বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

নববর্ষের প্রথম দিনে অঙ্গীকার✍️ ডা: অরুণিমা দাস

নববর্ষের প্রথম দিনে অঙ্গীকার
✍️ ডা: অরুণিমা দাস

বছরের শুরু মানেই রেজোলিউশন নেওয়া যে এই করবো,সেই করবো। এখন তো আবার দুবার করে রেজোলিউশন নেওয়া চলে,ইংরেজি বছরের শুরুতে আর বাংলা বছরের শুরুতে। তবে বাঙালী বলে নববর্ষের শুরুতেই বেশি করে অঙ্গীকারবদ্ধ হই। ভালো হয়ে থাকবো,কারোর মনে কষ্ট দেবোনা এগুলো দিয়ে শুরু হয় অঙ্গীকার নেওয়া। পেশেন্ট পার্টি যতই খারাপ হোক তাদের সাথে হাসিমুখে বলল বলবো। পঞ্চম বার সিজার হতে আসা পেশেন্ট দের প্লাসেন্টা ইউটেরাসে আটকে গিয়ে হেবি ব্লিডিং হলেও খুশি মনে ম্যানেজ করবো। কিন্তু রাগ করবোনা যতই যাই হয়ে যাক। গ্যাংরিন হয়ে যাওয়া পেশেন্ট অনিয়ন্ত্রিত শর্করা নিয়ে এলে তাকে বকাঝকা না দিয়ে বোঝাবো ভালোভাবে। জুনিয়র দের মাথায় উঠতে দেবোনা। এতো গেলো কাজের জায়গার কথা,এরপর আসা যাক অন্য কথায়। গল্পের বই বেশী কিনবোনা। আগে বুক সেলফ বানাতে হবে সেটা মাথায় রাখবো। ৩-৪ টে বই একসাথে পড়বোনা। একটা বই পড়া শেষ করে আরেকটা বই পড়া শুরু করবো। নতুন জামাকাপড় কিনবো,পুরোনোগুলো বের করে আলমারি পরিষ্কার রাখবো। কসমেটিকস কিছু কিনবো,বই না কেনার জন্য কিছু টাকা বাঁচলে। সাজুগুজুতে মন দেবো। বাইরের খাবার বেশী খাবোনা, বাড়ীর খাবার খাবো ভালো করে। চকোলেট আইসক্রিম খাওয়া কমিয়ে দেবো। লেখালিখিটা নিয়মিত করার চেষ্টা করবো। জার্নালে আরো পাবলিকেশন করবো। পড়ার বই থেকে কম দুরত্ব বজায় রাখবো। অপ্রিয় সত্য কথা কম বলবো। আর কেউ ইনসাল্ট করে কিছু বললে হাসিমুখে বেরিয়ে আসবো কারণ এটা তাঁর নীচু ও বিষাক্ত মানসিকতার পরিচয়। অনেক কিছু অঙ্গীকারের কথা লিখলাম কিন্তু কতটা পালন করতে পারবো জানিনা। তাও তো ইচ্ছে করে বছরের শুরুতে কিছু প্রমিস করতে নিজের জন্য। আর ভালোমানুষ হবার জন্য চেষ্টা করবো,এটাই সবচেয়ে বড় অঙ্গীকার। 

"বছর শুরুতে করি ভালো কিছু অঙ্গীকার,নিজেকে শোধরাতে
তবেই না বছর শেষে সেটার ফলাফল যে পাবে হাতে নাতে।"

©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নববর্ষের প্রথম দিনে অঙ্গীকার✍️ ডা: অরুণিমা দাস

নববর্ষের প্রথম দিনে অঙ্গীকার ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বছরের শুরু মানেই রেজোলিউশন নেওয়া যে এই করবো,সেই করবো। এখন তো আবার দুবার করে রেজোলিউশন নেওয়...