উড়ি,উড়ে বেড়াই
খুঁজি, খুঁজে ফিরি তাকে
হপ্তা শেষেও যাকে নিয়ে কাঁদি।
আমি বাংলার আকাশে
শঙ্খ চিল।
ভাটিয়ালী, বাউল গান
সুরের মায়ায়
রবীন্দ্রনাথ
কবি জীবনানন্দ তোমার
পাশে বসি।
আমি বাংলার আকাশে
শঙ্খ চিল।
ভালোবাসি, মায়ের মুখের ভাষা
লিখি,
অনুরণিত হয়ে
চিন্তাগুলো বাংলার বুকে
বসত করি।।
©শর্মিষ্ঠা ভট্ট
ধায় তোমা দিকে মন🖋
উদাসী মন হেঁটে চলে যায়
দিগন্তের পথে,
যেখানে কঁকিয়ে কাঁদে আদুর
অসুখি সুখ
তোমার পথ চেয়ে।
উদাসী মন পথ করে নেয়
বাঁশির কাঁদা সুরে,
আকাশ মেশে বাঁশের ওপর
সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বেলে।
হয়ত আবার তারা খসবে আবার কোন ধুমকেতু,
আবার হয়ত আলতা পরা
কিশোরী নয়ত বধূ।
আবার কখনও দোয়েলের ডাকে কাঁদবে যখন মন,
হেসে এসে বোলবে তুমি
হরিণ নয়ন চেয়ে..
ভুলে যাসনে বোন,
ধায়, তোমার দিকে মন।
©শর্মি
আলোর বার্তা বাহী🖋
তুমি আমার অধিষ্ঠাত্রী দেবী
আমার শিশু মনের কাব্য
ফেনিল সাগর তুমি।
শুভ্রবসনা স্নিগ্ধ তুমি নারী
বন্দ চোখের বন্দনা তুমি
অনন্যা সৌন্দর্য্য ময়ী।
শ্রীপঞ্চমীর পূণ্য লগ্নে
আরতি ফুলে সুবাসিত
অসীম শান্তি বাসী।
হে মা সরস্বতী
বাসন্তী পলাশের পথ ধরে
বিদ্যাং দেহি।
©কপিরাইট সর্তাধিকারী শর্মিষ্ঠা ভট্ট🙏
পান্তা🖋
সবুজ তোমার আঁচলখানি ভরেছে শাপলা ফুলে,
অসীম যেন ডেকে চলে বাউলিয়া সুরে।
কাদা মাটি মাখা ভূমি পুত্রের
বাড়ন্ত শস্যদানা।
কাব্যের মাঝে ছবি শুধু কটা অক্ষরে সাদা কালো কলি মাখা।
মেঠো সোঁদা গন্ধের তিব্র আবেদন মাখা,
টেঁপির দাওয়ায় বসে নুন পান্তা খাওয়া।
©কপিরাইট সর্তাধিকারী শর্মিষ্ঠা ভট্ট।
একদিন ছেলেবেলা ধার দেবে🖋
আদর মেখে সেই হাত সকাল বেলায় উঠিয়ে দাও।
আবার চলো মুখস্থ করি রবীন্দ্রনাথের সহজ পাঠ।
কিংবা ধরো নদীর পাড়ে পা ঝুলিয়ে বসি,
আবোল তাবোল কথার ফাঁকে
মা গো তোমায় ভালোবাসি।
দুষ্টুমি ভরা সেই দুপুর বেলা কোই!
কৎবেল আমের আচার আয় চুরি খাই।
সেই যে ছুটতে পাওয়া এক্কাদোক্কা খেলা,
আসবি তোরা সবাই মিলে শুধু কুমির চোর ধরা।
কত খেলার মাঝে বকুনি খাওয়ে নিজেকে দুখী ভাবা,
সত্যি কি দুখী ছিলাম কেবল সে তো ছিল দুখী সাজা।
ঝুড়ি ভরে মজা করবো সময় পেলে প্রেম,
কতবার আবার ভাসবো মনে রয়ে যাবে ভালোলাগার রেশ।
কানটি ধরে মৃদুল দা তখন ঘরে তুলে দেবে,
লিখতে বস লেখিকা তুই ভুলেই গেছিস কবে।
😝🙈
©কপিরাইট সর্তাধিকারী শর্মিষ্ঠা ভট্ট

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন