শিরোনাম - যৌবনের অন্দরে
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
যৌবনের স্থায়িত্ব বেশিদিন নয়, তাই সকলেই উপভোগ করতে চায়। যৌবন মানে কুড়ি থেকে বিকশিত হওয়া ফুলের বড়ো হওয়া। যৌবন মানে অনেক দায়িত্ত্ব যাতে পরবর্তী সময় কাল ভালো কাটে। যৌবন মানে আবেগে ভেসে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া নয়, সুপরিকল্পিত ভাবে ভবিষ্যতের কথা ভেবে প্ল্যান করা। বাবা মায়ের অনেক স্বপ্ন থাকে সন্তানদের নিয়ে, যৌবনে উপনীত হয়ে অনেকেই তা ভুলে যায়। কলেজে সমবয়সীদের পাল্লায় পড়ে কিংবা সিনিয়রদের প্রভাবে অনেকেই বিপথে চলে যায়। কেউ হয় র্যাগিং এর স্বীকার কেউ হয় ড্রাগ অ্যাডিক্টেড। আসলে সবটাই নিজের চিন্তাধারার ওপর নির্ভর করে। সব কিছুর সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার মতো কঠোর মনোভাবাপন্ন হওয়া খুব দরকার। রঙিন দুনিয়া সব সময় হাতছানি দেবে কিন্তু নিজেকে সংযত রাখা খুব প্রয়োজন। দেশের যুবক বৃন্দের কাছে সকলের অনেক আশা,এরাই দেশের ভবিষ্যত। তাই এমন কিছু করা উচিত নয় যা নিজের ও দেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। যৌবন ধরে রাখার আর নতুন আর কি উপায় হতে পারে, সংযত জীবন যাপন করা, নিজেকে নষ্ট হতে না দেওয়া, সব জায়গায় নিজের বাঁচিয়ে চলা আর বুদ্ধিহীনতার পরিচয় না দেওয়া। বাকি তো রইলো হরমোনাল ব্যাপার, পিটুইটারি নিজের ছন্দে চলবে। সেই ছন্দে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে এমন কোনো কাজ আবেগী হরমোনের বশে না করাই উচিত। এর জন্য সকালে প্রাণায়াম, যোগ কিছুটা হলেও কাজে দেবে।
"ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে"।
এই কথা মাথায় রেখেই জীবনে চলার উচিত।
স্বল্পস্থায়ী যৌবন,খুঁজছে পন্থা সকলে তারে ধরে রাখার
সুচিন্তা আর হরমোনের ভারসাম্যে লুকিয়ে রয়েছে উপায় তার।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন