শিরোনাম- বই সই
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বই পড়ার উপকারিতা সম্পর্কে লিখতে গিয়ে কোন দিক থেকে শুরু করবো খেই হারিয়ে ফেলেছি। বই পড়লে শুধু জ্ঞানভান্ডার সমৃদ্ধ হয় এমন নয় অনেক বেশি কিছুই বোধহয় হয় তার থেকে। সারাদিনের কাজের পর বইয়ের পাতা খুলে দু পাতা পড়ার পরে বেশ তন্দ্রা মতো আসে। সেডেটিভ এর কাজ করে তখন বই। আর বইয়ের চেয়ে বড় বন্ধু হয়না। যে কোনোদিন বিশ্বাসঘাতকতা করেনা। একাকিত্ব আসতেই দেয়না বই। স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে বই। বই কিনে কেউ কোনোদিন দেউলিয়া হয়না এটা একটা প্রচলিত কথা,তাই বই কেনার সুযোগ পেলে হাতছাড়া করা উচিত নয়। বই পড়ে চোখের সামনে ঘটনাগুলো ভাসে তখন মনে হয় ওই পরিবেশের সাথে ঘটনার সাথে যেনো অনেকদিনের আলাপ। পায়ে না হেঁটে কল্পনার রাজ্যে চলে যাই ইচ্ছে গাড়ি করে। রিপু দমন হয় বই পড়ে,চিন্তাধারা উন্নত হয়। শো অফ করার মানসিকতা তৈরি হয়না। প্রকৃত অর্থে মানুষ হয়তো হওয়া যায় বই পড়লে। নৈতিক শিক্ষা অবশ্যই প্রয়োজন তার সাথে বই পড়ারও আবশ্যিকতা রয়েছে। জানার কোনো সীমা পরিসীমা নেই কিন্তু কিছুটা হলেও জানা যায় বই পরে, সাধারণ জ্ঞান বাড়ে। কুইজে অনেকটা এগিয়ে থাকা যায়। তর্ক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় মন খুলে নিজের মতামত প্রকাশ করা যায়। আর বই পড়লে মনে সংকীর্ণতাও ঠাঁই পায় না। সর্বোপরি এটাই বাস্তব যে অবসরে বই পড়তে বসবো এরকম ভাবা উচিত নয় বরং বই পড়ার জন্য একটু সময় বের করে নিতেই হয়।
"পড়ার জন্য অবসর সময় খুঁজে নাও,খুলে বসো বই
অজ্ঞানতা,সংকীর্ণতা দূর হটাবে জেনো বই নামক সই।"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস