বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
যেদিন পাহাড় কথা বলেছিলো✍️ ডা:অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
জীবনে সবকিছু পাওয়া কি ভালো?✍️ ডা: অরুণিমা দাস
জীবনে সবকিছু পাওয়া কি ভালো?
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
জীবনে সব কিছু পেয়ে গেলে কি না পাওয়ার আফসোস বোঝা যায়? হয় কি কোনো অনুশোচনা? কিছু জিনিস না পাওয়াই বোধহয় ভালো মনে হয়। তবে না পাওয়ার জন্য ভাবার সুযোগ পাওয়া যায়। "যেটা ছিলোনা,সেটা না পাওয়াই থাক। সব পেলে নষ্ট জীবন।" ছোটবেলায় একটা ডাবল সাইড পেনসিল বক্সের জন্য খুব বায়না করতাম। কিন্তু পাইনি কোনোদিন। বড় হয়ে এখন যখন দোকানে ওরম বক্স দেখি মনে হয় সেদিন পাইনি বলেই আজ এরকম বক্স দেখলেই মনটা অন্যরকম হয়ে যায়, অনেক পুরোনো কথা এসে ভিড় করে। কিছু জিনিস না পাওয়ার অনুভূতি অন্যরকম হয়। অন্য কেউ যাতে সেই পাওয়া থেকে বঞ্চিত না হয় সেইজন্য সদা সচেষ্ট থেকে তার পাশে থাকা যায়। তাই সব কিছু না পেলেও আফসোস করতে নেই, অন্যভাবে সেটা পুষিয়ে যায় ঠিক। না পাওয়ার জন্য যে অনুশোচনা তা পেয়ে হারানোর কষ্টের চেয়ে ঢের ভালো।
"সবকিছু যে পেতেই হবে এমন কোনো কথা নেই
কিছু না পাওয়া থাকলে তার মূল্য দিতে শিখবেই!"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনাম - একটা ছোট্ট ভালো লাগা ✍️ ডা:অরুণিমা দাস
শিরোনাম - একটা ছোট্ট ভালো লাগা
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
কলেজ জীবনের প্রিয় এক বন্ধু যার সাথে প্রায় চার বছর দেখা হয়নি আর ফোনেও খুব একটা কথা হতোনা দুজনের ব্যস্ততার কারণে। এই বছরের প্রথম থেকে দেখা হবার প্ল্যান করেও সম্ভব হয়নি দুজনের ব্যস্ততার কারণে আর অবশ্যই ডিউটিতে চাপের জন্য। আমার যেদিন ডিউটি থাকতো না সেদিন ওর থাকতো আর ওর যেদিন ডিউটি থাকতো না সেদিন আমার থাকতো। ব্যাটে বলে কিছুতেই মিলছিলোনা। একদিন হঠাৎই বন্ধু ফোন করে বললো চলো একদিন দেখা করবো। একটা দিন ম্যানেজ করে নিয়েছি,তাও ডিপার্টমেন্ট অনেক কথা শুনিয়ে দিয়েছে। শুনে বললাম ছাড়ো তো, দুটো কান সরলরেখায় আছে,এক কান দিয়ে শুনে নেবে আর আরেক কান দিয়ে বের করে দেবে কথা গুলো। তো চলো দেখা করা যাক। একটা গ্রামের মতো জায়গা থেকে ডিউটি করে সেখানে এত স্ট্রেস সামলে সে যে একটা দিন বের করতে পেরেছে এটাই আমার জন্য অনেক বড়ো ব্যাপার। সম্প্রতি তার সাথে দেখা করে খাওয়াদাওয়া গল্প আড্ডা দিয়ে মনটা ভালো হলো। আর তার ডিউটিতে বেশ কিছু অনভিপ্রেত ঘটনা শুনে মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে উঠেছিলো। যাই হোক একটা কাজের জায়গায় ভালো মন্দ দুই ই থাকবে এবং সেটা মেনে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। আর চাপের মাঝে আড্ডা গল্প এগুলো নিজেকে ভালো রাখার রসদ। অনেক কথা হলো,কাজের জায়গা নিয়ে কথা ছাড়াও একটু বুকশপে ঘোরা,এককোণে বসে বইয়ের কিছুটা পড়ে বিষয়বস্তু বুঝে নেওয়া,কফি খেয়ে ক্লান্তি দূর সরিয়ে নিজেদের সতেজ রাখা। নিজেকে ভালো রাখতে এই জিনিসগুলো খুব দরকার। এই মিটিংগুলো স্ট্রেস বাস্টারের কাজ করে আবার পুরোনো কিছু মনে রাখার মতো দিনের কথাও জানান দিয়ে যায়। এই ছোট ছোট ভালোলাগা গুলো যেমন আত্মতৃপ্তি দেয় আবার নতুন উদ্যমে কর্মজীবনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনাম - যদি স্মৃতি বিক্রি হতো✍️ ডা: অরুণিমা দাস
ওয়েলকাম✍️ ডা: অরুণিমা দাস
ওয়েলকাম ✍️ ডা: অরুণিমা দাস সাজগোজ করে সেলফি মোড অন করেছে এমন সময়ে কানে এলো,কিরে গজু! এখনও রেডি হতে পারলিনা? এই তো বিশু স্যার রেডি আমি। আ...
-
ঘোষ বুড়ী ©সুদেষ্ণা দত্ত গ্রামের নাম সুন্দরগ্রাম--বাংলা মায়ের কোল ঘেঁষা সুজলা,সুফলা,শান্তির নীড় ঘেরা এক গ্রাম।গ্রামের অধিকাংশ লোকই কৃষি...
-
আমার অকাজের লিস্টি ✍️ ডা: অরুণিমা দাস ২০২৫ এ পড়ে ফেলা বইগুলোর তালিকা তৈরী করেই ফেললাম। ভিন্ন স্বাদের সব বইগুলো। মন ভালো করে দেয়। তালিকা...
-
# 'বিশ্বকবিরসন্তানবাৎসল্য' (১ম পর্ব) ✍ মৃদুল কুমার দাস। জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের অন্দরমহল ও বাহির...