সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

শিরোনাম - সময় জ্ঞান✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সময় জ্ঞান
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

সময় আছে হাতে অনেক এই ভেবে বসে থাকলে
জেনো জীবনপথে এগোনোর গতি শ্লথ করলে।

নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছো,করছো সঠিক সময়ের অপেক্ষা
আসবে সে ঠিকই,তার আগে নেবে তোমার পরীক্ষা।

পরীক্ষায় যদি চাও নিজের যোগ্যতায় পাশ করতে
ঘুম ভেঙে জাগো,ছেড়ে দিওনা সব সময়ের হাতে।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - ভাব সম্প্রসারণ✍️ ডা:অরুণিমা দাস স্কুলে যখন পড়তাম তখনকার একটা ঘটনা মনে পড়ে গেলো। ক্লাস তখন নাইন,বাংলা ক্লাস চলছে। ভাব সম্প্রসারণের জন্য একটি বিষয় দিয়েছেন দিদিমনি। নিজেদের মতন করে লিখছি। লিখে খাতা জমা দেওয়ার পালা,সবাই খাতা জমা দিলো। শুধু তনুকার মুখের দিকে একটু অন্যভাবে তাকালেন দিদিমনি। বললেন পরের দিন সবার খাতা ফেরত দেবেন। তো সেদিনের মতো ক্লাস শেষ করে সকলে বাড়ীর পথে পা বাড়ালাম। স্কুলের ছুটির সময় কিছু অন্য স্কুলের ছেলে গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতো। বন্ধুরা সব মজা করতে কাউকে জাম্বো বা কাউকে দাদাভাই এসব বলতো মজা করে। আমাদের বন্ধু গ্রুপের মধ্যে ছিলো তনুকা, আর তার জন্য বাইরে অপেক্ষা করতো উৎসবদা। পুজো তখন আসবে আসবে আর ওদের প্রেম তখন সবে তিনমাসের,তাই দুজনের নানা প্ল্যান থাকতো। আমাদের সাথে কিছু কিছু শেয়ার করতো তনুকা। দুজনে মিলে সাইকেলে করে বাড়ী ফিরতো,প্রতিমা তৈরী দেখতে যেতো,প্যান্ডেলের প্রস্তুতি দেখতে যেতো এসব গল্প বলতো। এরকম বাড়ী ফেরার সময়ে বাংলা দিদিমণির সাথে দেখা,দিদিমনি তনুকাকে দেখে দাঁড় করালেন আর বললেন দেখো ক্লাস নাইনে পড়ছো,পড়াশোনাটা ঠিক করে করো একটু। উৎসবদা তো পালাতে যাচ্ছিলো,দিদিমনি ওনাকেও দাঁড়াতে বলেন। বললেন যেটা বলবো আশা করি দুজনেরই কাজে লাগবে। তনুকার পড়াশোনাতে মনোযোগ কমছে দিন দিন,দুজন দুজনের জন্য আছো এই ভরসাটুকু দিয়ে নিজেদের মধ্যে পড়াশোনা নিয়ে আলোচনাটা বাড়াও। নিজের পায়ে দাঁড়াতে গেলে পড়াশোনা খুব দরকার। তনুকা বললো বুঝেছি ম্যাম আমি ভাব সম্প্রসারণের খাতায় খুব ভালো লিখতে পারিনি। দিদিমনি বললেন ভালো লিখতে ঠিক পারবে তার জন্যই মনটা দিও পড়াশোনাতে। উৎসবদা মাঝে বলে উঠলো দিদিমনি পুজোটা চলে গেলে আমরা ভালো করে পড়বো। কথা দিলাম ম্যাম এরপর আপনার কোনো অভিযোগ থাকবে না তনুকাকে নিয়ে। দিদিমনি বললেন কথা দিলে কিন্তু! মনে রেখো। যাও এখন যেখানে যাচ্ছিলে। আপনিও চলুন না দিদিমনি আমাদের সাথে। না না তোমরা যাও,তনুকাকে ভালবাসি বলে বললাম কথাগুলো। আপনি বলেই এত ভালো করে বোঝালেন দিদিমনি। অন্য কেউ হলে বাড়ীতে কমপ্লেইন করে দিতো। চলুন না ম্যাম কাশ ফুলের বনে গিয়ে একটু বসি। জীবনে চলার পথে কোথাও ভুল হলে আপনি না হয় শুধরে দেবেন। সেই দিনের পর মাঝে মাঝেই ওরা দুজন দিদিমণির বাড়ীতে যেতো পড়াশোনাতে কোনো অসুবিধে হলে। স্কুল শেষ হবার পর উৎসব দা ভর্তি হয় ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিকাল ইনস্টিটিউটে আর তনুকা ভর্তি হয় কেমিস্ট্রি অনার্স নিয়ে। ওদের বিয়েতেও দিদিমনি অনুঘটকের কাজ করেছিলেন। আজও দিদিমণির সাথে ওদের যোগাযোগ আছে। জমিয়ে সংসার করছে দুজনে। পুজোর প্রেম শুধু যে প্যান্ডেলে ঘোরা আর ঠাকুর দেখার জন্যে নয় সেটা ওরা প্রমাণ করে দিয়েছিলো। দিদিমণির খুব কাছের মানুষের মধ্যে আমাদের কয়েকজনের সাথে তনুকা এমনকি উৎসবদাও আছে আজ পর্যন্ত। দিদিমনি বলেন তোরা সত্যিই আমার গর্ব।স্কুলের সেই দিনগুলো নিঃসন্দেহে সোনায় মোড়া দিন ছিলো। ©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - ভাব সম্প্রসারণ
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

স্কুলে যখন পড়তাম তখনকার একটা ঘটনা মনে পড়ে গেলো। ক্লাস তখন নাইন,বাংলা ক্লাস চলছে। ভাব সম্প্রসারণের জন্য একটি বিষয় দিয়েছেন দিদিমনি। নিজেদের মতন করে লিখছি। লিখে খাতা জমা দেওয়ার পালা,সবাই খাতা জমা দিলো। শুধু তনুকার মুখের দিকে একটু অন্যভাবে তাকালেন দিদিমনি। বললেন পরের দিন সবার খাতা ফেরত দেবেন। তো সেদিনের মতো ক্লাস শেষ করে সকলে বাড়ীর পথে পা বাড়ালাম। স্কুলের ছুটির সময় কিছু অন্য স্কুলের ছেলে গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতো। বন্ধুরা সব মজা করতে কাউকে জাম্বো বা কাউকে দাদাভাই এসব বলতো মজা করে। আমাদের বন্ধু গ্রুপের মধ্যে ছিলো তনুকা, আর তার জন্য বাইরে অপেক্ষা করতো উৎসবদা। পুজো তখন আসবে আসবে আর ওদের প্রেম তখন সবে তিনমাসের,তাই দুজনের নানা প্ল্যান থাকতো। আমাদের সাথে কিছু কিছু শেয়ার করতো তনুকা। দুজনে মিলে সাইকেলে করে বাড়ী ফিরতো,প্রতিমা তৈরী দেখতে যেতো,প্যান্ডেলের প্রস্তুতি দেখতে যেতো এসব গল্প বলতো। এরকম বাড়ী ফেরার সময়ে বাংলা দিদিমণির সাথে দেখা,দিদিমনি তনুকাকে দেখে দাঁড় করালেন আর বললেন দেখো ক্লাস নাইনে পড়ছো,পড়াশোনাটা ঠিক করে করো একটু। উৎসবদা তো পালাতে যাচ্ছিলো,দিদিমনি ওনাকেও দাঁড়াতে বলেন। বললেন যেটা বলবো আশা করি দুজনেরই কাজে লাগবে। তনুকার পড়াশোনাতে মনোযোগ কমছে দিন দিন,দুজন দুজনের জন্য আছো এই ভরসাটুকু দিয়ে নিজেদের মধ্যে পড়াশোনা নিয়ে আলোচনাটা বাড়াও। নিজের পায়ে দাঁড়াতে গেলে পড়াশোনা খুব দরকার। তনুকা বললো বুঝেছি ম্যাম আমি ভাব সম্প্রসারণের খাতায় খুব ভালো লিখতে পারিনি। দিদিমনি বললেন ভালো লিখতে ঠিক পারবে তার জন্যই মনটা দিও পড়াশোনাতে। উৎসবদা মাঝে বলে উঠলো দিদিমনি পুজোটা চলে গেলে আমরা ভালো করে পড়বো। কথা দিলাম ম্যাম এরপর আপনার কোনো অভিযোগ থাকবে না তনুকাকে নিয়ে। দিদিমনি বললেন কথা দিলে কিন্তু! মনে রেখো। যাও এখন যেখানে যাচ্ছিলে। আপনিও চলুন না দিদিমনি আমাদের সাথে। না না তোমরা যাও,তনুকাকে ভালবাসি বলে বললাম কথাগুলো। আপনি বলেই এত ভালো করে বোঝালেন দিদিমনি। অন্য কেউ হলে বাড়ীতে কমপ্লেইন করে দিতো। চলুন না ম্যাম কাশ ফুলের বনে গিয়ে একটু বসি। জীবনে চলার পথে কোথাও ভুল হলে আপনি না হয় শুধরে দেবেন। সেই দিনের পর মাঝে মাঝেই ওরা দুজন দিদিমণির বাড়ীতে যেতো পড়াশোনাতে কোনো অসুবিধে হলে। স্কুল শেষ হবার পর উৎসব দা ভর্তি হয় ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিকাল ইনস্টিটিউটে আর তনুকা ভর্তি হয় কেমিস্ট্রি অনার্স নিয়ে। ওদের বিয়েতেও দিদিমনি অনুঘটকের কাজ করেছিলেন। আজও দিদিমণির সাথে ওদের যোগাযোগ আছে। জমিয়ে সংসার করছে দুজনে। পুজোর প্রেম শুধু যে প্যান্ডেলে ঘোরা আর ঠাকুর দেখার জন্যে নয় সেটা ওরা প্রমাণ করে দিয়েছিলো। দিদিমণির খুব কাছের মানুষের মধ্যে আমাদের কয়েকজনের সাথে তনুকা এমনকি উৎসবদাও  আছে আজ পর্যন্ত। দিদিমনি বলেন তোরা সত্যিই আমার গর্ব।স্কুলের সেই দিনগুলো নিঃসন্দেহে সোনায় মোড়া দিন ছিলো।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস



বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

শিরোনাম - দৃষ্টান্ত✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - দৃষ্টান্ত
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

একটা কথা খুব প্রচলিত,'লতায় পাতায় সম্পর্ক'! এর থেকেই বোঝা যায় সম্পর্ক আর গাছের মধ্যে কিছু একটা সাদৃশ্য রয়েছে। একটা গাছকে যেমন চারা থেকে বড় মহীরুহে পরিণত করতে উর্বর মাটি, পরিমাণমতো জল আর গুনগত মানের সার প্রয়োজন তেমনি একটা সম্পর্ক গড়ে তুলতে আর সব থেকে বড় কথা সেটা টিকিয়ে রাখতে গেলে দরকার ভালোবাসা,সহানুভূতি আর পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও বোঝাপড়া যেগুলো অনেকটা ওই মাটি,জল আর সারের মতন। গাছের বেড়ে ওঠার উপাদান গুলোর যদি কোনোটাতে ঘাটতি হয় গাছ যেমন নিজের মতো করে বাড়তে পারে না, তেমনি সম্পর্কে ঘুণ ধরে যদি সেখানে ভালোবাসা,  সহানুভূতি এসবের অভাব হলে, ইগো মাথা চাড়া দিয়ে উঠলে। ইগো হচ্ছে অনেকটা অনুর্বর মাটির মতন। অনুর্বর মাটিতে যেমন গাছ মনের মতন করে বেড়ে উঠতে পারে না বরং নুইয়ে পড়ে তেমনি সম্পর্কে ইগো এসে গেলে সেখানে ভালোবাসা আর সহানুভূতিকে দূরে চলে যেতে হয়, একজনকে মাথা নোয়াতে হয়। সম্পর্ক তখন আর স্বাভাবিক থাকে না। গাছকে যেভাবে উপযুক্ত খাবার দিয়ে বেড়ে উঠতে দেওয়া উচিত সেরকম ভাবে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ভালোবাসা দিয়ে সম্পর্ক গুলোকেও যত্ন করে লালন করা উচিত যাতে সেটা চিরস্থায়ী হয় এবং তা যে কোনো ধরনের সম্পর্কই হোক না কেনো। 

"সম্পর্ক হোক বা গাছ, সযত্নে আগলে রাখার খুব প্রয়োজন
তবেই হবে ভেঙ্গে যাওয়ার যুগে,চিরস্থায়ীত্বের এক দৃষ্টান্ত গঠন!"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

শিরোনাম - ভালো রাখা✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - ভালো রাখা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

কাটছো গাছ? দিচ্ছ আঘাত ভবিষ্যতের চারা কে!!
শিকড় খানি বাঁচাতে গাছ, আঁকড়ে ধরে মাটিকে।

বাঁচার জন্য করুন আর্তি, নাড়ি ছেঁড়ার যন্ত্রণা অনুভূত প্রতিক্ষণে
উদ্ভিদেরও হয় যে ব্যথা,জানে তা কজনে?

তুমি যেমন আগামীর কাছে ভবিষ্যত সুরক্ষার করো অঙ্গীকার
গাছের চারাকেও দাও কথা, তাকে ভালো রাখার!

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

জেম গেম✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 জেম গেম
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

বুদ্ধি ও প্রতিভা একে অপরের পরিপূরক। বুদ্ধি না থাকলে প্রতিভার বিকাশ হয় না,তেমনি বুদ্ধি থাকলেও প্রতিভা যদি না থাকে নিজেকে মেলে ধরা একটু কঠিন হয়ে পড়ে। তাও এদের মধ্যে বেছে নিতে হলে প্রতিভাকেই বেছে নিতে মন চায়। বুদ্ধি দু রকমের, সৎ ও বদ বুদ্ধি। কোনো কারণে বদ বুদ্ধির বিকাশ ঘটলে তখন সব কিছুই ধ্বংসের পথে যায়। সৎ বুদ্ধির উদয় হলে তো ভালই। প্রতিভার ক্ষেত্রে এরম ব্যাপারটা কম দেখা যায়। আর প্রতিভা যদি বহুমুখী হয় তাহলে তো দশজনের একজন হয়ে উঠতে বেশী সময় লাগেনা। প্রতিভার অধিকারী হয়ে বড়ো হওয়াটা জরুরী বলে মনে করি। সঠিক অধ্যবসায় দিয়ে প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে পারলে জীবনে অনেকদূর এগোনো যাবে। 

প্রতিভা না বুদ্ধি! চলছে যে সিলেকশনের গেম
বিকাশ হোক প্রতিভার,দেশ পাক একটি জেম।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

শিরোনাম - প্রস্তুতি✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - প্রস্তুতি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

ধরাধামে আসার আগে বিশ্বকর্মা দেবের সাঙ্গপাঙ্গ রা সব জিনিসপত্র মিলিয়ে গুছিয়ে নিচ্ছিল। দেবতার বিশ্বস্ত বাহন এলিফা সেসব তদারকি করছিল খুব মনোযোগ দিয়ে। কিছুক্ষণ পরেই,
কইরে!তোদের সব জোগাড় যন্ত্র হলো?
বিশ্বদার গলা শুনেই এলিফা হন্তদন্ত হয়ে এসে বলে হ্যা গো দাদা প্রায় সব গুছিয়ে নিয়েছি।
- ইন্সট্রুমেন্ট কিট বক্স টা নিয়েছিস তো?
- হ্যা দাদা নিয়েছি।
-এবারে মনটা বড্ড খারাপ বুঝলি। এমন সব ব্যাপার হচ্ছে ওখানে,ভক্তরাও বিষন্ন। আমিও আর প্রসন্ন মনে যেতে পারছি কই বল?
- মন তো আমারও খারাপ দাদা। আজ দেখো বিচার সভাতে কি হয়? ভালো কিছু হোক সেটাই চাই।
- তাছাড়া তুই ভাব শয়তানগুলো তো আমাকেও আঘাত করেছে,দুমড়ে মুচড়ে দিয়েছিল গাড়ীটা সেদিন।
- বুঝেছি দাদা। এবারে ভক্তরাও অনাড়ম্বর ভাবে আয়োজন করেছে মনে হয়। তুমি একটু বোসো, আমি দেখে নিই সব। ক্যাব আসার সময় চলে এলো প্রায়।
- ঘুড়িগুলো? কই দেখছি না তো!
- চিন্তা কোরোনা দাদা। শ খানেক ঘুড়ি গুছিয়ে নিয়েছি। আজ তো আকাশ দখল করতে হবে।
- বাহ এলিফা! তুই তো বেশ গুছানো হয়ে উঠেছিস। খুব ভালো।
- এসব তো তোমার থেকেই শিখেছি দাদা।
- থাক থাক! অনেক কথা শিখেছিস দেখছি। চল বেরোবো এবার।
- হ্যা চলো,ক্যাবটা এসে গেলে তোমাদের উঠিয়ে দিয়ে আমি একটু পরে বেরোচ্ছি।
- বেশী দেরী করিসনা কিন্তু। তোকে ছাড়া আমি কিন্তু পুজো নেবোনা।
- না দাদা চলে আসবো আমি ঠিক সময় মতন।
বিশ্বদা,এলিফা আর ওনাদের সঙ্গী সকলে নির্বিঘ্নে আসুন, অপেক্ষায় রয়েছি আমরা। এই মন খারাপের মাঝেও চেষ্টা করছি অনাড়ম্বর ভাবে ভক্তি সহকারে পুজোর আয়োজন করার। সকলকে জানাই বিশ্বকর্মা পুজোর শুভেচ্ছা।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস



শিরোনাম - প্রস্তুতি✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - প্রস্তুতি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

ধরাধামে আসার আগে বিশ্বকর্মা দেবের সাঙ্গপাঙ্গ রা সব জিনিসপত্র মিলিয়ে গুছিয়ে নিচ্ছিল। দেবতার বিশ্বস্ত বাহন এলিফা সেসব তদারকি করছিল খুব মনোযোগ দিয়ে। কিছুক্ষণ পরেই,
কইরে! তোদের সব জোগাড় যন্ত্র হলো রে?
বিশ্বদার গলা শুনেই এলিফা হন্তদন্ত হয়ে এসে বলে হ্যা গো দাদা প্রায় সব গুছিয়ে নিয়েছি। 
- ইন্সট্রুমেন্ট কিট বক্স টা নিয়েছিস তো?
- হ্যা দাদা নিয়েছি। 
-এবারে মনটা বড্ড খারাপ বুঝলি। এমন সব ব্যাপার হচ্ছে ওখানে,ভক্তরাও বিষন্ন। আমিও আর প্রসন্ন মনে যেতে পারছি কই বল? 
- মন তো আমারও খারাপ দাদা। আজ দেখো বিচার সভাতে কি হয়? ভালো কিছু হোক সেটাই চাই। 
- তাছাড়া তুই ভাব শয়তানগুলো তো আমাকেও আঘাত করেছে,দুমড়ে মুচড়ে দিয়েছিল গাড়ীটা সেদিন।
- বুঝেছি দাদা। এবারে ভক্তরাও অনাড়ম্বর ভাবে আয়োজন করেছে মনে হয়। তুমি একটু বোসো, আমি দেখে নিই সব। ক্যাব আসার সময় চলে এলো প্রায়। 
- ঘুড়িগুলো? কই দেখছি না তো!
- চিন্তা কোরো না দাদা। শ খানেক কালো সাদা ঘুড়ি গুছিয়ে নিয়েছি। আজ তো আকাশ দখল করতে হবে। 
- বাহ এলিফা ! তুই তো বেশ গুছানো হয়ে উঠেছিস। খুব ভালো। 
- এসব তো তোমার থেকেই শিখেছি দাদা। 
- থাক থাক! অনেক কথা শিখেছিস দেখছি। চল বেরোবো এবার। 
- হ্যা চলো, ক্যাবটা এসে গেলে তোমাদের উঠিয়ে দিয়ে আমি একটু পরে বেরোচ্ছি। 
- বেশী দেরী করিস না কিন্তু। তোকে ছাড়া আমি কিন্তু পুজো নেবো না। 
- না দাদা চলে আসবো আমি ঠিক সময় মতন। 
বিশ্বদা,এলিফা আর ওনাদের সঙ্গী সকলে নির্বিঘ্নে আসুন, অপেক্ষায় রয়েছি আমরা। এই মন খারাপের মাঝেও চেষ্টা করছি অনাড়ম্বর ভাবে ভক্তি সহকারে পুজোর আয়োজন করার। সকলকে জানাই বিশ্বকর্মা পুজোর শুভেচ্ছা। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

বিচার ও উৎসব দুইই চাই✍️ ডা:অরুণিমা দাস

বিচার ও উৎসব দুইই চাই
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

এখন আমরা সবাই বসে আছি বিচারের অপেক্ষায়। সঠিক বিচার যেদিন আসবে সেদিনই হবে প্রকৃত অর্থে উৎসব যাপন। উৎসব বন্ধ রেখে কারোর মুখের হাসি,পেটের ভাত কেড়ে নিতে চায়না কেউই কিন্তু বিচার না এলে উৎসবের আনন্দ ফিকে পড়ে যাবে,সেটাও কেউ চাইনা আমরা। এখন যে অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি আমরা তাতে নেই কারোর মুখে হাসি, সবসময় একটা চাপা ভয় কি হয় কি হয়! এখন প্রতিটি দিনের জন্য একেক রকম রুটিন,কোনকিছু আগে থেকে মনস্থির করে রাখা যাচ্ছেনা। এরকম দিন কোনোদিন দেখতে হবে স্বপ্নেও ভাবিনি আমরা কেউ। বিচারের আশায় পথে নেমেছে সমাজের জনগণ,নাওয়া খাওয়া ভুলে দিন রাত শুধু ন্যায় বিচারের জন্য দাবি করে চলেছে। এরকম অবস্থায় উৎসবের আয়োজন যাদের জন্য তারাও বোধহয় মর্ত্যে এসে পুজো নেওয়ার আগে দশবার ভাববেন। তারাও হয়তো চাইছেন বিচার হোক,তারপর না হয় উৎসবে মেতে উঠবেন। নয়তো তাদের কাছে যে এখন আছে তাকে কি উত্তর দেবেন! যে তোমার শহর থেকে ঘুরে এলাম এখনো সেটা মানুষের জন্য নিরাপদ নয়! এটা বলার জন্য তারা নিশ্চই পুজো নিয়ে কৈলাসে ফিরবেন না। লড়াই চলুক,বিচার হোক। তারপর না হয় উৎসবের আয়োজন করা যাবে। 

"ন্যায্য বিচারের অপেক্ষায় সকলে,নেই উৎসবে কারো মনপ্রাণ
যেদিন হবে সঠিক বিচার,আগমনীর সভায় সকলকে কোরো আহ্বান।" 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

পাঞ্জা লড়াই✍️ ডা:অরুণিমা দাস

পাঞ্জা লড়াই
✍️ ডা:অরুণিমা দাস


রোগের সাথে রোগীর,চলছে লড়াই প্রতিমুহূর্তে
হারতে তো রাজী নয় কেউ কোনো শর্তে।

শয়তান চায় সব শেষ হোক আর চিকিৎসক চায় জীবন বাঁচুক
চলছে পাঞ্জার লড়াই,রোগী চাইছে জীবনদাতা জিতুক। 

ময়দান ছেড়ে হটবে না কেউ, হয় হবে সত্যের একদিন
সমাজ বুঝবে নিশ্চয়!জনগণের কাছে তাদের অনেক যে ঋণ।
 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

শিরোনাম -হরতাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম -হরতাল
✍️ ডা: অরুণিমা দাস


কোনো অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ না করে নীরব প্রতিবাদের এক অন্যতম হাতিয়ার হলো বন্ধ বা হরতাল। আগে খুব বেশী করে শ্রমিক ধর্মঘটের কথাই শোনা যেতো কিন্তু এখন নানা কারণে বন্ধ হয়ে থাকে। কেউ চাকরী পাচ্ছে না বলে কেউ বা মাইনে বাড়ছেনা বলে বন্ধ ডাকছে। কেউ নিজের অধিকার আদায়ে বন্ধ ডাকছে তো কেউ বা ন্যায় বিচারের আশায় বন্ধ ডাকছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে বন্ধ ডাকার দরকার পড়ছে কেনো? প্রশাসন যদি স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সব ক্ষেত্রে তাহলে দুর্নীতির নাম গন্ধ থাকতো না আর বন্ধ ও ডাকতে হতো না তখন। সব থেকে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাধারণ মানুষ এই বন্ধের কবলে পড়ে। রোজের রোজগারে দিন গুজরান হওয়া মানুষের আয় মুখ থুবড়ে পড়ে, স্কুল কলেজ বন্ধ থেকে পড়াশোনা তে ক্ষতি হয়। পরিবহন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়, জরুরি কাজ বিপন্ন হয়, হাসপাতালে রোগী সময়ে পৌঁছতে পারে না, চিকিৎসা শুরুতে বিলম্ব হয়। এরকম আরো কত ক্ষতি হতে থাকে সকলের। তাই বন্ধ যাতে ডাকতে না হয় সেদিকে নজর রাখা উচিত শাসকের। সমাজের ন্যায়ভার যার হাতে সে যদি শক্ত হাতে হাল ধরে তাহলে সবকিছুই নিজের পরিধিতে সীমাবদ্ধ থাকবে। 

"বন্ধ কেনো ডাকতে হবে! আসল কারণকে করা হোক সমূলে উৎপাটন
সমাজের ভার যাদের হাতে, তারা আগে থেকেই সাবধান হোন।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

সিধে হোক মেরুদণ্ড আবার✍️ ডা: অরুণিমা দাস

সিধে হোক মেরুদণ্ড আবার
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

হান্টার হাতে রুলার!! বাধ্য
করছে সকলকে সামিল হতে নতমস্তকে
স্পষ্টবাদী সাহসী এক,দিচ্ছে মাথাচাড়া!থামাতে চাইছে তাকে।

শাসকের চোখ রাঙানিকে করছে আরো সবাই উপেক্ষিত
অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার সময় যে এসে উপস্থিত।

আর একজন,দশজন নয়! গোটা বিশ্ব জেগেছে ন্যায় বিচার পেতে
শাসক আজ তাই বাধ্য; বিকিয়ে যাওয়া মেরুদন্ডকে পুনরায় সিধে করতে।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

 

বিচারের আশায় সামিল বিশ্ববাসী

চিঠি দিবস


বিচারের আশায় সামিল বিশ্ববাসী

আমাদের প্রিয় তিলোত্তমা,

ভালো থেকো নিজের মতো করে। ঈশ্বরের খুব প্রিয় তুমি, তাই তোমার হয়ে লড়াই করার জন্য ঈশ্বর সমগ্র বিশ্ববাসী কে সাহস যোগাচ্ছেন। ওখানে নিশ্চই তুমি নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছো রাতে,এখানে তো ঘুমোতে দিলোনা তোমায় তারা। আর আমাদেরও রাতের ঘুম কেড়ে নিলো। নির্ঘুম রাতে সবাই আমরা তোমাকে ভীষণ ভাবে অনুভব করি,তোমার পাওয়া কষ্টে চোখে জল আসে আমাদের। তোমার শক্ত মেরুদন্ড আমাদেরও শক্ত হতে শিখিয়েছে, শিখিয়েছে কাপুরুষ নৃশংস লোকেদের শাস্তি দেওয়ার জন্য মানসিক ভাবে দৃঢ় হতে। রাত দখলে হাতে মোমবাতি ধরতে শিখিয়েছে। পিছিয়ে আসবো না আমরা, শেষ অব্দি লড়াই করবো। তোমায় বিচার পাইয়ে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের সকল বিশ্ববাসীর। আমরা জিতবো, জিততে হবেই আমাদের। বিচারের বাণী গাইবে জয়গান। শান্তি সেদিন পাবে আমাদের প্রাণ।

পরবর্তী প্রজন্ম জানবে এই লড়াইয়ের কথা, তারাও অন্যায় রোখার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করবে। তুমি ভালো থেকো, আর আমাদের শক্তি যুগিয়ে যেও, কোনোদিন যেনো পিছপা না হয় সৎ পথে চলার থেকে।

ইতি - সমগ্র বিশ্ববাসী


তারিখ : ০২.০৯.২০২৪


©️ রিজার্ভ


শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...