নেতা ও নেতৃত্ব
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
নেতা মানেই যে শুধু শাসক হবেন এমন হওয়া কাঙ্ক্ষিত নয়। শাসন তার কাজের একটা অংশ অবশ্যই কিন্তু তার সাথে এমন ভাবে নেতৃত্ব দিতে হবে যাতে তার অধীনে থাকা সকলে আত্মবিশ্বাসে উদ্বুদ্ধ হতে পারে। তাঁর শেখানো চেতনার পাঠ সবাইকে স্বনির্ভর করে তুলবে,সবাই মাথা উঁচু করে চলতে পারে সেই শক্তিতে বলীয়ান করবে। নেতা মানে সমাজের মাথা আর তার সব কথা শুনে চলতে হবে এরম সম্পর্ক যেনো জনগণের সাথে তার না হয়। ভয়ে শুধু নেতাকে সম্মান করতে হবে, তেল দিয়ে চলতে হবে, তবেই নেতা জনগণের জন্য কাজ করবেন, মন থেকে তাকে সম্মান দেওয়া যাবেনা এরম নেতা কখনো কাম্য নয়। প্রকৃত নেতা কখনোই এসবের ধার ধারেন না,তিনি স্বমহিমায় নিজের কাজের মধ্যে দিয়ে জনগণের কাছে সেরার স্থান অর্জন করেন।
আজ মারাঠারাজ শিবাজীর জন্মজয়ন্তীতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে এই মহান নেতার কর্মকান্ডের কিছু অংশকে বর্তমান সমাজের শাসকদল আদর্শ করতেই পারেন। মারাঠাদের উত্থান মূলত হয়েছিল শিবাজী মহারাজের হাত ধরে। একজন নেতা হিসেবে তিনি শুধু এক জাতির উত্থানই করেননি সেই জাতিকে সংঘবদ্ধ ও শক্তিশালী করে তুলেছিলেন তার আদর্শ,সামরিক শাসনশৈলী ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে। অবশ্য এর পেছনে তাঁর শিক্ষাগুরু দাদোজা কোন্ডোদেবের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাঁর প্রভাবেই শিবাজী মহারাজ এক সাহসী সৎ নেতৃত্ববান ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছিলেন।
তাই মাঝে মাঝেই ইতিহাসের পাতায় চোখ রেখে অতীতের কিছু ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমানে সমাজ চালানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে হয়তো ভালোই হবে, মঙ্গল হবে সমাজ ও সংস্কারক সকলের।
"নেতার কর্মকান্ডের কাহিনী হোক ভবিষ্যতের জন্য
অনুপ্রেরণা
শুধু কথায় নয় কাজেও দেখিয়ে দিক বর্তমান,
জাগুক সমাজ চেতনা।"
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন