মঙ্গলবার, ২৭ জুন, ২০২৩
শিরোনাম - পজিটিভিটি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বুধবার, ২১ জুন, ২০২৩
শিরোনাম - এক রাউন্ড গুলি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ১৩ জুন, ২০২৩
গ্রন্থালোচনা
পাঠ প্রতিক্রিয়া ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
পাঠ প্রতিক্রিয়া
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
বইয়ের নাম - জাল
লেখক - মোহাম্মদ নাজিমুদ্দিন
সম্প্রতি পড়ে শেষ করেছি জাল নামের গল্প বইটি। থ্রিলার প্রেমীদের জন্য আদর্শ একটি বই। কিভাবে একজন নামকরা ব্যারিস্টার কে মিথ্যে খুনের অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে আর এক্স ডিবি কে এস কে এর ক্ষুরধার বুদ্ধি আর জটিল পাসলস সলভ করার নৈপুণ্যতায় ব্যারিস্টার রক্ষা পায় শেষ অব্দি সেটাই গল্পের মূল বিষয়। আরও কিছু বিশেষ চরিত্র হলো ডা: মামুন, রফিক, মাহবুব এনারা। আসল খুনি কে ছিলো! খুঁজে বের করতে গিয়ে নাজেহাল হন ডিবি ইনভেস্টিগেটর আমিনুল আর তার সহকারীরা। তাই মাঝে মধ্যে শরনাপন্ন হতেন কে এস কে এর কাছে। এদিকে ব্যারিস্টার নিজেও আলাদা ভাবে কে এস কে এর কাছে যান নিজেকে উদ্ধার করার জন্য। ব্যারিস্টার জানায় একটা জালে তিনি ক্রমাগত আটকা পড়ে চলেছেন। শেষ পর্যন্ত বুদ্ধির জোরে কে এস কে উদ্ধার করেন ব্যারিস্টার কে জাল থেকে। দুর্দান্ত এক থ্রিলার, আর টানটান উত্তেজনায় ভরপুর এই বইটি। আশা করি সকলের ভালো লাগবে।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ৯ মে, ২০২৩
শিরোনাম-লহ প্রণাম ✍️ ডা:অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ২ মে, ২০২৩
শিরোনাম- শ্রম দিবস✍️ ডা:অরুণিমা দাস
শিরোনাম- শ্রম দিবস
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
নিঃশব্দে কাজ যে করে চলে ওরা
মাথার ঘাম পায়ে ফেলে, দিবারাত্র সারা।
তাদের জানাতে সম্মান
একটি দিন বরাদ্দ কেবলি
বাকিদিন ওদের কে ভুলি সকলি।
যথাযোগ্য মূল্যায়ন হোক এদের অক্লান্ত পরিশ্রমের
শুধু মে দিবস নয়,বাকী দিনও শ্রদ্ধা জানাই শ্রমজীবীদের।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
শুক্রবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৩
শিরোনাম- বৃষ্টি তুমি ✍️ ডা:অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৩
সঠিক নাকি সুহৃদয়✍️ ডা: অরুণিমা দাস
সোমবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৩
শিরোনাম - বন্ধুর মতো ✍️ডা: অরুণিমা দাস
শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩
শিরোনাম - বর্ষবরণ ✍️ডা:অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৩
শিরোনাম - বহুরূপী✍️ডা: অরুণিমা দাস
শনিবার, ১ এপ্রিল, ২০২৩
এপ্রিল ফুল✍️ ডা: অরুণিমা দাস
এপ্রিল ফুল
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
এপ্রিল ফুল হলো ইংরাজী বছরের এমন একটা দিন(১ লা এপ্রিল),যখন এক মুহূর্তের জন্য হলেও বোকা হতে ভালোবাসেন পৃথিবীবাসী। এ এক সার্বজনীন বোকা বানানোর উৎসব। প্রশ্ন ওঠে? একটাদিন। তারপর সেই পরশ ধরেই এগিয়ে চলে স্মৃতির বস্তা বোঝাই গাড়ি।
পয়লা এপ্রিল। বছরের ৯২ তম দিন। পথ চলা তখনও অনেক বাকি। ১৫৬২। পোপ গ্রেগরি খ্রিস্টানদের জন্য আনলেন নতুন ক্যালেন্ডার। এর আগে পর্যন্ত নতুন বছর পালিত হতো এপ্রিল ১ এ। এই পরিবর্তনের খবর গোটা পৃথিবীর জানতে লেগে গিয়েছিল বিস্তর সময়। মানুষ তখনও এপ্রিল ১ কে কেন্দ্র করেই পাঠিয়ে চলেছে শুভেচ্ছা বার্তা। আর সেগুলোই জমা হয়েছে মজার দিনের গল্প হিসাবে।
এই ছিল গল্প এক। গল্প, কারণ ইতিহাস আজও এই ঘটনার কোনও জ্যান্ত দলিল প্রকাশ করে উঠতে পারেনি।
এবারে গল্প দুই - রোমান মৃত্যুর দেবতা প্লুটো স্ত্রী পারসিফনকে অপহরণ করে আনলেন। এবারে পারসিফনের মা দেবী সেরিস মেয়েকে অনেক খোঁজার চেষ্টা করেন। কিন্তু পাননা। মেয়ের ঠিকানা তখন পাতালপুরী। সেরিস দেবী হলেও পেরে ওঠেননি মেয়েকে খুঁজতে। এক মায়ের বোকামি স্মরণ করে ১ এপ্রিল পালন করা হয় বলে অনেকে মনে করেন।
ব্রিটিশ লোককথা- ব্রিটেনের নটিংহ্যামশায়ারের 'গথাম' শহর, বোকাদের শহর। তেরো শতকের দিকে নিয়ম ছিল,ব্রিটেনের রাজা যেখানে যেখানে পা রাখবেন তা রাষ্ট্রের সম্পত্তি। গথামবাসীরা শুনলেন রাজা আসছেন শহরে। ঠিক হলো বন্ধ হবে রাজ যাত্রা। তাঁরা কিছুতেই গথামকে হারাবে না। রাজার কানে খবর গেলো। সৈন্য পাঠালেন।
সৈন্যরা এসে দেখেন প্রবেশদ্বার থেকেই সারা শহরে হুলস্থূল কাণ্ড। সব বাসিন্দা বোকার মতন কাজ করে চলেছেন। রাজা বললেন, এমন বোকাদের শাস্তি দেওয়া যায় না। তাই মাফ করে দিলেন। গথাম থেকে গেলো চিরতরে মুক্ত। এই "ট্রিক" স্মরণেই এপ্রিল ফুল। ১৫৩০ সালের ১ এপ্রিল। জার্মানির অগসবারগ শহরে একটা আইনি মিটিং হওয়ার কথা। এই মিটিং নিয়ে তোড়জোড় চলছিল জোরকদমে। কিন্তু মিটিংয়ের দিন তারা জানতে পারলেন খবরটা ভুয়ো।
মিটিং এর ফলাফল নিয়ে সাধারণ মানুষের মাথায় ছিল এক আকাশ চিন্তা। যতই হোক আগামী দিনের আইনি স্বাধীনতা কতটা সাধারণ মানুষের ঝুলিতে, এই নিয়েই ছিল আলোচনা? কিন্তু আমলারা কই? কিছু অত্যন্ত চালাকরা আগে থাকতে এই মিটিং এর ফলাফল জানতে চেয়ে অনেক টাকা এক বাজিকরের কাছে পারিশ্রমিক হিসেবে দিয়ে বসে। পাওয়া গেলো না তাঁকেও। অর্থাৎ টাকা গচ্চা গেলো। এই ঘটনাও হতে পারে এপ্রিল ফুলের উৎস লেখনী।
১৫৭২ সালের ১ এপ্রিল। হল্যান্ডের ডেন ব্রিয়েল শহরটাকে লর্ড আল্ভার স্প্যানিশ শাসন থেকে মুক্ত করে ডাচ বিদ্রোহীরা। এইদিন তারা লর্ড আল্ভাকে পুরো বোকা বানিয়ে ছাড়ে। তাঁকে স্মরণ করেও এপ্রিল ফুল পালিত হতে পারে। মূলত এই ঘটনার পর অনেক জায়গায় বিদ্রোহ সোচ্চার হয় আর স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা আদায় করে হল্যান্ড।
বড়ো বড়ো দেশে এরকম ছোট ছোট ঘটনা ঘটেই থাকে। এরকম ছোট ছোট ঘটনাই আজ একত্র হয়েছে। রিইউনিয়ন। অনেকাংশ সহমত হবেন কি না জানিনা,এরকম বোকা বনে যাওয়ার ঘটনা গুলোই দু কলি হাসিয়ে তোলে কখনও,মনের অজান্তেই।
তবে বর্তমানে এই দিবস পালনের যৌক্তিকতা কি আদৌ আছে? প্রশ্ন যুক্তিবাদীদের। মানুষকে মিথ্যা বলে ঠকানো বা বোকা বানিয়ে মজা পাওয়া মানেই বোকামি। মিথ্যা বলা কোনও সভ্য সমাজ মেনে নেয়না। তাই মিথ্যা বলে মানুষকে বোকা বানানো কোনও উৎসবের নামান্তর হতে পারেনা। পরিশেষে খেয়াল রাখতে হবে এত্ত রোম্যান্টিসিজম অন্য কারও আবেগে আঘাত না করে বসে। যাঁরা অধীর আগ্রহে থাকেন কীভাবে এই দিনে কাছের জনকে বোকা বানাবেন, তাঁদের জন্যে এই শেষটুকু।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০২৩
শিরোনাম - ঠোকাঠুকি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০২৩
শিরোনাম - নেশা ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
মোদের গর্ব বাংলা ভাষা✍️ডা: অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ, ২০২৩
শিরোনাম - লক্ষ্মী অর্চনা✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বুধবার, ৮ মার্চ, ২০২৩
নারী স্বাধীনতা- অপেক্ষার হোক অবসান ✍️ ডা:অরুণিমা দাস
সোমবার, ৬ মার্চ, ২০২৩
ছবি দেখে মনের কথা✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০২৩
শিরোনাম - পাওয়ার অফ উইল পাওয়ার✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ, ২০২৩
শিরোনাম - ভ্যালেন্টাইন ডে✍️ ডা:অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
চা ফোন আর পেপার ✍️ ডা:অরুণিমা দাস
শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
বোধবুদ্ধি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
শিরোনাম - ম্যাজিক অফ মেলোডি✍️ডা:অরুণিমা দাস
শিরোনাম - ম্যাজিক অফ মেলোডি
✍️ডা:অরুণিমা দাস
গান আমাদের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে আছে। গানের লিরিক্স গুলো শুনতে শুনতে তার সাথে একাত্ম হয়ে গেলে জীবনের মানে অন্য রকম হয়ে যায়। বুদ্ধিভিত্তিক অংশ সেরিব্রাম গানের কথার সাথে আগেকার স্মৃতি, জ্ঞান,চরিত্র ও ঘটনাকে তুলনা করে, শরীরের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণের অংশ সেরেবেলাম শরীরকে স্থির করে অথবা গানের বাজনার সাথে চালনা করে এবং হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতি মুহূর্তে গান আমাদের বাঁচার অনুপ্রেরণা যোগায়। কাজে এনার্জি পেতে গান দরকার। মানুষের মনে সুখানুভূতি সৃষ্টির অন্যতম কৌশল হলো সঙ্গীত। সুর আমাদের হৃদয়কে উদ্বেলিত করে তোলে,মনোযোগ দিতে সাহায্য করে এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাস রোধ করে।
নিউরোলজিস্টদের মতে, মস্তিষ্ক কাজ করে ছন্দের মাধ্যমে। গান শোনার ফলে মস্তিষ্কে আলফা ও থিটা তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। আলফা ও থিটা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক এবং থিটা তরঙ্গ প্রবাহের ফলে কর্টিসল হরমোনের প্রবাহ হ্রাস পায়। এই কর্টিসল স্ট্রেস হরমোন হিসেবে পরিচিত,যা মনোসংযোগ ব্যহত করে,দুঃখ ও দুশ্চিন্তার অনুভূতি জাগায়। তাই সুর শোনার ফলে মানসিক চাপ হ্রাস পায়। ছোট বেলায় গান চর্চা করলে ঐ ব্যক্তির শব্দপ্রক্রিয়া করার ক্ষমতা সাধারণের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে।সুর মানুষকে শান্ত ও ধীরস্থির করে তোলে। তবে গান শোনার চেয়ে বাদ্যযন্ত্র বাজানোর ফলে মস্তিষ্ক আরও বেশি তৎপর হয়ে থাকে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে উচ্চমানের গীত সৃষ্টির সময় মস্তিষ্কের অল্প অংশ সক্রিয় থাকে,নিউরাল কানেকশন কম থাকে। ফলে বাড়তি শক্তি জমা হয় এবং এই শক্তি ব্যবহার নিউরাল সার্কিটকে আরো সক্রিয় করে তোলে ও সঙ্গীত মস্তিষ্ককে ক্ষুরধার করে তোলে।
সার্বিক জনসংখ্যার তিন থেকে পাঁচ শতাংশ মানুষ সঙ্গীত ঘৃণা করে,একে বলা হয় মিউজিক্যাল অ্যানহেডোনিয়া। এ ধরনের মানুষের মস্তিষ্কের রিওয়ার্ড সিস্টেমের সাথে শ্রবণ অংশের যোগাযোগ কম।
সঙ্গীত শিল্পের চমৎকার একটি মাধ্যম হলেও এর ক্ষতিকর কিছু দিক রয়েছে
কিছু গান মানুষকে আত্মহত্যার দিকে প্ররোচনা দেয় বলে জানা গেছে। Gloomy Sunday নামক একটি গান এই কারণে বহুল আলোচিত। অতিরিক্ত হেভি মেটাল শুনলে স্মৃতিশক্তি বাড়ার বদলে কমতে থাকতে পারে। সঙ্গীত কখনো কখনো হিংস্রতা উদ্বুদ্ধ করতে পারে।
বর্তমানে অ্যালজাইমার্স রোগের একমাত্র প্রতিকার মিউজিক থেরাপি। অটিজমে এর ব্যবহার করা যায় কিনা তা নিয়ে গবেষণা চলছে। ডিপ কোমায় থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে বর্তমানে মিউজিক থেরাপি দেয়া হয়ে থাকে।
এই জন্যই
বলা হয়ে থাকে গান মানুষের শরীরের জন্য একটি যাদু। যে যাদু হঠাৎ করে পৃথিবীর সব জরাজীর্ণতা,ক্লান্তি,অবসাদ,চাপ ও দুশ্চিন্তাকে প্রশমিত করে মনকে ফুরফুরে করে এবং কাজের জন্য আবার মনকে সজীব ও সতেজ করে।
সঙ্গীত মস্তিষ্কের ব্যায়াম। সুর,বাজনা ও কথার সাথে মস্তিষ্কের প্রায় সব অংশ উদ্দীপ্ত হয়।
"সঙ্গীতের মূর্ছনায় রয়েছে যে ম্যাজিক অফ মেলোডি
গানে জীবন হবে চাপমুক্ত,হবে না কোনো ট্র্যাজেডি।"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
শিরোনাম -যোগ বিয়োগ✍️ ডা:অরুণিমা দাস
শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
সময়ে জেগে ওঠা প্রয়োজন✍️ ডা: অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৩
শিরোনাম - ইচ্ছে✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৩
টার্গেট✍️ ডা: অরুণিমা দাস
টার্গেট
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
পছন্দের খেলা ছিলো দুটো, ক্রিকেট আর ক্যারম। একটা আউটডোর গেম আর একটা ইনডোর গেমস। যাইহোক টিভি তে যখন ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে শচীন কে নামতে দেখতাম মাঠে, বেশ একটা অন্য রকম অনুভুতি হতো। আর নিজে যখন বাড়ির পাশের মাঠে খেলতে যেতাম আমার বন্ধুদের শর্ত দিতাম আমি শুধু ব্যাট ই করবো, বল করবো না। ওরা মাঝে মাঝেই প্রতিবাদ করতো, আমি শুনতাম না। আরও বলতাম যেদিন আমি খেলতে আসবো না সেদিনও আমার এম আর এফ ব্যাটটা দিয়ে ওদের খেলতে দেবো। কিন্তু যেদিন আসবো সেদিন ব্যাট আমার, যতক্ষণ ইচ্ছে ব্যাট করবো কিন্তু বল করবো না। বাড়িতে সবাই আমার এসব দুষ্টুমির জন্য বকা দিতো কিন্তু আমি গায়ে মাখতাম না। বন্ধুরা নাম দিয়েছিল হিটলার শচীন। বড়ো হবার পর ওদের বলেছিলাম ব্যাটটা কে মনে করি জীবনের হাল, কোনোদিন কোনো অবস্থাতেই ওটা ছাড়বো না। শচীন হতে পারবোনা হয়তো কোনোদিন কিন্তু জীবনের ইনিংস গুলো খেলতে হয়তো পারবো বা পারতে হয়তো হবেই। বন্ধুরা চুপ করে শুনেছিল। আজও দেখা হলে বলে ওই দিন গুলো খুব মিস করি, আমিও বলি সত্যি খুব মিস করি রে দিন গুলো। আজও গুছিয়ে রাখা আছে সেই ব্যাট টা। সময় পেলে ক্রিজে নেমে পড়ি।
আর ক্যারম টাও সময় পেলে খেলতে বসে পড়ি কলেজ কমন রুমে। ছোটবেলায় লাল গুটি জালে না পড়া অবদি খেলতাম। অন্য কেউ লাল গুটি ফেলে দিলে আমি আবার সেটা তুলে বোর্ডে রাখতাম আর টার্গেট করতাম ওটা ফেলার। সবাই হাসতো কিন্তু আমি আজও ভাবি ওই লাল গুটির মতন জীবনের টার্গেট পূরণ না করা অবদি লড়ে যাওয়া উচিত সবারই। আজকাল কার দিনে সময়ের অভাবে মাঠে নেমে খেলা ধুলা অনেক কমে গেছে। বাচ্চা রা পাহাড় প্রমাণ সিলেবাস শেষ করতে করতে হাপিয়ে উঠেছে, কিন্তু বিকেলে ১-২ ঘণ্টা নিয়ম করে খেলতে দেওয়া উচিত ওদের। প্রকৃতির সাথে একটা সংযোগ হবে এতে,জীবনের লড়াই টাও কিছুটা হলেও বুঝতে পারবে ওরা।
"হাতে থাক ব্যাট আর লড়তে থাকি জীবনের লড়াই
চলার পথ ক্রিজ হোক,সবার সাপোর্ট থাকা চাই।"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
রবিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৩
সাত শব্দের শিরোনাম✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৩
শিরোনাম - সময়✍️ ডা: অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৩
শিরোনাম - উপলব্ধি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২
শিরোনামঃ চিত্রালোচনা নামঃ ভবিষ্যৎ কলমেঃ নন্দিনী তিথি
গড়তে সুন্দর জীবন, দেখালে আমায় পৃথিবীর অপরূপ মুখ,
দেখি এসে তোমাদের দ্বন্দের উপর বসবাস।
যেখানে, একটু একটু করে পালাতে বাধ্য হচ্ছে প্রতিনিয়ত, বিরাজমান সুখ।
দুইপাল্লারই ভারী রেষের মাঝে,
হচ্ছি আমি শেষ, বসে।
শিখাবে যেখানে আমায় শৃঙ্খলা, আদর্শতা ও ভালোবাসা।
সেখানে অনুশীলন করিয়ে যাচ্ছো প্রতিনিয়ত, ইগো আর দ্বন্দের বইয়ের বিশালতা।
একে অন্যের দেমাগের কারিশমা, সবই ফলছে আমার উপরে।
এরই প্রভাবে গড়ে উঠছি দিন দিন আমি প্রতিবন্ধী আর অবাধ্যের নেতা।
এখন কোথাও আমার যাবার নেই মানা,
মেতেছি উচ্ছন্নে, উল্লাসে, বেপরোয়া হয়ে!
আর মনে মনে চলছি খুঁজে,
পৃথিবীর মাঝে একটু নির্ভেজাল ভালোবাসা।
Copyright ©️ All Right reserved Nandini Tithi
মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২
শিরোনাম - সেতু✍️ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম - দুরত্ব✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম - দুরত্ব ✍️ ডা: অরুণিমা দাস আধুনিকতা মানেই অন্যরকম একটা ব্যাপার, উন্নতির পথে এগিয়ে যাবার সিড়ি তৈরি করে দেয় আধুনিকতা। আজকাল কেউ আ...
-
ঘোষ বুড়ী ©সুদেষ্ণা দত্ত গ্রামের নাম সুন্দরগ্রাম--বাংলা মায়ের কোল ঘেঁষা সুজলা,সুফলা,শান্তির নীড় ঘেরা এক গ্রাম।গ্রামের অধিকাংশ লোকই কৃষি...
-
আমার অকাজের লিস্টি ✍️ ডা: অরুণিমা দাস ২০২৫ এ পড়ে ফেলা বইগুলোর তালিকা তৈরী করেই ফেললাম। ভিন্ন স্বাদের সব বইগুলো। মন ভালো করে দেয়। তালিকা...
-
অণু গল্প ----সাথী হারা। কলমে-- পারমিতা মন্ডল। দীঘার সমুদ্রে একা একা হেঁটে চলেছে সৈকত । এই বালুকাবেলায় , রামধনু রং আকাশের দিকে তাকিয়ে মনটা বড়...
