শিরোনাম - পরিপক্কতা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
পরিপক্কতা বলতে আমরা যেটাকে ম্যাচুরিটি বলি আর কি! সেটা শুধু শারীরিক হয় না, মানসিক হয়। আর মানসিক পরিপক্কতা শারীরিক পরিপক্কতার চেয়ে অনেক বেশী সংবেদনশীল। একজন ছেলে বা মেয়ে যখন বয়: সন্ধিকালে প্রবেশ করে তখন হরমোনের জন্য শারীরিক যেসব পরিবর্তন হয়, তেমনি মানসিক অবস্থারও পরিবর্তন ঘটে। একটা উৎফুল্লতা বা ইউফোরিক স্টেজে তারা থাকে, আর অনেক বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে থাকে। এইসময় ইমোশনাল ডিসব্যালান্স কে ওভার কাম করে তাদের সঠিক দিশা দেখানোর জন্য তাদের সঙ্গে সব সময় বন্ধুর মতো মেশা উচিত। কোনো কিছুই জোর করে চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয় একদম। সব কিছুর ঘেরাটোপে তাদের জীবন বন্দী করে রাখাও যেমন ঠিক নয় তেমনি অতিরিক্ত স্বাধীনতাও দেওয়া ঠিক নয়। বন্ধু সুলভ আচরণ করে মনের গভীরে গিয়ে মানসিক দোলাচলের কারণ জানা দরকার, কোনো সাহায্যের জন্য হাত সব সময় বাড়িয়ে দেওয়া খুব প্রয়োজন। যাতে এই সময় থেকে তারা ভবিষ্যতের জন্য সঠিক পথ অনুসরণ করতে পারে, সেই দিশা তাদের দেখানো উচিত। প্রয়োজন পড়লে দু চারটে অ্যাডোলেসেনট কাউন্সিল এর সিটিং ও নেওয়া যেতে পারে। জীবনের সব মুহূর্তের মত এই পরিপক্ব হবার মুহূর্ত টাও তারা যাতে সুন্দর ভাবে উপভোগ করতে পারে স্ট্রেস ফ্রী হয়ে সেই চেষ্টাই সর্বদা করা উচিত।
"বয়: সন্ধিকালে চলে যে নানা হরমোনের খেলা
গুরুত্ব দিও সকলকে,কোরোনা কোনো অবহেলা।"
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন