# বিষয় - ছোটগল্প
# নাম- 'মায়ানমার-২'
✍ - মৃদুল কুমার দাস।
ঋত্বিক খাসকিল তক্কে তক্কে আছে। দিকমণি পাল স্যারকে কবে ঠিক গল্পের মুডে পাবে। স্বপ্নে দেখা মায়ানমার নিয়ে ঋত্বিক রচনা লিখে দিকমণি স্যারের বেশ প্রশংসা পেয়েছে। শুধু তাই নয় স্কুলের সব স্যার ও ম্যামের প্রশংসায় তার মনটায় এখন বেশ ফুরফুরে ভাব আসা যাওয়া করে। ঠিক করে রেখেছে সে মায়ানমার নিয়ে স্যারের কাছে একটা গল্প শুনবে। গোটা ক্লাসকেও বেশ উদ্বুদ্ধ করে রেখেছে ঋত্বিক। কিন্তু সময় সুযোগ কবে হবে তাই নিয়ে একটা উসখুসে ভাব মনের মধ্যে সদাই কাজ করে। এদিকে গ্রীষ্মের ছুটিও পড়ার সময় ক্রমশ এগিয়ে আসছে। তখন আর গল্প শোনার এরকম কি একটা আমেজ থাকবে! আবার এও সান্ত্বনা গল্প শোনার কোনো সময় অসময় হয়না। গল্প এমন একটা ভাব যা সবসময় সক্রিয় থাকে। শুধু গল্প বলিয়ের মুড থাকা চাই।
স্যারের ক্লাস মানেই আলাদা মজা। বেশ রসিয়ে রসিয়ে গল্প বলেন। কিন্তু স্যারকে দিয়ে কোনোদিন ভূতের গল্প বলানো যায়নি। একদিন তো পিকলু স্যারকে চেপে ধরল -
" স্যার একটা ভূতের গল্প বলতেই হবে। যেন ভয়ে প্যান্টে প্রস্রাব হয়ে যায়।"
" দূর পাগল এই দিনের বেলা, চারদিক জানলা দরজা খোলা। দিনের আলোর মাঝে ভূতের গল্প! ভূতের গল্প শুনতে হলে অমবস্যা রাতের ঘুটঘুটে জমকালো অন্ধকারে শ্মশানে যেতে হবে। কারা কারা যেতে রাজি বল আগামী পরশু অমবস্যা আছে, তাহলে তাদের নিয়ে আমি শ্মশানে যাবো। গল্প নয়, একেবারে চোখের সামনে ভূত দেখাব। রাজী? কে কে রাজী হাত তোল!" কথাগুলো এমন করে শোনাচ্ছেন দিকমণি বাবু যেন ভূতের সঙ্গে কন্টাক্ট করেই এসেছেন, ঋত্বিক হাসে মনে মনে এই ভেবে।
পিকলু বলে - " স্যার আমরা কেউ রাজী নয়। গত রবিবার পান্তি বুড়িকে ওখানে পোড়ানো হয়েছিল। বুড়ি খুব রাগী ছিল। বাচ্চাদের দেখলেই ঘাড় মটকাবে।" সমস্বরে সকলে বলে-
"হ্যাঁ স্যার আমরা রাজী নই। ভোলা বলে - স্যার কাল ন'কড়ি নাপিত ঐ শ্মশানের কাছ দিয়ে গিয়েছিল। সে একটা সাদা থান পরা বুড়িকে শ্মশানে ঘুরতে দেখেছে। তাই দেখে নকড়ি নাপিত ঘরে এসে ফিট লেগে গিয়েছিল। জগেন গুনিন এসে সেই ফিট ছাড়ায়। বরং আপনি একটা যেকোনো গল্প বলুন।" সেদিন আর গল্প শোনা হয়নি।
সেই থেকে গল্প শোনা বাকি থেকে গেছে। এই সুযোগে শুনতে হবে। আমরা বায়না ধরলে স্যার কোনোভাবেই রাজী না হয়ে পারবেন না। ঋত্বিক এভাবে সকলকে বলে কয়ে রাজী করিয়ে রেখেছিল। সময় এলেই কেবল সকলকেই গল্প শোনার বায়না ধরতে হবে।
আর ঠিক মোক্ষম সুযোগ স্যার নিজেই করে দিলেন। ঋত্বিককে ধরলেন দিকমণি বাবু-
"সেদিন যে বললাম মায়ানমার নিয়ে আরেকটা গল্প লিখতে। লিখেছিস?"
ঋত্বিক তখন স্যারকেই উল্টে অনুরোধ করল - "স্যার অপনিই বরং মায়ানমার নিয়ে একটা জবরদস্ত গল্প বলুন না, আমরা শুনব।" যেই না ঋত্বিকের প্রস্তাব শুনেছে সকলে সমস্বরে দাবি করে বসল - "হ্যাঁ স্যার আজ আপনার কাছে শুনব মায়ানমার নিয়ে গল্প।"
তখন তিনি বললেন -
"ঠিক আছে সকলে চুপচাপ বোস। বলছি।"
এই বলে মিনিট খানেক চুপ করে ভাবতে লাগলেন। ছেলেরা তখন একেবারে চুপটি করে বসে। আর স্যারের গল্প মানেই একটা আলাদা জমজমাট গল্পের আসর।
বললেন - " তোদের মায়ানমার নিয়ে আজ ইতিহাসের গল্প বলব।" এই বলে বলতে শুরু করলেন।
মায়ানমারের আরেক নাম বার্মা বা ব্রহ্মদেশ। এর আরো একটা প্রাচীন নাম পাই 'রমন্ন-দেশা'। অনেকের মতে এর থেকেই নাকি মন ও বর্মন জাতির উদ্ভব ঘটেছিল। আমাদের রামায়ণের সঙ্গে এই 'রমন্না- দেশা' নামের সঙ্গে যোগসূত্র খুব নিবিড়। এ থেকেও এই দেশের নাকি এমন নাম হয়েছিল।
আরো প্রমাণ পাই এই দেশের একটা বিরাট অংশ বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী ছিলেন। বৈষ্ণব ধর্মে অনুরাগী ছিলেন বহু রাজা রাজড়া। প্রাচীন বার্মার এক রাজা ছিলেন 'বেইকথানো',যা 'বৈকুন্ঠ' শব্দের অপভ্রংশ থেকে এসেছে অনুমান করা হয়। এছাড়াও 'শ্রীক্ষেত্র' নামে রাজা ছিলেন। কিংবা 'মৈইথ্যা'- মিথিলার রূপ।
'হংসাবতী' নামে এক বিখ্যাত রাজা ছিলেন। 'বেইকথানো' বা বৈকুন্ঠপুরকে 'রামান্না পুরা' বলা হয়। একে বর্তমানে 'বিষ্ণু সিটি' নামে অভিহিত করা হয়, কেননা এখান থেকে প্রচুর বিষ্ণু মন্দির পাওয়া গেছে বলে।
এই বৈকুন্ঠপুর,শ্রীক্ষেত্র ছিল 'প্যু' বা 'তিরকুল' সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত। এই সাম্রাজ্যের বেশিরভাগ রাজারা এদেশের গুপ্ত সাম্রাজ্যকে অনুসরণ করে শাসন করতেন। ব্রাহ্মণ ও বৈষ্ণবরা ছিলেন প্রবল প্রতাপশালী। রাজারা প্রবল অনুরাগী ছিলেন এই দুই সম্প্রদায়ের। হিন্দু বৈদিক সভ্যতার প্রভাব পড়েছিল এখানে। রামায়ণের প্রভাব তারই প্রমাণ।
পরে বৌদ্ধদের ধর্মের বিপুল প্রভাব পড়ে। স্বয়ং বুদ্ধদেব এখানে এসেছিলেন বলে বার্মাবাসীরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন। বিখ্যাত রাজা তিস্য নিজেকে হিন্দু রাজা নামে অভিহিত করেন। রাজত্বকাল ৭৬১ খ্রিস্টাব্দ। পরবর্তীকালে যত হিন্দু রাজা রাজত্ব করেছেন সকলেই একসাথে তিনটি ধর্মবিশ্বাসকে সমানভাবে নিয়ে চলতেন। যথা - হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম ও ব্রাহ্মণ্যবাদ। আরাকান রাজসভায় এই সর্বধর্মের সহাবস্থান ছিল। প্রমান দৌলতকাজি- 'লৌরচন্দ্রানী' ও আলাওলে- 'পদ্মাবতী' রচয়িতা দুই কবি আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন।
জনপ্রিয়তা সর্বশ্রেষ্ঠ ছিল বাল্মীকি রামায়ণ। যা বার্মিজ ভাষায় অনুদিত হয়। এর লিখিত নিদর্শন মেলে সপ্তদশ শতাব্দী থেকে। এর আগে মৌখিক চর্চা গানের আকারে ছিল।
আবার দশম শতাব্দীতে এক দূর্ধর্ষ মায়নাম নামক এক ঘোড়সওয়ার জাতি শাসন কায়েম করেছিল। তারাই নাম দেন মায়ানমার।
আমাদের এই পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষের সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশী দেশ। রাজধানী রেঙ্গুন। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এখানে চাকরি সূত্রে আবাসিক ছিলেন। তাঁর বহু উপন্যাসের ঘটনা ও চরিত্রের উৎস এই বার্মা। যেমন শরৎচন্দ্রের 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসের অনেকাংশই এই বার্মার পটভূমিতে রচিত। শ্রীকান্তের আড়ালে আসলে কথাশিল্পী শরৎচন্দ্রেরই নিজের কথা,তথা জীবনী পাই।
এছাড়া 'পথের দাবি' উপন্যাসের সব্যসাচী চরিত্রের আড়ালে সুভাষচন্দ্র বসুকে খুঁজে পাই। ওখানে শরৎচন্দ্রের পন্ডিত ম'শাই নামে খুব খ্যাতি ছিল।
এই বার্মা বা মায়ানমার ছাড়াও ইন্দোচীনের অন্তর্ভুক্ত দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশ যেমন- মালয়েশিয়া, সুমাত্রা, জাভা,বোর্নিও,বালিদ্বীপ, ফিলিপাইন্স, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়ার সঙ্গে ভারতবর্ষের খুব নিবিড় সম্পর্ক ছিল।
ব্রহ্মদেশ বা বার্মা বা মায়ানমার সবচেয়ে আয়তনে বড়। প্রায় দু'লক্ষ সাঁইত্রিশ হাজার বর্গমাইল জুড়ে এই দেশটি অবস্থিত। দৈর্ঘ্যে বারোশ' মাইল। প্রস্থে পাঁচশ' মাইল। ভারতবর্ষের খুব কাছাকাছি বলে জলপথ ও স্থলপথে এর সঙ্গে যোগাযোগ ভালো মতই ছিল। এখনো আছে।
এই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে আমাদের দেশের সংস্কৃতির অনেক মিল রয়েছে। অতি প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের দেশের বণিক, ধর্মপ্রচারক, নানা শ্রেণীর মানুষের সঙ্গে খুব যোগাযোগ ছিল। শরৎচন্দ্রের 'পথের দাবি' উপন্যাসের আড়ালে যে সুভাষচন্দ্র বসুকে সব্যসাচী রূপে কল্পনা করে চরিত্রটি সৃষ্টি হয়েছে,তা ব্রহ্মদেশের ভৌগলিক পরিচয় অনেক জানতে পারি। সুভাষচন্দ্র বসুর আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠনে বার্মিজদের খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এখনো আমরা আমাদের পুণ্যভূমি হিসেবে দেখি। এখানে রবীন্দ্রনাথ তিন তিনবার গিয়েছিলেন অপ্রতিরোধ্য আকর্ষণে।
দিকমণি বাবুর এক বন্ধু স্বপ্নিল থাকেন মায়ানমারের ইয়াঙ্গনে। তার ডাকে দিন পনের ইয়াঙ্গনে বেড়াতে যাই আমি। দেখলাম ইয়াঙ্গনের গায়ে এখন আধুনিকতার কত সাজই না উঠেছে। অবশ্য সে সাজ ব্রিটিশ আমল থেকেই লেগেছিল। মিলটুকু যেমন কলকাতা ও ইয়াঙ্গন নদীবন্দর। কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিং ইয়াঙ্গনের বাড়ীর মতো। দুই শহর ব্রিটিশদের উপনিবেশিক শহর। এখন আরো অনেক পরিবর্তিত ইয়াঙ্গন। ইয়াঙ্গন মানে একটা আধুনিকতার রূপটান।
ঋত্বিক তখন বলল - "কী দেখলেন স্যার?" সকলে চুপচাপ যেন গোগ্রাসে গিলছে গল্প।
একটু থেমে আবার শুরু করলেন দিকমণি বাবু।
ইয়াঙ্গন হল মায়ানমারের গৌরবময় স্থান। মায়ানমারের অহংকার। রাজধানী রেঙ্গুনও কোনো অংশে কম নয়। রাজধানী তো গুরুত্ব তো থাকবেই তার। রেঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার পাঠক্রম কলকাতা ও ঢাকার মতো সমগোত্রীয়।
জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডের জন্য মহাত্মা গাঁধীজির আন্দোলন ইয়াঙ্গনের ছাত্র আন্দোলন প্রভাবিত হয়েছিল। এই আন্দোলন খুব জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। ভারতবর্ষ এই আন্দোলনের জেরে ব্রিটিশ সরকারের যতটা না টনক নড়াতে পেরেছিল, এঁরা তার চেয়েও বেশি ব্রিটিশ সরকারের ভীতির কারণ হয়ে উঠেছিলেন।
সেই আক্রোশে মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্করণ ভারতীয় নেতাদের হাতে ক্ষমতা অর্পনের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি ছিল। সেই অর্থে মায়ানমার যে ভারতের মদতপুষ্ট ও রাজনৈতিক চেতনাহীন বলেই ব্রিটিশ সরকার বার্মার প্রতি প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে, কোনো রাজনৈতিক স্বীকৃতি দেয়নি; বার্মার নেতৃত্বদের ভারতের মতো ক্ষমতা হস্তান্তরের কথা বলেনি।
এতে মায়ানমারের ক্ষোভে আরো ঘৃতাহূতি পড়ল সেদিন, যেদিন ব্রিটিশ রাজত্বে রাজধানী কলকাতা থেকে জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বগন, এমনকি কোনো বাঙালি নেতৃত্বও পর্যন্ত সরকারের এই দ্বিচারিতার বিরুদ্ধে সামান্যতম কথা খরচ করেননি বলে।
বার্মাবাসীরা খুব বাঙালি প্রেমী ছিলেন। পাশাপাশি বাঙালিরা কম বার্মাপ্রেমী ছিলেন না। এতো যখন প্রেমের ঘটা,ঘণিষ্ঠতাবোধ সামান্যতম প্রতিবাদ নিয়ে পাশে দাঁড়ানোর দরকার কি ছিল না?
এই প্রশ্নের উত্তর বাঙালি কাছে কোনো দিন পাওয়ার জো নেই। কারণ বাঙালি যে সেদিন গট আপ গেম খেলেছিল এটা পরিষ্কার। অর্থাৎ সেদিন বড়ই স্বার্থপরের মতো নিজের স্বার্থসিদ্ধির কথা ভেবেছিল ভারতীয় নেতৃবৃন্দ। জালিয়ানওয়ালাবাগের জন্য মায়ানমারের এত বড় স্বার্থত্যাগ মায়ানমারের গর্ব যেখানে,ভারতবর্ষ তথা বাঙালি সেখানে মাথা একেবারে নিচু। ইতিহাস বাঙালির জন্য খুব কষ্টে সেই কলঙ্কিত অধ্যায় মাথায় ধরে রেখেছে।
বর্তমানে ভারতবর্ষ মায়ানমারের জন্য যেসব নীতি গ্রহন করেছে তার তালিকা একটা করলে দাঁড়ায় -
এখানে ওখানকার কৃষিপণ্য আমদানি হচ্ছে। ওষুধ ও ইস্পাত ওখানে রপ্তানি হচ্ছে।
পুবে তাকাও নীতির দৌলতে মণিপুরের রাজধানী ইম্ফল- ম্যান্ডেলা উড়ান চলছে। সড়ক যোগাযোগের আরো উন্নতি ঘটানোর চেষ্টা চলছে।
ওরা কুটির-শিল্প সামগ্রী দিয়ে কলকাতা থেকে পর্যটক ভালোই টানছে।
ভারি শিল্প কিছু উপহার দেওয়ার দরকার ছিল। কিন্তু আমাদের ওতে একটা দূর্বলতা তো আছেই। এই ব্যর্থতা থেকে আরাকানের খণিজ তেল, গ্যাসের ব্লক বাধ্য হয়েছি চিনকে ছেড়ে দিতে। পাইপ লাইন পাতার অসুবিধায়। এই দুর্বলতার জন্য মায়ানমারের বাজার এখন চিন-জাপান- কোরিয়ার খপ্পরে।
শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বহুতল বাড়ি এখন চিনা ছাঁদে তৈরি হয়। রাস্তায় বেশিরভাগ গাড়ি মেড ইন চায়না-জাপান- কোরিয়া। আমাদের শুধু টাটা মোটর্সের অফিস ইয়াঙ্গন থেকে ম্যান্ডেলাতে আসার পথে পড়ে।
তবে কলকাতার প্রতিশ্রুতির জায়গাটা হলো বিভিন্ন গ্রহ ও রত্ন যেমন - পোখরাজ, চুনি, পান্নার একচেটিয়া বাজার দিতে পারবে। মুম্বাইয়ের জাভেরিবাজার বা সুরাতের দক্ষ কারিগর ওখানে আছে। ব্যাঙ্কিং সেক্টরগুলো কম কিসে।
সম্পর্ক আরো সুনীবিড় হচ্ছে। এতো যার সঙ্গে ঐতিহ্যের সম্পর্ক মায়ানমার ভারতবর্ষ তথা বাঙালি এক হোক...এক হোক! আবার যাবো মায়ানমারে!
*******
@কপিরাইট রিজার্ভ ফর মৃদুল কুমার দাস।
খুব ভালো লাগলো 👌👌👌💐💐
উত্তরমুছুনধন্যবাদ
উত্তরমুছুন।শুভেচ্ছা।❤❤
বাহ্, খুব সুন্দর 👌👌🌷
উত্তরমুছুনদুর্দান্ত লিখেছেন দাদা ।
উত্তরমুছুনসাহিত্য,ইতিহাস,ভূগোলের আলোকে এক অসাধারণ লেখনী।
উত্তরমুছুনখুবই ভালো লাগলো
উত্তরমুছুনদারুণ ।💐💐
উত্তরমুছুন