শিরোনাম-মোটিভেশন
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
আজকালকার দিনে সঠিক পথ দেখানোর মানুষের বড়ই অভাব। পিছিয়ে দেওয়ার মানুষের সংখ্যাটা বড্ড বেশি। কেউ যখন বলে তোর দ্বারা হবে না কাজটা,ছেড়ে দে,এটা শুনতে খুব খারাপ লাগে। চেষ্টা কর ঠিক পারবি,কেনো এভাবে বলা কি যায় না? যে ডি মোটিভেট করে সে নিজেই সারাক্ষণ নেগেটিভ চিন্তায় মগ্ন থাকে তাই কাউকে পজিটিভ কিছু চিন্তাভাবনা করতে সাহায্য করতে পারেনা। কাউকে পিছিয়ে দেওয়ার মধ্যে নেই কোনো বীরত্ব, বরং এতে নিজের নীচু মানসিকতা, নেগেটিভ চিন্তার পরিচয় দেওয়া হয়। যে সবসময় পজিটিভ ভাববে সে কখনোই এভাবে কাউকে এভাবে পিছিয়ে দিতে পারবেনা। বরং বলবে একবারে হয়নি তো কি হয়েছে? নিশ্চই হবে আরও কিছু বার চেষ্টা করে দেখ,হাল ছাড়িসনা। আশা নিয়েই মানুষ বাঁচে, সেই আশার পথ না দেখিয়ে কেউ যদি নিরাশার মেঘ আনে কারোর জীবনে সেটা ঠিক কাজ নয়। এর দ্বারা বোঝা যায় সে নিজে কাজটা পারবেনা বলে অন্য কারোর দ্বারা কাজটা হোক সেটা চায় না। আর এতে তার নিজের অপারদর্শিতা প্রকাশ পায়। তাই নিজে পজিটিভ ভাবা উচিত, আর অন্যকেও পজিটিভলি মোটিভেট করা উচিত।
আশা নিয়ে এগিয়ে চলো,ফল একদিন পাবে নিশ্চয়
অন্যকে প্রভাবিত করো সদর্থক চিন্তায়,হও দৃঢ় প্রত্যয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন