এখনও খুঁজি
সুদেষ্ণা দত্ত
থিয়েটারকে করে অনাথ--
‘পাগলা ঘোড়া’, ‘কথা অমৃতসমান’, ‘নাথবতী অনাথবৎ’,
চিতার এক একটা পোড়া কাঠ--
বলে যায় জীবনের নানাপাঠ,
ফুলভারে দেহ প্রদর্শনে অনীহা প্রকট,
তাই নীরবে চলে যায় শববাহী শকট।
চরণযুগল তুলেছে লহর--
মৃদু বা প্রবলে মেতেছে নগর,
রবিশঙ্করের ‘লয়ের পুতুল’,
অভিনেতা-আমজনতা শিখেছে কত্থকের বোল।
হঠাৎ নীরব ছন্দ পায়ের
ঘুঙুর ছিঁড়ল মহারাজের।
মজার ছবি রঙ—তুলিতে
বাঁটুল,হাঁদা-ভোঁদা,নন্টে-ফন্টের দুস্টুমিতে,
পিঠে পড়ত যখন মায়ের শাসনের হাত,
ক্ষত’য় মলম হতেন নারায়ণ দেবনাথ।
ছিল না স্মার্টফোন,ভিডিও গেম বৈভবের
কাটল সুতো শৈশবের।
যুগ এক একটা যায় হারিয়ে--
আমরা এগিয়ে চলি পথের ধুলো মাড়িয়ে,
‘শব’ হলে অকৃপণ হাতে খরচ করি কত শব্দ—
তবু থেকে যায় প্রিয়জন-প্রয়োজনের নিকটে কত ঋণ লব্ধ।
ন্যুব্জ হতে বাধা যখন অহমিকা।
©কপিরাইট রিজার্ভড ফর সুদেষ্ণা দত্ত।
ছবি:সংগৃহীত
❤️🌸
উত্তরমুছুনঅসাধারণ!👍👍❤️❤️🌻🌻
উত্তরমুছুনধন্যবাদ দাদা
মুছুনখুব সত্যি কথা... দারুন লিখেছিস....শৈশব স্মৃতিগুলো আজ ও অমলিন...
উত্তরমুছুন💐💐💐💐
মুছুনDarun likhechis.khub khub bhalo.
উত্তরমুছুন💐💐💐💐
মুছুনআমাদের ক্ষতি হলো, যতটা হলো তা বোঝানো যাবেনা, কিন্তু আমার চিন্তা হয় আগামী প্রজন্মের জন্য, শৈশব যে কোথায় আশ্রয় নেবে কে জানে!
উত্তরমুছুনযাঁদের উনি পূর্ণ করে দিয়ে গেলেন সেই আমরাই আগামীর কাছে আমাদের সাধ্যমত তাঁকে তুলে ধরব।
উত্তরমুছুন