারো হয়তো একটা‌ তালি লাগানো সোয়েটার, আর প্যান্ট হিসাবে তো আছে সবারই লুঙ্গি!
এই নিয়েই চলছে তাঁরা জীবিকা নির্বাহের জন্য।
দিনশেষে, পরিবারের সবার মুখে হাসি ফোটানোর জন্য।
নিজের কষ্ট লুকিয়ে রেখে, সবাইকে ভালো রাখার তাগিদে,
ছুটছে ওরা এই হাড় কাঁপানো শীতের মৌসুমে।

Copyright ©All Rights reserved Nandini Tithi.

মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২

শিরোনাম - বাজি✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - বাজি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

আরশি সম্মুখে হাসি মুখে দাড়িয়ে ছেলেটি
আত্মবিশ্বাসী আজ সে জিতবেই বাজিটি। 

জয়ী হবার চাবিকাঠি আজ যে তার পকেটে বন্দী
বন্ধুর প্রজেক্ট পেনড্রাইভ সরিয়েছে,দারুণ ছিলো ফন্দি।

আজকের দুনিয়ার এটাই নিয়ম,জিতছে মিথ্যে আর দুর্নীতি
ক্রুরতার নাগপাশে বন্দী হয়েছে সততা,এটাই যে সত্যি।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...