রাতুল আজ খুব খুশী। কারণ আজ জামাইষষ্ঠী। বিয়ের পর তাঁর প্রথম জামাইষষ্ঠী। তাই সে একটু বেশী আনন্দিত। শ্বশুরবাড়ি থেকে নিমন্ত্রণ পাবার আগেই সে শ্বাশুরীর জন্য সুন্দর একটি গিফ্ট আগের থেকেই কিনে রেখেছিল। শ্বাশুরির কাছ থেকে নিমন্ত্রণ পাবার পর তাঁর আনন্দটা আরো বেড়ে গিয়েছিল।
যথাসময়ে রাতুল তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি উপস্থিত হল। রাতুলের শ্বশুরবাড়ির সবাই নতুন জামাইকে পেয়েতো খুব খুশী। জামাইষষ্ঠীর নিয়মকানুন সব পালন করা হল। রাতুল শ্বশুরবাড়িতে নতুন বউয়ের মতোই লজ্জা পেয়ে একজায়গায় চুপ করে বসেছিল। শ্বশুরতো এমন লাজুক জামাই পেয়ে আরো খুশী।
দুপুরবেলায় রাতুল যখন খেতে বসলো তখন দেখল তাঁর খাবার থালটি খুব সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। এছাড়া কত রকমের মেনু রয়েছে। এটা দেখে রাতুলের প্রচন্ড খিদে পেয়ে গেল। আসনে বসে সে প্রথমে ডাল ভাত ও বেগুনী খাওয়া শুরু করল। কিন্তু ডাল ভাত খেয়ে তাঁর শরীরটা কেমন করে উঠলো। যাক এবার বাদবাকি মেনু গুলিও অনেক কষ্টে খেল।যেই খাসির মাংস খাওয়া শুরু করল রাতুল আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারলা।চিৎকার করে নিচে পা ছড়িয়ে বসল।প্রচন্ড ঘামতে লাগলো। কানটা ও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। জামাইয়ের এরকম অবস্থা দেখে সবাই ভয় পেয়ে গিয়ে তাড়াতাড়ি তাঁর সেবা শুশ্রুষা শুরু করে দিল।একটু সুস্থ হওয়ার পর রাতুল খুব লজ্জা পেয়ে গেল। রাতুল লাজুক কনের মতোই বললো যে সে ঝাল খেতে পারেনা।
প্রথম বছরের জামাইষষ্ঠীতে রাতুলের বেশ ভালো কেটেছিল তাইতো পরের বছরের জামাইষষ্ঠীর কথা ভাবলে রাতুলের গায়ে কাটা দিয়ে উঠতো।
@ কপিরাইট রিজার্ভ ফর সোমা দে।
খুব সুন্দর লাগল। অসাধারণ!👍👍❤❤⚘⚘
উত্তরমুছুনধন্যবাদ দাদা।
উত্তরমুছুন