শিরোনাম - যদি স্মৃতি বিক্রি হতো
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
অহিংসা পরম ধর্ম হওয়া উচিত। কিন্তু মেনে কি চলা যায় সেকথা? হিরোশিমা দিবসে মনে হয় স্মৃতি বিস্মিত হলে ভালো হতো। তাহলে ৮১ বছরের আগের সেই মর্মান্তিক ঘটনা দাগ কেটে যেতো না মনে। সেই ঘটনার দায় আজও বয়ে বেড়াচ্ছে সেখানকার মানুষজন। যে ক্ষতি তাদের হয়েছে তা অপূরণীয়। কোনোকিছুর বিনিময়ে সেটা ভোলা যাবেনা। ইতিহাসের পাতায় লেখা ঘটনাগুলো মনে হয় চোখের সামনে ভাসছে। অনেক কষ্ট করে ভুলতে হবে সেসব।
আবার যাদের অ্যালজাইমার্স আছে তারা চেষ্টা করেও স্মৃতিকে ধরে রাখতে পারে না। হয়তো তারাই সুখী একসময়ে মনে হয় কিন্তু এমন কিছু ঘটনা তাদের জীবনেও ঘটে যেগুলো মনে রাখতে না পারার কষ্টও তাদেরকে যন্ত্রণা দেয় হয়তো। পরিবার পরিজন যখন তাদের ত্যাগ করে সেই সময়ে তারাও বোধহয় তাদের স্মৃতি বিক্রি করে দেয় মনে হয়।
শৈশব ও স্কুলজীবনের স্মৃতি কি বিক্রি করতে মন চায় সবার? বড় হবার ইঁদুর দৌড়ে সেগুলো একসময় চাপ কাটানোর স্নিগ্ধ পরশ হয়ে ওঠে। জীবনের কিছু ঘটনা ভুলতে মন চায় কিন্তু চেষ্টা করেও মোছা যায় না,দগদগে ঘায়ের মতো যন্ত্রণা দেয়।
সত্যিই কি বিক্রি করা যায় স্মৃতি! নাকি মনকে নাড়া দিয়ে যায় মাঝে মাঝে স্মৃতির পিগি ব্যাংক বা জমানো স্মৃতির ভাঁড় থেকে বেরিয়ে? উত্তর খুঁজে পেতে আমরা সকলে সচেষ্ট, জানিনা উত্তর পাওয়া যাবে কিনা!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন