সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

বিচারের আশায় সামিল বিশ্ববাসী

চিঠি দিবস


বিচারের আশায় সামিল বিশ্ববাসী

আমাদের প্রিয় তিলোত্তমা,

ভালো থেকো নিজের মতো করে। ঈশ্বরের খুব প্রিয় তুমি, তাই তোমার হয়ে লড়াই করার জন্য ঈশ্বর সমগ্র বিশ্ববাসী কে সাহস যোগাচ্ছেন। ওখানে নিশ্চই তুমি নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছো রাতে,এখানে তো ঘুমোতে দিলোনা তোমায় তারা। আর আমাদেরও রাতের ঘুম কেড়ে নিলো। নির্ঘুম রাতে সবাই আমরা তোমাকে ভীষণ ভাবে অনুভব করি,তোমার পাওয়া কষ্টে চোখে জল আসে আমাদের। তোমার শক্ত মেরুদন্ড আমাদেরও শক্ত হতে শিখিয়েছে, শিখিয়েছে কাপুরুষ নৃশংস লোকেদের শাস্তি দেওয়ার জন্য মানসিক ভাবে দৃঢ় হতে। রাত দখলে হাতে মোমবাতি ধরতে শিখিয়েছে। পিছিয়ে আসবো না আমরা, শেষ অব্দি লড়াই করবো। তোমায় বিচার পাইয়ে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের সকল বিশ্ববাসীর। আমরা জিতবো, জিততে হবেই আমাদের। বিচারের বাণী গাইবে জয়গান। শান্তি সেদিন পাবে আমাদের প্রাণ।

পরবর্তী প্রজন্ম জানবে এই লড়াইয়ের কথা, তারাও অন্যায় রোখার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করবে। তুমি ভালো থেকো, আর আমাদের শক্তি যুগিয়ে যেও, কোনোদিন যেনো পিছপা না হয় সৎ পথে চলার থেকে।

ইতি - সমগ্র বিশ্ববাসী


তারিখ : ০২.০৯.২০২৪


©️ রিজার্ভ


সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৪

শিরোনাম - কোলকাতা মানে✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম - কোলকাতা মানে
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

কোলকাতা মানেই মনে আসে,"সিটি অফ জয়"!
নিশ্চিন্তে আছি সকলে, নন্দনে চলে ঘটক থেকে রয়।

কোলকাতা মানে ফুটবল, ক্রিকেট আর সাথে দাদাগিরি
হাত রিক্সা থেকে ট্রাম ট্যাক্সি, আমাতে তোমাতে ঘোরাঘুরি।

কোলকাতা মানে কফিহাউস সাথে বইপাড়া,ক্লাসিক্যাল থেকে রক মিউজিক
হাওড়া ব্রিজের নীচে গঙ্গা চলছে বয়ে,স্টেশনে বড় ঘড়ি চলে টিক-টিক।

কোলকাতা মানে ভিক্টোরিয়া থেকে ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম, প্রিন্সেপ আর বৌ বাজার
ধুমধাম করে বারো মাসে তেরো পার্বণ!অপেক্ষায় থাকি বছর ভর।

কোলকাতা মানে মিছিলে স্লোগান জেগে উঠেছে সকলে
ন্যায় পাবার আশায় থাকি,দেখা যাক!জাস্টিস আসে কার দখলে।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - গোপালের স্বাদবদল✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম - গোপালের স্বাদবদল
✍️ ডা:অরুণিমা দাস 

দিয়ার ঠাকুমা রমা দেবী গোপালের বড়ো ভক্ত।নিয়মিত গোপালের পুজো করেন নিষ্ঠাভরে,দিয়া পাশে বসে দেখে।গোপালের সামনে সাজানো ফল,মিষ্টি দেখে দিয়া একদিন ঠাকুমাকে জিজ্ঞেস করে আচ্ছা ঠামি গোপাল দাদা ফল,নাড়ু এসব কেনো খায়?দাদা তো আমার মত ম্যাগি,চিপস খেতে পারে বলো!!ঠামি শুনে বলেন চুপ করো দিদিভাই,গোপাল সবসময় ফল,নাড়ু,মাখন এসবই খেতে ভালোবাসে।দিয়া সব শুনে চুপ থাকলো। 

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে দিয়াদের বাড়িতে বেশ বড়ো করে পুজো হয়।সকাল থেকেই পুজোর জোগাড় করছে ঠাকুমা আর দিয়ার মা।পুরোহিত মশাই এসে জোগাড়যন্ত্র সব ঠিক আছে কিনা দেখছিলেন, হঠাৎ একটা থালার দিকে চোখ যেতেই আঁতকে উঠে বললেন একি অনাচার রমা দেবী??রমাদেবী হাতজোড় করে বললেন কোনো ত্রুটি হয়েছে কী??পুরোহিতমশাই বললেন ঘোর অনাচার হয়েছে।গোপালের প্রসাদে ম্যাগি আর চিপস,এসব কি হচ্ছে??চেঁচামেচি শুনে দিয়ার মা বাবা ছুটে এলেন।দিয়ার মা সব দেখে বললেন এটা দিয়ারই কাজ।পাশের ঘর থেকে কান ধরে দিয়াকে নিয়ে এলেন,বললেন তুমি এসব করেছ তো!!যাও ওই ম্যাগীর প্লেট আর চিপস সব তুলে আনো।মায়ের কাছে বকুনি খেয়ে কাঁদোকাঁদো মুখে প্লেটগুলো তুলে আনলো।দেখলো তার গোপাল দাদার মুখ চোখ কেমন শুকনো হয়ে গেছে।মনে মনে বললো কি করবো বলো দাদা??আমি জানি তুমি এসব খেতে চাও,কিন্তু ওরা তোমায় এসব দিতে দেবে না। পুরোহিত মশাই পুজোর জায়গা শুদ্ধ করে পুজোতে মন দিলেন।গোপালের আসনে ফুল দেওয়ার সময় মনে হলো ওনার হাতে দুফোঁটা জল পড়লো।সবাই তাকিয়ে দেখে গোপালের চোখে জল।দিয়া সেটা দেখে বললো প্রতিদিন এক খাবার খেতে ভালো লাগেনা দাদার,গোপাল দাদাকে তাই আমি ম্যাগি দিয়েছিলাম।হঠাৎ পুরোহিত মশাই বললেন রমা দেবী,একবার ম্যাগীর প্লেটটা রাখুন তো সামনে।একথা শুনে দিয়া একছুটে ম্যাগীর প্লেটটা নিয়ে এসে গোপাল দাদার সামনে রাখলো আর মনেমনে বললো খাও দাদা।সবাই তাকিয়ে দেখলো গোপালের মুখে হাসির ঝিলিক।ঠাকুমা দিয়াকে জড়িয়ে ধরে বললেন এতদিন পুজো করেও গোপালের মনের কথা বুঝতে পারিনি দিদিভাই, তুমি বুঝে গেলে কি করে??দিয়া বললো দুপুরে যখন তুমি ঘুমাও তখন তো আমি ঠাকুরঘরে এসে কত গল্প করি গোপাল দাদার সাথে।সবাই শুনে খুব হাসতে লাগলো।দিয়ার বাবা বলে ওঠেন তাহলে গোপাল দাদারও স্বাদ বদল করতে ইচ্ছে করে মাঝে মাঝে,কি বলো দিয়া??দিয়া বললো হ্যা বাবা,ওই জন্য ফল মিষ্টি সরিয়ে ম্যাগি দিয়েছিলাম।আর দিয়ার গোপাল দাদা প্রাণভরে দিয়াকে আশীর্বাদ করে বললেন এভাবেই সবার ইচ্ছে গুলোকে পূরণ করার চেষ্টা কোরো,যেভাবে আমার ইচ্ছে পূরণ করলে।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস 

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৪

জ্ঞানস্ফুরণ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 জ্ঞানস্ফুরণ
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

নিজের জ্ঞান জ্ঞাপন করতে হলে অন্তরের শক্তির পূর্ণ জাগরণ প্রয়োজন। জ্ঞান প্রচুর কিন্তু তার প্রয়োগ করতে না পারলে সেই জ্ঞান থাকা বৃথা। চিরাচরিত পথে চললে হয়তো জ্ঞান সেভাবে প্রয়োগ করা যায় না কিন্তু বাস্তব জীবনের জীবন্ত অভিজ্ঞতা নিজের জ্ঞান সত্তাকে প্রস্ফুটিত করতে সাহায্য করে। জ্ঞান থাকা যেমন দরকার তেমন জ্ঞানের স্ফুরণ হওয়াও খুব দরকার। আর এই স্ফূরণের জন্য নিজেকে সবদিক থেকে প্রস্তুত করতে হবে,মানসিক ও শারীরিক উভয়দিক থেকেই শক্তিশালী হতে হবে। রাস্তায় যেমন অতর্কিত আক্রমণের মুখে পড়লে মাথা খাটিয়ে উদ্ধার হতে হবে তেমনি পরীক্ষার হলে শক্ত প্রশ্ন এলে সেটাকেই কায়দা করে নিজের কোর্টে নিয়ে আসতে হবে। সপক্ষে বিপক্ষে যেদিকেই জ্ঞান প্রয়োগ হোক না কেনো সেটা করার জন্য নিজেকে বলিষ্ঠ করে তুলতে হবে পূর্ণপ্রস্তুতি সহযোগে। 

"শক্তিশালী করো নিজেকে,জ্ঞানের হোক সংযোগ
স্ফুরণ ঘটবে জ্ঞানের,যখন সম্পূর্ণ হবে শক্তির প্রয়োগ!"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৪

শিরোনাম-বিচার✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 শিরোনাম-বিচার
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

বিচারের আশায় আদালতে আবেদন
অন্ধ যে বিচার, নিশ্চই জানো জনগণ। 

কালো কাপড়ে চোখ বেঁধে রয়েছে যে মূর্তি জাস্টিসিয়ার 
বিচারক করবেন নাকি নিরপেক্ষ বিচার!

আজব দুনিয়া এখন! করে সে অস্বীকার সত্যিকে
জয় হয় সেই কথার যা আবৃত থাকে মিথ্যার মোড়কে। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০২৪

নারী স্বাধীনতা- অপেক্ষার হোক অবসান✍️ ডা:অরুণিমা দাসনারী স্বাধীনতা- অপেক্ষার হোক অবসান✍️ ডা:অরুণিমা দাস

নারী স্বাধীনতা- অপেক্ষার হোক অবসান
✍️ ডা:অরুণিমা দাস


স্বাধীন ভাবে বাঁচতে তো চায় সবাই,পায় কি কেউ পূর্ণ স্বাধীনতা
নারীরা আজও পুরুষদের পদদলিত, পুরুষরাই সমাজের হোতা।।

পুরুষ শাসিত সমাজে নেই কি তার স্বাধীন ভাবে বাঁচার অধিকার
সকলের মত সমাজে নারীও গলা তুলে কথা বলার দাবিদার।।

দেশকে স্বাধীন করতে যারা পুরুষের সাথে হাতে হাত ধরে চালিয়েছে সংগ্রাম
সেই মাতঙ্গিনী, সরোজিনী র দেশে কোনো নারী কুড়োবেনা কোনো বদনাম।।

নিজের জীবনে স্বাধীনতার স্বাদ নিতে,আশায় বুক বেঁধে চলছে নারীদের লড়াই
স্বাধীনতা যেদিন তুমি পূর্ন রূপে ধরা দেবে নারীর জীবনে,সেদিন বদলে যাবে জীবনের মানেটাই।।

তুমি আসবে বলেই সেই অপেক্ষায় দিন গুনে চলে সব নারী
আসবে যখন সমাদরে তুমি,খুশিতে মাতবে সবাই, অবসান হবে নিশির এই আশাই করি।।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

নারী স্বাধীনতা- অপেক্ষার হোক অবসান✍️ ডা:অরুণিমা দাস

নারী স্বাধীনতা- অপেক্ষার হোক অবসান
✍️ ডা:অরুণিমা দাস


স্বাধীন ভাবে বাঁচতে তো চায় সবাই,পায় কি কেউ পূর্ণ স্বাধীনতা
নারীরা আজও পুরুষদের পদদলিত, পুরুষরাই সমাজের হোতা।।

পুরুষ শাসিত সমাজে নেই কি তার স্বাধীন ভাবে বাঁচার অধিকার
সকলের মত সমাজে নারীও গলা তুলে কথা বলার দাবিদার।।

দেশকে স্বাধীন করতে যারা পুরুষের সাথে হাতে হাত ধরে চালিয়েছে সংগ্রাম
সেই মাতঙ্গিনী, সরোজিনী র দেশে কোনো নারী কুড়োবেনা কোনো বদনাম।।

নিজের জীবনে স্বাধীনতার স্বাদ নিতে,আশায় বুক বেঁধে চলছে নারীদের লড়াই
স্বাধীনতা যেদিন তুমি পূর্ন রূপে ধরা দেবে নারীর জীবনে,সেদিন বদলে যাবে জীবনের মানেটাই।।

তুমি আসবে বলেই সেই অপেক্ষায় দিন গুনে চলে সব নারী
আসবে যখন সমাদরে তুমি,খুশিতে মাতবে সবাই, অবসান হবে নিশির এই আশাই করি।।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শুক্রবার, ৯ আগস্ট, ২০২৪

শিরোনাম - স্বাচ্ছন্দ্য✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - স্বাচ্ছন্দ্য
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

"যুদ্ধ এসেছে,বুদ্ধ হেসেছে।" জনপ্রিয় এক ব্যান্ডের এই গান একসময় খুব শোনা যেতো। কিন্তু বাস্তবে চিত্র পুরো আলাদা। জনদরদী বুদ্ধ বাবু কোনোদিনই হাসেননি কোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে। রাইটার্স থাকাকালীন এমনকি রাইটার্স ছাড়ার পরও বিলাসবহুল জীবনের ধারে পাশে যাননি। নিজের দু কামরার ফ্ল্যাট আর বই ভর্তি ঘর,যেখানে সাদামাটা ভাবে থাকতেই উনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। ভুল করেও সেই বাড়ী ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবেননি তিনি। সেই প্রাণপ্রিয় বাড়ী থেকেই ঈশ্বরের বাড়ীতে যাত্রা করলেন স্বমহিমায়,নিস্তব্ধে। করে গেছেন দেহদানের অঙ্গীকার,আলিমুদ্দিন থেকে সারা রাস্তা ছেয়ে গেছে পুলিশবাহিনীতে, গ্রিন করিডোরে আসবেন উনি নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে,ছাত্রছাত্রীরা ডিসেকশন হলে শুনবে এক মহামানবের কথা,ভিসেরা টেবিলে রাখা সেই মহামানবের হৃদয় খানি ইশারায় তাদের বলবে প্রকৃত অর্থেই মানুষ হয়ো,হৃদয়বান হয়ো। সবার কানে বাজবে,'যুদ্ধ থামুক,বুদ্ধ হাসুক!' 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৪

মুক্তা আহরণ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 মুক্তা আহরণ
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

মনি মুক্তা পেয়ে গেলে তো জীবন ধন্য। কোনো কষ্ট নেই,নেই কোনো চিন্তা। সুখের আবেশে দিন অতিবাহিত হয়ে যায়। কিন্তু মুক্তো পাওয়া কি অত সোজা! সোজা হলে ডুবুরী দের আর সমুদ্রে ডুব দিতে হতো না। মুক্তা যেমন নিজে থেকে এসে ধরা দেয় না তেমনি মানুষের জীবনে সুখ স্বাচ্ছন্দ্য, সফলতা এমনি এমনি আসে না। অনেকটা পথ পেরিয়ে এসে সফলতা অর্জন করা যায়। জীবনে কোনো কিছুই সহজলভ্য নয়, ভালো দিন পেতে গেলে যেমন অনেকগুলো খারাপ দিনের সাথে লড়তে হবে, তেমনি সিঁড়িভাঙ্গা অঙ্কের মতো একটার পর একটা ধাপ অতিক্রম করে শেষ ধাপে সমাধান পাওয়া যাবে সাথে সফলতাও ধরা দেবে। 
খালি সমুদ্রের কাছে গেলে হবেনা, গভীরে ডুব দিতে হবে মুক্তোর সন্ধানে।

"ডুব দিলে গভীর সমুদ্রে,তবেই মুক্তোর সন্ধান মিলিবে 
কষ্ট করলেই জীবন উঠবে ভরে সাফল্য আর হাসির কলরবে।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ৫ আগস্ট, ২০২৪

শিরোনাম-প্রতিবিম্ব✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম-প্রতিবিম্ব
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

বলবে লোকে অনেক কথা, কান দিয়ে কোনো লাভ নেইকো
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখো,তৈরি হবে ভিতর আর বাইরের মধ্যে ভরসার সাঁকো।

দরকার নিজের সাথে কথা বলার হাতে কিছু সময় নিয়ে
আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কৌশল যে রয়েছে এই উপায়ে। 

দর্পণে যেমন প্রতিফলিত হয় আকারে বড়ো অবয়ব
মনের আরশিতে ফুটুক সুবিশাল প্রতিকৃতি!দূরে থাক ভয়,নিরাশা সব। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ২৯ জুলাই, ২০২৪

শিরোনাম - স্বনির্ভর✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম - স্বনির্ভর
✍️ ডা:অরুণিমা দাস



আপন ভেবে যাকে কাছে টেনে নিলে 
ভেঙেচুরে তোমায় সে বরবাদ করলে।

নিজেই হয়ো নিজের ভরসা, বিশ্বাস থাক আপনার ওপর
ঠকালেও কেউ হবেনা কষ্ট, কারণ তুমি আত্মনির্ভর।

ভারসাম্য থাকুক ভাল আর মন্দের বিষয়ে
প্রকৃতি তো দেয় সব হিসেব চুকিয়ে।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৪

শিরোনাম - সাহস✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সাহস
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

ভয়বিহীন মানুষ কখনো হয়না। ভয় থাকে সকলের ভেতরে, সবরকম প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সেই ভয়কে জয় করে এগিয়ে যাওয়াই সাহসিকতার পরিচয় প্রদান করে। আর এই পরিচয় প্রকাশের সকল উপাদানই সঞ্চিত রয়েছে সকল মানুষের মধ্যে, যে যেভাবে কাজে লাগাবে তার সেরকম বহিঃপ্রকাশ হবে। সারা জীবন কারোর অনুকূল পরিবেশে চলে না, নানা রকমের বাঁধা বিপত্তি চড়াই উৎরাই পেরিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। চলার পথে হোঁচট খেলে মনে ভয় জন্মায়! পুরো পথটা ঠিক ভাবে চলতে পারবো তো? ভয়ের সাথে নিরাশা গ্রাস করে অনেক সময়ে। সবকিছুকে ছাপিয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য যার দরকার সেটাই হলো সাহস। এগিয়ে চলুক সকলে সাহসের সঙ্গে।

"ভয় আর সাহস এই দুইয়ের ভারসাম্যে টিকে আছে সকলে
সাহসের সাহচর্যে লড়াই হোক,ভয় মাথাচাড়া দিয়ে উঠলে।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস



বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৪

ভিলেন ভার্সাস হিরো✍️ ডা:অরুণিমা দাস

ভিলেন ভার্সাস হিরো
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

সিনেমা আর বাস্তব জীবন এক নয়, সেটা বুঝতেই অনেকটা সময় লেগে যায় আমাদের। সিনেমার হিরো তারা অভিনয় করে মানুষের মনোরঞ্জন করে। তাদের অভিনয়টা মানুষকে আনন্দ দেয়। কিন্তু বাস্তব জীবন হয় সাদা কালো। বাস্তবে হিরোরা জয়ী হয়েছে এরকম খুব কমই শোনা গেছে। 
"নায়ক নেহী, খলনায়ক হু ম্যায়"! এই মন্ত্রে বাস্তব চলে। ভিলেনদের সামনে মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারেনা নায়কেরা। জয় হয় ভিলেনেরই। সিনেমায় হিরো মানে সৎ,নির্দোষ মানুষ হয়। আর বাস্তবে হিরো মানে নিঃশেষিত নিপীড়িত মানুষ, তাই ভিলেন সহজেই তাদের কাবু করে ফেলে। এই স্বার্থপর দুনিয়া জুড়ে ভিলেনের রাজ চলে। ভিলেন সহজেই নিজের অসৎ কর্মের দ্বারা অন্যকে প্রভাবিত করে, নিজের আয়ত্তে রাখতে চায় সবকিছু। সেটা করতে গিয়ে মানুষের ক্ষতি করতেও তাদের বিবেকে বাঁধে না। হিরো হতে না পারার আক্ষেপ বাস্তবে ভিলেন এভাবেই পুষিয়ে নেয়। 

"ভিলেন সহজেই করবে কাবু দুনিয়াকে,হিরো যে হবে জিরো
বাস্তব জীবন তো সিনেমা নয়,তাই সামলে থেকে কাজ কোরো।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪

শিরোনাম - যোদ্ধা✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম - যোদ্ধা
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

একাকী নির্জনে বসে বাড়ীর কথা পড়ছে মনে 
সুমধুর কিছু সময় যে কেটেছিল স্ত্রী ও সন্তানের সনে।

দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ, সমরে সে অগ্রগামী
বাড়ী থেকে বহু ক্রোশ দূরে,চোখের জল যে না থামি। 

যুদ্ধ নয় শান্তি চাই,ভাবা হোক দেশের সীমান্তে থাকা যোদ্ধার ব্যথা
তেরঙা পতাকার জন্য তার যে লড়াই!রাখবে কি মনে ইতিহাস সে কথা?

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০২৪

ভালোবাসা - সে তো অন্ধ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

ভালোবাসা - সে তো অন্ধ
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

ভালোবাসলে মানুষ হয় অন্ধ,তাই বোধহয় কোথাও কেউ রসবোধ প্রয়োগে বলেছিল প্রেমে অন্ধ মানেই বাসের প্রতিবন্ধী সিট তার জন্য বরাদ্দ। দখিনা বাতাসের মতো যখন ভালোবাসা এসে মনকে ছুঁয়ে যায়,সব কিছু উজাড় করে দিতে ইচ্ছে করে তখন। সময়ের সাথে সাথে মানুষের মন বদলায়,বদলায় ভালোবাসার অনুভূতিগুলোও। সেরা জিনিস পাওয়ার জন্য হাতের নাগালে থাকা অনুভূতি গুলোকে ধীরে ধীরে পিষে মেরে ফেলা হয়। চাঁদ ছোঁয়ার অদম্য ইচ্ছেয় হারিয়ে যায় নক্ষত্রেরা। মানুষের আকাঙ্ক্ষা যখন গগনচুম্বী হয় পাশে থাকা ভালোবাসার মানুষের সাথে হঠকারিতা করতে দু বারও ভাবেনা। তখন বেরিয়ে আসে মানুষের আসল রূপ, খোলস খসে পড়ে। কিন্তু প্রকৃতি! সে তো অন্ধ নয়। সব কর্মের হিসেব নিকেষ করে খুব মনোযোগ দিয়ে। চোখে পরে থাকা ভালোবাসার পট্টিকে সরিয়ে বাস্তবকে চেনাতে থাকে মানুষকে। তাই পাতাঝরার মরশুমের মতন ভালোবাসা যখন টুপ করে খসে পড়ে তখনই উন্মীলিত হয় মানুষের জ্ঞানচক্ষু। ঠকে গিয়ে বরং দুচোখ ভরে আগলাতে চায় তার ভালোবাসাকে। সজল নয়ন থেকে ঝরে পড়া মুক্তোর মতো অশ্রুবিন্দু দান করে তাকে দৃষ্টিশক্তি যা আগের চেয়েও প্রখরতর হয়ে ওঠে কিন্তু তখন ভালোবাসা আর আসেনা ফিরে। চলে যায় দৃষ্টির বাইরে।

"ভালোবাসার আগমন দৃষ্টিকে করে ক্ষীণ,অন্ধ যে হয় মানুষ
যখন যায় চলে ভালোবাসা,চোখ তখন খোলে,ফিরে আসে হুঁশ।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস




রবিবার, ৭ জুলাই, ২০২৪

শুভ রথযাত্রা✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শুভ রথযাত্রা
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

ও জগু দাদা! তৈরি হলে তুমি? বেরুতে হবে তো! বাইরে আমাদের জন্য রথ অপেক্ষা করছে। সুভা জিজ্ঞেস করে তার আদরের জগু দাদাকে।
- হ্যা রে, আরেকটু বাকী বোন। মুকুটটা পরে উত্তরীয়টা জড়িয়ে নিলেই হয়ে যাবে। যা যা তোর বলরাম দাদা কে তাড়া দে, সে তো অনেক সময় লাগায় তৈরি হতে!
- তাই বুঝি? বলরাম ধুতির কোঁচা ঠিক করে ঘরে ঢুকতে ঢুকতে বললো।
- হ্যা গো তাই,জগু বললো।
- তাই বুঝি ঠুঁটো জগন্নাথ বলে লোকে? কই ঠুঁটো বলরাম তো বলে না।
উফফফ। আর ঝগড়া করো না দাদারা,একটু দয়া করো। মাসী দুবার মিসকল দিয়ে ফেলেছে। ধরিনি কারণ বলতে পারবনা কখন বেরোবো!
- তোর চুল টা খোলা কেনো রে সুভা? দুই দাদা একসঙ্গে জিজ্ঞেস করে।
- ইস! জানো না যেনো। ঠোঁট ফুলিয়ে বলে সুভা।
তোমরাই তো আমার চুলে বেণী করে দাও।
ওহ! ভুলে গেছি রে। নিজেদের কথা ভাবতে গিয়ে বেমালুম ভুলে গেছি।
আয় দেখি বোস। দুই দাদা দুপাশের বিনুনী করে দিলো সুভার। খুব খুশি দুই দাদার আদরের বোন। সাথে একটা সেলফিও তুললো।
এর মধ্যে সারথী এসে বললো চলুন প্রভু, এবার যাত্রা করা যাক। নয়তো যা দেখছি গুগল ম্যাপে, মাসী বাড়ী পৌঁছতে মাঝরাত হয়ে যাবে।
হ্যা হ্যা চলো, যাত্রা শুরু করা যাক। বাড়ীর দরজা বন্ধ করে পুরোহিতের হাতে চাবি হ্যান্ডওভার করে রথে উঠে বসলো তিন ভাই বোন। সুভাকে আগলে রেখে বসে দাদারা বললো চলো সারথী এবার রথ এগিয়ে নিয়ে চলো। দুই দাদার মাঝে বসে ছোট্ট বোনটি দেখতে লাগলো রাস্তায় সার দিয়ে লোকজন দাঁড়িয়ে আছে, একটু রথের দড়ি ছোঁয়ার আশায়। দুই দাদা সকলকে প্রাণভরে আশীর্বাদ করছে। সুভা হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস দিলো, ফিলিং হ্যাপি, গোয়িং টু মাসী বাড়ী।
তিন ভাই বোনের যাত্রা শুভ হোক। জয় জগন্নাথ।
সকলের জন্য রথযাত্রার শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রইলো।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস




বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই, ২০২৪

জীবন - এক রঙ্গমঞ্চ ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

জীবন - এক রঙ্গমঞ্চ
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

জীবন নামক নাট্যশালায় সকলেই ব্যস্ত নিজের নিজের চরিত্রে দক্ষতার সাথে অভিনয় করার কাজে। কেউ ভালো থাকার অভিনয়ে পারদর্শী কেউ বা ভালো সাজার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করে চলেছে নিখুঁত অভিনয়ের। টিকে থাকার জন্য প্রতিদিনের সংগ্রাম চলছে, চলবে। এর নেপথ্যে থাকা মানুষেরা নিজেদের অবস্থান সঠিক রেখে নাটকের প্রতিটি অঙ্ক মন দিয়ে বাস্তবায়িত করার চেষ্টায় মগ্ন। এই নাটকের দর্শক শুধু ঈশ্বরই নন, দর্শক তার চেনাজানা সকলে। তুখোড় পারফরমেন্স যার হবে সেই মানুষের মনে জায়গা করে নেবে। তার জন্য এমন কাজ করা উচিত জীবনে,যাতে সকলের ভালো হয়,কারোর অনিষ্ট চিন্তা যেনো মনে না আসে। পাপ পুণ্যের পুরো হিসেব নিকেষ এই দুনিয়াতেই করতে হবে, তাই ভালো মানুষ সাজার থেকে ভালো মানুষ হয়ে থাকাটাই শ্রেয়। মানুষ বেঁচে থাকে তার কাজের মধ্যে দিয়ে, তাই কাজ অর্থাৎ অভিনয় এমন করতে হবে যেটা সারাজীবন ধরে মনে রাখবে সকলে, এমনকি নাটকের শেষ দৃশ্যের পরেও। সুস্থ ভাবে বাঁচো, পাশের সকলে সুস্থ ভাবে বাঁচতে দাও। 

"ভালো মানুষ সাজার থেকেও বেশি দরকার ভালো মানুষ হওয়ার
জীবনের নাট্যমঞ্চে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে, কোরো সেটার সদ্ব্যবহার।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ১ জুলাই, ২০২৪

শিরোনাম - বাংলার রূপকার ডা:বিধান চন্দ্র রায় ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

স্মরণে মননে ডা: বিধান চন্দ্র রায়                          শিরোনাম - বাংলার রূপকার ডা:বিধান চন্দ্র রায় 
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

সুদূর পাটনার বাকিপুর থেকে কোলকাতা
পায়ে হেঁটে এলেন তিনি,ভরসা শুধু পায়ের পাতা।

সম্বল বলতে শুধু তখন পাঁচ টাকা পঁচিশ পয়সা
খাবার আর বাসস্থান জোগাতে সেটাই শুধু ভরসা।

মাতৃহারা ছিলেন তিনি,পিতাই ছিলেন তাঁর সব
খুবই কষ্টের মধ্যে কেটেছিল তাঁর শৈশব।

কলকাতায় এসে করেন ডাক্তারিতে ভর্তির আবেদন 
থাকতেন কলেজ স্ট্রীটে,পয়সার টানাটানি ভীষণ।

পড়াশোনা শেষে শুরু করলেন তিনি প্র্যাকটিস
রোজগার হতো না মন্দ,কেবল খালি উনিশ বিশ।

বারোশো টাকা করে সম্বল,গেলেন তিনি বিদেশ
চূড়ান্ত সম্মান অর্জনে করতে মনোনিবেশ।

ভারতীয় বলে জুটেছিল শুধুই প্রত্যাখ্যান
কিছুতেই কিন্তু হাল ছাড়েননি ডা:বিধান।

প্রায় বার তিরিশেক করলেন টানা আবেদন
দুবছরে মেডিসিন,সার্জারির চূড়ান্ত ডিগ্রী করলেন অর্জন।

ফিরলেন দেশে,শুরু করলেন ডাক্তারি
মনে এলো প্রেমের জোয়ার,হলেন প্রেম পূজারী।

প্রেম তাঁর মানল হার অর্থদণ্ডের বিচারে
প্রত্যখিত হয় এলেন ফিরে,মন দিলে রোজগারে।

সাল যখন উনিশশো আটচল্লিশ,ছেড়ে দিয়ে ডাক্তারি
গ্রহণ করলেন মুখ্যমন্ত্রিত্ব,গড়লেন কল্যাণী সহ আরো উপনগরী।

দায়িত্বে ছিলেন যতদিন,করে গেছেন শুধু বাংলার উন্নয়ন
তাঁর কাছে চিরঋণী বাংলার আপামর জনগন।

তিরোধানের পরে ঘরে মেলে এগারো টাকা পঁচিশ পয়সা
জীবনের সঞ্চয় শুধু ছয় টাকা আর মানুষের ভালোবাসা।

আজ তাঁর জন্ম ও মৃত্যুদিনে জানাই তাঁকে নমস্কার মানুষের হৃদয়ে অমর থাকুন বাংলার রূপকার।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - দুরত্ব✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - দুরত্ব ✍️ ডা: অরুণিমা দাস আধুনিকতা মানেই অন্যরকম একটা ব্যাপার, উন্নতির পথে এগিয়ে যাবার সিড়ি তৈরি করে দেয় আধুনিকতা। আজকাল কেউ আ...