বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫

আমন্ত্রণ নিমন্ত্রণ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 আমন্ত্রণ নিমন্ত্রণ
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

আমন্ত্রণ জানানো মানে কোনো বিশেষ অনুষ্ঠানে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানানো। উপস্থিত ব্যক্তি আমন্ত্রণকারীর পরিচিত হতে পারেন বা নাও হতে পারেন। 

নিমন্ত্রণ মানে দাওয়াত বোঝায়। ব্যক্তিগত পর্যায়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিমন্ত্রণ করা হয়। কোন ঘটনা বা বিষয়ে অতি নিকট বা আত্মীয়তার সম্পর্ক বা প্রতিবেশি বা কলিগ সম্পর্ক এমন ব্যক্তির উপস্থিতি কামনা করে নিমন্ত্রন করা হয়। নিমন্ত্রন সাধারন পারিবারিক উৎসব বা ঘটনায় ব্যক্তিগত করা হয়। এখানে ব্যক্তির সাথে কিছুটা সম্পর্ক থাকে। যেমন বিয়ে,জন্মদিনের জন্য নিমন্ত্রন।

অভিধানে সেরকম পার্থক্য না থাকলেও ব্যবহারিক জীবকে শব্দগুলো প্রয়োগের ক্ষেত্রে কিছুটা পার্থক্য দেখা গেলেও দেখা যেতে পারে। 

"আমন্ত্রণ জানানো হোক বা করা হোক নিমন্ত্রণ
 নির্ভেজাল আড্ডার সাথে থাকুক মহাভোজন।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৫

কদর✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 কদর
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

এককালে ছিলো না চিঠির কোন কদর
মেইল পেলে মনে হতো দরকার নেই পত্রের।

জমা হয়ে অপ্রয়োজনের বাক্সে,চিঠিগুলো থাকতো পড়ে একপাশে
লজ্জার পাত্র তখন তারা, মেইল তখন খুশিতে হাসে। 

দিন বদলায়,সময়ের সাথে মূল্য দিচ্ছে মানুষ চিঠিকে
মেইল থাকে জমা হয়ে কম্পিউটারে,একটি পত্র খুশি করে মানুষকে। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫

সাবধানতা✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 সাবধানতা
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

কথায় আছে সাবধানের মার নেই। তাই সতর্কতা তো অবলম্বন করা উচিত সবসময়েই। আর বিপদ কখনো বলে আসেনা, তাই সাবধান থাকলে কিছুটা হলেও বিপদকে পিছু হটানো যায়। ভাগ্যে কেউ বিশ্বাস করে কেউ করে না। এবার ভাগ্যের লিখন যায়না করা খন্ডন, তাই ভাগ্যে লেখা থাকলে সেটা তো হবেই। কিন্তু ভাগ্যে লেখা আছে, তাই যা খুশি হোক এটা ভেবে তো হাত পা গুটিয়ে বসে বিপদকে আহ্বান করা উচিত নয় কখনোই। ভাগ্যের ভরসায় বসে না থেকে নিজের কর্ম করে যাওয়া উচিত। বিপদ এড়ানোর জন্য যতটা সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার,সেটা করা উচিত। বিপদ এলে তার মোকাবিলা করা হোক সাবধানতার সাথে। এড়ানো অসম্ভব নয় হয়তো কিন্তু কিছু পরিমাণ হলেও বিপদের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 

"ভাগ্যে থাকুক বা বিপদ আসুক নিজের মূর্খতার জন্য
 সদাসতর্ক থেকে কৌশলে করলে কাজ বিপদ যায়   এড়ানো।"

©️রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৫

শিরোনাম-প্রাপ্তিযোগ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম-প্রাপ্তিযোগ
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

নাগা রূপে দেখে তারে পথে, পেন্নাম করে সকলে
অবাক পথিক! বলে গল্প কিন্তু অন্য আসলে।

ছিলাম পোশাকধারী,নামী সেবাসদনে গেলাম সেবা পাবার আশায়
অদ্ভুত প্রাপ্তিযোগে সর্বস্ব খুইয়ে নাগা রূপ আমার সহায়। 

আকাশছোঁয়া মূল্য সবের, প্রাইভেটের নামে লুটছে জনসাধারণের সঞ্চয় 
গর্জে উঠুক সকলে,আর নয় কোনো সঞ্চয়ের অর্থ অপচয়। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৫

শিরোনাম - প্রকাশ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - প্রকাশ
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

অনুভূতি খুব গভীর একটা বিষয়,অন্তরের কথা গুলোর বাহ্যিক প্রতিফলন হলো অনুভূতির প্রকাশ। জীবনের অনুভূতি গুলো সুখ দুঃখ হাসি মজা কষ্ট সবরকম মিলিয়ে মিশিয়ে হয়। কেউ প্রকাশ করে, আর কেউ অপ্রকাশিত রেখে মনের মধ্যে ক্ষোভ পুষে রাখে। জীবন একটা বইয়ের মতন, তাই বইটি খুলে প্রত্যেক পাতায় লিখে রাখা অনুভূতি সকল ব্যক্ত করে দেওয়াতেই আনন্দ, আর না খুলে রাখলে বইয়ের আস্বাদ পাওয়া থেকে সকলকে বঞ্চিত করা হয় আর কি! যে অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা যায় না, সেটা লেখা থাকুক কোথাও। নিজেকে সবার মাঝে মেলে ধরাতেই রয়েছে অনাবিল আনন্দ। কি হবে অনুভূতিগুলো নিজের মাঝে বন্দী রেখে? তার চেয়ে নিজের ইচ্ছে অনিচ্ছে গুলো জানিয়ে দেওয়ায় মনের ভার কিছু হলেও লাঘব হয়। তবে বর্তমান সময়ে মানুষ বড্ড বেশি যান্ত্রিক হয়ে পড়েছে, অনুভূতিশূন্য তাদের মন। শুধু মাত্র ছুটে চলাই জীবনের লক্ষ্য হয়ে উঠেছে। অনুভূতির প্রকাশের পথ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। জীবনের পথ সবসময় সরল হয় না, আঁকা বাঁকা হয়ে থাকে।  যাতে পরে কোনো আফসোস না হয় তাই জীবন যাপন করতে যত রকম অনুভূতির কথা মনে আসে সব কিছু ব্যক্ত করে নিজেকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ রাখাটাই মূল লক্ষ্য হওয়া দরকার সকলের। 

"অনুভূতি যেরকমই হোক, ব্যক্ত করুক সকলে নিজের মতো করে
জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে জীবনকে নাও সঠিক ভাবে গড়ে।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫

শিরোনাম - কদর✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - কদর
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

বাইরের চটকদারিতে 
মেতেছে সবাই,ভেতরখানি ফাঁপা 
অন্ত:সারশূণ্য তায় ভুগে কৃত্রিমতার আবরণ চাপা।

আসলের কদর আজ নেই আর,ভুলেছে সবাই নকলে 
তাই প্রকৃত শিল্পীর সৃষ্টি যায় যে বিফলে। 

সামাজিক মাধ্যমে লাইকের বিচারে সেরা নির্বাচন হয় আজকাল
শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা পেতে মরিয়া,গড়ছে বাহ্যিক সৌন্দর্য্যের মায়াজাল। 

©️রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৫

পাঠ প্রতিক্রিয়া বইয়ের নাম-কামোগাওয়া রেস্তোরায় আপনাকে স্বাগতম লেখকের নাম-হিসাশি কাশিওয়াই✍️ ডা:অরুণিমা দাস

পাঠ প্রতিক্রিয়া
 বইয়ের নাম-কামোগাওয়া রেস্তোরায় আপনাকে স্বাগতম
 লেখকের নাম-হিসাশি কাশিওয়াই
✍️ ডা:অরুণিমা দাস


সম্প্রতি পড়েছি কামোগাওয়া রেস্তোরায় আপনাকে স্বাগতম বইটি। বইটি মূলত জাপানী লেখকের লেখা,অনুবাদ করেছেন ফারহানা জাহান। থ্রিলার, ভৌতিক,তন্ত্র,হাসি মজা এসব বই পড়ার পর ভিন্ন স্বাদের একটি বই হলো এই বইটি। 
যে খাবার অনেকদিন আগে খেয়েছেন,কিন্তু হারিয়ে ফেলেছেন সেই স্বাদ,আবার যদি খেতে চান সেই খাবার তার সন্ধান করতে পারেন কামোগাওয়া রেস্তোরায়। রেস্তোরাঁর মালিক হলেন নাগারে কামোগাওয়া,সহকারী হিসেবে তাঁর মেয়ে কোয়িশি কামোগাওয়া। তাঁরা শুধু হারিয়ে যাওয়া স্বাদের খাবারই পরিবেশন করবেন না,ফিরিয়ে দেবেন খাবারের পারিপার্শ্বিক পরিবেশের অনুভূতি। গোয়েন্দা গল্প অনেক পড়লেও কোয়িশির খাদ্য গোয়েন্দা পরিষেবার কোনো তুলনা হয়না। রেস্তোরায় গ্রাহক শুধু হারিয়ে যাওয়া খাবারের স্বাদ পাবেন না,সাথে পাবেন গোয়েন্দা পরিষেবার সুবিধা। সমস্ত উদ্দেশ্য পূরণ করতে মেয়ে ও বাবা নিজেদের সবটুকু দিয়ে চেষ্টার কোনো খামতি রাখেন না। এই ভিন্ন স্বাদের বই 'কামোগাওয়া রেস্তোরায় আপনাকে স্বাগতম' বইটিতে পাঠকদের সুস্বাগতম। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৫

নিজেকে গড়ো✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 নিজেকে গড়ো
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

জীবনপথে অনেক বাঁধা, তবু নত হবে না মাথা
উল্টোপথের যাত্রী হয়ে রচিত হবে বিজয়গাঁথা। 

ধনুক হতে তীর নিক্ষেপ পূর্বে পিছিয়ে আসে ক্ষণিকের তরে 
বিপরীত পথে চলে অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ে জীবনকে নাও গড়ে।

বাস্তব আমাদের সেরা শিক্ষক,প্রতিদিনই হয় নতুন কিছু শেখার জন্য
ভুল ত্রুটি শুধরে নিয়ে সঠিক ছাঁচে নিজেকে ফেলে,আমার আমিকে করো ধন্য।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বুধবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৫

শুরুর সূচনা✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শুরুর সূচনা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

বছর শেষের দিনে,মুখে থাকুক হাসিটা অমলিন 
সুখ দুখের স্মৃতি নিয়ে মনের খাতা হোক রঙিন।

আগামীকাল থেকে নতুন বছরে করবো মোরা পদার্পণ
শুভ হোক সকলের,এই আশা নিয়ে নববর্ষ উদযাপন। 

স্বপ্ন পূরণের বছর হয়ে এসো,পূরণ করো মনের ইচ্ছেগুলো
অধরা স্বপ্ন সকল দিক ধরা, ইচ্ছেডানার ডালি খোলো। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - অপ্রকাশিত অনুভূতি✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - অপ্রকাশিত অনুভূতি ✍️ ডা: অরুণিমা দাস কিছু অনুভূতি মনের গভীরে থাকাই শ্রেয়। সেটা হয়তো প্রকাশ করলে সমস্যা হতে পারে,তাই প্রকাশ না কর...