সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৪

শিরোনাম - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
✍️ ডা:অরুণিমা দাস


মগজাস্ত্রে দাও শান, বুদ্ধি হোক ক্ষুরধার
নির্ভর কোরোনা কৃত্রিম উপায়ের উপর।

মস্তিষ্ক কোষ বিকশিত হয় নিজস্ব চিন্তাধারায়
চ্যাট জি পি টি,এসকল উদ্ভাবনী শক্তির পথে অন্তরায়।

অলস হতে দিওনা মগজকে,
আসুক যতই উন্নত গ্যাজেট
স্মৃতিশক্তি হবে তাজা, আলঝাইমার্সকে দূরে রাখাই হোক টার্গেট। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৪

আশা নিরাশার দোলাচলে✍️ ডা:অরুণিমা দাস

আশা নিরাশার দোলাচলে
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

নিজের কাজ করে যাও মন দিয়ে,আশা রেখোনা ফলের
জীবন তোমার ভরিয়ে দেবে অপেক্ষা সঠিক সময়ের।

আশায় আশায় বুক বেঁধে, সহ্য কি হয় না পাওয়ার বেদনা!
তার চেয়ে মন দিয়ে করো নিজের কর্ম,ফল তো উপরি পাওনা। 

সব চাওয়া তো হয়না পাওয়া,চেয়ে চেয়ে হয়োনা হদ্দ
ঈশ্বর তোমার জন্য রেখেছেন যে শ্রেষ্ঠ উপহার বরাদ্দ।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বুধবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৪

ঈদের চাঁদ ✍️ডা:অরুণিমা দাস

ঈদের চাঁদ 

✍️ডা:অরুণিমা দাস 


কই রে! কই গেইল্যি রহিমের মা! আয় বাইরে আইস্যা দেইখ্যা যা কি আনছি! আব্দুল ডাক দেয় তার বিবি হালিমাকে। বাড়ীর মধ্যে থেকে হালিমা বেরিয়ে আসে,বলে এত চেঁচাও ক্যান্? কও কি হইছে কি? আবদুল বলে আজ এক জায়গায় মজুরের কাম কইরা বেশ কিছু ট্যাহা পাইছিরে বিবি। তাই রহিমের লাইগ্যা কিছু ফল আর মাংস আনছি। ইফতারে তো কুনোদিন ছেলেটারে ভালো কিছু খেতে দিতে পারি নাই রে। আগে বসো দাওয়ায়,খানিক সময় জিরোয় লও দেখি। খালি কাম আর কাম! দিন দিন শরীল খান ভাইঙ্গা পড়তাসে,সে দিকে খেয়াল আছে তোমার? আরে এতো কষ্ট কইরা রহিম রে পড়াইতাসি, ও বড়ো হইলে আমাদের কষ্ট কমবে রে। হ্যা আব্বু,আমি বড়ো হই,অনেক বড় চাকরী করুম,তোমারে আর আম্মুরে শহরে নে যাবো। কুনো কষ্ট থাকবেনা আর আমাদের। আল্লাহর কাছে দোয়া করি বাপ,তোর কথাখান যেনো সইত্য হয়। এর মাঝেই হালিমা ফল আর লেবুর জল এনে হাজির করে, বলে চলো নামাজ পইর‍্যা ইফতার কইর‍্যা লও। আমি তারপর খাইয়া মাংস রান্না কইরবো। রহিম ভালোছেলের মত ফল আর সরবত খেয়ে নেয়। তারপর দাওয়ায় গিয়ে পড়তে বসে। উঠোনে হালিমা রান্না করতে যায়,আব্দুল ওখানে গিয়ে বসে। হালিমা বলে এই মাসে যে ঘরখান সারাইবে বলছিল, খেয়াল আছে তোমার? হ,আছে রে। এক খান ঘরই তো মোদের, কইষ্ট হয় রে জানি। সেটাও ভাইঙ্গা পড়সে। সেই ঘরেই রাতে রহিম পড়ে, আমরা কথা বইললে ওর অসুবিধা হয় রে,জানি। গরম কাইলটা ভাবতাসি আমরা দুজন বাইরে উঠানে মাদুর বিছায়া শুইয়া পড়বো। ঘরখান ছোট তো কি হইছে বল? খোদা এত বড় আকাশ দিছে, তার নিচেই শুইয়্যা আমরা গল্প করে কাটাইয়া দিবো। কি বলিস বিবি? হ,বুঝছি!টাকার টানাটানি যা। এই সময়ে তুমিই বা কোথায়  টাইক্যা পাইবে  বলো? রোজতো কাম ও জুইট্যে না তোমার। আরও কিছু পয়সা জমাইরে, শীত আইস্যার আগেই ঘরটা ঠিক কইরা দিবো,কইথ্যা দিলাম। আল্লাহর দয়ায় আজ রহিমের মুখে ফল তুইল্যা দিতে পারসি যখন, ওনার দয়াতেই একদিন ঘরটাও সাইর‍্যা ফেলাইবো দেখিস। হ তাই যেনো হয়, রোজ তো তাই দোয়া করি। এখন না হয় ঈদের চাঁদ দেইখ্যার অপেক্ষায় আকাশের নিচেই রাতে ঘুমাইয়া পইড়বো। দুরে কোথাও থেকে গান ভেসে আসে ওদের কানে, "নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড়ো।"
স্বপ্ন সত্যি হোক হালিমা আর আবদুলের। শীতের আগে যেনো ঘর ঠিক করে নিতে পারে ওরা আর রহিম মানুষের মতো মানুষ হোক, এই প্রার্থনাই করি ঈশ্বরের কাছে। খুব ভালো কাটুক ওদের রমজানের বাকী কটা দিন আর খুশিতে ভরে উঠুক ঈদ।
                      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস



সোমবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৪

রেস✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 রেস
✍️ ডা: অরুণিমা দাস


অনেকখানি এগোতে হলে মাঝে মাঝে হাঁটতে হয় বিপরীত ভাগে
টার্গেটে পৌঁছতে তীরও যে পিছু হটে ধনুক হতে নিক্ষেপের আগে। 

ভালো মন্দ যাই হোক শিক্ষা নিও সেটার থেকে
আশা নিরাশা এই দুই নিয়েই উপভোগ করো জীবনকে। 
 
রেসের মাঠে তাই কখনো সখনো যেতে হয় পিছিয়ে
জীবন হয়তো অপেক্ষা করছে আরো ভালো কিছু নিয়ে। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৪

সুন্দর অসুন্দর✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 সুন্দর অসুন্দর
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

ভালো খারাপ, কুশ্রী সুশ্রী এগুলো শুধু মানুষের মনের অভিব্যক্তি। মনের সাপেক্ষে কিছু জিনিস ভালো কিছু জিনিস মন্দ। হয়তো কারোর কাছে যেটা ভালো অন্যের কাছে সেটা খারাপ। যে দৃষ্টিভঙ্গি তে দেখবে সেরকম ই হবে। মানসিকতা যেরকম হবে সেই চোখেই দেখবে মানুষ। ভালো মন্দ সব ই আপেক্ষিক। দেখার মত জ্ঞান চক্ষু অনেকেরই নেই। বাইরের মলাট দেখে যেমন বইয়ের গুণমান বিচার করা যায়না তেমনি কারোর বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখে তার মানসিকতা বিচার করা যায় না। সুন্দর মনের মানুষ যেটা আজকাল খুব ই কম দেখা যায়,তাদের কাছে দুনিয়ার সব কিছুই সুন্দর। ভালো মন্দ আলো অন্ধকার এগুলো যেমন চক্রাকারে আসে সুন্দর বিশ্রী এরকম কিন্তু কোনো আগে পরের ব্যাপার নেই। সৌন্দর্যের কোনো মাপকাঠি কি সেভাবে হয়? যেটা হয় সেটা মানুষের দেখার দৃষ্টিভঙ্গি। মন সুন্দর হলে সব সুন্দর আর আজকাল সেই মন চেনার ক্ষমতা অনেকেরই নেই। বাইরের রূপ দেখেই ছুটে চলে মরীচিকার পেছনে। আর ছুটতে ছুটতে মরীচিকা অদৃশ্য হয়ে গেলে তখন নিজের খারাপ লাগাটা প্রকট হয়ে ওঠে। নিজের ওপর বিরক্তি হয়। তাই এরকম সৌন্দর্যের কোনো মূল্য নেই আর কোনো পরিমাপও হয়না। 

"বাহ্যিক রূপে না মজে অন্তরের গভীরে দাও ডুব
সুন্দর ও অসুন্দর বিচার করা কি দরকার খুব!!"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল, ২০২৪

সতর্কবাণী✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 সতর্কবাণী
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

কুঠারের আঘাতে করেছো  ক্ষত বিক্ষত গাছটাকে 
প্রকৃতি কি ছাড় দেবে তোমায়!  প্রশ্ন করো নিজেকে।

গাছের বুকফাটা আর্তনাদে কেঁপে উঠছে সারা পৃথিবী
খরা, ভূমিকম্প এসব তো এবার অবশ্যম্ভাবী।

সময় থাকতে সতর্ক হও, কোরোনাকো এত বড় ভুল
আগামী প্রজন্মের বাসযোগ্য থাকে যেনো ধরা,দিতে যেনো না হয় ভুলের মাশুল। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শনিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৪

শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনী✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনী
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

বাংলা সাহিত্যে যাদের অবদান অনস্বীকার্য তাদের মধ্যেই একজন স্মরণীয় ও বরণীয় বিশিষ্ট সাহিত্যিক হলেন শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়। ইনি তিরিশে মার্চ ১৮৯৯ সালে উত্তর প্রদেশে জৌনপুর নামক শহরে জন্ম গ্রহণ করেন।আর কোলকাতায় এসে ওনার নিবাস হয় বরানগরের আদিকুঠি এলাকায়। 

পড়াশোনা ও সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ:

মাত্র ষোলো বছর বয়সে শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় ম্যাট্রিক পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ণ হন। ছোটবেলা, স্কুল জীবন সবটাই মুঙ্গেরে কাটে তাঁর। আর খেলাধুলোতেও বেশ পারদর্শী ছিলেন তিনি। ছোট বেলা থেকেই সাহিত্যের প্রতি তাঁর একটা ভালোবাসা ছিল,কিন্তু তাঁর বাবা তারাভূষণ বন্দোপাধ্যায় চাইতেন ছেলে ব্যারিস্টার হোক। বাবার ইচ্ছে আর নিজের সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ এই দুই ভাবনার অন্তর্দ্বন্দ্বে ভুগতেন তিনি। বাবার ইচ্ছে রাখতে তিনি বি এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পাটনায় আইন নিয়ে পড়তে যান। কিন্তু মনে যার সাহিত্য বাস করে সে কি করে অন্য কাজে নিজেকে নিয়োজিত করবে! পরে তাঁর বাবাও হয়তো বুঝেছিলেন ছেলের মন নেই ওকালতিতে, তাই ছেলে নিজের মনের কথা শুনে সাহিত্য চর্চায় নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন।

১৯ বছর বয়সে মুঙ্গেরের উকিল জীবন চক্রবর্তীর পৌত্রী পারুল দেবীর সাথে তার বিবাহ হয়। 
১৯২৬ সালে  পাটনা থেকে আইন পাস করে ওকালতি শুরু করেন তিনি। কিন্তু তাঁর ওকালতি জীবন দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ওকালতি শুরুর তিন বছরের মাথায় পাটনা ছেড়ে মুম্বাইয়ে পাড়ি দেন আর সেখানে মুভির জন্য স্ক্রিনপ্লে লেখা শুরু করেন। বেশিদিন মুম্বাই তে থাকেননি, ১৯৫২ সালে পুনে আসেন আর নিজের সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ কে প্রাধান্য দিয়ে মনোনিবেশ করেন সাহিত্য চর্চায়।

সাহিত্য জীবন - পড়াশোনা চলা কালীন কুড়ি বছর বয়সে কলেজে পড়ার সময়ে প্রথম সাহিত্য হিসেবে একটি কবিতা সংকলন প্রকাশ পায় যার নাম ছিল "যৌবন স্মৃতি"।এই সংকলনে প্রায় একুশটা মত কবিতা ছিল এবং প্রতিটি লেখাই ছিল পাঠকের মনোগ্রাহী। ওকালতি জীবনেই 'বসুমতী' তে ছাপা হয়েছিল তাঁর প্রথম গল্প 'উড়ো মেঘ'।শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখার মধ্যে সব চেয়ে জনপ্রিয় ছিল গোয়েন্দা কাহিনী। এছাড়াও সামাজিক, রোমান্টিক, ডিটেকটিভ কাহিনী, ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস রচনা করেছিলেন তিনি। তাঁর বর্ণনা রীতি ছিল অসাধারণ আর ভাষার বুনন থাকতো খুব মজবুত। অতি সহজেই তাঁর লেখা তাই পাঠকের মনে আনন্দ দান করেছিল। তিনি ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। উপন্যাসের পাশাপাশি লিখেছিলেন কবিতাও। তাঁর সাহিত্যে প্রেরণার কথা বলতে গিয়ে নিজের মা বিজলীপ্রভা দেবীর কথা বলেছেন যিনি কিশোর শরদিন্দুকে পড়ে শোনাতেন  'মেঘনাদবধ কাব্য '।সেই থেকেই তাঁর মনে সাহিত্য চর্চার উন্মেষ হয়।বম্বে টকিজ ছবির গল্প লেখক হিসেবে কাজ করার সুবাদে ভাবী,বচন, দুর্গা, কঙ্কন এগুলো তার গুরুত্বপূর্ণ কাজ। বাণিজ্যিক ফরমায়েশি পালন ছিল না তাঁর রক্তে, তাই পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা একটু ফিরতেই  আবার তিনি সাহিত্যচর্চায় মনোনিবেশ করেন। একটা কথা তিনি সবসময় বলতেন " জীবনকে এড়িয়ে কোনোদিন গোয়েন্দা গল্প লেখবার চেষ্টা করিনি "। কি, কেনো, কবে, কীভাবের উত্তর অন্বেষণ করতে করতে বাঙালি যে কখন গোয়েন্দা হয়ে ওঠে বোঝা মুশকিল। বাঙালির এই খানা তল্লাশি করার কাজে আজও তারা গোয়েন্দা গিরিতে চোখ বন্ধ করে ফলো করে ব্যোমকেশকে। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই বাঙালি তার প্রথম প্রাইভেট ডিটেকটিভ  হিসেবে পেয়েছিল সত্যান্বেষী কে। শরদিন্দু তাঁর বলিষ্ঠ লেখনীর মাধ্যমে গোয়েন্দা কাহিনী গুলোকে এক অন্য রকম মাত্রা দিয়েছিলেন। এক সাক্ষাৎ কারে বলেছিলেন " ওগুলো (ব্যোমকেশের কাহিনী গুলো) নিছক গোয়েন্দা কাহিনী নয়। প্রতিটি কাহিনী আপনি শুধু সামাজিক কাহিনী হিসেবেও পড়তে পারেন"। তাই শুধু গোয়েন্দা গল্পই নয়, শরদিন্দুর যে কোনো লেখাতেই জীবন সম্পৃক্ততার পূর্ণ প্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। শুধু সমসাময়িক বা জীবনের দৈনন্দিন ঘটনা কেই তিনি শুধু প্রাধান্য দেননি, ইতিহাসকেও চমৎকার ভাবে দেখতে পারতেন তিনি। নিজেই বলতেন " আমি বাঙালিকে তাহার প্রাচীনের সাথে পরিচয় করাইয়া দিবার চেষ্টা করিয়াছি। বাঙালি যতদিন না নিজের বংশ গরিমার কথা জানতে পারিবে,ততদিন তাহার চরিত্র গঠিত হইবে না..."। তাই বাঙালি পেয়েছে 'কালের মন্দিরা', ' গৌড়মল্লার ', ' কুমারসম্ভবের কবি', ' শিবাজী ও সদাশিব' এর মত ঐতিহাসিক উপন্যাসকে। ইতিহাসবিদ রমেশচন্দ্র মজুমদার শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলেছিলেন " লোকে ইতিহাস পড়িবে না,কিন্তু আপনার বই পড়িবে"।ছোট গল্পেও তার অবদান অনস্বীকার্য। 'ভল্লু সর্দার', 'কর্তার কীর্তি' এই রচনা গুলো বারবার পড়েও পুনরায় পড়ার সাধ থেকে যায় পাঠকের মনে। বই পড়া, রচনার পাশাপাশি ভাষা চর্চার প্রতি তাঁর আগ্রহ ছিল বেশ। নিজে সংস্কৃত শিখবেন বলে পণ্ডিতও নিয়োগ করেছিলেন তিনি। 

জীবনের শেষ উনিশ বছর নিজের তৈরী বাড়ি মিথিলা তে কাটিয়েছিলেন শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়।  তাঁর সর্বক্ষণের সঙ্গী ছিল শুধু বই আর বই। ভালো পাঠক না হলে ভালো লেখক হওয়া যায় না, শিক্ষিত পাঠক সৃষ্টি করে এক শিক্ষিত লেখকের। এর জলজ্যান্ত উদাহরণ ছিলেন শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়। 
বড়োদের গল্প উপন্যাসের পাশাপাশি শিশু কিশোরদের জন্য ও তাঁর লেখালিখির পরিমাণ কম নয়। শিশু সাহিত্যে তাঁর স্মরণীয় নায়ক চরিত্র ছিল 'সদা শিব'।  

 শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরস্কার প্রাপ্তি :
শরৎ চন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার (১৯৬৭)
রবীন্দ্র পুরস্কার ( তুঙ্গভদ্রার তীরে)

তাঁর এই সাহিত্যময় জীবন ছেড়ে অবশেষে ১৯৭০ সালে ২২ সেপ্টেম্বর পুনেতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাংলা সাহিত্য তাঁর এই অবদানের জন্য তাঁর কাছে চিরঋণী।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস 

বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৪

সংগ্রাম ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 সংগ্রাম
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

জীবনে টিকে থাকতে হলে হাজারো ঝড় ঝাপটা সামাল দিয়ে এগোতে হবে। সেই আদিম যুগ থেকে চলছে সংগ্রাম, চার্লস ডারউইনের অরিজিন অফ স্পিসিসে আছে স্ট্রাগল ফর এক্সিস্টেন্স মানে জীবন যুদ্ধে বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম। এই জন্যই হয়তো বিবর্তনবাদের উৎপত্তি হয়েছে। আদিম যুগে চার হাত পা ওয়ালা মানুষ থেকে দু পায়ে হাঁটা, দু হাত দিয়ে লড়াই করা "হোমো সেপিয়েন্স" হতে দিনের পর দিন লড়াই চালিয়ে যেতে হয়েছে।  

জীবন সবার জন্য এক নয় হয়তো, গরীবদের জন্য আছে বেঁচে থাকার পরনের কাপড়, ক্ষুধা নিবারণের জন্য সংগ্রাম। ধনীদের সংগ্রামটা আবার অন্যরকম। টাকা পয়সা থাকলেও মানসিক শান্তির বড্ড অভাব। নিজের মন ভালো রাখার জন্য লড়াই সেটা বোধহয় আরো বেশি মূল্যবান। যার জন্য যত সংগ্রাম জীবনে তার জন্য অনেক কিছু ভালোও হয়তো আছে। নিত্য জীবনে ডিউটির চাপ, সেখানে সংগ্রাম, উচ্চশিক্ষা অর্জনের জন্য সংগ্রাম কারোর আবার রোজকার রুজি রুটি জোগাড় করার জন্য মাথার ঘাম পায়ে ফেলে বেঁচে থাকার এক সংগ্রাম। এক কথায় স্টেশনের ধারে বসে থাকা মানুষ থেকে এসি রুমে চেয়ারে বসে থাকা মানুষ সকলেরই জন্য সংগ্রাম রয়েছে বরাদ্দ। 

"টিকে থাকতে জীবন যুদ্ধে, করছে যে সকলে সংগ্রাম
থেমে থাকলে হবেনা,লড়ে জেতাই হলো আসল পরিণাম।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - দুরত্ব✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - দুরত্ব ✍️ ডা: অরুণিমা দাস আধুনিকতা মানেই অন্যরকম একটা ব্যাপার, উন্নতির পথে এগিয়ে যাবার সিড়ি তৈরি করে দেয় আধুনিকতা। আজকাল কেউ আ...