মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১

# নাম- বৈষম্য। ✍ - মৃদুল কুমার দাস।

শুভ চিত্র আলোচনা-বাসর। 
  # বিষয় - চিত্রালোচনা।
        #নাম- বৈষম্য। 
    ✍ - মৃদুল কুমার দাস। 

     চিত্রে বিপরীত ছবি জীবনের বিপরীত পরিচয়। ঠিক সেইরকম ছবি - *চেরাপুঞ্জি থেকে একখানা মেঘ ধার দিতে পারো গোবি সাহারার বুকে।* - অর্থাৎ একদিকে ধনীর বিলাসব্যসন,বিলাসবহুল জীবন,ভোগৈশ্বর্য,খাদ্যের অপচয়। আর অন্যদিকে নিরন্ন,ক্ষুধার্ত মানুষের অন্নের জন্য হাহাকার। সমাজের এঈ বৈষম্য মেনে নেওয়ার হাঅন্ন শ্রেণি মনে করে বিধিলিপি। 
 কিন্তু এই বৈষম্যের জন্য ওরাই দায়ী যাঁরা হোটেলখানার পাশে আস্তাকুঁড় বানাচ্ছে। মানুষ ও কুত্তাতে আজ অন্ন চাঁটে একসাথে সেই ব্যবস্থা করছেন যাঁরা তাঁরাই সমাজের বৈষম্য সৃষ্টির প্রধান হোতা। ভারতবর্ষের বৈষম্যের আতুড় ঘর থেকে জন্ম অর্থনৈতিক,জাতপাত,নারী-পুরুষ,ধনী-দরিদ্র প্রভৃতি। এই ধনী-দরিদ্র বৈষম্য ভারতীয় জীবনধারা আজও অভিশাপ বয়ে বেড়ায়। এ যাওয়ার নয়। কারণ এর গভীরে আছে রাজনৈতিক ইন্ধন। মানুষকে গরীব বানিয়ে রেখে পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি,ভোটরাজনীতি,আমরা ওরার রাজনীতির ত্রিকোণমিতির ধিঙ্গিপনা বোধ ও বোধিতে ঠক্কর খেলেও কিছুই করার নেই। এমন যন্ত্রণার আরেক নাম জীবন। ভিক্ষাদানকে দয়া,করুণা,পুণ্যার্জন বৈষম্যেরই মদতদাতা। সমাজে যত অভাবপীড়িত মানুষ তত তার দুর্বলতা। তাই বিশ্বের কাছে ভারতবর্ষ উন্নয়নশীল দেশ। কারণ গুটিকয়েক ধনী, সংখ্যা গরিষ্ঠ আম আদমী  অভাব-পীড়িত। এই চিত্রের আজও পরিবর্তন নেই। এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে একসময় শ্লোগান ছিল 'রোটি কাপড়া আর মকান'। এখন শ্লোগান- 'সবকা সাথ সরকা বিকাশ'। উন্নয়নশীলতার হাত ধরে শ্লোগান- 'আত্মনির্ভরশীল ভারত'।  
  ডিজিটাল ইন্ডিয়া তার স্বপ্ন।  বৈষম্যের দুর্বলতা যত স্বপ্ন দেখা তত। তাই ক্ষুধার্ত ভবিষ্যতের পাশে ডিজিটাল ভবিষ্যত আমাদের উন্নয়নশীলতার দিকে যাত্রাপথের কথাকে ছবিটি তাৎপর্যবহ করেছে। 
  @ কপিরাইট রিজার্ভ ফর মৃদুল কুমার দাস। 

৮টি মন্তব্য:

  1. অসাধারণ লেখা।শ্রেনী বৈষম্য অস্বীকার করা যায় না।

    উত্তরমুছুন
  2. অসাধারণ লেখা, বৈষম্য আমাদের সমাজ থেকে দূর করা উচিৎ।
    🌷🌹

    উত্তরমুছুন
  3. খুব সুন্দর লিখেছেন দাদা।

    উত্তরমুছুন

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...