বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০২৪

শিরোনাম-সেতু ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 শিরোনাম-সেতু
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

ভাঙন ধরেছে সম্পর্কে, মুখ দেখাদেখি বন্ধ 
বাচ্চার দায় নেবে কে! সেই নিয়ে চলে দ্বন্দ্ব।

ইগো ক্ল্যাশে বাড়িও না দূরত্ব, রাখো সময়ের ওপর ভরসা
নিষ্পাপ শিশু চায় বাবা মা উভয়েরই ভালোবাসা।

তোমাদের মাঝে অভিমানের পাহাড়!ভেঙে টুকরো করতে পারে একমাত্র সন্তান
সেতু হয়ে সে আবার সুদৃঢ় করতে পারে আলগা হয়ে যাওয়া তোমাদের বন্ধন।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ২৭ মে, ২০২৪

শিরোনাম-সেতু ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 শিরোনাম-সেতু
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

ভাঙন ধরেছে সম্পর্কে, মুখ দেখাদেখি বন্ধ 
বাচ্চার দায় নেবে কে! সেই নিয়ে চলে দ্বন্দ্ব।

ইগো ক্ল্যাশে বাড়িও না দূরত্ব, রাখো সময়ের ওপর ভরসা
নিষ্পাপ শিশু চায় বাবা মা উভয়েরই ভালোবাসা।

তোমাদের মাঝে অভিমানের পাহাড়!ভেঙে টুকরো করতে পারে একমাত্র সন্তান
সেতু হয়ে সে আবার সুদৃঢ় করতে পারে আলগা হয়ে যাওয়া দুজনার বন্ধন।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ২০ মে, ২০২৪

শিরোনাম- সফলতার আছে কি কিছু সূত্র?✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম- সফলতার আছে কি কোনো সূত্র?
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

সফলতার চাবিকাঠি কি! আছে কি কারো জানা!
বুদ্ধির গোড়ায় শান দিয়ে যায় কি তারে কেনা?

বসে থাকলে দেবে না তো সে ধরা
চালাকি করতে গেলে নিজেই বিপদে পড়া।

দৈহিক ও মানসিক বল,দুই দিয়েই যায় যে জেতা 
তবেই তো যোগ্য তুমি, হবে আপনার ত্রাতা। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - গেম অফ নেচার✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - গেম অফ নেচার
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

আজকের ব্রেকিং নিউজ! আর কয়েক ঘণ্টা পর পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। মোবাইলে এটা শুনেই রায়ান ভাই ঋতানকে ডাকলো, উঠে পড় ভাই। আমাদের জিনিসপত্র গুছিয়ে নিতে হবে। কেনো রে দাদা? কি হয়েছে? আরে আজ বিকেলে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। চটপট গুগল ড্রাইভে মুভি আর স্টোরি বুকগুলো আপলোড করে নে। আর হ্যা ব্যাকপ্যাক টা গুছিয়ে নে, অবশ্যই ওয়াটার প্রুফ কভার টা নিবি। আমরা তো তলিয়ে যাবো জলের তলায়, সেখানে এগুলোই হয়তো বেচেঁ থাকবে আমাদের স্মৃতি হিসেবে। কিন্তু দাদা তুই কোথায় যাবি আমায় ছেড়ে? কেঁদে উঠলো ঋতান। আরে কোথাও যাবোনা রে! আমরা তো একসাথে জীবাশ্ম হয়ে বেচেঁ থাকবো। শুনে আরো জোরে দাদাকে জড়িয়ে ধরলো রিতান। দাদা আমার ভিডিও গেমস গুলো? ওসব ভুলে যা ভাই। একটু পরেই আর্থ ডিসাস্টার গেম শুরু হবে। মুখে হাসি ফোটালেও রায়ান মনের মধ্যে গুমরোতে থাকে, ভাইকে ছেড়ে থাকবে কি করে সে? আর বিকেলের খেলার মাঠ টা? বন্ধুগুলো কেও হারিয়ে ফেলতে হবে। ল্যাপটপ খুলে সব ফ্রেন্ডস কে মেইল করতে থাকে। একটা গুগল মিট অ্যারেঞ্জ করার প্ল্যান করে। মিটিংয়ে আলোচনা হতে থাকে আজ যদি সবাই ফ্ল্যাট বাড়ি না তুলে গাছ গুলোকে বাঁচতে দিত হয়তো পৃথিবী ধ্বংস হতোনা। কেউ কেউ আবার মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার কথা বলতে থাকে। রায়ান বলে অনেক দেরি হয়ে গেছেরে। দেখ বাইরে আকাশটা কেমন থম মেরে গেছে। দুর্যোগের পূর্বাভাস এটা। আকাশে একটা লাল আলোর রেখা আর তার সাথেই হঠাৎ করে ল্যাপটপ কানেকশন অফ হয়ে যায়। বন্ধুগুলো সব হারিয়ে যেতে থাকে গুগল মিট থেকে। রায়ান চেঁচিয়ে উঠল, রীতান তুই কোথায়? পৃথিবী বোধহয় ভাসতে চললো। রীতান ব্যাকপ্যাক নিয়ে দাদার পাশে এসে দাঁড়ালো। মুখ টা ভয়ে শুকিয়ে গেছে। বাবা মায়ের ডিভোর্সের পর দাদাই তার কাছে বাবা মা সব। সমুদ্রের জল আগ্রাসী হয়ে ধেয়ে আসছে, ডুবতে শুরু করেছে পৃথিবী, রেড অ্যালার্ট জারি হয়েছে। ল্যাপটপ আর অন হলো না। মোবাইলের স্ক্রিনে ফুটে উঠছে অন্যান্য জায়গা ধ্বংস হবার ছবিগুলো। রায়ান তার লাইব্রেরীটা ঘুরে দেখে নেয়,বইগুলোকে আর তো দেখতে পাবেনা কোনোদিন। পারলে বইগুলো নিয়েই না হয় ডুবত অতল জলের গভীরে। জল ঢুকতে শুরু করেছে ঘরে,পকেটে ফোনটা নিয়ে নিজের প্রিয় লেখার ডায়েরিটা নিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে রায়ান। পাতা খুলে লিখতে শুরু করে,
" ধ্বংস হচ্ছে পৃথিবী,সৃষ্টিরা বেচেঁ থাক নিজের মতো করে
অতল জলের গভীরে খুঁজো রায়ান ঋতান থাকবে জীবাশ্মের ভিড়ে"!
কোনরকমে এই দুটো লাইন লেখার পরই অতল এক গহ্বরে হারিয়ে যেতে থাকে রায়ান,একটা হাতে ডায়েরি অন্য হাতে ভাইকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরা। বিশাল জলরাশি সব গ্রাস করে নিচ্ছে স্থলভাগকে। প্রকৃতির ধ্বংসলীলার কাছে যে মানুষ নিমিত্ত মাত্র। জলের গভীরে তলিয়ে যাওয়ার সময় ভাইয়ের মুখের দিকে চেয়ে শুধু বলে,ভালো থাকবো আমরা যেখানেই থাকবো। একেই বোধহয় বলে রিভেঞ্জ অফ নেচার।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস



শুক্রবার, ১৭ মে, ২০২৪

বিষয়-নাটিকা শিরোনাম-টার্গেট ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 বিষয়-নাটিকা
 শিরোনাম-টার্গেট
✍️ ডা: অরুণিমা দাস


স্কুলে অ্যানুয়াল প্রোগ্রাম চলছে। নাটক মঞ্চস্থ হবে। নাম টার্গেট। সবাই খুব মনোযোগ নিয়ে দেখতে বসেছে। পর্দা সরিয়ে মঞ্চে প্রবেশ করলো নাটকের শিল্পীরা। দুই বন্ধু (সোমেশ ও অমিত) কথোপকথনে ব্যস্ত।
সোমেশ : মনে পড়ে ছোটবেলার দিনগুলো তোর
অমিত? কী সুন্দর আমরা একসাথে স্কুলে যেতাম, খাওয়া দাওয়া খেলা ধুলো করতাম।

অমিত: হ্যা রে, ভীষণ মনে পড়ে সেই দিন গুলো। আর তুই যা কান্ড করতিস ভুলি কি করে বল সেসব?

সোমেশ: কি করতাম রে? খুব বেশি কিছু করতাম কি?

অমিত: বাব্বা! তুই তো ব্যাট ছাড়া কিছুই করতিস না। বল করতে চাইতিস না কিছুতেই। একদিন সেই তপনের সাথে ঝামেলা হলো,তুই ওর ব্যাটটা ভেঙে দিলি।

সোমেশ: হ্যা আমি ব্যাট কাউকে করতে দেবো না এটাই টার্গেট ছিল। সবাই আমায় শচীন বলে খেপাত, রেগে যেতাম। কিন্তু আমি জানতাম শচীন হতে না পারি কোনোদিন, জীবনের হালটা ব্যাটের মত করেই চিরকাল ধরে রাখতে হবে আমায়।

অমিত : হ্যা আজকাল তো টার্গেট পূরণ করার চক্করে বাচ্চাগুলো খেলাধুলা ভুলে গেছে। দিনরাত অনলাইন ক্লাস আর এক্সাম। সময় পেলেই মোবাইল ফোনে গেম। আর কিছু করছে না এরা।

হঠাৎ করে একটা ছেলে দৌড়তে দৌড়তে আসে অমিতের কাছে। বাবা দেখো না আমার ফোনটা হ্যাং করছে, ক্যান্ডি ক্রাশ টা খেলতে পারছি না।

সোমেশ : তোর ছেলে বুঝি?

অমিত: হ্যা রে, এই নয় বছর হলো ঋজুর বার্থ ডে তে ওর মামা মোবাইল গিফট করেছে। তারপর থেকেই ক্যান্ডি ক্রাশ নিয়ে বসে থাকে সারাক্ষণ।

সোমেশ : ঋজু এদিকে এসো তো একবার।

ঋজু : আসছি আঙ্কেল

সোমেশ : দেখো বাবু তোমায় দিয়ে সারাদিন যদি কেউ হোম টাস্ক করায় ভালো লাগবে তোমার? নিশ্চই বিরক্ত লাগবে, ক্লান্ত লাগবে।

ঋজু : হ্যা আঙ্কেল

সোমেশ: তাহলে তুমি মোবাইল টা নিয়ে ওকে সারাক্ষণ টাস্ক কেনো করাও? ওকেও রেস্ট দাও। তবেই না ও হ্যাং করবেনা। তোমার জন্য একটা জিনিস আমি নিয়ে আসবো এরপর যেদিন আসবো।

ঋজু : কি আংকেল?

সোমেশ : আউটডোর গেমস লাইক ব্যাট বল, ফুটবল এসব।

ঋজু : বাহ আঙ্কেল। এসব তো খেলতে খুব ইচ্ছে করে কিন্তু পাপা ছাড়ে না। বলে পড়ার টাইম নষ্ট হবে।

অমিত : আমতা আমতা করে বলে, না না! ওরম কিছু নয় রে।

সোমেশ : দেখ আমার মনে হয় জীবনের ক্রিজে মাঝে মাঝেই মোবাইল গেমস অফ করে ব্যাট বল নিয়ে নেমে পড়া উচিত। এতে বাচ্চাদের সাথে প্রকৃতির সংযোগ স্থাপন হবে, ওদের চিন্তা ভাবনার বিকাশও হবে।

অমিত : হ্যা, ঠিক বলেছিস রে! আমরা শুধু পরীক্ষার রেজাল্টে নাম্বার বেশি পেতে হবে এই টার্গেট দিয়ে বাচ্চাদের জীবনের খাতার নাম্বার বড্ড কমিয়ে ফেলছি।

সোমেশ : ঠিক বুঝেছিস তাহলে! ঋজু বাবু নেক্সট যেদিন দেখা হবে সেদিন আর ঘরে নয়, মাঠে আমরা ব্যাট বল নিয়ে মিট করবো। ওকে।

ঋজু : ওকে আঙ্কেল। ডান।

অমিত : একটা ছোট্ট ঘটনার মধ্যে দিয়ে জীবনের কতো বড়ো শিক্ষা দিলি তুই বন্ধু!

সোমেশ : ওটাই তো আমার কাজ। শিশু মনোরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে শিশুদের মন পড়া আর ওদের বোঝানো নাম্বার টাই সব নয়। পরীক্ষার খাতায় দু এক নাম্বার কম এলেও হবে। মানুষ হিসেবে যেনো নম্বর না কমে।

অমিত : গ্রেট বন্ধু, গ্রেট! ঋজু মনে রেখো কথা গুলো। জীবনে অনেক কাজে লাগবে।

ঋজু : ইয়েস পাপা। আউটডোর গেমস আর মোর ইম্পর্ট্যান্ট।

সোমেশ : হাতে থাক ব্যাট, লড়তে থাকি জীবনের লড়াই
চলার পথ ক্রিজ হোক,জীবনে সবার সাপোর্ট থাকা চাই।

তিনজন হাসি মুখে হাত মেলালো। স্টেজের আলো জ্বলে উঠলো। হাততালি তে মেতে উঠলো দর্শক গণ।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০২৪

মুখোশ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 মুখোশ
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

সময়েই আসল পরিচয় প্রকাশ পায় বন্ধু ও আত্মীয়
দের। সময় সবার মুখোশ খুলে দেয়। আজ যারা হাসিমুখে পাশে বসে কথা বলছে তারাই দুঃসময়ে পাশ কাটিয়ে চলে যায়। আসলে দুনিয়াতে সুবিধাবাদী মানুষের সংখ্যা খুব বেশি, প্রকৃত বন্ধুর খুব অভাব। সেই গুটিকয়েক বন্ধুই আসল সম্পদ। বাকি সব নাম কা ওয়াস্তে বন্ধু,কাজের সময় তাদের আর সন্ধান পাওয়া যায়না। আর বিপদের সময়েই আত্মীয় স্বজন আর বন্ধুদের আসল রূপ বেরিয়ে আসে। তখন অনেক আপনই পর হয়ে যায়, প্রকট হয় তাদের নীচু মানসিকতা। এসব লোকেদের জীবন থেকে ছেঁটে ফেললে অনেক মসৃণ হয় জীবনে চলার পথ। মনে পড়ে যায় রবি ঠাকুরের বাণী 'যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে,তবে একলা চলো রে'! খারাপ সময় হয়তো কাটিয়ে ওঠা যায় কিন্তু খারাপ সময়ে করা মানুষের খারাপ ব্যবহারগুলো মনে যে ক্ষত সৃষ্টি করে সেগুলো মাঝে মাঝেই মনকে নাড়া দিয়ে যায়। তাই জীবনে কমসংখ্যক আত্মীয় বন্ধু থাক কিন্তু প্রকৃত মানুষ থাক,তারা চিরস্থায়ী হোক।

"দু:সময়ে পরিচয় পাওয়া যায় আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু,সবার
বন্ধুর পথ চলতে যারা থাকে পাশে,তারা বড়ই আপনার"। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪

শিরোনাম - খেলোয়াড়✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - খেলোয়াড়
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

ভেঙে পড়লে কি হবে লাভ! করতে হবে লড়াই
হার জিত সব গৌণ, মুখ্য যে খেলাটাই।

মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়া- নয় কোনো সমাধান
হাল না ছেড়ে লক্ষ্যের পথে হও আগুয়ান।


ঘাত প্রতিঘাত আসবেই!গুটিয়ে নিলে হাত পা, চলবেনা
খেলতে হবে বুক চিতিয়ে, না মেনে কোনো মানা। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৯ মে, ২০২৪

হাতিয়ার হোক মনোবল✍️ ডা:অরুণিমা দাস

হাতিয়ার হোক মনোবল
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

প্রতিবন্ধকতা, যা এগিয়ে যাওয়ার পথে অন্তরায় সেটা হলো মানসিক, যা শারীরিক অক্ষমতার থেকেও বেশী। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকলেও কেউ জয়ের রশি ছুঁতে পারে যদি মানসিক ভাবে দৃঢ় হয়। মন সবকিছুর আধার, চিন্তা হোক বা ইচ্ছাশক্তি হোক। সে যদি সাড়া দেয় যে কোনো কাজই শক্ত নয়, দৃঢ়চেতা মানসিকতা নিয়ে সেই কাজ সুসম্পন্ন করা যায়। দুটো পা না থাকা সত্ত্বেও মাসুদুর রহমান ইংলিশ চ্যানেল পার করেছিলেন শুধু মনের জোরে। কেউ যদি মানসিক ভাবে পিছিয়ে পড়ে তাহলে তাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া কিছুতেই সম্ভব নয়। জীবনে চলার পথে অনেক বাধা বিপত্তির সম্মুখীন হতে হবে, কিন্তু সেগুলো তুরি মেরে উড়িয়ে দিতে পারে একমাত্র মানসিক কাঠিন্য সম্পন্ন মানুষ। মনকে সবসময় চাঙ্গা রাখতে হবে, তাহলেই যে কোনো প্রতিবন্ধকতাকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়া যাবে। আর ইচ্ছাশক্তি হলো মানসিক ভাবে দৃঢ় থাকার হাতিয়ার। পজিটিভ চিন্তা আর মানসিক কাঠিন্য এই দুইয়ের সম্মিলন শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে দূরে হটিয়ে জীবনে জয়ের অন্য এক মাত্রা এনে দেয়। 

"জীবন যখন কঠিন হয়ে ওঠে শারীরিক প্রতিবন্ধকতায়, মনটি থাকে যেনো শক্ত
মনের জোরে সব বাঁধা কাটিয়ে উঠে জয়ের রাস্তা হোক পাকাপোক্ত।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বুধবার, ৮ মে, ২০২৪

শিরোনাম-লহ প্রণাম✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম-লহ প্রণাম
✍️ ডা:অরুণিমা দাস


প্রণমি তোমারে অন্তর হতে,প্রিয় কবি হে মোর 
হিয়ার মাঝে সদা প্রাণবন্ত তুমি,তোমার কণ্ঠস্বর।

স্কুলের পথ ভুলেছ, সৃষ্টি করেছো অসামান্য রচনা
লেখালিখির চেষ্টা করি সামান্য,তুমি যে অনুপ্রেরণা।

জটিল জীবন সহজ হয়,তোমার লেখায় আর গানে
আশার আলো সঞ্চার হয় অন্ধকারের মধ্যিখানে।

দিকে দিকে চলছে যে পঁচিশে বৈশাখ উদযাপন 
আজ তোমার জন্মদিনে জানাই সশ্রদ্ধ অভিবাদন।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ৬ মে, ২০২৪

প্রতিকার✍️ ডা:অরুণিমা দাস

প্রতিকার
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

বাইরে থেকে মনে হয় জীবন ভারী সুন্দর
সমস্যায় ভরা যে তখন মনের অন্দর।

কষ্ট নিয়ে কাটছে দিন, মুখে আছে হাসি
জীবনকে সকলে যে বড়ই ভালবাসি। 

এক গলা সমস্যায় ডুবে গিয়ে মানুষ যখন হয়ে যায় নির্বিকার
ভয় কি!জীবনের স্রোতে ভাসতে ভাসতেই মিলবে তার প্রতিকার।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

লেটার টু বৃষ্টি✍️ ডা:অরুণিমা দাস

লেটার টু বৃষ্টি
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

প্রিয় বৃষ্টি দি,

         কবে আসবে তুমি দিদিভাই? তোমার আসার আশায় পাড়া প্রতিবেশী রা তো আমাদের বিয়ে দিয়ে দিলো। এদিকে রোজ বরের মা হুমকি দিচ্ছে ছেলের গলায় তো ঝুলে পড়েছো, এবার তোমার বৃষ্টি দিদি যদি না আসে তাহলে তোমায় কিন্তু চিরকালের মতো এই বাড়ী থেকে বিদেয় করে দেবো। বুঝতে পারছো আমার কষ্টটা? একটুও শান্তি পাচ্ছি না গো! রোজ রোজ হুমকি সহ্য হচ্ছে না। একবার তো এসো, প্লীজ। তুমি এলে তবেই আমার শ্বশুর বাড়িতে থাকা টা পাকাপোক্ত হবে। এখন আর বুড়ো বাবা মায়ের বোঝা হতে চাইনা গো। বিয়াল্লিশ ডিগ্রী তে আর আগের মতো গলার আওয়াজ বেরোয় না, কেমন গলা শুকিয়ে ডিহাইড্রেশন হয়ে যায়। আগে তো একত্রিশ ডিগ্রী তে ডাকলেই চলে আসতে, এখন এত হাই ভ্যালু করছো কেনো নিজের? বিয়াল্লিশটা চব্বিশ হলে তবে আমিও বাঁচবো আর আসে পাশের মানুষ গুলো ও বাঁচবে। আমার সংসার টা টিকে যাবে এ যাত্রায়। একবার এসো, দেখা দিয়ে যাও। অপেক্ষায় রইলাম তোমার আসার। সকলের তৃষ্ণার্ত প্রানকে একটু জুড়িয়ে দিয়ে যাও। ভালোবাসা নিও দিদিভাই।
                                                            ইতি
                                                       মিসেস ফ্রগ
ঠিকানা : ছতরী লেন

©️রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস


 
             
                                       


বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০২৪

শিরোনাম- বদল✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম- বদল
✍️ ডা:অরুণিমা দাস


পরিবর্তনের হাওয়ায় সকলে গা ভাসাতে চায় কিন্তু সেটা রাজা বা রঙের পরিবর্তন নয়, দিনের পরিবর্তনের হাওয়ায়। আদৌ কি দিনের পরিবর্তন হয়? নাকি রঙের পরিবর্তন করে সাধারণ মানুষের চোখে ধুলো দেওয়ার চেষ্টা করা হয়! সিংহাসনে বসলেই তখন আসল ভাবমূর্তি প্রকাশ পায় রাজার। পরনের পোশাক পরিবর্তনের সাথে সাথে মনেরও পরিবর্তন হয়। প্রজাদের কথা তখন মাথায় থাকে না,থাকে নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করার চিন্তা। লাল নীল সবুজ পোশাকের পরিবর্তন হলেও প্রজাদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয় না। তারা যে তিমিরে ছিলো সেই তিমিরেই পড়ে থাকে। রাজা তো শুধু নামে হলেই হয়না, কাজের মধ্যে দিয়ে নিজেকে রাজা প্রমাণ করতে হয়। আর সেই প্রমাণের চেষ্টা অনেকের মধ্যেই থাকেনা, থাকে শুধু নিজের আখের গোছানোর চেষ্টা,তাও প্রজাদের বঞ্চিত করে। যতই রাজা আসুক যাক, যতই রাজার পোশাক বদলাক,রঙের বদল হয়তো হয় কিন্তু দিনের কোনো পরিবর্তন হয়না। আর যতদিন না প্রজারা রাজার পোশাকের আড়ালে থাকা কদর্য মনকে চিনতে পারবে ততদিন কোনো পরিবর্তন হবে বলে আশা করাও সমীচীন নয়। রাজার পোশাকে মন না দিয়ে যদি কেউ আসল সত্যটা বলতে পারে "রাজা তোর কাপড় কোথায়?" 
,সমাজের অবক্ষয় অনেকটা হলেও রোখা যেতে পারে। তাই যতক্ষণ না কেউ গলা তুলে প্রতিবাদ করছে ততদিন রাজা আর রাজার পোশাকেরই পরিবর্তন হবে, দিন কালের কোনো পরিবর্তন হবে না। 

"রাজা আসে পোশাকের, কেবলই লাল নীল রং বদলায় 
প্রজারা তো পোশাক নয়,দিন বদলের গল্প শুনতে চায়।" 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...