মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১
# নাম- বৈষম্য। ✍ - মৃদুল কুমার দাস।
বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ, ২০২১
বুড়ির বাড়ী # শর্মিষ্ঠা ভট্ট
বুধবার, ২৪ মার্চ, ২০২১
ব্যাকট্রিয়া # শর্মিষ্ঠা ভট্ট
ঝুট হ্যায় # শর্মিষ্ঠা ভট্ট
# বিষয় - বিজ্ঞান। #নাম- 'প্রকৃতির অলৌকিক পাঠ।' ✍ - মৃদুল কুমার দাস।
শুক্রবার, ১৯ মার্চ, ২০২১
#পিপাসা#শর্মিষ্ঠা ভট্ট
বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ, ২০২১
#বিষয় : আলোচনা। লেখায় : শর্মিষ্ঠা ভট্ট
সোমবার, ১৫ মার্চ, ২০২১
ক্যানভাসে। অনুগল্প। লেখায় : শর্মিষ্ঠা ভট্ট
রবিবার, ১৪ মার্চ, ২০২১
বিষয় : আধ্যাত্মিক# লেখায় : শর্মিষ্ঠা ভট্ট।।
এক কাপ চা।
# নাম- জীবন দর্শন। ✍ - মৃদুল কুমার দাস।
শুক্রবার, ১২ মার্চ, ২০২১
রইল ঝোলা(সুদেষ্ণা দত্ত)
রইল ঝোলা
সুদেষ্ণা দত্ত
আজি দখিন দুয়ার খোলা--
তালা দেয়নি তো ভোলা!
বউ গিয়েছে বাপের বাড়ী,
ঘরেতে গয়না কিছু রয়েছে ভারী।
মধ্যযামিনী ঘরে ওঠে খুটখাট ধ্বনি,
গৃহে যেন তস্করের আগমন শুনি!
করে গয়নাগাঁটি ভর্তি থলে,
তস্কর সন্তর্পনে ফ্রিজটি খোলে।
পেটপুরে খায় ভাত--মাংস,
তস্করের আবার কুম্ভকর্ণের বংশ।
শুনি ভোলার নাসিকা গর্জন,
পারেনা তস্করও নিদ্রার ইচ্ছা করতে বর্জন।
ভোলার পাশে শুয়ে নিদ্রা লাভ করে,
চোখ খুলে দেখে আছে সে শ্রীঘরে!।
কপিরাইট রিজার্ভড ফর সুদেষ্ণা দত্ত
# বিষয় - ছোটগল্প। # নাম- 'মায়ানমার- ২' ✍- মৃদুল কুমার দাস।
বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ, ২০২১
# বিষয় - ছোটগল্প। #নাম- মায়ানমার। ✍ - মৃদুল কুমার দাস।
সোমবার, ৮ মার্চ, ২০২১
চেনো কি আমায়? (ডাইরি) শর্মিষ্ঠা ভট্ট
বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ, ২০২১
মা-মেয়ে (কথপোকথন) ✍️নন্দিনী তিথি
তাং ১৭ - ২ - ২১
সময়ঃ ৯:১০ pm
--- good evening রে তিথি।তোর কি খবর বলতো! সেই ১০
তারিখ তোর সাথে কথা হলো। আর তোর কোনো খবরই নেই।
একটা গুড মর্নিংও পাঠাস না।
--- সরি! পি.মণি। দেখলাম তোমরা ভ্রমণে বেরিয়েছো।ভ্রমনটা
উপভোগ করে এসো আনন্দ করে তারপর নাহয় তোমার
ভ্রমণকাহিনী শুনবো, এইভেবে তাই তোমাকে আর বার্তা
পাঠাইনি পি.মণি।
--- ও বাবা! আমার পাগলি মেয়েটা কত বোঝে,কত বড় হয়ে
গেছে।
--- হুম।পি.মণি এখন রাখছি আমার একটা ক্লাস আছে।
তোমার সাথে পরে কথা বলি।
---ঠিক আছে। যা ক্লাস কর।
তাং ১৯ - ২ - ২১
সময়ঃ ১০:৪৪ am
--- তোমার মাথার অবস্থা কি?এখন কেমন আছো?
--- নারে ! আর বলিস না Backpain এর মতো এই আঘাতটাও
মাথায় চেপে বসে আছে।এ আঘাত আর ঠিক হবেনা বোধহয়!
--- ধুর! কি বল।একটু চোট বেশি লেগেছে তো তাই সারাতে
তো কয়দিন সময় নিবে।তুমি একদম ওসব বাজে ভাবনা নিয়ে
বসে থেকো না তো।
--- হ্যাঁ রে তুই ঠিকই বলেছিস রে তিথি।
--- এখন বলো খাবার খেয়ে ঔষধ খেয়েছো?
--- খেয়েছি।তুই খেয়েছিস?
তোর শরীর ঠিক আছে তো,ভালো আসিস তো তুই?
--- হ্যাঁ খেয়েছি।
আর আজ অনেকটা সুস্থ পি.মণি।
--- দেখেছিস দু'দিন কথা হয়নি বলে নিজে অসুস্থ হয়ে বসে আছিস।আরও তোর পি.মণি কে জানানোর চিন্তাও করলি না
একবার। তিথি তোর কি হয়েছে? আমাকে তুই জানালি না
কেন?
---সরি পি.মণি। ১৪ তারিখ ডাক্তার দেখাতে যেতে হবে বলে
ভোরেই উঠে গেলাম।ফ্রেশ হয়ে পরিবারে সবাইকে বসন্তের
শুভেচ্ছা জানালাম।ব্যস্ততার কারণে সবাইকে আলাদাভাবে
শুভেচ্ছা জানানোর সময় পাইনি।তো রেডি হয়ে বাসা
থেকে বের হয়ে মেডিক্যাল এ পৌঁছালাম।
--- আচ্ছা ভালোভাবে পৌঁছাতে পারছিলি তো। না, রিকশায়
বসে ঘুমিয়ে পড়েছিলি আবার?
যে ভোরে উঠেছিস তোর কি ঘুম ভেঙেছিল বল তো আমায়!
--- হা হা হা হা, না পি.মণি রিকশায় ঘুমোয়নি।কিন্তু টিকিটের
জন্য সিরিয়ালে দাঁড়াতে দাঁড়াতে পুরো পা অবশ হয়ে
যাচ্ছিলো।বহু অপেক্ষার পর টিকিট হাতে পেলুম।এরপর
আবার সেই ডাক্তারের কাছে গিয়ে পুরো সিরিয়াল।
সারাদিনটাই দাঁড়াতে দাঁড়াতে চলে গেল।
--- আহারে,তোর খুব কষ্ট হয়েছে না তিথি।
--- হ্যাঁ হয়েছে।কিন্তু কষ্টটাকেও বেশ ক্লান্তিমখা হাসির সাথে
উপভোগ করেছি।ক্লান্তির শরীর নিয়ে বাসায় পৌঁছে দিলাম
এক ঘুম।
--- কেন! কিছু না খেয়েই ক্লান্ত শরীরে ঘুম দিলি?
--- না রে, না খেয়ে ঘুমালে ঘুমটা ভালো হয় আমার।
--- ওরে আমার পাগলি মেয়েটার কথা শোনো দেখি।
--- হ্যাঁ রে পি.মণি।আমি দুপুরের খাবার ঘুম থেকে উঠার
পরই খাই।
--- দেখিস তিথি এমন করলে আবার যেন শরীর খারাপ করে
না বসে তোর।
---না ওসব কিছু হবে না।
তো ঘুম থেকে উঠে খেলাম।খেয়ে এসে ফোনটা অন করলাম।
নেট অন করে "আজ বসন্ত পরিবারে কত মজা করবো" এই
ভাবতে ভাবতে পরিবারে ঢুকলাম।ঢুকেই দেখি কাকাই এর
মেসেজ- "পলো আর আমাদের মাঝে নেই মোবাইল ওর
জীবন কেড়ে নিয়েছে।" প্রথমে ভাবলাম ফোন বোধহয় hung
হচ্ছে বারবার তাই পি.মণি বার্তা করছে না।এরজন্য বুঝি
কাকাই এসব লিখছে।
আবার পড়লাম কাকাইয়ের মেসেজ।পড়ে মনকে আর ভাবতে
না দিয়ে চোখ অঝোর ধারায় অশ্রু দিতে লাগলো রে পি.মণি।
দিদি এসে ডাক দিয়ে বললো এই তোর কি হয়েছে?
"আমাদের পরিবারে" এইটুকু শুধু বলতে পারছিলাম আর
কিছু বলতে পারিনি।দিদি হাত থেকে ফোনটা নিয়ে দেখলো।
--- আর তুই বোকার মতো কাঁদছিলি!
--- না পি.মণি আমি একদম কাঁদতে চাইনি। কিন্তু চোখ সে
অশ্রু ঢেলেছিল অঝোর ধারায়।
এমন অবস্থা দেখে দিদি বাইরে নিয়ে গিয়েছিল মনটা একটু
ফ্রেশ হবে এই বলে।কিন্তু আমি চোখকে কিছুতেই আটকাতে
পারছিলাম না।
অবশেষে দিদি আবার বাসায় নিয়ে এলো।
নে কিছু খেয়ে শান্ত হয়ে ঘুম দিবি।সামনে খাবারটা দিল।কিন্তু
আমার গলা থেকে কিছুই নামতেছিল না। প্লেটে জল ঢেলে
উঠে যাই।দিদি এসে মশারীটা টানিয়ে দিয়ে বলে একটু শান্ত
কর না মনটকে, একটু ঘুমানোর চেষ্টা কর না তিথি।
কোনো কথা বেরোলো না মুখ থেকে।মোবাইলের নেট অন
করে পরিবারে ঢুকে বসে থাকলাম।সবার মেসেজ পড়তে
পড়তে সারা শরীর পাথর হয়ে যাচ্ছিলো।তবুও চোখের জল
পাথর হয়নি পি.মণি।
২টা প্রায় বাজতে চললো তখনও চোখের পাতা বন্ধ হলো না।
অশ্রুকে বাধ দিতে পারলো না।পনেরো বিশ মিনিট যেতেই
সারা শরীর কাঁপা শুরু করলো।উঠে কোনমতে বাথরুমে যাই
গিয়ে সব ঢেলে দেই বমি করো।কোনমতে বাথরুম থেকে
বিছানায় এসে শুলাম।ভাবলাম এবার ক্লান্ত শরীরে চোখের
পাতা দুটি বুজে আসবে।নাহ্ পি.মণি আবার উঠে বাথরুমে
গেলাম বমি করে ঢেলে দিলাম।বুঝেছিলাম আর বোধহয়
বাথরুম থেকে বেরোতে পারবো না।কিভাবে যে বিছানায় এসেছিলাম তা শুধু আমিই জানি।
--- হ্যাঁ রে মাথা ঘুরিয়ে পড়ে যাসনি এই রক্ষে।
--- ঠিক বলেছো পি.মণি ঈশ্বরই বোধহয় আমাকে বিছানা
পর্যন্ত আসতে সাহায্য করেছিলো।শুধু শ্বাস টুকই নিতে
পারছিলাম পুরো হাত-পা অবশ হয়ে গিয়েছিল।
--- কেউ টের পায়নি তোর এমন অবস্থা?
---নাহ্, কেউ টের পায়নি।আর আমারও কাউকে ডাক দেয়ার
কোনো শক্তি ছিল না পি.মণি।
এরপরে ভোররাত্রে আসলো ধুমছে জ্বর।সারাদিন আর
বিছানা থেকে উঠার জোর ছিল না।সারা শরীর ব্যাথায়
ধরেছিল।
--- ওরে তিথি তুই এমন অসুস্থ আমাকে একবার জানালিও না।
--- কিভাবে জানাবো পি.মণি।সবার মেসেজ পড়ে পড়ে আমি
বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।তোমার তিথির মন একবারের
জন্যও ভাবেনি যে তোমার কিছু হতে পারেনা।তুমি ঠিক আছো
তোমার মাথায় একটু বেশি চোট লেগেছে।
--- তোর পি.মণি তোদের ছেড়ে কোথাও যেতে পারেনা তা
তুই জানিস না।কিছু না ভেবেই বোকার মতো কেঁদে চললি
সারাদিন রাত!কেঁদে কেঁদে জ্বরটাও বাধিয়ে নিলি।পাগল
একটা।
তো এখন বলুন তো আপনি কিভাবে একটু শান্ত হয়েছিলেন?
--- জ্বর টা একটু কমার পরে পিশে কে কল করি। পিশে
সবকিছু বুঝিয়ে বলে।তুমি ঠিক আছো।মাথায় একটু চোট
লেগেছে বেশি তাই দু-তিন দিন পর ছাড়া হাসপাতাল থেকে
বাসায় ফিরতে পারবে না।
তারপর তো তুমি মেসেজ করলে good evening বলে।
---আচ্ছা আপনাকে আর টেনশন করতে হবে না আমার জন্য
আমি ঠিক আছি।কাল বাসায় ফিরবো।আর আপনার সাথে
প্রতিদিন কথা হবে।না হলে আবার কেঁদে কেঁদে কিছু একটা
বাধিয়ে বসবেন।
আর হ্যাঁ শোন তিথি তুই ঢাকায় আসলেই কিন্তু আমার জন্য
খেজুরের রস নিয়ে আসবি।
---হ্যাঁ তা আর তোমাকে বলতে হবে না।মা'কে বলে তোমার
জন্য মিঠা তৈরি করে রেখেছি।
তুমি ভাপা পিঠে খাবে খেজুরের রস দিয়ে।আর তোমার তিথি
তোমার জন্য সেই রস নিয়ে আসবে না সেটা কি হয় বল!!
আমি কিছুদিন পরেই ঢাকায় আসবো। আর তোমার সাথে
দেখা হবে কি যে আনন্দ হচ্ছে কি বলি।
--- এখন বলতো তোর পুরোপুরি জ্বর সেরেছে তো তিথি।
--- হ্যাঁ তুমি চিন্তা করো না একদম।আমি পুরো সুস্থ হয়ে যাবো
পি.মণি। আচ্ছা পি.মণি একটা কথা বলবো?
--- হ্যাঁ, বল।
--- তুমি তো বলেছিলে পূজোর সময় ইন্ডিয়াতে যাবে।
চলো না আমরা সামনে ঈদের ছুটিতেই যাই।
--- হ্যাঁ তিথি তুই ঠিকই বলেছিস।
--- আচ্ছা পি.মণি আমরা কত মন ইলিশ মাছ নিবো।
--- হা হা হা কত মণ!! যা নিবো তোর মাথায় সব চাপিয়ে দিবো।
--- হ্যাঁ, আমি, তুমি,ঈশিতা দি,ক্যালভিন আঙ্কেল এই চারজনে
মিলে তো এক মণ নিতেই পারবো তাইনা বল।আর
ভাইয়োটাকে সারাপথ চকলেট ধরিয়ে হাঁটাবো।
--- কেন রে তোর চকলেট লাগবে না?পরিবারে তো কেউ
চকলেট না দিলেই তোর অভিমান হয়।
--- নাহ্ এবারে একবারে ইন্ডিয়াতে পৌঁছে সবার কাছ থেকে
চকলেট খাবো।
--- আচ্ছা তাই হবে।
এখনও ঈদ আসতে অনেক দেরী আছে রে তিথি।আগে তুই
ঢাকা আয় আমার জন্য রস নিয়ে।শীত চলে গেলে ভাপা
পিঠা খেতে ভালো লাগেনা।
--- ঠিকই বলেছো।কিন্তু এখন তো বসন্ত।তবুও তুমি চিন্তা
করো না।শীত এখনও বিদ্যমান।
--- আচ্ছা তাড়াতাড়ি চলে আয় তিথি।তোকে দেখিনা কতদিন
হয়ে গেছে।
--- হুম এইতো ক'দিন পরেই তোমার কাছে চলে আসবো।
--- হ্যাঁ রে আয়।তোকে এবারে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে নিয়ে
আসবো তিথি।
--- ঠিক আছে তাই হবে।
ও পি.মণি এখন আসি আমার একটু পড়তে বসতে হবে
--- আচ্ছা পড়তে বস।আর স্নান করিস না বেশি পুরো সুস্থ
হয়ে নে তারপর করবি।
--- ওকে। গুড ডে পি.মণি।
Copyright ©All Rights Reserved Nandini Tithi.
শ্রম(সুদেষ্ণা দত্ত)
শ্রম
সুদেষ্ণা দত্ত
শহরের হলুদ নিয়ন আলোর রাতবাতিরা সারারাত অতন্দ্র প্রহরী হয়ে নিরাপত্তা দেয় তার বুকে জেগে থাকা ,ঘুমিয়ে থাকা গল্পকারদের।রাতের শহর গল্প লেখে রূপকথার,রাতের শহর গল্প লেখে বিসর্জনের।
কোথাও প্রাচুর্যের ফোয়ারার উদযাপিত হয় সাফল্যের রাত উৎসব।আবার কোথাও রাতবাতির নীচের অন্ধকারে লুকিয়ে থাকে ব্যর্থতার কাহিনী।
অবসরপ্রাপ্ত বাবার বেকার ছেলে জয়।বাড়ীতে অবিবাহিতা বোন।নিত্য গঞ্জনা জোটে জয়ের কপালে।শুধু দিনের চাকা ঘোরে টিউশনির টাকায়।বছর তিরিশের জয় আজও চাকরী জোটাতে বিজিত।দিনের পর দিন ইন্টারভিউ দিয়ে যাচ্ছে।কিন্তু তার শ্রমের স্বীকৃতি আজও তার দুয়ারে অতিথি হয়ে কড়া নাড়েনি।
আজও একটা ইন্টারভিউ দিয়ে ব্যর্থতার মুকুট পরে ফিরছিল জয়।পায়ে হেঁটে ফিরতে ফিরতে অর্থ ও যানবাহনের অভাবে সন্ধ্যা কখন রাতের চরণ চুম্বন করেছে।
হঠাৎ রাতবাতির নীচে একটি মেয়েকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে জয়।মেয়েটির রাত পোশাক,সাজগোজ জানিয়ে দেয় তার পেশা।পকেটে পড়ে একশ টাকা।মাস শেষ হতে বাকি এখনও দিন পাঁচেক।কিন্তু ভিতরের হতাশা পাশবিক হয়ে ঠেলে উঠতে চায়।সে মেয়েটিকে তার সঙ্গে যাওয়ার জন্য জোর করে।কিন্তু মেয়েটি জয়ের পোশাক-আশাক দেখে বুঝতে পারে সে ভদ্রবাড়ীর ছেলে,তবে জীবন যুদ্ধের যোদ্ধা ।আজ কোন কারণে এই নেশা বঞ্চিত সে এই নেশা চেখে দেখতে চায়।মেয়েটি তার সঙ্গে যেতে অস্বীকার করে।জয় তখন বলে তুমি তো দেহ বিক্রিই কর।মেয়েটি উত্তর দেয়, “না দাদাবাবু আমি শ্রম বিক্রি করি, তাই জানি শ্রমের মূল্য,শ্রমিকের শ্রমের মূল্য আমি দিতে জানি দাদাবাবু”।
©কপিরাইট রিজার্ভড ফর সুদেষ্ণা দত্ত
দেশ(সুদেষ্ণা দত্ত)
দেশ
সুদেষ্ণা দত্ত
বিপিনের আজ বোঝাই বিপনী
কাগজভরা কত লেখনী
বিপিনের রাখে কেই বা খবর!
খবরে সব নাম লেখায় জবর।
বিপিন রুমালে বিপনী সাজায়
প্রেয়সী সূচে নামটি খোদায়।
মুছে দিয়ে পরিশ্রমের স্বেদ—
কোথাও জমে অবৈধতার ক্লেদ।
বিপিন বিপনী সাজায় কেতনে
মন্ত্রিমশাই নামেন সচেতনে
মন্ত্রী বলেন ,তুই সবকিছুই বেচিস বেশ!
বিপিন বলে বেচি না আমি কভু দেশ।
ছবি সৌজন্য--গুগুল
©কপিরাইট রিজার্ভড ফর সুদেষ্ণা দত্ত।
বুধবার, ৩ মার্চ, ২০২১
বিষয় : চিত্রে লেখন # নাম : চলো যাই # লেখায় : শর্মিষ্ঠা ভট্ট
মঙ্গলবার, ২ মার্চ, ২০২১
রাস্তা
রঙ্গন আর ঈশিকা ঠিক করেছে এইরকম ফাঁকা শুনশান জনবসতিহীন দুইপাশে গাছেদের সারির গা বেয়ে সহজ সুন্দর পথ ধরে দুজনে কোন এক নাম না-জানা ভালবাসার শহরে হারিয়ে যাবে।
রঙ্গন বাইক নিয়ে পথ চলা শুরু করলো। আর পিছনে ইশিকার দুই হাত মেলে পাখির ডানার মতো নিজেকে ভাসিয়ে দিতে ইচ্ছে করছে এই প্রকৃতির মুক্ত বাতাসে। তারপর খানিক বাদে রঙ্গন কে দুই হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে বলল এই পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন হতো তুমি বলতো। রঙ্গন একটু হালকা ইয়ার্কি মেজাজে বললো ভালোই হতো যদি বাইকের তেলের দামটা তোমার বাবা দিত। ঈশিকা একটু রেগে গিয়ে বলল তোমার সবসময় ইয়ার্কি না? আর কথায় কথায় বাবাকে টেনে আন কেন বলতো! প্রেম করবে তুমি আর তেলের দাম দেবে আমার বাবা? শয়তান পাজি কোথাকার। রংগন অল্প হাসতে হাসতে হাই স্পিডে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে।
রাত্রি তখন সাড়ে নটা ঈশিকা বলে উঠলো কিগো কোথাও তো কোন ধাবা বা রেস্টুরেন্ট কিছুই দেখতে পাচ্ছি না আমার কিন্তু প্রচন্ড জোরে খিদে পেয়ে গেছে। রঙ্গন হঠাৎ কিছু একটা দেখে জোরে ব্রেক কষে বসলো। ঈশিকা একেবারেই হুমড়ি খেয়ে পড়ার উপক্রম। রঙ্গন স্পষ্ট দেখল রাস্তা দিয়ে কেউ একটা মেয়ে হেঁটে চলে গেল কিন্তু কোথায় যে মিলিয়ে গেল আর একবারও দেখতে পাওয়া গেলোনা তাকে। ওর গা টা কেমন যেন একটা ছম ছম করে উঠলো। কিন্তু একথা ইশিকাকে কিছুতেই জানানো চলবে না ও ভয় পেয়ে যাবে। রঙ্গনের আস্তে আস্তে মনে পড়ছে এই রাস্তার কাহিনী।
বছর পাঁচেক আগে তার এই এক বন্ধু নিলয় পামেলা কে নিয়ে এই রাস্তা দিয়ে পালিয়ে বিয়ে করার উদ্যোগ নিয়েছিল। সাথে ছিল রঙ্গন সহ আরও কয়েকজন বন্ধুর বাইক। কিন্তু হঠাৎ এই নিলয় কার গাড়ির ব্রেক ফেল করে জোরে গিয়ে ধাক্কা মারে একটা গাছে। সঙ্গে সঙ্গে পামেলার দেহটা ছিটকে পড়ে জঙ্গলের দিকে। তারপর সকলে পামেলা দেহটা খোঁজাখুঁজি করতে করতে দেখে নিমেষের মধ্যে কে যেন পামেলা রক্তমাখা শরীরটা টানতে টানতে জঙ্গলের ভেতর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আর পামেলা ক্ষীণকণ্ঠে চিৎকার করছে নিলয়! নিলয়! বাঁচাও আমায়। নিলয় ছুটে গিয়েছিল কিন্তু নিলয়ের মাথায় কে যেন সজোরে আঘাত করে অজ্ঞান করে দিল। অবস্থা বেগতিক দেখে বন্ধুরা সকলে এমনকি রঙ্গন ভয় পেয়ে পামেলা কে বাঁচানোর পরিবর্তে পালিয়ে গিয়েছিল। তারপর পামেলা দেহটা আস্তে আস্তে জঙ্গলের মাঝে থেকে কেমন যেন একটা ফাঁদ পাতা সুড়ঙ্গের মধ্যে ঢুকে গেল। তারপর থেকেই ওর এই অতৃপ্ত আত্মা এখানে নাকি ঘোরাঘুরি করে। লোকমুখে তাই প্রচলিত হয়ে গেছে। প্রেমিক-প্রেমিকা জুটি দেখলে ভীষণ রাগ হয়। এক্সিডেন্ট করিয়ে দেয় মাঝে মাঝে।
সব কথা মনে পড়ে রঙ্গনের সারা শরীর ঘামে ভিজে যাচ্ছে। এমনসময় রঙ্গন আবার দেখতে পেল সেই মুখটা। এবার আর অস্পষ্ট নয় স্পষ্ট সামনে থেকে। একি! এত পামেলা। হঠাৎ পামেলার অট্টহাস্য চিৎকারে রঙ্গন এর বাইকটা থেমে গেল। কিছুতেই আর স্টার্ট নিচ্ছে না। ঈশিকার কিন্তু কোন ভয় হয় নি। কিগো থেমে গেলে কেন ওই দেখো দূরে মনে হচ্ছে ওখানে একটা হোটেল আছে চলো ওখানে গিয়ে উঠি। পামেলা ততক্ষণে রঙ্গনের কলার ধরে মেরে ফেলতে যাবে এমন সময় সে বলে ওঠে প্লিজ পামেলা ছেড়ে দে আমায় প্লিজ বাঁচতে দে। পামেলা জোরে জোরে হেসে বলে যাক তাহলে চিনতে পেরেছিস? খুব বাঁচতে ইচ্ছে করে না রে তোর প্রেমিকার সঙ্গে? জানিস আমার আর নিলয়ের খুব ইচ্ছে করত এক সাথে ঘর বাধার। সেদিন আমরাও বাঁচতে চেয়েছিলাম কিন্তু তোরা কেউ এগিয়ে এলিনা সাহায্য করতে। আসলে জীবন মানে অনিশ্চিত এক যাত্রা পথ । আমিও চেয়েছিলাম নিলয় কে নিয়ে জীবনের যাত্রাপথ টা এইরকম এই রাস্তাটার মতো সহজ সুন্দর আর মসৃন ভাবে কাটাব। কিন্তু তা আর হলো না তাই আমি আর কাউকে একসাথে ঘর ভাঙতে দেখতে পারি না। এমনকি তোকেউ না। পিছনে তাকিয়ে দেখ। রঙ্গন পিছন ঘুরে দেখে ঈশিকা তার বাইকে নেই। রঙ্গন আরো ভয় পেয়ে যায়। এদিক-ওদিক পাগলের মতো ছুটতে থাকে।
হঠাৎ একজন বয়স্ক বৃদ্ধ লোক এগিয়ে এসে বলে এত রাত্রে এখানে এসেছ কেন? যদিও লোকটির মুখ দেখা যায়নি। সে বলে এই রাস্তা মোটেও ভালো না। এই 5 বছরে এই রাস্তা এক অভিশপ্ত রাস্তায় পরিণত হয়েছে। চলো আমার ওই ভগ্ন ঘরটাতে আজকের রাতটা কাটিয়ে দাও। তোমার প্রেমিকা আমায় ডাকতে পাঠালো। ওই ওখানে বসে খাওয়া দাওয়া করছে। হঠাৎ রাস্তার ল্যাম্পপোস্টে চুরমার করে ভেঙে গেল। লোকটি বললো চলো তাড়াতাড়ি চলো এখান থেকে। রঙ্গন ঈশিকা কে ফোন করল। ওর কন্ঠস্বর কেমন যেন কেঁপে কেঁপে উঠছে। রঙ্গন সঙ্গে সঙ্গে ছুটে গেল সেখানে। গিয়ে দেখে ঈশিকা নিশ্চিন্ত মনে খাবার খেয়ে যাচ্ছে মোমবাতির আলোয়। হঠাৎ রঙ্গন লক্ষ্য করলো অন্ধকারে যাকে বয়স্ক বৃদ্ধ ভেবে ভুল করেছিল সে আসলে মৃত নিলয়। সে এক গ্লাস জল দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে ঈশিকা কে নিয়ে প্রানপনে দৌড়ে পালালো সেখান থেকে। রঙ্গনের সারা শরীর ঘামে ভিজে যাচ্ছে। জোরে জোরে শ্বাস বইছে। ঈশিকা বলল কি হয়েছে বলোতো তোমার? আমায় খেতে দিচ্ছ না কেন? রঙ্গন হাঁপাতে হাঁপাতে বলল সব পরে বলব। এখন এখান থেকে তাড়াতাড়ি পালাতে হবে নইলে বিপদ।
এমন সময় পুলিশ এসে নিলয় কে ধরে ফেলেন। আর বলেন এবার তোমার খেলা বন্ধ। নিজেকে মৃত ঘোষণা করে বেশ মানুষের জীবন নিয়ে খেলা চালিয়ে যাচ্ছিলে না! ওই দেখো ওখানে তাকিয়ে দেখো তোমার সাজানো পামেলা। ও ধরা পড়েছে। মানুষকে ভয় দেখিয়ে তাদেরকে বিপদে ফেলে তাদের শরীরের অঙ্গ বৃদ্ধি করার প্ল্যান এবার থেকে জেলে বসে করবে। এমনকি আমরা কেউ জানতে পেরেছি আমি নাকি তুমি মেরে ফেলেছ। প্লান মাফিক। তার নামে সমস্ত টাকা-পয়সা হাসিল করার জন্য।
এবার রঙ্গন শব্দ শোনার পর ধিক্কার দিয়ে বলে ওঠে ছি নিলয়। তুই এই ধরনের মানসিকতার ছেলে? আমি তো ভাবতেই পারছিনা। তুই এই ধরনের নোংরা কাজ করতে পারিস। তুই জানিস একজন লোক তার প্রিয়তমার মৃত্যুর শোক ভুলতে একটা আসতো পাহাড় কেটে জীবনের চলার পথকে কত সহজ ও মসৃণ করে দিয়েছিল আর তুই এই সহজ-সরল রাস্তাটা কে কাজে লাগিয়ে রোমান্টিক সুন্দর মুহূর্তের সুর করে নিয়ে এম্বুলেন্স এর আওয়াজ শুনতে মজা হয়, জীবনের একেবারে শেষ গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দিয়ে তৈরি শান্তি পাস! ছি নিলয় ছি।
তারপর পুলিশ অফিসার রংগনের সাথে হ্যান্ডশেক করে বলে থ্যাঙ্ক ইউ স্যার। আপনার অনুমানের উপর বিশ্বাস আর ভরসা না করে যদি এখানে আজ না আসতাম তাহলে সত্যিই অনেক বড় ভুল হয়েছে তো স্যার। আর আপনার এমন অভিনয় না হলে বোধহয় আমরা আজও নিলয় কে ধরতে পারতাম না। ঈশিকা অবাক হয়ে নিলয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে বলে তবে যে তুমি বলতে তুমি একজন বেকার ছেলে! আগে বলনি তো কখনো তুমি এসব করো। রঙ্গন বলল সময় হলে ঠিক বলতাম। আর টাকাপয়সা ছাড়াও তুমি আমায় ভালবাসতে পারো কিনা সেটা একবার বাজে দেখতে হবে না বলেই রঙ্গন হালকা হাসি দিয়ে ইশিকার হাত ধরে বেরিয়ে আসতে আসতে বলল চলো ওইখানে ধাবাতে বসে এক কাপ চা খাওয়া খাই। তারপর ঈশিকা ওখানে পৌঁছে দেখে ভ্যালেন্টাইন্স ডের স্পেশাল আয়োজনে সে মুগ্ধ হয়ে যায় আর রঙ্গন কে জড়িয়ে ধরে বলে তুমি এত সব করেছ অথচ আমায় কিছু জানাওনি? রঙ্গন বলে জানো তো ঈশিকা আমাদের জীবনের পথটা ও এই রকম কত জানা অজানা রাস্তার মধ্য দিয়ে যে হাঁটতে হয় তার কোন ঠিক ঠিকানা নেই। কিন্তু জীবনের যাত্রাপথের জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হয়। তবে সেদিন পামেলা কে সত্যি সত্যি বাঁচাতে পারিনি বলে আজও এক অপরাধবোধ আমায় কুরে কুরে খায়।
*****--****
সোমবার, ১ মার্চ, ২০২১
# বিষয় : কাব্যছন্দ # নাম : কাব্যময় ১#লেখায় : শর্মিষ্ঠা ভট্ট
#বিষয় : অনুগল্প # নাম : জামদার কাপ# লেখায় : শর্মিষ্ঠা ভট্ট।
# বিষয় :আলোচনা(ঐতিহাসিক উপাদানের প্রয়োজনীয়তা #নাম : বন্দী নবাব নন্দিনী।লেখায় : শর্মিষ্ঠা ভট্ট। )
#বিষয় : অনুগল্প #লেখা: গুড মর্নিং লেখনী: শর্মিষ্ঠা ভট্ট
#বিষয় : অনুগল্প # নাম : ছায়া # লেখায় : শর্মিষ্ঠা ভট্ট
মধুমিতা(অণুগল্প) ✍️নন্দিনী তিথি
রমেশ সাহার একমাত্র মেয়ে BUP তে BBA পড়ছে এই তিন বছর হলো।সামনেই ফাইনাল তাই পড়াশুনার খুব চাপ।প্রতিদিন ভোর হতেই ভার্সিটিতে যাওয়া, জার্নি করে বাসায় ফিরে কোনমতে কিছু খেয়ে সাত মিনিট রেস্ট নিয়েই আবার পড়তে বসে যায় মেয়েটা। ও খুব মেধাবী। কিন্তু
ক্লাসে যে ওর থেকেও একজন ভয়ংকর মেধাবী আছে।
যে কিনা হলো অত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলের একটা ছেলে রূপক।ক্লাসের টপার এবং সকলের অধিনায়ক। মধুমিতা কখনও ক্লাসে বেস্ট হতে পারেনি। এই বলে,
রূপকের উপর কোনো রাগ ছিল না।ভার্সিটির সেই প্রথম দিন থেকে আজ পর্যন্ত রূপক শুধু তিনটে জামা পড়েই আসছে।আর হাতে করে একটা বাটন ফোন।অবশ্য এ বছরে ওর হাতে একটা স্মার্ট ফোন দেখেলো মধুমিতা।তিন বছরে রূপকের সাথে মধুমিতার তেমন কোনো কথা হয়নি।বড়জোর কোনো সমস্যা নিয়েই কথা হতো মাঝেমাঝে।
আজ ভার্সিটি থেকে ফিরে ফ্রেশ হয়েই বিছানায় মাথা দিল।কিছুক্ষণ পরে পাশের রুম থেকে -
এই মিতা খেয়েছিস? আমি তোর জন্য অপেক্ষা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।আর তুইও এসে না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লি মা!!
সরি, বাবা!আমার আজ কেন জানি খিদে নেই।আর হ্যাঁ তুমি আমার জন্য আর বসে থাকবে না। এমনিতেই অসুস্থ। কতদিন বলেছি বাবা তুমি ঠিক সময়ে খেয়ে নিবে।না খেয়ে আমার জন্য বসে থাকো এরপর আরোও অসুস্থ হয়ে পড়ো আমার ভার্সিটি যাওয়া বন্ধ হোক তারপর! একটু রাগী সুরে বললো।
-মিতা রাগ করিস না মা দেখ।
উঠে বাবাকে জড়িয়ে ধরে-
বাবা আমরা ব্রেকফাস্ট, রাতের ডিনার তো একসাথেই খাই বলো।
প্লিজ বাবা তুমি দুপুরের খাবারটা ঠিক সময় করে খেয়ে নিবে আমায় কথা দাও।
কিন্তু!
না,কোনো কিন্তু নয় বাবা তুমি ঠিক সময় করে খাবে এটাই আমার শেষ কথা।
আচ্ছা আচ্ছা ঠিক আছে কথা দিলাম ঠিক সময়ে খাবো।
হুম,এইতো আবার ভালো বাবা।চলো এখন খেতে।
খেয়ে উঠে পাঁচ মিনিট আড্ডা বাবার সাথে। এরপর পড়ার রুমে গেল।কিন্তু পড়তে বসে আজ আর পড়া হলো না।ক্লাসের সবার কথা মনে করতে করতে হঠাৎ রূপকের কথা মনে পড়লো। ওর পড়াশুনার খরচ চালাতে ওর মা বাবার অনেক কষ্ট হয়।কোনোভাবে কি আমি ওর উপকারে আসতে পারিনা!এইসব ভাবতে ভাবতে আর মধুমিতার পড়া হলো না।বই বন্ধ করে বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়লো।কেন আমার এসব কথা আগে মাথায় আসলো না।তিন বছর পরে কেন মনে পড়লো ওর উপকারে আসার কথা এসব বিড়বিড় করে বলতে বলতে ঘুমিয়ে পড়লো।ভোরে উঠলো, ফ্রেশ হয়ে বাবার কাছে গেল দু-কাপ কফি বানিয়ে।দেখলো বাবা খবরের কাগজ পড়ছে।
-নেও, কফি টা খেয়ে নাও।
কফি খেতে খেতে - বাবা একটা কথা বলবো তোমায়।
-হ্যাঁ,বল মা।
বাবা আমি কারো উপকারে আসতে চাই,পাশে দাঁড়াতে চাই।
-কাদের মিতা?
-বাবা কাদের নয়। একটা ছেলের উপকারে আসতে চাই।রূপক, আামাদের ক্লাসের বেস্ট স্টুডেন্ট। ও অত্যন্ত গ্রাম অঞ্চল থেকে এসেছে শহরে।আর্থিক দিক থেকে ওরা অনেক পিছিয়ে।ওর বাবার সামান্য ইনকামে ওদের সংসার চালাতে খুব কষ্ট হয়।ভার্সিটি থেকে সাহায্য পেলেও ওর উপকারে আসাটা আমার খুব জরুরি মনে হচ্ছে বাবা।
আচ্ছা, তুই আজ ভার্সিটিতে যা গিয়ে ওর নম্বর,আর ওর বাড়ির ঠিকানা নিয়ে আয়।
মধুমিতা আনন্দের টলমল চোখে বললো বাবা!!
Copyright ©All Rights Reserved Nandini tithi.
শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...
-
ঘোষ বুড়ী ©সুদেষ্ণা দত্ত গ্রামের নাম সুন্দরগ্রাম--বাংলা মায়ের কোল ঘেঁষা সুজলা,সুফলা,শান্তির নীড় ঘেরা এক গ্রাম।গ্রামের অধিকাংশ লোকই কৃষি...
-
আমার অকাজের লিস্টি ✍️ ডা: অরুণিমা দাস ২০২৫ এ পড়ে ফেলা বইগুলোর তালিকা তৈরী করেই ফেললাম। ভিন্ন স্বাদের সব বইগুলো। মন ভালো করে দেয়। তালিকা...
-
অণু গল্প ----সাথী হারা। কলমে-- পারমিতা মন্ডল। দীঘার সমুদ্রে একা একা হেঁটে চলেছে সৈকত । এই বালুকাবেলায় , রামধনু রং আকাশের দিকে তাকিয়ে মনটা বড়...














