শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২১

#কপিরাইট ও বৈষম্য -✍️ মৃদুল কুমার দাস।

# নাম- কপিরাইট ও বৈষম্য। 
      (২ফেব্রুয়ারী,২০২১)
    যে কোনও জাতির বুনিয়াদ গড়ায় ভাষা প্রধান হোতা। ভাষা আমরা যত বলি,তার চেয়ে কম লিখি,তারও চেয়ে কম পড়ি। কেউ কেউ আবার বই দিয়ে ড্রইং রুম সাজান। 
    গ্রন্থপাঠক,গ্রন্থগ্রাহক - দু'য়ের যোগফল হল বিশ্বের গ্রন্থগরীমা। আর এই দু'য়ের সংযোগ সেতু গ্রন্থ-কারবারী। এই তিনের গতিপ্রকৃতিতেই বিশ্বে গ্রন্থ-সাম্রাজ্য চালিত হয়। তবে এই সাম্রাজ্যে এই তিনের অভিমুখ তিন রকম। গ্রন্থ-কারবারীদের দ্বারা দেশের পুঁজিবাদী শক্তির একটা অংশ প্রভাবিত হয় নিঃসন্দেহে। প্রমাণ ইউরোপ। ইউরোপে গ্রন্থপাঠকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশী। আর ঠিক এই জায়গায় দাঁড়িয়ে কপিরাইট যে অর্থনৈতিক বৈষম্যের মূলে কীভাবে আছে তা জলের মতো পরিষ্কার।ভাষা,সাহিত্য,পাঠক,ক্রেতার চাহিদাকে গ্রন্থ প্রকাশক ও বিক্রেতা যেমন বুঝবেন,তেমনই দেশের অর্থনৈতিক বুনিয়াদের একটা অংশের সুরাহা হয়ে থাকে। প্রমাণ ইউরোপ। ইউরোপে গ্রন্থপাঠকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশী। আর ঠিক এই জায়গায় দাঁড়িয়ে কপিরাইট যে অর্থনৈতিক বৈষম্যের মূলে কীভাবে আছে তা জলের মতো পরিষ্কার।
   আন্তর্জাতিক বাজারে কপিরাইটও অর্থনৈতিক বৈষম্যকে আরও দৃষ্টিকটু করেছে। ছোট ছোট দেশ,পিছিয়ে পড়া দেশে ভাষা ও সাহিত্য চর্চা প্রকাশক ও বিক্রেতার মত,বইয়ের কপিরাইট  উঠে গেলে মুনাফা বেশী হবে।
    বাংলা বইয়ের বাজারের এখানেই গন্ডগোল। বাজার সীমিত। ক্রেতার পকেটে টান। আর মুনাফাখোরদের মুনাফার লোভে গ্রন্থ পড়ে যে কোনো মুহূর্তে আসল নকল একাকার হয়ে যায়। একবার ঢাকায় বইমেলায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় গেছেন আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে। একটি স্টলে গিয়ে দেখলেন তাঁর রচিত 'রাধাকৃষ্ণ' বইটি ঝড়ের মতো বিক্রি হচ্ছে। দামে খুব সস্তা। পাঁচ ছ'কপি 'রধাকৃষ্ণ'-তে অটোগ্রাফ দিয়ে স্টল থেকে বেরিয়ে সঙ্গী বাদল বসুকে বললেন- "সব ক'টা বই জাল ছিল।"
   এখানেই দেশভেদে কপিরাইট উঠে যাওয়া আর উঠে না যাওয়া নিয়ে যৌক্তিকতা বিচার্য খুব সেনসিটিভ বিষয়। তার চেয়েও জরুরী এটাই ভাবা উচিত,কোনটা বেশী গুরুত্বপূর্ণ- বেশী মুনাফা,নাকি বেশী মানুষের কাছে বই পৌঁছে দেওয়া?
  ✍ - মৃদুল কুমার দাস। 
  @ কপিরাইট রিজার্ভ ফর মৃদুল কুমার দাস।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...