বৃহস্পতিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৩

শিরোনাম-মোটিভেশন✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম-মোটিভেশন
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

আজকালকার দিনে সঠিক পথ দেখানোর মানুষের বড়ই অভাব। পিছিয়ে দেওয়ার মানুষের সংখ্যাটা বড্ড বেশি। কেউ যখন বলে তোর দ্বারা হবে না কাজটা,ছেড়ে দে,এটা শুনতে খুব খারাপ লাগে। চেষ্টা কর ঠিক পারবি,কেনো এভাবে বলা কি যায় না? যে ডি মোটিভেট করে সে নিজেই সারাক্ষণ নেগেটিভ চিন্তায় মগ্ন থাকে তাই কাউকে পজিটিভ কিছু চিন্তাভাবনা করতে সাহায্য করতে পারেনা। কাউকে পিছিয়ে দেওয়ার মধ্যে নেই কোনো বীরত্ব, বরং এতে নিজের নীচু মানসিকতা, নেগেটিভ চিন্তার পরিচয় দেওয়া হয়। যে সবসময় পজিটিভ ভাববে সে কখনোই এভাবে কাউকে এভাবে পিছিয়ে দিতে পারবেনা। বরং বলবে একবারে হয়নি তো কি হয়েছে? নিশ্চই হবে আরও কিছু বার চেষ্টা করে দেখ,হাল ছাড়িসনা। আশা নিয়েই মানুষ বাঁচে, সেই আশার পথ না দেখিয়ে কেউ যদি নিরাশার মেঘ আনে কারোর জীবনে সেটা ঠিক কাজ নয়। এর দ্বারা বোঝা যায় সে নিজে কাজটা পারবেনা বলে অন্য কারোর দ্বারা কাজটা হোক সেটা চায় না। আর এতে তার নিজের অপারদর্শিতা প্রকাশ পায়। তাই নিজে পজিটিভ ভাবা উচিত, আর অন্যকেও পজিটিভলি মোটিভেট করা উচিত। 

আশা নিয়ে এগিয়ে চলো,ফল একদিন পাবে নিশ্চয়
অন্যকে প্রভাবিত করো সদর্থক চিন্তায়,হও দৃঢ় প্রত্যয়।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শনিবার, ২৯ জুলাই, ২০২৩

স্বপ্ন যদি সত্যি হতো✍️ডা: অরুণিমা দাস

স্বপ্ন যদি সত্যি হতো
✍️ডা: অরুণিমা দাস

সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই তাতান বললো,গুড মর্নিং বাঘু! উঠে পড়ুন এবার। বাঘুর কোনো সাড়া না পেয়ে তাতান বিছানা থেকে নেমে ওকে খুঁজতে গেলো। দেখলো বারান্দায় বসে আছে বাঘু, লেজটা খালি নাড়ছে। কিরে? চল! ব্রেকফাস্ট করবি। বাঘু চুপ করে রইলো। তাতান গিয়ে ওর গলা জড়িয়ে বললো চল রে! দেখলো ওর চোখ টা ভিজে আছে। কিরে? বনের কথা মনে পড়ছে? ঘাড় নাড়লো বাঘু। তাতান বললো চল টেবিলে চল। তোর জন্য সারপ্রাইজ আছে, কাল বাবা বলছিলো। তাতানের পিছন পিছন চলতে লাগলো বাঘু। টেবিলের কাছে আসতেই সক্কলে বাঘুকে বললো হ্যাপি টাইগার্স ডে।
দেখ সোনা, তোর জন্য কত আয়োজন, মুখ ভার করে থাকিসনে কিন্তু। বাঘু কেঁদে ফেললো, বললো এসব করে কি হবে বলো তো? সেই ছোটবেলা থেকে তোমরা আমায় মানুষ করছো! গুলির আঘাতে লুটিয়ে পড়া এই অবলা বাঘকে তোমরা বাড়িতে এনে সেবা করে বাঁচিয়ে তুলেছো! এটাই আমার জন্য অনেক গো। আজ আলাদা করে টাইগার্স ডে পালন করে আমার পুরনো দিনগুলো মনে করিয়ে দিও না। তাতান যখন পড়ে, দিনদিন বাঘের সংখ্যা কমে আসছে, সুন্দরবন আর অন্য অভয়ারণ্য গুলোতে, খুব কষ্ট হয় শুনে। মানুষকে বড্ড ভয় লাগে,ভয় লাগে যদি তোমাদের থেকে আমায় কেউ ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়! কে ছিনিয়ে নিয়ে যাবে তোকে? আমি যতদিন আছি ফরেস্ট অফিসারের পদে, কেউ তোকে কোথাও নিয়ে যাবে না, তাতানের বাবা বললেন। এখন আয় তোর জন্য খাবার গুলো রান্না করেছে তোর মা, খেয়ে নিবি আয়। আগে আয় কেকটা কাট। একদম দুঃখ করবিনা। আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি যাতে তোদের প্রজাতিটা বিলুপ্ত না হয়ে যায়। বাঘের সংখ্যা যাতে না কমে তার চেষ্টা চলছে বুঝলি বাঘু। তোমাদের কাছে আছি বলেই হয়তো এখনো ইতিহাসের পাতায় ঠাই হয়নি আমার, কৃতজ্ঞ আমি তোমাদের কাছে। অনেক বড়ো বড়ো কথা হলো,কেকটা কাট এবার। তাতানের স্কুল, আমার অফিস যাওয়ার আছে। বাঘু আর তাতান দুজনে মিলে কেক কেটে সবাইকে খাওয়ালো। আসছে রবিবার আমরা সুন্দরবনের ইলিশ উৎসবে যাচ্ছি,সবাই খুব মজা করবো। বাঘুকেও ওর বন্ধুদের সাথে কিছুক্ষন সময় কাটাতে দেবো। বাঘু আনন্দে তাতানের পায়ে মাথা ঘষতে লাগলো, তাতানের ঘুমটা ভেঙে গেলো হঠাৎ! এটা কি স্বপ্ন ছিলো তাহলে? উঠে দেখলো পায়ের কাছে টেডি বাঘ টা পড়ে আছে। কাল তাহলে সুন্দরবন নিয়ে পড়ছিল, বাঘের সংখ্যা কমে আসছে, সেটাই বোধয় স্বপ্ন হয়ে দেখা দিলো। মায়ের ডাকে স্কুল যাওয়ার জন্য তৈরি হতে বিছানা থেকে নামলো। মনে মনে ভাবলো সব স্বপ্ন যদি সত্যি হতো কতই না ভালো হতো। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শনিবার, ২২ জুলাই, ২০২৩

প্রযুক্তি বনাম ছাপা বই✍️ডা: অরুণিমা দাস

প্রযুক্তি বনাম ছাপা বই
✍️ডা: অরুণিমা দাস

প্রযুক্তির ধাক্কা যতই আমাদেরকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে দিক, ছাপা বইয়ের ভূমিকা কখনোই কম হবে না। বই পড়লে যখন চোখের সামনে অক্ষর গুলো ভেসে ওঠে, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, কল্পনা শক্তি প্রখর হয়ে ওঠে। আর ওই আইপ্যাড, মোবাইলে যতই পড়ি না কেনো, ব্রেইনে কোনো ইম্প্রেশন সেভাবে তৈরি হয় না। চিন্তা শক্তি, উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশ ঘটেনা খুব একটা। সাদা পাতায় কালো অক্ষর সেগুলো মস্তিষ্কে গেঁথে যায় একরকম, কিন্তু কালার ফুল আইপ্যাডের লেখা বেশিদিন ব্রেইনে টিকে থাকে না। আর তাতে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়, দেখা দেয় আলজাইমার্স এর মত স্মৃতি বিস্মৃত প্রায় রোগ। তাই মস্তিষ্ককে উর্বর রাখতে ছাপা বইয়ের ভূমিকা অনেকাংশে বেশি প্রযুক্তির চেয়ে। আর নতুন বইয়ের গন্ধ নেওয়ার মত আনন্দ কিন্তু কোনো  গ্যাজেট দিতে পারবেনা। তাই নতুন প্রযুক্তি কখনোই ছাপা বইকে ছাপিয়ে যেতে পারবেনা। 

উন্নয়নের পথে চলেছি আমরা ভুলতে বসেছি ছাপা বইকে
মস্তিষ্ক সচল রাখতে হলে আইপ্যাড ট্যাব - প্লীজ  জারা হাটকে।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই, ২০২৩

শিরোনাম - সমস্যা ও তার মোকাবিলা✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সমস্যা ও তার মোকাবিলা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

সমস্যা নেই, তাহলে কি থাকলো জীবনে? জীবনে চলার পথে অনেক বাধা বিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। প্রধানত সমস্যা ছাড়া জীবনে বড়ো হওয়া যায় না, এগোনো যায় না। সমস্যা আসাটাই স্বাভাবিক, আর সেটার সমাধান করা মানে আরো কয়েক ধাপ এগিয়ে যাওয়া। চ্যালেঞ্জ নেওয়া মানে নিজেকে বড়ো করা, আরো বেশী পরিণত করা। চলার পথ মসৃণ হলে সেই পথে চলে যেমন আনন্দ নেই, তেমন জীবনে বাধা না থাকলে সেই জীবন খানিকটা মূল্যহীন ও বটে। সমস্যা আসবে, ভেঙে না পড়ে হাসিমুখে তার মোকাবিলা করে এগিয়ে যাওয়াটা লক্ষ্য হওয়া উচিত। তাতে যেমন একটা জয়ের আনন্দ পাওয়া যায়, তেমন আত্মবিশ্বাসও অনেকাংশে বেড়ে যায়। তাই সমস্যা থাকুক, সাথে থাকুক সমাধান ও। তবেই জীবনে কিছু করলাম মনে হবে, আর লড়াই করার ইচ্ছেটাও দ্বিগুণ বেড়ে যাবে। 

"সমস্যা বিনে বৃথা জীবন,থাকুক সাথে সমাধান ও
এগিয়ে চলো জীবন পথে, তুমি যে এক ও অনন্য।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শনিবার, ১৫ জুলাই, ২০২৩

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স 
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

চিন্তাশক্তি,বুদ্ধি কিংবা বিশ্লেষণ ক্ষমতা মানুষের সহজাত। কিন্তু একটি যন্ত্রকে মানুষের মতো বুদ্ধিমত্তা দিয়ে, সেটিকে চিন্তা করানো কিংবা বিশ্লেষণ করানোর ক্ষমতা দেওয়ার ধারণাটিকে সাধারণভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়। 
কিছুদিন আগেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ছিল দূর ভবিষ্যতের একটি কাল্পনিক বিষয়। কিন্তু সম্প্রতি এই দূরবর্তী ভবিষ্যতের বিষয়টি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হতে শুরু করেছে। তার প্রধান কারণ, পৃথিবীর মানুষ ডিজিটাল বিশ্বে এমনভাবে অভ্যস্ত হয়েছে যে, হঠাৎ করে অচিন্তনীয় পরিমাণ ডেটা সৃষ্টি হয়েছে এবং সেই ডেটাকে প্রক্রিয়া করার মত ক্ষমতাশালী কম্পিউটার আমাদের হাতে চলে এসেছে। এই ডেটা বা তথ্যকে প্রক্রিয়া করার জন্য বিজ্ঞানী এবং প্রযুক্তিবিদরা এমন একটি পদ্ধতি বেছে নিয়েছে যেটি মানুষের মস্তিষ্কের মতো করে কাজ করে। এটা নিউরাল নেট নামে পরিচিত। সহজভাবে বলা যায় এর একটি ইনপুট স্তর এবং আউটপুট স্তর রয়েছে যার মাঝখানের স্তরটি হচ্ছে ‘লুকোনো’ স্তর।
প্রথমে এই নিউরাল নেটকে ইনপুট এবং তার সাথে যুক্ত আউটপুট ডেটা দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তখন ‘লুকোনো’ স্তরটি এমনভাবে পরিবর্তিত হতে থাকে যেন প্রশিক্ষণের জন্য দেওয়া ইনপুটের জন্য সত্যি আউটপুটটি পাওয়া যায়। একবার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েগেলে এই নিউরাল নেটকে সম্পূর্ণ নতুন ইনপুট দিলেও সেটি সম্ভাব্য সঠিক আউটপুটটি দিতে পারবে। যত বেশি ডেটা দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে,নিউরাল নেটটি তত ভালো কাজ করবে। একটি স্তর না রেখে একাধিক স্তর দিয়ে এই নেটকে আরো অনেক বুদ্ধিমান করা সম্ভব। তখন নেটটি নিজেই ডেটা ব্যবহার করে শিখে নিতে পারবে। এই প্রক্রিয়ার নাম ‘ডিপ লার্নিং’ এবং বলা যেতে পারে একটি সত্যিকারের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে কাছাকাছি একটি প্রক্রিয়া।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানত  Java, Python, SHRDLU, LISP, CLISP ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীতার ভিত্তিতে ডেভলপাররা তাদের পছন্দসই প্রোগ্রাম ব্যবহার করে থাকেন।
কদিন আগেও আমার পরীক্ষার আগে আমার এক বন্ধু চ্যাট জি পি টি নামক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর নাম বলে। ওখানে প্রশ্ন টাইপ করে উত্তর পাওয়া যায়। কিন্তু উত্তর গুলো দেখে আমার ঠিক ভালো লাগলো না। ওকে বললাম নিজের ইন্টেলিজেন্স কাজে লাগিয়ে এর চেয়ে অনেক ভালো উত্তর দিতে পারবো আমরা। আর এসব চ্যাট জি পি টি মানুষেরই আবিষ্কার। তো এসব না করে বই পড়ে উত্তর তৈরি করাটাই আসল ক্রেডিট। এসব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শুনতে বেশ ভালো লাগে কিন্তু ইনবর্ন ইন্টেলিজেন্স এর ভ্যালু অনেক, তাই এসব ভুলে পড়ায় মন দিই চল। পরে বই পরে বন্ধু বলেছিল অনেক ভালো উত্তর দেওয়া আছে।
ওসব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজে না লাগিয়ে নিজের পছন্দের কাজগুলো করলে এমনি ব্রেইন অনেক ডেভেলপড হয়, ইন্টেলিজেন্স বাড়ে।

"ডিভাইস অনেক রয়েছে,পাল্লা দিচ্ছে মানব বুদ্ধিকে
মস্তিষ্ক প্রসূত চিন্তাধারা কিন্তু ইউনিক সবদিক থেকে।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস 


শুক্রবার, ৭ জুলাই, ২০২৩

শিরোনাম-স্বপ্ন সব সত্যি হোক✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম-স্বপ্ন সব সত্যি হোক
✍️ ডা:অরুণিমা দাস 


নির্ঘুম চোখে স্বপ্নের ভিড়,রাত্রি যেনো কাটে না
যার তরে দেখি স্বপন,সে তো কিছু বোঝে না। 

ছুটছে যে সে টাকার পিছে,মত্ত হয়ে উল্লাসে
তার কথা ভেবে ভিজে আসে চোখ,মুখখানি হয় ফ্যাকাসে।

ক্লান্ত লাগে ভোরের বেলা ভীষণ,ইচ্ছেগুলো হয় না পূরণ
আশায় থাকি বুঝবে একদিন সে, ব্যর্থ না হোক রাতের স্বপন।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শনিবার, ১ জুলাই, ২০২৩

কবিতা: বাংলার রূপকার ডা:বিধান চন্দ্র রায় ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

স্মরণে মননে ডা: বিধান চন্দ্র রায়                            কবিতা: বাংলার রূপকার ডা:বিধান চন্দ্র রায় 
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

সুদূর পাটনার বাকিপুর থেকে কোলকাতা
পায়ে হেঁটে এলেন তিনি,ভরসা শুধু পায়ের পাতা।

সম্বল বলতে শুধু তখন পাঁচ টাকা পঁচিশ পয়সা
খাবার আর বাসস্থান জোগাতে সেটাই শুধু ভরসা।

মাতৃহারা ছিলেন তিনি,পিতাই ছিলেন তাঁর সব
খুবই কষ্টের মধ্যে কেটেছিল তাঁর শৈশব।

কলকাতায় এসে করেন ডাক্তারিতে ভর্তির আবেদন 
থাকতেন কলেজ স্ট্রীটে,পয়সার টানাটানি ভীষণ।

পড়াশোনা শেষে শুরু করলেন তিনি প্র্যাকটিস
রোজগার হতো না মন্দ,কেবল খালি উনিশ বিশ।

বারোশো টাকা করে সম্বল,গেলেন তিনি বিদেশ
চূড়ান্ত সম্মান অর্জনে করতে মনোনিবেশ।

ভারতীয় বলে জুটেছিল শুধুই প্রত্যাখ্যান
কিছুতেই কিন্তু হাল ছাড়েননি ডা:বিধান।

প্রায় বার তিরিশেক করলেন টানা আবেদন
দুবছরে মেডিসিন,সার্জারির চূড়ান্ত ডিগ্রী করলেন অর্জন।

ফিরলেন দেশে,শুরু করলেন ডাক্তারি
মনে এলো প্রেমের জোয়ার,হলেন প্রেম পূজারী।

প্রেম তাঁর মানল হার অর্থদণ্ডের বিচারে
প্রত্যখিত হয় এলেন ফিরে,মন দিলে রোজগারে।

সাল যখন উনিশশো আটচল্লিশ,ছেড়ে দিয়ে ডাক্তারি
গ্রহণ করলেন মুখ্যমন্ত্রিত্ব,গড়লেন কল্যাণী সহ আরো উপনগরী।

দায়িত্বে ছিলেন যতদিন,করে গেছেন শুধু বাংলার উন্নয়ন
তাঁর কাছে চিরঋণী বাংলার আপামর জনগন।

তিরোধানের পরে ঘরে মেলে এগারো টাকা পঁচিশ পয়সা
জীবনের সঞ্চয় শুধু ছয় টাকা আর মানুষের ভালোবাসা।

আজ তাঁর জন্ম ও মৃত্যুদিনে জানাই তাঁকে নমস্কার মানুষের হৃদয়ে অমর থাকুন বাংলার রূপকার।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

মঙ্গলবার, ২৭ জুন, ২০২৩

শিরোনাম - পজিটিভিটি✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - পজিটিভিটি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

পজিটিভ ভাবো সদা,নো নেগেটিভ ভাবনা
বিপদে পড়লেও কভু পিছু হটো না।

চড়াই উৎরাই জীবনের পথ,
আনন্দ যে এই পথ চলাতেই 
থেমো না,শুধু চলো ভালোমন্দ উভয় গ্রহন করেই।

জয় যে হবেই একদিন,জেতার পথ যে নয়কো সোজা
বিজয় পতাকা উত্তোলন করে সেদিন তুমি হবে রাজা।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বুধবার, ২১ জুন, ২০২৩

শিরোনাম - এক রাউন্ড গুলি✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - এক রাউন্ড গুলি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

গল্পটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার। এক ভারতীয় ছেলে অমৃতাংশু চৌধুরী ডাক্তারী পড়তে জার্মানিতে   যায়, যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে তার তৃতীয় বর্ষ। কলেজের প্রফেসর লর্ড ব্যারন খুব স্নেহ করতেন তাকে। ব্যারন ছিলেন খাঁটি জার্মান। তখন কার সময়ে ইহুদী আর জার্মানদের মধ্যে খুব ভালো সম্পর্ক ছিলো না। জানা সত্ত্বেও ব্যারন তার বাড়িতে স্টেলা নামক ইহুদীকে তার দুই ছেলের গভরনেস হিসেবে রেখেছিলেন। মাতৃহারা দুই ছেলে আবেল আর হানস কে স্টেলা মায়ের স্নেহেই বড়ো করে তুলেছিল। ব্যারণের বাড়িতে শু (অমৃতাংশুর নাম) এর যাতায়াত ছিলো ভালই। এই সূত্রেই স্টেলার প্রেমে পড়ে সে। ব্যারন খুব ভরসা করতেন স্টেলা কে,তাই ইহুদী জার্মান দ্বন্দ্ব চলাকালীন বাইরের কাউকে জানতে দেন নি স্টেলা ইহুদী। কিন্তু ব্যারনের বাড়ির বাকি কাজের লোকরা জার্মান ছিলো। তাদের মধ্যে মারিয়া স্টেলাকে দু চোখে দেখতে পারতো না ইহুদী বলে। শু আর স্টেলার সম্পর্ক ভালো চোখে দেখত না সে। একদিন হিংসার বশবর্তী হয়ে মারিয়া জার্মান ক্যাম্পে জানিয়ে দেয় স্টেলার কথা,সে যে ইহুদী সেই কথা জানিয়ে দেয়। ব্যারন কোনো ভাবে তা জানতে পেরে স্টেলাকে বাঁচানোর জন্য ছেড়ে আসেন প্রিয় ছাত্র শু এর কাছে। কিছু টাকা আর নার্সের পোশাক স্টেলার সাথে দিয়ে দেন যাতে শু ডাক্তার আর স্টেলা তার সহকারী নার্স সেই পরিচয়ে তারা বার্লিনে পালিয়ে যেতে পারে যুদ্ধ শিবিরে আহত সৈনিক দের সেবা করতে পারে। স্টেলা কেও এভাবে জার্মান আক্রমণ থেকে বাঁচাতে পারবেন ব্যারন। স্টেলার কাছে তিনি কৃতজ্ঞ কারণ তার দুই ছেলেকে স্টেলা আপন করে নিয়েছিল। ব্যারন নিজে সব ঝুঁকি নিয়ে শু আর স্টেলা কে পৌঁছে দিতে গিয়েছিলেন বার্লিন গামী ট্রেনে। চারিদিকে যুদ্ধ কালীন তৎপরতা, যে কোনো সময়ে বোম পড়তে পারে। স্টেশনে ঢোকার মুখে একটা বোম ফেলে জার্মানি। তারপর শুরু হয় গুলির খেলা। এক রাউন্ড গুলি চলার পরে শু আর খুঁজে পায় না স্টেলাকে, স্টেশনেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে। একুশ দিন পর যখন শু এর জ্ঞান ফিরে আসে নিজেকে আবিষ্কার করে এক সেনা হাসপাতালে। উঠে বসতে গিয়ে দেখে একটা পা খোয়া গেছে তার। রাউন্ডে ডাক্তার বাবু তার ছুটি ঘোষণা করেন। ক্রাচ পায়ে বেরিয়ে পড়ে সে স্টেলার খোঁজে। সমস্ত সেনা শিবির খুঁজে ফেলে তন্ন তন্ন করে। কোথাও পায় না তার স্টেলা কে। ব্যারনের বাড়ী গিয়ে দেখে কেউ দখল নিয়েছে সেই বাড়ীর। বোম আর গুলির খেলায় শু হারিয়ে ফেলে স্টেলা কে কিন্তু বিশ্বাস রাখে কোনো না কোনোদিন স্টেলা ঠিক ফিরে আসবে, যেদিন যুদ্ধ শেষ হবে, পৃথিবী শান্ত হবে। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

মঙ্গলবার, ১৩ জুন, ২০২৩

গ্রন্থালোচনা

বিষয় - গ্রন্থালোচনা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

আমার পড়া প্রিয় বই- অগ্নীশ্বর
লেখক- বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)


আমার পড়া সব বইয়ের মধ্যে অন্যতম প্রিয় একটি বই হলো বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায়ের (বনফুল) লেখা "অগ্নীশ্বর "। অগ্নীশ্বর লেখাটি তাঁর এক অনবদ্য সৃষ্টি। এই নামে সত্যিই কেউ ছিলেন কিনা সেটা গবেষণা সাপেক্ষ। তবে বনফুল নিজেই এর উত্তর দিয়েছিলেন। বনফুল সৃষ্ট অগ্নীশ্বর মুখোপাধ্যায় ছিলেন মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষক চিকিৎসক (১৮৮৫-১৯৬৫)। আসল নাম ছিল বনবিহারী মুখোপাধ্যায়। বনফুলের সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়েছিল রেলওয়ে মেডিক্যাল অফিসার পদে থাকার সময়। বনবিহারী চিকিৎসাশাস্ত্র আর সাহিত্য চর্চা সমান ভাবেই করতেন।  দৃঢ়চেতা মনোভাবের মানুষ ছিলেন তিনি। বনফুলের লেখায় তার যে ব্যক্তিত্বের ছবি পাঠক মনে ফুটে উঠেছে টা অকল্পনীয় হলেও কিছুটা বাস্তবতাও রয়েছে তার মধ্যে।

বইটি পড়ে আমার অনুভূতি খুব ছোট্ট করে লেখার মাধ্যমে ব্যক্ত করার চেষ্টা করছি।

অগ্নীশ্বর নাম টির মধ্যেই বোঝা যায় তিনি আগুনের মতোই উজ্জ্বল আর প্রখর ছিলেন। এইটুকুই মিল ছিল তার সাথে অগ্নির। তাঁর হৃদয়ের অন্ত:স্থলে একটা পরোপকারী, নিঃস্বার্থ, রোগী প্রেমিক মানুষ সর্বদা বিরাজ করত। কুসংস্কারের ঘোর বিরোধী ছিলেন তিনি। বাইবেলে মানুষকে ডিভাইন বললেও তাঁর চোখে মানবজাতি ছিল বোভাইন, পেজোমি আর বোকা বদমায়েশি র মিশেল। 
সব রোগী রোগিনী রা তার কাছে সমান ছিল। উচ্চ পদকর্তা রা ভাবতেন তাদের পদ মর্যাদার জোরে অগ্নীশ্বর কে দিয়ে স্পেশাল ট্রিটমেন্ট আদায় করাবেন, কিন্তু তা কোনোভাবেই সম্ভবপর ছিল না। রেলওয়ের হসপিটাল ছিল চেরিটেবল হসপিটাল, তাই কোনো কর্তা তাঁর কাছে স্পেশাল অ্যাটেনশন চাইলে বলতেন এই হসপিটালে লোকে ওষুধ ভিক্ষা করতে আসেন, আপনিও সেই জন্য এসেছেন। এর চেয়ে বেশি কিছু দাবী করবেন না। 
তাঁর রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি আর চিকিৎসা পদ্ধতি সত্যিই প্রশংসার দাবী রাখে। যে ভাবে তিনি তার চিকিৎসা নৈপুণ্যের জোরে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন তা সত্যিই মাখনের তালের মধ্যে ছুরির মতো। 
রেলওয়ের দুঁদে ইঞ্জিনিয়ার যোগেশ রক্ষিত কে যেভাবে উপহাসের পাত্র করেছিলেন,তাতে হাসা র ছিল না কোনো মানা। রেলওয়ের ডি টি এস স্কট সাহেবকে তার  উদ্ব্ত্যের জন্য নাকানি চোবানি খাইয়ে ছেড়েছিলেন। অগ্নীশ্বর কে মিস্টার স্কট তার স্ত্রী কে দেখার জন্য টেলিগ্রাম করেছিলেন, কিন্তু তাতে প্লীজ লেখা না থাকার জন্য অগ্নীশ্বর যান নি আর হসপিটালে অ্যাপেন্ডিক্স এর অপারেশন করাটা তাঁর কাছে বেশি ইমার্জেন্সী মনে হয়েছিল। তাই পাঠিয়েছিলেন তাঁর সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট সার্জন ডাঃ লতিফকে। মিস্টার স্কট যে দুর্ব্যবহার করেছিলেন ডা: লতিফের সাথে সেটা অগ্নীশ্বর ভোলেন নি। কিছুদিন পর বদলা নিয়েছিলেন ঠিকই তিনি। রেলের কর্মচারী দের আনফিট সার্টিফিকেট দিয়ে রেলের কর্মব্যবস্থা কে মুখ থুবড়ে মাটিতে ফেলে দিতে পিছপা হন নি। স্কট আই জি সাহেব কে অভিযোগ করলেও অগ্নীশ্বরের বিরুদ্ধে কোনো স্টেপ নেওয়া হয়নি। এরকমই দোর্দন্দপ্রতাপশালী ব্যক্তি ছিলেন অগ্নীশ্বর।

এবার বলি অগ্নীশ্বরের সাহিত্য চর্চা নিয়ে। বনফুল কে তিনি উপহার দিয়েছিলেন " *আধুনিক পঞ্চকন্যা* " লেখাটি, যেটা বনফুল পড়েছিলেন এফ আর সি এস করতে স্কটল্যান্ড যাওয়ার সময় জাহাজে বসে।লেখাটিতে পুরাকালের পাঁচ জন নারীর যেমন উল্লেখ ছিল তার সাথে অগ্নীশ্বরের বাস্তব জীবনে দেখা পাঁচ জন নারীরাও স্থান পেয়েছিল। বাস্তবের পাঁচ নারীর প্রত্যেকের ঘটনাই মনে আঁচড় কেটেছিল। এই পাঁচজনের মধ্যে সুছন্দা চরিত্র টি অন্যতম ছিল আমার কাছে। 

বিদেশ থেকে ফিরে বনফুল অনেক খোঁজ করেছিলেন অগ্নীশ্বর এর, কিন্তু পাননি তার সন্ধান। 
অগ্নীশ্বরের ছেলের সাথে যোগাযোগ করে একটি চিঠির দেখা মেলে যাতে লেখা ছিল সংসারের গণ্ডিতে আবদ্ধ থাকতে চাননি তিনি। তাই ছেলের হাতে সব দায়িত্ব ছেড়ে তিনি গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দিলেন। বনফুলের চোখে যেমন অগ্নীশ্বর অমর, আমার চোখেও তাই। এরকম দৃঢ়চেতা, মহানুভব আত্মার বিনাশ কোনোদিন ই হয় না, হবেও না।
শেষ করবো অগ্নীশ্বরের কিছু উক্তি দিয়ে। পা সবারই আছে, তা বলে সেটা সবাইকে চাটতে হবে এমন কোথাও লেখা নেই।
আর একটি উক্তি ছিল - উপকার হলো "a sort of exhibitionism" তাই যখন চাগাড় দেয় তখন বে - এক্তার করে দেয়। তাই যথাসাধ্য লুকিয়ে করি।

অগ্নীশ্বর কে আদর্শ করে তাই পথ চলার চেষ্টা করি।
 
--- ©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস 😊

পাঠ প্রতিক্রিয়া ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

পাঠ প্রতিক্রিয়া
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
বইয়ের নাম - জাল
লেখক - মোহাম্মদ নাজিমুদ্দিন

সম্প্রতি পড়ে শেষ করেছি জাল নামের গল্প বইটি। থ্রিলার প্রেমীদের জন্য আদর্শ একটি বই। কিভাবে একজন নামকরা ব্যারিস্টার কে মিথ্যে খুনের অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে আর এক্স ডিবি কে এস কে এর ক্ষুরধার বুদ্ধি আর জটিল পাসলস সলভ করার নৈপুণ্যতায় ব্যারিস্টার রক্ষা পায় শেষ অব্দি সেটাই গল্পের মূল বিষয়। আরও কিছু বিশেষ চরিত্র হলো ডা: মামুন, রফিক, মাহবুব এনারা। আসল খুনি কে ছিলো! খুঁজে বের করতে গিয়ে নাজেহাল হন ডিবি ইনভেস্টিগেটর আমিনুল আর তার সহকারীরা। তাই মাঝে মধ্যে শরনাপন্ন হতেন কে এস কে এর কাছে। এদিকে ব্যারিস্টার নিজেও আলাদা ভাবে কে এস কে এর কাছে যান নিজেকে উদ্ধার করার জন্য। ব্যারিস্টার জানায় একটা জালে তিনি ক্রমাগত আটকা পড়ে চলেছেন। শেষ পর্যন্ত বুদ্ধির জোরে কে এস কে উদ্ধার করেন ব্যারিস্টার কে জাল থেকে। দুর্দান্ত এক থ্রিলার, আর টানটান উত্তেজনায় ভরপুর এই বইটি। আশা করি সকলের ভালো লাগবে।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস




মঙ্গলবার, ৯ মে, ২০২৩

শিরোনাম-লহ প্রণাম ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 শিরোনাম-লহ প্রণাম 
✍️ ডা:অরুণিমা দাস


প্রণমি তোমারে অন্তর হতে,প্রিয় কবি হে মোর 
হিয়ার মাঝে সদা প্রাণবন্ত তুমি,তোমার কণ্ঠস্বর।

স্কুলের পথ ভুলেছ, সৃষ্টি করেছো অসামান্য রচনা
লেখালিখির চেষ্টা করি সামান্য,তুমি যে অনুপ্রেরণা।

জটিল জীবন সহজ হয়,তোমার লেখায় আর গানে
আশার আলো সঞ্চার হয় অন্ধকারের মধ্যিখানে।

দিকে দিকে চলছে যে পঁচিশে বৈশাখ উদযাপন 
আজ তোমার জন্মদিনে জানাই সশ্রদ্ধ অভিবাদন।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

মঙ্গলবার, ২ মে, ২০২৩

শিরোনাম- শ্রম দিবস✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম- শ্রম দিবস
✍️ ডা:অরুণিমা দাস 

নিঃশব্দে কাজ যে করে চলে ওরা
মাথার ঘাম পায়ে ফেলে, দিবারাত্র সারা।

তাদের জানাতে সম্মান
একটি দিন বরাদ্দ কেবলি
বাকিদিন ওদের কে ভুলি সকলি।

যথাযোগ্য মূল্যায়ন হোক এদের অক্লান্ত পরিশ্রমের
শুধু মে দিবস নয়,বাকী দিনও শ্রদ্ধা জানাই শ্রমজীবীদের।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস




শুক্রবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৩

শিরোনাম- বৃষ্টি তুমি ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম- বৃষ্টি তুমি                                            ✍️ ড: অরুণিমা দাস                              
               
বৃষ্টি তুমি তো প্রকৃতির এক অপরূপ সৃষ্টি         
 নামো যখন অঝোর ধারায় দেখতে লাগে খুব মিষ্টি।    
   
গ্রীষ্মের দাবদাহে ক্লান্ত যখন এই ধরাভূমি         
সবার মনে দোলা দিতে আসো তুমি।          
            
একটু ঠাণ্ডা হবার অপেক্ষায়,                                 ধরণী তোমার আসার দিন গুনে যায়।
         
যখন বারিধারা হয়ে ঝরে পড়ো
এই শুষ্ক ধরণীর বুকে প্রাণের সঞ্চার করো।      
   
তোমার প্রতিটি ফোঁটায় থাকে প্রাণের স্পন্দন        এই ধরণী তাই হয়ে ওঠে তোমার ক্রীড়াঙ্গণ।     
             
মাঠ ঘাট যখন তুমি জলে ভরো                     
তোমারি অপেক্ষায় থাকা চাতকের তৃষ্ণা তুমি হরো।  
   
প্রতি গ্রীষ্মের শেষে তাই তোমার আসার প্রহর গুনি। 
বর্ষা তুমি এসে প্রতিবার করে যাও আমাদের ঋণী।
   
তোমার ঋণ মেটাতে আজ ধরার কাছে আমার অঙ্গীকার          
গাছ লাগাবো,গাছ বাঁচাবো বৃষ্টি তোমায় আনতে প্রতিবার।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৩

সঠিক নাকি সুহৃদয়✍️ ডা: অরুণিমা দাস

সঠিক নাকি সুহৃদয়
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

কোনো কোনো সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে গেলে কঠোর হৃদয়ের পরিচয় দিতে হতে পারে। জীবনের চড়াই উতরাই তে আমরা নানা ঘটনার সম্মুখীন হয়ে থাকি। সেখানে অনেক ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। হয়তো এমন এক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো যাতে বাস্তবতা কে জড়িয়ে ধরতে গিয়ে হৃদয়হীনতার পরিচয় দিতে হলো। তার চেয়ে যদি হৃদয় দিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, যাতে সহৃদয়তার পরিচয় দেওয়া যায়, সেটা সঠিক সিদ্ধান্ত অনেক ক্ষেত্রে নাও হতে পারে। আবার সহৃদয়তার সাথে আপোষ করে কোনো সিদ্ধান্ত নিলে সেটা যথাযথ হতে পারে, এবং বেশির ভাগ সময় সেটা সঠিক সিদ্ধান্ত হয়ে থাকে। সিদ্ধান্ত যেমন ভাবেই নেওয়া হোক তাতে যেনো মানবিকতার ছোঁয়াটুকু লেগে থাকে,এটাই সকলের কাম্য হওয়া উচিত। 

"প্রয়োজন বিশেষে সঠিক হও বা হও যদি সুহৃদয়
  সিদ্ধান্ত  হোক তোমার সদা প্রাণবন্ত,কল্যাণময়"।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৩

শিরোনাম - বন্ধুর মতো ✍️ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - বন্ধুর মতো
✍️ডা: অরুণিমা দাস

বিশ্বাস করো কাকে! সে কি বন্ধু সত্যিই তোমার?
গোপনে সে করে ফন্দি,  তোমায় ফাঁদে ফেলবার।

গলা জড়িয়ে তোমার করে সে দারুণ নাটক
বুঝতেও পারবেনা তুমি পড়েছো তার জালে আটক।

মিষ্টি হেসে পেছন থেকে যখন সে চালিয়ে দেবে ছুরি
সম্বিত ফিরলে দেখো রক্তাক্ত শরীর-হয়ে গেছে তখন অনেক দেরী!

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩

শিরোনাম - বর্ষবরণ ✍️ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম - বর্ষবরণ
✍️ডা:অরুণিমা দাস

বছর শুরুর প্রথম দিনে চলছে বৈশাখী বরণের আয়োজন
নববর্ষ,হালখাতা- আনন্দ উৎসবে মেতে উঠেছে জনসাধারণ।

পুরনো সব দুঃখ ভুলে,ভেদাভেদ সকল দূরে সরিয়ে ফেলে
জাতিধর্ম নির্বিশেষে বাঁচো নতুনের আশায় মনের আগল খুলে।

আকাশ বাতাস মুখরিত,বঙ্গবাসী গাও নববর্ষের জয়গান
ফুল,ফলের গন্ধ প্রকৃতিতে মিশে,সাথে পাখির কলতান।

নতুন বছরের প্রথম দিনে সকলকে জানাই প্রাণভরা
শুভেচ্ছা
ভালো কাটুক এই বছর, পূর্ণ হোক মনের সকল ইচ্ছা।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৩

শিরোনাম - বহুরূপী✍️ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - বহুরূপী
✍️ডা: অরুণিমা দাস

বহুরূপী আমি,প্রকাশ আমার নানা ছদ্মবেশে
আয় যা হয় দিন চলে যায় কায়ক্লেশে।

আনন্দ দিতে পারি আমি সকলকে
রংচং দিয়ে চাপা রাখি মনের কষ্টকে।

যেমন খুশী সাজতে যে আমি পারি
জীবন সংগ্রামে লড়তে কভু যেনো না ডরি।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শনিবার, ১ এপ্রিল, ২০২৩

এপ্রিল ফুল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

এপ্রিল ফুল
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

এপ্রিল ফুল হলো ইংরাজী বছরের এমন একটা দিন(১ লা এপ্রিল),যখন এক মুহূর্তের জন্য হলেও বোকা হতে ভালোবাসেন পৃথিবীবাসী। এ এক সার্বজনীন বোকা বানানোর উৎসব। প্রশ্ন ওঠে? একটাদিন। তারপর সেই পরশ ধরেই এগিয়ে চলে স্মৃতির বস্তা বোঝাই গাড়ি।
পয়লা এপ্রিল। বছরের ৯২ তম দিন। পথ চলা তখনও অনেক বাকি। ১৫৬২। পোপ গ্রেগরি খ্রিস্টানদের জন্য আনলেন নতুন ক্যালেন্ডার। এর আগে পর্যন্ত নতুন বছর পালিত হতো এপ্রিল ১ এ। এই পরিবর্তনের খবর গোটা পৃথিবীর জানতে লেগে গিয়েছিল বিস্তর সময়। মানুষ তখনও এপ্রিল ১ কে কেন্দ্র করেই পাঠিয়ে চলেছে শুভেচ্ছা বার্তা। আর সেগুলোই জমা হয়েছে মজার দিনের গল্প হিসাবে।
এই ছিল গল্প এক। গল্প, কারণ ইতিহাস আজও এই ঘটনার কোনও জ্যান্ত দলিল প্রকাশ করে উঠতে পারেনি।

এবারে গল্প দুই - রোমান মৃত্যুর দেবতা প্লুটো স্ত্রী পারসিফনকে অপহরণ করে আনলেন। এবারে পারসিফনের মা দেবী সেরিস মেয়েকে অনেক খোঁজার চেষ্টা করেন। কিন্তু পাননা। মেয়ের ঠিকানা তখন পাতালপুরী। সেরিস দেবী হলেও পেরে ওঠেননি মেয়েকে খুঁজতে। এক মায়ের বোকামি স্মরণ করে ১ এপ্রিল পালন করা হয় বলে অনেকে মনে করেন।

ব্রিটিশ লোককথা- ব্রিটেনের নটিংহ্যামশায়ারের 'গথাম' শহর, বোকাদের শহর। তেরো শতকের দিকে নিয়ম ছিল,ব্রিটেনের রাজা যেখানে যেখানে পা রাখবেন তা রাষ্ট্রের সম্পত্তি। গথামবাসীরা শুনলেন রাজা আসছেন শহরে। ঠিক হলো বন্ধ হবে রাজ যাত্রা। তাঁরা কিছুতেই গথামকে হারাবে না। রাজার কানে খবর গেলো। সৈন্য পাঠালেন।
সৈন্যরা এসে দেখেন প্রবেশদ্বার থেকেই সারা শহরে হুলস্থূল কাণ্ড। সব বাসিন্দা বোকার মতন কাজ করে চলেছেন। রাজা বললেন, এমন বোকাদের শাস্তি দেওয়া যায় না। তাই মাফ করে দিলেন। গথাম থেকে গেলো চিরতরে মুক্ত। এই "ট্রিক" স্মরণেই এপ্রিল ফুল। ১৫৩০ সালের ১ এপ্রিল। জার্মানির অগসবারগ শহরে একটা আইনি মিটিং হওয়ার কথা। এই মিটিং নিয়ে তোড়জোড় চলছিল জোরকদমে। কিন্তু মিটিংয়ের দিন তারা জানতে পারলেন খবরটা ভুয়ো।
মিটিং এর ফলাফল নিয়ে সাধারণ মানুষের মাথায় ছিল এক আকাশ চিন্তা। যতই হোক আগামী দিনের আইনি স্বাধীনতা কতটা সাধারণ মানুষের ঝুলিতে, এই নিয়েই ছিল আলোচনা? কিন্তু আমলারা কই? কিছু অত্যন্ত চালাকরা আগে থাকতে এই মিটিং এর ফলাফল জানতে চেয়ে অনেক টাকা এক বাজিকরের কাছে পারিশ্রমিক হিসেবে দিয়ে বসে। পাওয়া গেলো না তাঁকেও। অর্থাৎ টাকা গচ্চা গেলো। এই ঘটনাও হতে পারে এপ্রিল ফুলের উৎস লেখনী।

১৫৭২ সালের ১ এপ্রিল। হল্যান্ডের ডেন ব্রিয়েল শহরটাকে লর্ড আল্ভার স্প্যানিশ শাসন থেকে মুক্ত করে ডাচ বিদ্রোহীরা। এইদিন তারা লর্ড আল্ভাকে পুরো বোকা বানিয়ে ছাড়ে। তাঁকে  স্মরণ করেও এপ্রিল ফুল পালিত হতে পারে। মূলত এই ঘটনার পর অনেক জায়গায় বিদ্রোহ সোচ্চার হয় আর স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা আদায় করে হল্যান্ড। 
বড়ো বড়ো দেশে এরকম ছোট ছোট ঘটনা ঘটেই থাকে। এরকম ছোট ছোট ঘটনাই আজ একত্র হয়েছে। রিইউনিয়ন। অনেকাংশ সহমত হবেন কি না জানিনা,এরকম বোকা বনে যাওয়ার ঘটনা গুলোই দু কলি হাসিয়ে তোলে কখনও,মনের অজান্তেই।
তবে বর্তমানে এই দিবস পালনের যৌক্তিকতা কি আদৌ আছে? প্রশ্ন যুক্তিবাদীদের। মানুষকে মিথ্যা বলে ঠকানো বা বোকা বানিয়ে মজা পাওয়া মানেই বোকামি। মিথ্যা বলা কোনও সভ্য সমাজ মেনে নেয়না। তাই মিথ্যা বলে মানুষকে বোকা বানানো কোনও উৎসবের নামান্তর হতে পারেনা। পরিশেষে খেয়াল রাখতে হবে এত্ত রোম্যান্টিসিজম অন্য কারও আবেগে আঘাত না করে বসে। যাঁরা অধীর আগ্রহে থাকেন কীভাবে এই দিনে কাছের জনকে বোকা বানাবেন, তাঁদের জন্যে এই শেষটুকু।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস



মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০২৩

শিরোনাম - ঠোকাঠুকি✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - ঠোকাঠুকি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

মাথায় মাথায় ঠোকাঠুকি, শিং গজালো বলে
মেয়েটির দিকে তাকিয়ে হেসে বলে ফেললো ছেলে।

গজাক না হয় শিং,যেনো সংসারেতে ভাঙন না ধরে
ধরবে না,রাখবো তোমায় আগলে আমার ভালোবাসার জোরে। 

দেখবো কিভাবে আগলাও আমায়, সময় বলবে কথা
আপন করে মোরে এখন,পরে দিও না কোনো ব্যথা। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০২৩

শিরোনাম - নেশা ✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - নেশা 
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

ডিপার্টমেন্টের মক এক্সাম শেষ করে সোজা বন্ধুদের সাথে কফি হাউসে গেলাম। পেটে ছুঁচো ডন মারছিলো। স্নাকস আর কফি অর্ডার করা হলো। ঘণ্টা খানেক পর বন্ধুরা বললো আজ উইক এন্ড তো! বার গুলো তে হ্যাপি আওয়ার দিচ্ছে, এক্সামের পর একটু নেশা না করলে হয়!! আমি সায় দিলাম না,ওরা লেগ পুল করতে লাগলো আমার। আমি বললাম তোরা যা তোদের নেশা করার জায়গায়,আমি যাই আমার নেশার জায়গায়। হেসে উঠলো তারা, বললো তোর নেশার জায়গা! কোথায় সেটা? চল দেখি একবার। আমি ওদের পাত্তা না দিয়ে সোজা ঢুকলাম কলেজ স্কোয়ারের উল্টোদিকে অভিযান বুক ক্যাফে তে। ঢুকে দেখি আমি একা, কেউ নেই পেছনে। হাসলাম মনে মনে, জানি তো এসব জায়গা দেখে বন্ধুরা পালিয়েছে। নিজের পছন্দের বই কিনলাম। কিছু বইয়ের অর্ডার দিয়ে এলাম। ফাইনাল পরীক্ষার পর সোজা যাবো অভিযান ক্যাফেতে বাকি বই গুলো কিনতে। সবাই অন্য নেশায় মত্ত থাক, আমি আমার মতো করে নেশা করি। কারোর কথায় এখন আর কিছু যায় আসেনা আমার। নিজের লড়াই, নিজের ভালোলাগা সম্পূর্ন একার, নিজের।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

মোদের গর্ব বাংলা ভাষা✍️ডা: অরুণিমা দাস

মোদের গর্ব বাংলা ভাষা
✍️ডা: অরুণিমা দাস

অ দিয়ে শুরু বাংলা বলা, মাতৃভাষা আমাদের
বাংলায় কথা কওয়া কতই না গর্বের।

প্রকৃতি যে রয়েছে বুঁদ বাংলা অভিধানে
গাছের ডাল তাই পরিপূর্ণ বাংলা স্বরবর্ণে।

বাংলা ছাড়া কবিতা লেখা যে অসম্পূর্ণ
জ্ঞান ভান্ডার হোক বাংলা দ্বারা পরিপূর্ণ।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ, ২০২৩

শিরোনাম - লক্ষ্মী অর্চনা✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - লক্ষ্মী অর্চনা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

ভক্তিভরে অনাড়ম্বরে পুজি লক্ষীমাতারে
রেখো তুমি সর্বদা সরল মতি মোরে।

স্বল্প আয়োজনে জানাই তোমারে প্রণাম 
আলো করে থেকো,ছেড়ো না মোর ধাম। 

যেনো না হই লোভের বশবর্তী কভু,না করি কাজে ছেদ
স্বল্প উপার্জনেই থাকি যেনো সুখে,মনে না থাকুক খেদ।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বুধবার, ৮ মার্চ, ২০২৩

নারী স্বাধীনতা- অপেক্ষার হোক অবসান ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

নারী স্বাধীনতা- অপেক্ষার হোক অবসান
 ✍️ ডা:অরুণিমা দাস


স্বাধীন ভাবে বাঁচতে তো চায় সবাই,পায় কি কেউ পূর্ণ স্বাধীনতা
নারীরা আজও পুরুষদের পদদলিত, পুরুষরাই সমাজের হোতা।।

পুরুষ শাসিত সমাজে নেই কি তার স্বাধীন ভাবে বাঁচার অধিকার
সকলের মত সমাজে নারীও গলা তুলে কথা বলার দাবিদার।।

দেশকে স্বাধীন করতে যারা পুরুষের সাথে হাতে হাত ধরে চালিয়েছে সংগ্রাম
সেই মাতঙ্গিনী, সরোজিনী র দেশে কোনো নারী কুড়োবেনা কোনো বদনাম।।

নিজের জীবনে স্বাধীনতার স্বাদ নিতে,আশায় বুক বেঁধে চলছে নারীদের লড়াই
স্বাধীনতা যেদিন তুমি পূর্ন রূপে ধরা দেবে নারীর জীবনে,সেদিন বদলে যাবে জীবনের মানেটাই।।

তুমি আসবে বলেই সেই অপেক্ষায় দিন গুনে চলে সব নারী
আসবে যখন সমাদরে তুমি,খুশিতে মাতবে সবাই, অবসান হবে নিশির এই আশাই করি।।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

সোমবার, ৬ মার্চ, ২০২৩

ছবি দেখে মনের কথা✍️ ডা: অরুণিমা দাস

ছবি দেখে মনের কথা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস


১ কথোপকথন

অনি - রঙে রঙে রঙিন চারদিক,চোখে অনেক স্বপ্ন নিয়ে এসেছি শান্তিনিকেতনে
রিমি - চল মোরা আজ মেতে উঠি বসন্তের ছোঁয়া লাগা এই ফাল্গুনে।

অনি - আজ আবিরে রাঙাবো তোকে,রাখবো নিজের বাহুডোরে।
রিমি - যতই আবির মাখাস, রাঙাবি যেদিন সিঁথি আমার, পাবি আমায় নিজের করে। 


২ দশ শব্দের বাক্য গঠন

হোলির রঙে রঙিন,আজ  পড়াশোনা ফাঁকি, উঠুক মেতে কচিকাঁচাদের দল।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০২৩

শিরোনাম - পাওয়ার অফ উইল পাওয়ার✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - পাওয়ার অফ উইল পাওয়ার
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

জীবনে কিছু পেতে গেলে বা সাফল্য অর্জন করতে হলে ইচ্ছে শক্তির অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু পুরোটাই আবার ইচ্ছে শক্তির জন্য হয় না, ভাগ্যের সহায়তাও দরকার। দুটোর সম্মিলিত প্রয়াসে কাজের ক্ষেত্রে সফলতা আসে। শুধু ভাগ্যের ভরসায় যেমন সব কিছু ছেড়ে দিলে চলে না তেমন ইচ্ছেশক্তি দিয়েও সবটা করা সম্ভব নয়। কোনো কাজের জন্য যেমন কিছু শতাংশ ইচ্ছেশক্তি আর পরিশ্রমের প্রয়োজন, বাকি শতাংশ ভাগ্যের সাথ ও প্রয়োজন। অনেকেই অনেক পরিশ্রম করার পরও সাফল্যের সিড়ি চড়তে পারে না, কারন ভাগ্য ভালো থাকে না। 
কিছু ক্ষেত্রে ইচ্ছেশক্তির সহায়তায় ভাগ্য পরিবর্তন করা যায়, সেটাও একটা বাস্তব সত্যি কথা। ইচ্ছেশক্তির ভূমিকা অনেক বেশি, কথায় আছে ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়। সেই উপায় বের করে তবেই ভাগ্য পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব হয়। 
ইচ্ছেশক্তি আর ভাগ্য একে অপরের পরিপূরক। দুটোর সাথ দেওয়ার ওপর ভিত্তি করেই সাফল্য ধরা দেয় কারোর কাছে। কিন্তু ইচ্ছেশক্তির গুরুত্ব সব সময় বেশী, কিছু ক্ষেত্রে ভাগ্য সাথ না দিলেও ইচ্ছে শক্তির বশে অনেক দুরূহ কাজ ও সম্ভবপর হয়ে ওঠে। 

 "ইচ্ছেশক্তির বশে ভাগ্যদেবীও যে হন কখনো সুপ্রসন্ন
পাবেনা ভেবেছো যা,পেতেই পারো ইচ্ছেশক্তির জন্য।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ, ২০২৩

শিরোনাম - ভ্যালেন্টাইন ডে✍️ ডা:অরুণিমা দাস


 শিরোনাম - ভ্যালেন্টাইন ডে
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

রাস্তার ধারে বসেছে সারি সারি গোলাপের দোকান
বলছে লোকে গোলাপ দিয়ে ভালোবাসা জানান।

গোলাপ হোক,চকোলেট হোক কিম্বা হোক টেডি বিয়ার
ভালোবাসতে হলে এসব তুচ্ছ, চাই সুন্দর মন,ডিয়ার। 

মুখে লাভ ইউ না বলে করে দেখাও কাজে 
কেয়ার ফর ইউ,থাকে যেনো  মনের মাঝে। 

ভালোবাসার সঙ্গীকে আগলে রেখ,দিও যথাযথ সম্মান
প্রতিদিন হবে ভ্যালেন্টাইন, পাবে হাতে নাতে তার প্রমাণ।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

চা ফোন আর পেপার ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

 চিত্রালোচনা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

ধোঁয়া ওঠা গরম চা,সাথে যতই থাক ফুল চার্জড অ্যান্ড্রয়েড ফোন
নেশা জমাতে চায়ের সাথে নিউজ পেপার ই জয় করেছে সবার মন।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

বোধবুদ্ধি✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 বোধবুদ্ধি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

নেশায় বুদ হয়ে নন্দী ভৃঙ্গী দের নিয়ে মহাদেব ব্যস্ত কৈলাসে। মর্ত্যে শিব রাত্রি, সেই উপলক্ষ্যে কৈলাস সেজে উঠেছে। দুর্গা গোছাতে বসেছেন লাভ ম্যারেজের অ্যানিভার্সারী গুলোতে কি কি জিনিস পত্র পেয়েছিলেন সেইগুলো। কিন্তু এতো কোলাহল চলছে যে নিজের কাজ করতে পারছেন না মন দিয়ে। ওদিকে বৃষ আবার সকাল থেকে মুখ গোমড়া করে আছে, কিছুতেই স্নান করবেনা ঠান্ডায়। মহাদেব তাই তার জন্য গিজার লাগানোর কাজে বিশ্বকর্মাকে তলব করেছেন। নারদ আবার কৈলাস ফার্মেসি থেকে সর্দি কাশির ওষুধ এনে দুর্গাকে দিলেন। স্বামীর ঠান্ডা লাগবে জল গায়ে লেগে,তাই এই তৎপরতা। নন্দী মনের সুখে গাঁজা টানছে আর সাপ্লাই দিয়ে যাচ্ছে মহাদেবকে। হঠাৎ করে মাথায় জল পড়ায় নেশা কেটে গেলো। বেশ কিছুক্ষন জল পড়ার পর কেমন যেনো একটা অস্বস্তি বোধ হলো মহাদেবের,চামড়ায় কি সব বেরোচ্ছে যেনো! নন্দী ছুট্টে গিয়ে দুর্গাকে ডেকে আনলো। উনি হায় হায় করে এসে বললেন কি হলো এসব? নেশার ঘোর কেটেছে কিছুটা তখন মহাদেবের, বললেন আর কি গিন্নী? তোমার ভক্তরা মর্ত্যের জল দূষিত করেছে, তাই এসব হয়েছে। সব তো বড়ো বড়ো বাড়ী, কারখানা গড়তে ব্যস্ত। তা নালা নর্দমা সব বুজিয়ে ফেলে আবর্জনা সব যাবে কোথায়? চলো তোমায় ভালো করে সাবান দিয়ে স্নান করিয়ে দিই, দুর্গা বললেন। এই বছর যখন অক্টোবরে মর্ত্যে যাবো সবাইকে বলে আসবো পরিবেশ দূষণ যেনো রোধ করে। কারণ তোমার কিছু হলে আমি আর তো মর্ত্যেও পা রাখবো না। এই জন্যই তো তুমি আমার সেরা গিন্নী। এতো লোক আছে,এসব কি বলছো? লজ্জা বলে কিছু নেই তোমার! আরে ওসব নারী দের ভূষণ, আমার নেই ওসব। তুমি যে ভক্ত দের থেকে চোখ সরিয়ে স্বামীর সেবা করছো এটা কি কম বড়ো কথা! দুর্গা লজ্জা পেলেন। মহাদেব বললেন যারা এত কষ্ট করছে আমার মত স্বামী পাওয়ার জন্য তাদের জন্য একটাই আশীর্বাদ করি, সবাই যেনো মনের মানুষ পায় আর সুখী হয়। মুখে হাসি ফুটলো দুর্গার আর সমস্ত কৈলাস মহাদেবের জয়গানে মুখর হয়ে উঠলো। 

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

শিরোনাম - ম্যাজিক অফ মেলোডি✍️ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম - ম্যাজিক অফ মেলোডি
✍️ডা:অরুণিমা দাস

গান আমাদের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে আছে। গানের লিরিক্স গুলো শুনতে শুনতে তার সাথে একাত্ম হয়ে গেলে জীবনের মানে অন্য রকম হয়ে যায়। বুদ্ধিভিত্তিক অংশ সেরিব্রাম গানের কথার সাথে আগেকার স্মৃতি, জ্ঞান,চরিত্র ও ঘটনাকে তুলনা করে, শরীরের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণের অংশ সেরেবেলাম শরীরকে স্থির করে অথবা গানের বাজনার সাথে চালনা করে এবং হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতি মুহূর্তে গান আমাদের বাঁচার অনুপ্রেরণা যোগায়। কাজে এনার্জি পেতে গান দরকার। মানুষের মনে সুখানুভূতি সৃষ্টির অন্যতম কৌশল হলো সঙ্গীত। সুর আমাদের হৃদয়কে উদ্বেলিত করে তোলে,মনোযোগ দিতে সাহায্য করে এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাস রোধ করে।


নিউরোলজিস্টদের মতে, মস্তিষ্ক কাজ করে ছন্দের মাধ্যমে। গান শোনার ফলে মস্তিষ্কে আলফা ও থিটা তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। আলফা ও থিটা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক এবং থিটা তরঙ্গ প্রবাহের ফলে কর্টিসল হরমোনের প্রবাহ হ্রাস পায়। এই কর্টিসল স্ট্রেস হরমোন হিসেবে পরিচিত,যা মনোসংযোগ ব্যহত করে,দুঃখ ও দুশ্চিন্তার অনুভূতি জাগায়। তাই সুর শোনার ফলে মানসিক চাপ হ্রাস পায়। ছোট বেলায় গান চর্চা করলে ঐ ব্যক্তির শব্দপ্রক্রিয়া করার ক্ষমতা সাধারণের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে।সুর মানুষকে শান্ত ও ধীরস্থির করে তোলে। তবে গান শোনার চেয়ে বাদ্যযন্ত্র বাজানোর ফলে মস্তিষ্ক আরও বেশি তৎপর হয়ে থাকে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে উচ্চমানের গীত সৃষ্টির সময় মস্তিষ্কের অল্প অংশ সক্রিয় থাকে,নিউরাল কানেকশন কম থাকে। ফলে বাড়তি শক্তি জমা হয় এবং এই শক্তি ব্যবহার নিউরাল সার্কিটকে আরো সক্রিয় করে তোলে ও সঙ্গীত মস্তিষ্ককে ক্ষুরধার করে তোলে।


সার্বিক জনসংখ্যার তিন থেকে পাঁচ শতাংশ মানুষ সঙ্গীত ঘৃণা করে,একে বলা হয় মিউজিক্যাল অ্যানহেডোনিয়া। এ ধরনের মানুষের মস্তিষ্কের রিওয়ার্ড সিস্টেমের সাথে শ্রবণ অংশের যোগাযোগ কম।
সঙ্গীত শিল্পের চমৎকার একটি মাধ্যম হলেও এর ক্ষতিকর কিছু দিক রয়েছে
কিছু গান মানুষকে আত্মহত্যার দিকে প্ররোচনা দেয় বলে জানা গেছে। Gloomy Sunday নামক একটি গান এই কারণে বহুল আলোচিত। অতিরিক্ত হেভি মেটাল শুনলে স্মৃতিশক্তি বাড়ার বদলে কমতে থাকতে পারে। সঙ্গীত কখনো কখনো হিংস্রতা উদ্বুদ্ধ করতে পারে।

বর্তমানে অ্যালজাইমার্স রোগের একমাত্র প্রতিকার মিউজিক থেরাপি। অটিজমে এর ব্যবহার করা যায় কিনা তা নিয়ে গবেষণা চলছে। ডিপ কোমায় থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে বর্তমানে মিউজিক থেরাপি দেয়া হয়ে থাকে।
এই জন্যই

বলা হয়ে থাকে গান মানুষের শরীরের জন্য একটি যাদু। যে যাদু হঠাৎ করে পৃথিবীর সব জরাজীর্ণতা,ক্লান্তি,অবসাদ,চাপ ও দুশ্চিন্তাকে প্রশমিত করে মনকে ফুরফুরে করে এবং কাজের জন্য আবার মনকে সজীব ও সতেজ করে।


সঙ্গীত মস্তিষ্কের ব্যায়াম। সুর,বাজনা ও কথার সাথে মস্তিষ্কের প্রায় সব অংশ উদ্দীপ্ত হয়।

"সঙ্গীতের মূর্ছনায় রয়েছে যে ম্যাজিক অফ মেলোডি
গানে জীবন হবে চাপমুক্ত,হবে না কোনো ট্র্যাজেডি।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস 




















বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

শিরোনাম -যোগ বিয়োগ✍️ ডা:অরুণিমা দাস

শিরোনাম -যোগ বিয়োগ
✍️ ডা:অরুণিমা দাস

জীবনে প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির খাতা খুলে বসতে গেলে মনে হয় যোগের খাতাটা যদি পূর্ণ থাকতো, আর বিয়োগের খাতা যদি ফাঁকা থাকতো কতই না ভালো হতো। কিন্তু শুধু প্রাপ্তির আনন্দে মেতে থাকলে অপ্রাপ্তির দুঃখটা অনুভূত হয়না ঠিক। প্রাপ্তিতে যেমন আনন্দ থাকে, তেমনি অপ্রাপ্তির দুঃখটাও অনেক কিছু শিখিয়ে যায়। জীবনে সব পেয়ে গেলে, সব আনন্দ যোগ হতে থাকলে বিয়োগের হিসেবে যে গরমিল থেকে যাবে। তাই জীবনে কিছু জিনিস যা নিজের জন্য ক্ষতিকর সেটা বিয়োগ হয়ে যাওয়াই শ্রেয়। যোগ আর বিয়োগের হিসেবে কখন যে পরিণত হয়ে সিড়িভাঙ্গা অঙ্ক কষে ফেলবো সেটাও বুঝতে পারা যাবেনা। ঝড় ঝাপটা সামলে জীবনে বড়ো হতে হতে বয়সের অঙ্কের যোগ বিয়োগে কেউ সাবলীল হয়ে উঠবে সেটাও একটা বড়ো ব্যাপার। জীবনে শেখার কোনো শেষ নেই, তাই যোগ বিয়োগ করতে করতে যখন কোনো অপ্রাপ্তি উপরওয়ালা পুষিয়ে দেন দ্বিগুণ ভাবে তখন যোগ বিয়োগ ছাড়াও গুণের অঙ্ক টাও শেখা হয়ে যায় নিজের অজান্তে। ভরসা থাক নিজের ওপরে, ঈশ্বরের উপরে। ঈশ্বরের সাহায্য ছাড়া জীবনে যোগ বিয়োগ গুণ ভাগ কোন কিছুই করা সম্ভব নয়। 

"যোগ বা বিয়োগ হোক কিম্বা হোক সিড়িভাঙ্গা শক্ত হিসেব
নির্ভয়ে কষে যাও,তবেই শিখবে জীবনের মানে- এই তো বাস্তব।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

সময়ে জেগে ওঠা প্রয়োজন✍️ ডা: অরুণিমা দাস

সময়ে জেগে ওঠা প্রয়োজন
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

সময়ের মূল্য বোঝার ক্ষমতা থাকাটা খুব দরকার সকলের। যে সময় চলে যায় সে আর কখনোই ফিরে পাওয়া যায়না। তাই বলা হয় -"সময় বহিয়া যায় নদীর স্রোতের প্রায়,যে জন নাহি বোঝে তারে ধিক শত ধিক"। সময় অসময় জ্ঞান থাকলে তবেই জীবনে এগিয়ে যাওয়ার পথে কোনো বাধা থাকেনা। 
ভালো মন্দের জ্ঞান থাকা দরকার, আর না থাকলে যাতে সঠিক সময়ে জ্ঞানচক্ষু উন্মীলিত হয় সেই চেষ্টাও থাকা উচিত। 
ঘুম থেকে অসময়ে উঠলে যেমন সেটা শরীরের জন্য খারাপ তেমনি সময় থাকতে চৈতন্য না হলে সেটা মন ও শরীর দুইয়ের জন্য ক্ষতিকারক। সময় সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকা আবশ্যক। নয়তো সময়ের স্রোতে কখনো নিজেকে হারিয়ে ফেলতে হয়। সময় থাকতে তাই ভবিষ্যতের কথা ভেবে সামনে পিছনে পা ফেলা উচিত। এমন যেনো না হয় সময় থাকতে তার মূল্য অনুধাবন না করতে পারার জন্য ঘুম যখন ভাঙলো তখন সময় অতীত হয়ে গেছে। বর্তমানে থেকেও ভবিষ্যতের জন্য ভাবার সময় বের করে নিতে হবে যাতে জীবন নির্দিষ্ট ছন্দে নিজের মতো করে চলে। শিখতে হবে সময়ের মূল্য দিতে,বুঝদার হতে হবে। 

"সময়ের মূল্য দিতে কাজে লাগাও এই বর্তমান সময়কে
জীবনটা পাল্টাতে ঠিক সময়ে জেগে ওঠো ঘুম থেকে"।

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

শিরোনাম - দুরত্ব✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - দুরত্ব ✍️ ডা: অরুণিমা দাস আধুনিকতা মানেই অন্যরকম একটা ব্যাপার, উন্নতির পথে এগিয়ে যাবার সিড়ি তৈরি করে দেয় আধুনিকতা। আজকাল কেউ আ...