মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
পূণ্য হোক নিজের✍️ ডা: অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
ফেক স্মাইল✍️ ডা: অরুণিমা দাস
সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
বিশ্বকর্মা পুজো স্পেশাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
মানুষ ও মানসিকতা✍️ ডা: অরুণিমা দাস
মানুষ ও মানসিকতা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
যতই দিন দিন মানুষের জীবন যাত্রার মানের উন্নতি হোক, মানসিকতার উন্নতি সেরকম হয়নি আজ অবদি আর হবে বলে আশা করাও উচিত নয়। উচ্চশ্রেণীর মানুষেরা নিম্নশ্রেণীর মানুষের ওপর চিরকাল অত্যাচার করে এসেছে, উপকারীর উপকারের প্রতিদান হিসেবে পিঠে ছুরি বসিয়েছে এটাই হয়ে চলেছে দিনের পর দিন। চিন্তাধারার কোন উন্নতি সেরকম ভাবে লক্ষ্য করা যায়না। নিম্নবিত্ত রা চিরকাল লাঞ্ছিত,নিপীড়িত। হয়তো দিন দিন উন্নতির শিখরে পৌঁছতে গিয়ে মস্তিষ্কের ইমোশনাল লোবে মরচে ধরেছে, তাই পশুর ন্যায় আচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে মানুষের মধ্যে। পশুদের হয়তো অত বুদ্ধি নেই কিন্তু কোনোদিন তারা নীচতা করেনি উপকারীর সাথে বা বিশ্বাসভঙ্গ করেনি। পশু চাইলে কোনোদিন মানুষ হয়ে উঠতে পারবে না কিন্তু দিন দিন বিকৃত রুচির পরিচয় দিয়ে মানুষ পশুতে খুব সহজেই রূপান্তরিত হতে পারে।
"সমাজের শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ,দাও পরিচয় উন্নত মানসিকতার
পশুর ন্যায় আচরণ করে ভোঁতা কোরোনা ক্ষুরধার বুদ্ধির।"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
শিরোনাম - জীবনের অঙ্ক✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
ফিরে দেখি যখন
ফিরে দেখি যখন
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
হারিয়ে যাওয়া জিনিস, সে তো অনেক কিছু! প্রথমেই মনে পড়ে ছোটবেলা,যেটা কোনোদিন ফিরে আসবেনা। আসবেনা ফিরে টেনশন ফ্রি দিন গুলো,পরীক্ষার আগে ঘুড়ি ওড়ানো দিন গুলো, টেনেটুনে ইতিহাস পাস করার দিন গুলো। ঠাকুমার ঝুলি থেকে বের হওয়া গল্পগুলো, শুনতে শুনতে কল্পনার পথ বেয়ে পৌঁছে যাওয়া রাজ্যে, রাত গুলোতে শিহরণ জাগানো গল্প শোনা আসবেনা সেসব ফিরে। সপ্তাহের শেষে মামাবাড়ি গিয়ে দিদার কাছে পিঠেপুলি আর আচারের আবদার, দাদুর কাছে একটা ডিউস বল কেনার জন্য দাবি করায় কুড়ি টা অঙ্ক কষতে বসা! সত্যিই ফিরবেনা সেসব দিন। স্কুল পালিয়ে বন্ধুদের সাথে চুরমুর খেতে যাওয়া, আজও হাতছানি দেয়। পারিনা শুধু ফিরে পেতে সেসব কিছু। মহালয়ার আগে টেপ রেকর্ডারে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের ক্যাসেট লাগিয়ে ঠিক ভোরবেলায় চালিয়ে দেওয়া,আসবেনা সেইসব। কালের ফেরে বড়ো হচ্ছি, বড্ড মন কেমন করে হারিয়ে যাওয়া জিনিস গুলো ফিরে পেতে, কিন্তু কোনোভাবেই সম্ভবপর নয় তা এখন। তাই ফটো এ্যালবাম আর স্মৃতির পাতায় চোখ রেখে বসে থাকা,এগুলোই ভরসা এখন।
হারিয়ে গেছে অনেক কিছু লিস্ট যে লম্বা বিশাল
খুঁজে বেড়াই তাদের হাতড়াই বুনি স্মৃতির জাল।
মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
শিক্ষকের প্রতি✍️ ডা:অরুণিমা দাস
শিক্ষকের প্রতি
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
জন্মের পর বাবা মা ই হলেন প্রথম শিক্ষাগুরু
ওনাদের পরে শিক্ষকদের কাছে জ্ঞানার্জন শুরু ।
শিক্ষকই হলেন প্রকৃত মানুষ গড়ার প্রধান কারিগর
তার আদর্শেই অনুগামী আমরা, তিনিই আমাদের ঈশ্বর।
শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়ে প্রকৃত মানুষ গড়ার কর্মকাণ্ডে আপনারা সদা নিয়োজিত
মাথা উঁচু করে বাঁচতে শেখান, হতে দেন না কভু পরাজিত।
আঁধার থেকে আলোর পথে চলার দিশা দেখান তিনি
তাঁর কাছে আমরা ছাত্রগণ থাকবো চিরদিন ঋণী।
পিতামাতা দিলেন মোদের ছোট থেকে বড় হবার শিক্ষা
আর শিক্ষকেরা দিলেন মোদের মনুষ্যত্বের দীক্ষা।
জীবনে চলার পথে তিনিই যেনো হন আমাদের আদর্শ
জ্ঞানচক্ষু খুলুক মানুষের,সুশিক্ষা যেনো করে স্পর্শ।
জন্মেছিলেন এক মহামানব এই ভারতের ই ঘরে
ডা: সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন নাম তাঁর,যা সবার মুখে ফেরে।
পালন করি তার জন্মদিন শিক্ষক দিবস হিসেবে
সকল শিক্ষক শিক্ষিকার প্রতি মনে সদা ভক্তি রবে।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
শনিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৩
বীর বিক্রম✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বীর বিক্রম
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বিক্রম তুই রেডী তো? বন্ধুরা সব জিজ্ঞেস করছে। ইয়েস আমি রেডী। একটু ভয় বই লাগছে বৈকি! কিন্তু ল্যান্ডিং তো আমায় করতেই হবে সফল ভাবে।
গতবার আমার সিনিয়র ল্যান্ডিং না করতে পারায় সবাই খুব মুষড়ে পড়েছিল। তাছাড়া চাঁদ মামার বাড়িতে খুব মজা হবে সবাই বলছিলো। মামার মা মানে দিদা নাকি ওখানে চরকা কাটে। ওটা দেখতে পাবো ভেবেই বেশ এক্সসাইটেড লাগছে, বেশ একটা গান্ধীজি ফিলিং আসবে। হ্যা রে তোর খুব মজা,তাই না বিক্রম? হ্যা এতদিন ধরে আমায় ঘষে মেজে তৈরি করেছে এত মানুষ তাদের মুখ তো আমায় রাখতেই হবে রে ভাই! তোদেরকে সব খবর দেবো, বাকি গ্রহযানদের বললো বিক্রম।
সবার চোখ টিভির পর্দায়। বিক্রমের সফল ল্যান্ডিং হওয়ার অপেক্ষায়। সুপার এক্সসাইটেড হয়ে কেউ বলে ফেললো রাকেশ রওশনের নাম! যে নাকি প্রথম মহাকাশচারী ছিলো। গোটা দুনিয়া জুড়ে তোলপাড় চলছে,রওশন বাবুর বন্ধুরা বার বার ফোন করছে ওনাকে, কবে কিভাবে গেছিলেন উনি? বড্ড বিপদে পড়ে গেছেন উনি। বাড়িতে নাতি নাতনি ধরেছে দাদু গল্প বলো,কেমন অভিজ্ঞতা ছিলো? এই খবর রাকেশ শর্মা জানতে পেরে ভাবলেন আমার কষ্টের এই মূল্য পেলাম! সে এক কাণ্ড বটে!
এসবের মাঝেই কোনো মনোসংযোগে ব্যাঘাত না ঘটিয়ে বিক্রম পৌঁছে গেলো মামা বাড়ী। গিয়েই সে কি সাদর সম্ভাষণ পেলো। খুব খুশি সে এসব পেয়ে। এই সাফল্যের আনন্দ ছড়িয়ে পড়লো গোটা দেশে, ইসরোতে খুশির হাওয়া বয়ে গেলো। সকলের প্রশ্ন একটাই রওশন না শর্মা? উত্তর একটাই। যেটা দিতে পারেন একমাত্র চাঁদমামা।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০২৩
শিরোনাম - নিজের মতন করে ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শনিবার, ১২ আগস্ট, ২০২৩
শিরোনাম - যৌবনের অন্দরে✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৩
শিরোনাম - আশায় বাঁচি ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম - আশায় বাঁচি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়,আড়ালে তার সূর্য হাসে
হারা শশীর হারা হাসি অন্ধকারেই ফিরে আসে।।
আশা নিয়েই তো মানুষ বেঁচে থাকে। জীবনের আকাশে নিরাশার মেঘ ঘনিয়ে এলেও মনের মাঝে আশা নিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। আশা নিরাশার চক্রাকারে আবর্তনই তো জীবনকে অর্থপূর্ণ করে তোলে। নিরাশার অন্ধকারে নিজেকে ডুবিয়ে দেওয়া মানে আশার দরজা বন্ধ করে দেওয়া। কথায় আছে একটা দরজা বন্ধ হলে ঠিক আরেকটা দরজা খুলে যায়। নিজের কাজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে, বুকের মাঝে আশাকে সঞ্চারিত করতে হবে সর্বদা। ঠকতে ঠকতে যেমন একদিন জিতে যাওয়া যায় তেমনি আশার আলো আমাদের নতুন করে বাঁচার পথ দেখায়। লড়াই তো চলতেই থাকবে,বাঁচতে হলে করতেও হবে লড়াই, তাই বলে নিরাশা যেনো কখনোই মনে বাসা না বাঁধে। নিজেকে নিরাশ কখনোই করা উচিত নয়, পজিটিভ চিন্তাশক্তি মনে রেখে এগিয়ে যেতে হবে সামনের দিকে,নিরাশার মেঘ কেটে আশার আলো দেখা ঠিকই যাবে একদিন। সেদিন মনে হবে ভাগ্যিস আশা নিয়ে এগিয়ে গেছিলাম নয়তো কোথায় হারিয়ে যেতাম।
আশার আলো জ্বালিয়ে মনে চলতে থাকো জীবন পথে
নিরাশাকে বাঁধতে দিওনা বাসা, চড়বে তবেই বিজয়রথে।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ৮ আগস্ট, ২০২৩
শিরোনাম-মুখোশের আড়ালে ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম-মুখোশের আড়ালে
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
হাসির আড়ালে দুঃখকে একপাশে করে
বিষন্নতার ছোঁয়াকে রেখেছে সে দূরে।
খুশীতে ভাসে যে সকল মানুষের মুখ
সুখী হওয়ার নাটকে তারা বিদায় করে দুখ।
বুঝবেনা কেউ মনের গহীনে থাকা যন্ত্রণা
মুখোশের আড়ালে কষ্ট লোকাতে নেই তাই মানা।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৩
বইস্মৃতি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম-মোটিভেশন✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শনিবার, ২৯ জুলাই, ২০২৩
স্বপ্ন যদি সত্যি হতো✍️ডা: অরুণিমা দাস
শনিবার, ২২ জুলাই, ২০২৩
প্রযুক্তি বনাম ছাপা বই✍️ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই, ২০২৩
শিরোনাম - সমস্যা ও তার মোকাবিলা✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শনিবার, ১৫ জুলাই, ২০২৩
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
চিন্তাশক্তি,বুদ্ধি কিংবা বিশ্লেষণ ক্ষমতা মানুষের সহজাত। কিন্তু একটি যন্ত্রকে মানুষের মতো বুদ্ধিমত্তা দিয়ে, সেটিকে চিন্তা করানো কিংবা বিশ্লেষণ করানোর ক্ষমতা দেওয়ার ধারণাটিকে সাধারণভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়।
কিছুদিন আগেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ছিল দূর ভবিষ্যতের একটি কাল্পনিক বিষয়। কিন্তু সম্প্রতি এই দূরবর্তী ভবিষ্যতের বিষয়টি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হতে শুরু করেছে। তার প্রধান কারণ, পৃথিবীর মানুষ ডিজিটাল বিশ্বে এমনভাবে অভ্যস্ত হয়েছে যে, হঠাৎ করে অচিন্তনীয় পরিমাণ ডেটা সৃষ্টি হয়েছে এবং সেই ডেটাকে প্রক্রিয়া করার মত ক্ষমতাশালী কম্পিউটার আমাদের হাতে চলে এসেছে। এই ডেটা বা তথ্যকে প্রক্রিয়া করার জন্য বিজ্ঞানী এবং প্রযুক্তিবিদরা এমন একটি পদ্ধতি বেছে নিয়েছে যেটি মানুষের মস্তিষ্কের মতো করে কাজ করে। এটা নিউরাল নেট নামে পরিচিত। সহজভাবে বলা যায় এর একটি ইনপুট স্তর এবং আউটপুট স্তর রয়েছে যার মাঝখানের স্তরটি হচ্ছে ‘লুকোনো’ স্তর।
প্রথমে এই নিউরাল নেটকে ইনপুট এবং তার সাথে যুক্ত আউটপুট ডেটা দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তখন ‘লুকোনো’ স্তরটি এমনভাবে পরিবর্তিত হতে থাকে যেন প্রশিক্ষণের জন্য দেওয়া ইনপুটের জন্য সত্যি আউটপুটটি পাওয়া যায়। একবার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েগেলে এই নিউরাল নেটকে সম্পূর্ণ নতুন ইনপুট দিলেও সেটি সম্ভাব্য সঠিক আউটপুটটি দিতে পারবে। যত বেশি ডেটা দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে,নিউরাল নেটটি তত ভালো কাজ করবে। একটি স্তর না রেখে একাধিক স্তর দিয়ে এই নেটকে আরো অনেক বুদ্ধিমান করা সম্ভব। তখন নেটটি নিজেই ডেটা ব্যবহার করে শিখে নিতে পারবে। এই প্রক্রিয়ার নাম ‘ডিপ লার্নিং’ এবং বলা যেতে পারে একটি সত্যিকারের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে কাছাকাছি একটি প্রক্রিয়া।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানত Java, Python, SHRDLU, LISP, CLISP ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীতার ভিত্তিতে ডেভলপাররা তাদের পছন্দসই প্রোগ্রাম ব্যবহার করে থাকেন।
কদিন আগেও আমার পরীক্ষার আগে আমার এক বন্ধু চ্যাট জি পি টি নামক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর নাম বলে। ওখানে প্রশ্ন টাইপ করে উত্তর পাওয়া যায়। কিন্তু উত্তর গুলো দেখে আমার ঠিক ভালো লাগলো না। ওকে বললাম নিজের ইন্টেলিজেন্স কাজে লাগিয়ে এর চেয়ে অনেক ভালো উত্তর দিতে পারবো আমরা। আর এসব চ্যাট জি পি টি মানুষেরই আবিষ্কার। তো এসব না করে বই পড়ে উত্তর তৈরি করাটাই আসল ক্রেডিট। এসব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শুনতে বেশ ভালো লাগে কিন্তু ইনবর্ন ইন্টেলিজেন্স এর ভ্যালু অনেক, তাই এসব ভুলে পড়ায় মন দিই চল। পরে বই পরে বন্ধু বলেছিল অনেক ভালো উত্তর দেওয়া আছে।
ওসব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজে না লাগিয়ে নিজের পছন্দের কাজগুলো করলে এমনি ব্রেইন অনেক ডেভেলপড হয়, ইন্টেলিজেন্স বাড়ে।
"ডিভাইস অনেক রয়েছে,পাল্লা দিচ্ছে মানব বুদ্ধিকে
মস্তিষ্ক প্রসূত চিন্তাধারা কিন্তু ইউনিক সবদিক থেকে।"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
শুক্রবার, ৭ জুলাই, ২০২৩
শিরোনাম-স্বপ্ন সব সত্যি হোক✍️ ডা:অরুণিমা দাস
শনিবার, ১ জুলাই, ২০২৩
কবিতা: বাংলার রূপকার ডা:বিধান চন্দ্র রায় ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ২৭ জুন, ২০২৩
শিরোনাম - পজিটিভিটি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বুধবার, ২১ জুন, ২০২৩
শিরোনাম - এক রাউন্ড গুলি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ১৩ জুন, ২০২৩
গ্রন্থালোচনা
পাঠ প্রতিক্রিয়া ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
পাঠ প্রতিক্রিয়া
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
বইয়ের নাম - জাল
লেখক - মোহাম্মদ নাজিমুদ্দিন
সম্প্রতি পড়ে শেষ করেছি জাল নামের গল্প বইটি। থ্রিলার প্রেমীদের জন্য আদর্শ একটি বই। কিভাবে একজন নামকরা ব্যারিস্টার কে মিথ্যে খুনের অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে আর এক্স ডিবি কে এস কে এর ক্ষুরধার বুদ্ধি আর জটিল পাসলস সলভ করার নৈপুণ্যতায় ব্যারিস্টার রক্ষা পায় শেষ অব্দি সেটাই গল্পের মূল বিষয়। আরও কিছু বিশেষ চরিত্র হলো ডা: মামুন, রফিক, মাহবুব এনারা। আসল খুনি কে ছিলো! খুঁজে বের করতে গিয়ে নাজেহাল হন ডিবি ইনভেস্টিগেটর আমিনুল আর তার সহকারীরা। তাই মাঝে মধ্যে শরনাপন্ন হতেন কে এস কে এর কাছে। এদিকে ব্যারিস্টার নিজেও আলাদা ভাবে কে এস কে এর কাছে যান নিজেকে উদ্ধার করার জন্য। ব্যারিস্টার জানায় একটা জালে তিনি ক্রমাগত আটকা পড়ে চলেছেন। শেষ পর্যন্ত বুদ্ধির জোরে কে এস কে উদ্ধার করেন ব্যারিস্টার কে জাল থেকে। দুর্দান্ত এক থ্রিলার, আর টানটান উত্তেজনায় ভরপুর এই বইটি। আশা করি সকলের ভালো লাগবে।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ৯ মে, ২০২৩
শিরোনাম-লহ প্রণাম ✍️ ডা:অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ২ মে, ২০২৩
শিরোনাম- শ্রম দিবস✍️ ডা:অরুণিমা দাস
শিরোনাম- শ্রম দিবস
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
নিঃশব্দে কাজ যে করে চলে ওরা
মাথার ঘাম পায়ে ফেলে, দিবারাত্র সারা।
তাদের জানাতে সম্মান
একটি দিন বরাদ্দ কেবলি
বাকিদিন ওদের কে ভুলি সকলি।
যথাযোগ্য মূল্যায়ন হোক এদের অক্লান্ত পরিশ্রমের
শুধু মে দিবস নয়,বাকী দিনও শ্রদ্ধা জানাই শ্রমজীবীদের।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
শুক্রবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৩
শিরোনাম- বৃষ্টি তুমি ✍️ ডা:অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৩
সঠিক নাকি সুহৃদয়✍️ ডা: অরুণিমা দাস
সোমবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৩
শিরোনাম - বন্ধুর মতো ✍️ডা: অরুণিমা দাস
শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩
শিরোনাম - বর্ষবরণ ✍️ডা:অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৩
শিরোনাম - বহুরূপী✍️ডা: অরুণিমা দাস
শনিবার, ১ এপ্রিল, ২০২৩
এপ্রিল ফুল✍️ ডা: অরুণিমা দাস
এপ্রিল ফুল
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
এপ্রিল ফুল হলো ইংরাজী বছরের এমন একটা দিন(১ লা এপ্রিল),যখন এক মুহূর্তের জন্য হলেও বোকা হতে ভালোবাসেন পৃথিবীবাসী। এ এক সার্বজনীন বোকা বানানোর উৎসব। প্রশ্ন ওঠে? একটাদিন। তারপর সেই পরশ ধরেই এগিয়ে চলে স্মৃতির বস্তা বোঝাই গাড়ি।
পয়লা এপ্রিল। বছরের ৯২ তম দিন। পথ চলা তখনও অনেক বাকি। ১৫৬২। পোপ গ্রেগরি খ্রিস্টানদের জন্য আনলেন নতুন ক্যালেন্ডার। এর আগে পর্যন্ত নতুন বছর পালিত হতো এপ্রিল ১ এ। এই পরিবর্তনের খবর গোটা পৃথিবীর জানতে লেগে গিয়েছিল বিস্তর সময়। মানুষ তখনও এপ্রিল ১ কে কেন্দ্র করেই পাঠিয়ে চলেছে শুভেচ্ছা বার্তা। আর সেগুলোই জমা হয়েছে মজার দিনের গল্প হিসাবে।
এই ছিল গল্প এক। গল্প, কারণ ইতিহাস আজও এই ঘটনার কোনও জ্যান্ত দলিল প্রকাশ করে উঠতে পারেনি।
এবারে গল্প দুই - রোমান মৃত্যুর দেবতা প্লুটো স্ত্রী পারসিফনকে অপহরণ করে আনলেন। এবারে পারসিফনের মা দেবী সেরিস মেয়েকে অনেক খোঁজার চেষ্টা করেন। কিন্তু পাননা। মেয়ের ঠিকানা তখন পাতালপুরী। সেরিস দেবী হলেও পেরে ওঠেননি মেয়েকে খুঁজতে। এক মায়ের বোকামি স্মরণ করে ১ এপ্রিল পালন করা হয় বলে অনেকে মনে করেন।
ব্রিটিশ লোককথা- ব্রিটেনের নটিংহ্যামশায়ারের 'গথাম' শহর, বোকাদের শহর। তেরো শতকের দিকে নিয়ম ছিল,ব্রিটেনের রাজা যেখানে যেখানে পা রাখবেন তা রাষ্ট্রের সম্পত্তি। গথামবাসীরা শুনলেন রাজা আসছেন শহরে। ঠিক হলো বন্ধ হবে রাজ যাত্রা। তাঁরা কিছুতেই গথামকে হারাবে না। রাজার কানে খবর গেলো। সৈন্য পাঠালেন।
সৈন্যরা এসে দেখেন প্রবেশদ্বার থেকেই সারা শহরে হুলস্থূল কাণ্ড। সব বাসিন্দা বোকার মতন কাজ করে চলেছেন। রাজা বললেন, এমন বোকাদের শাস্তি দেওয়া যায় না। তাই মাফ করে দিলেন। গথাম থেকে গেলো চিরতরে মুক্ত। এই "ট্রিক" স্মরণেই এপ্রিল ফুল। ১৫৩০ সালের ১ এপ্রিল। জার্মানির অগসবারগ শহরে একটা আইনি মিটিং হওয়ার কথা। এই মিটিং নিয়ে তোড়জোড় চলছিল জোরকদমে। কিন্তু মিটিংয়ের দিন তারা জানতে পারলেন খবরটা ভুয়ো।
মিটিং এর ফলাফল নিয়ে সাধারণ মানুষের মাথায় ছিল এক আকাশ চিন্তা। যতই হোক আগামী দিনের আইনি স্বাধীনতা কতটা সাধারণ মানুষের ঝুলিতে, এই নিয়েই ছিল আলোচনা? কিন্তু আমলারা কই? কিছু অত্যন্ত চালাকরা আগে থাকতে এই মিটিং এর ফলাফল জানতে চেয়ে অনেক টাকা এক বাজিকরের কাছে পারিশ্রমিক হিসেবে দিয়ে বসে। পাওয়া গেলো না তাঁকেও। অর্থাৎ টাকা গচ্চা গেলো। এই ঘটনাও হতে পারে এপ্রিল ফুলের উৎস লেখনী।
১৫৭২ সালের ১ এপ্রিল। হল্যান্ডের ডেন ব্রিয়েল শহরটাকে লর্ড আল্ভার স্প্যানিশ শাসন থেকে মুক্ত করে ডাচ বিদ্রোহীরা। এইদিন তারা লর্ড আল্ভাকে পুরো বোকা বানিয়ে ছাড়ে। তাঁকে স্মরণ করেও এপ্রিল ফুল পালিত হতে পারে। মূলত এই ঘটনার পর অনেক জায়গায় বিদ্রোহ সোচ্চার হয় আর স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা আদায় করে হল্যান্ড।
বড়ো বড়ো দেশে এরকম ছোট ছোট ঘটনা ঘটেই থাকে। এরকম ছোট ছোট ঘটনাই আজ একত্র হয়েছে। রিইউনিয়ন। অনেকাংশ সহমত হবেন কি না জানিনা,এরকম বোকা বনে যাওয়ার ঘটনা গুলোই দু কলি হাসিয়ে তোলে কখনও,মনের অজান্তেই।
তবে বর্তমানে এই দিবস পালনের যৌক্তিকতা কি আদৌ আছে? প্রশ্ন যুক্তিবাদীদের। মানুষকে মিথ্যা বলে ঠকানো বা বোকা বানিয়ে মজা পাওয়া মানেই বোকামি। মিথ্যা বলা কোনও সভ্য সমাজ মেনে নেয়না। তাই মিথ্যা বলে মানুষকে বোকা বানানো কোনও উৎসবের নামান্তর হতে পারেনা। পরিশেষে খেয়াল রাখতে হবে এত্ত রোম্যান্টিসিজম অন্য কারও আবেগে আঘাত না করে বসে। যাঁরা অধীর আগ্রহে থাকেন কীভাবে এই দিনে কাছের জনকে বোকা বানাবেন, তাঁদের জন্যে এই শেষটুকু।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
শিরোনাম - দুরত্ব✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম - দুরত্ব ✍️ ডা: অরুণিমা দাস আধুনিকতা মানেই অন্যরকম একটা ব্যাপার, উন্নতির পথে এগিয়ে যাবার সিড়ি তৈরি করে দেয় আধুনিকতা। আজকাল কেউ আ...
-
ঘোষ বুড়ী ©সুদেষ্ণা দত্ত গ্রামের নাম সুন্দরগ্রাম--বাংলা মায়ের কোল ঘেঁষা সুজলা,সুফলা,শান্তির নীড় ঘেরা এক গ্রাম।গ্রামের অধিকাংশ লোকই কৃষি...
-
আমার অকাজের লিস্টি ✍️ ডা: অরুণিমা দাস ২০২৫ এ পড়ে ফেলা বইগুলোর তালিকা তৈরী করেই ফেললাম। ভিন্ন স্বাদের সব বইগুলো। মন ভালো করে দেয়। তালিকা...
-
অণু গল্প ----সাথী হারা। কলমে-- পারমিতা মন্ডল। দীঘার সমুদ্রে একা একা হেঁটে চলেছে সৈকত । এই বালুকাবেলায় , রামধনু রং আকাশের দিকে তাকিয়ে মনটা বড়...