শুভ পরাক্রম দিবস - নেতাজী।
#নাম - 'নারীমুক্তি ও নেতাজী - রাণী ঝাঁসি বাহিনী।'
✍️ - মৃদুল কুমার দাস।
"নশ্বর এই দুনিয়ার সবই নষ্ট হয়,সবই বিনষ্ট হবে। শুধু অবিনশ্বর থাকে ভাবনা,আদর্শ, স্বপ্ন - যে আদর্শের জন্য একজন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করতে প্রস্তুত থাকে,সহস্র জীবনের মধ্য দিয়ে সেই আদর্শের বারংবার পুনর্জন্ম হবে।" - নেতিজী ২৬ নভেম্বর, ১৯৪০ প্রেসিডেন্সি জেলে অনশনরত অবস্থায় দেশবাসীকে ত়ার এক বলিষ্ঠ আত্মানুসন্ধানের ইচ্ছাপত্রতে এই কথাগুলি লিখেছিলেন। আর স্বাধীনতার তাৎপর্য বোঝাতে বলেছিলেন - স্বাধীনতা মানে শুধু বন্ধনমুক্তি নয়,স্বাধীনতা মানে অর্থের সমান অধিকার, জাতিভেদ ও সামাজিক অবিচার নিবারণ, সাম্প্রদায়িক সঙ্কীর্ণতা ও গোঁড়ামির বর্জন - সর্বোপরি স্বাধীনতা মানে সমাজ ও ব্যক্তি, নর ও নারী,ধনী ও দরিদ্রের জন্য কোনো পৃথক পৃথক অস্তিত্ব নিয়ে বিরাজ নয়। এ থেকেই নেতাজী নারীশক্তিকে নিয়ে যে ভাবনায় সমগ্ৰ জাতিকে সামিল করেছিলেন তাই তো ইচ্ছাপত্রের যথার্থ সঙ্গতি। নেতাজীর ১২৫ তম জন্মদিনে নিজেদের ফিরে ফিরে দেখার সেই তো অনুপ্রেরণা ও সার্থকতা।
স্বামী বিবেকানন্দের নেতাজী ছিলেন বলিষ্ঠ উত্তরসুরী। স্বামীজী বলতেন মেয়েরা না এগোলো দেশ এগোবে না। ভগিনী নিবেদিতাকে সেই দায়িত্ব দিয়েছিলেন। আর সুভাষচন্দ্র তাঁরই যোগ্য উত্তরসুরী হয়ে নারীকে নিয়ে স্বাধীনতা আন্দোলনে যা ভাবতেন তাই বাস্তবে রূপদান করার জন্য একপ্রকার চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন। এব্যাপারে তাঁর সহজ উপলব্ধি ছিল - ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ চেয়েছিল তাদের শাসন ন্যূনতম হাজার বছর হোক, বৈষম্যের মরুভূমিতে প্রশাসন হবে ওয়েসিস,আর এদেশে যেহেতু নারীসমাজের উন্নয়নের অভিধান নেই বলতে গেলে,তাই উপনিবেশিক শাসনের এই তো মরুদ্যান। আর যাই হোক নারী জাগরণের আইরিশ-সচেতনতা নেই বলে তাই এই দেশকে শাসন করার কোনো বিড়ম্বনা নেই। এখানেই সুভাষচন্দ্র ধরে ফেললেন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের চালাকী। সহজেই ধরতে পেরেছিলেন কেননা তিনি যে আই এ এস - প্রশাসনিক শিক্ষায় শিক্ষিত। তাই তাদের যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী যখন তিনি,তাই তাঁদের তাঁবেদারী করা তাঁর ধাতে সইবে না যে তা অচিরেই বুঝেছিলেন। তাই নিজেকে সরিয়ে রেখে এদেশের গণবিপ্লব ও গণজাগরণের পথ বেছে নিলেন। ব্রিটিশ সরকার দুই ভারতীয় ব্যক্তিকে ভয় পেত। একজন অসমাপ্ত আই এ এস অরবিন্দ ঘোষকে যাঁকে পন্ডিচেরীতে পর্যন্ত নজরদারী রাখতে ছুটে গেছে। আর দ্বিতীয় সুভাষচন্দ্র -আই এ এস, নজরদারিতে রেখেও ব্যর্থ হয় বলে,ভারতীয় উপনিবেশিক শাসনের দীর্ঘ ব্যবস্থার স্বপ্ন একাই ভেঙে দিতে যে পারবে তা ব্রিটিশশক্তি অচিরে বুঝতে পেরেছিল।
বহু কর্মকান্ডের কান্ডারী নেতাজীর সেই সব কর্মকান্ডের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা ছিল নারীশক্তির জাগরণ। তারই প্রমাণ এই কথায় - "আমাদের মাতৃজাতিকে আমরা যদি শক্তিরূপিনী করিতে চাই তাহা হইলে বাল্যবিবাহ প্রথা উচ্ছেদ করিতে হইবে; স্ত্রীজাতিকে আজীবন ব্রহ্মচর্য পালনের অধিকার দিতে হইবে: উপযুক্ত স্ত্রীশিক্ষার আয়োজন করিতে হইবে;অবরোধ প্রথা দূর করিতে হইবে; বালিকা ও তরুণীদের ব্যায়াম শিক্ষাও দিতে হইবে এবং বিধবাদের পুনঃর্বিবাহের অনুমতি দিতে হইবে।" কথাগুলি বলেছিলেন শ্রীহট্টের সুর্মা উপত্যকায় এক ছাত্র সম্মিলনীতে 'নূতনের সন্ধানে' (পৃ.- ৫) নামক লিখিত অভিভাষনে। সাল ১৯২৯। ব্যক্তিগত জীবনে তিন নারী - মা প্রভাবতী বসু, দেশবন্ধুর স্ত্রী বাসন্তীদেবী ও দাদা শরৎ বসুর স্ত্রী বিভাবতী বসু - এঁদের ব্যক্তিত্বের প্রভাব ছিল তাঁর অনুপ্রেরণা। ১৯২৪ এর সুভাষচন্দ্র 'আত্মশক্তি' পত্রিকার সম্পাদকীয়তে 'আমরা কি চাই?' শীর্ষক লেখায় বলেছিলেন - "আমাদের সমাজে নারীর পরিপূর্ণ স্বাধীনতা চাই।" উক্ত লেখায় আরো বলেছিলেন - "...এককথায় পরুষ যে স্বাতন্ত্র ও স্বাধীনতা ভোগ করচে নারীকেও আমরা সেই সেই স্বাচ্ছন্দ্য ও স্বাতন্ত্র্যের অধিকারী দেখতে চাই। পুরুষেরা কোনোদিন তা নারীকে দেবে এবং দিলেও নারীরা তা সত্যি পাবে,এ বিশ্বাস আমাদের নেই। নারীকেই বিদ্রোহ করে স্বাধিকার অর্জন করতে হবে,তাছাড়া আর কোনো পথ নেই।"
আর এই মনোবাঞ্ছা পূরণ করতে তিনি রাজনৈতিক জাগরণের অস্ত্রে শান দিলেন। সাথে স্বামীজীর প্রেরণাকে সম্বল করে নারীর সামরিক জাগরণের ডাক দিলেন - "আপনার মান রাখিতে জননী,/ আপনি কৃপাণ ধর।"
১৯২৮ এ সাইমন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সংগঠিত করতে গড়ে তোলেন 'মহিলা রাষ্ট্রীয় সংঘ', এই সংঘে তিনশ' মহিলা স্বেচ্ছাসেবিকা শুরুতেই যোগদান করে। নেতৃত্বে লতিকা ঘোষ।
এই নারীবাহিনীই নেতাজীর আরো বৃহত্তর উদ্দেশ্য রূপায়ণের যেন ভিত্তি। তাই নারীকে নিয়ে সামরিক বাহিনীর পথ প্রশস্ত করে। নাম হবে রাণীবাহিনী। হবে প্রশিক্ষিত পেশাদার পদাতিক নারীবাহিনী। ভাবা যায় এমন প্রগতিশীল চিন্তা! ঘরকন্নার নারী হবে যোদ্ধা! কেন হবে না - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যদি অগনিত ব্রিটিশ, আমেরিকা, জার্মান, সোভিয়েত নারী এয়ারফোর্সে পাইলট হতে পারে,অবশ্য নারীবাহিনীর স্বতন্ত্র রেজিমেন্ট তখনো হয়নি তো কি হয়েছে তিনিই প্রথম রেজিমেন্ট নারীবাহিনী তৈরী করে দেখাবেন। এর পেছনে অনুপ্রেরণা বলতে ১৮৫৭ এর সিপাহী বিদ্রোহের পরাক্রমী শৌর্যের প্রতিমূর্তি ঝাঁসির রাণী লক্ষ্মীবাঈ। তাঁর নামেই হবে ঝাঁসি বাহিনী - 'রাণী ঝাঁসি রেজিমেন্ট'। যার সর্বাধিনায়িকা হবে লক্ষ্মী স্বামীনাথন। বাহিনীর প্রাথমিক সদস্যা মাত্র কুড়ি জনকে নিয়ে শুরু। ১৯৪৩ এর ১২ জুলাই সিঙ্গাপুরে সেদিন প্রবাসী ভারতীয়রা দেখেছিল এক অবিশ্বাস্য দৃশ্য - সাদা শাড়ি পরিহিত কুড়িজন মহিলা প্যারেড করতে করতে নেতাজীকে 'গার্ড অফ অনার' দিচ্ছেন,আর নেতাজী তাঁদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছেন। আর তেজোদীপ্ত ভঙ্গিতে নারীবাহিনীর প্যারেড-নৈপুণ্য দেখে স্বয়ং নেতাজী পর্যন্ত হতবাক হয়েছিলেন। এই বাহিনী ১৯৪৩ এর ২২ অক্টোবর রাণী লক্ষ্মীবাঈয়ের জন্মদিনে প্রথম প্রশিক্ষণ শিবির অনুষ্ঠিত হয়। সদস্যা ১৬৫। সেখানেই নেতাজীর ঘোষণা ছিল- "বাহিনীতে দ্রুত এক হাজার সদস্যা হবে। রেঙ্গুনে, থাইল্যান্ডে আরো দুই সামরিক প্রশিক্ষণ শিবির শুরু হবে, পরাধীন ভারতবাসীর মুক্তির জন্য অগণিত ঝাঁসির রাণীর আত্মোৎসর্গ প্রয়োজন।"
প্রথম প্রথম বাহিনী নিয়ে অবিশ্বাস থেকে হতাশার অনেক কারণ সামনে এসেছিল। জাপানিরা যুদ্ধের অস্ত্রশস্ত্র তো দূর প্রশিক্ষণের জায়গা পর্যন্ত দিচ্ছিল না। এমনকি নেতাজীকে নিরস্ত পর্যন্ত করতে দ্বিধা করেনি। আই. এন.এ. সেনাপ্রধানরাও নারীবাহিনীর পরিকল্পনায় সহমত হতে পারছিলেন না। কিন্তু এদিকে নেতাজীর ব্যক্তিত্বে আকৃষ্ট হয়ে অগণিত নারী ঝাঁসি বাহিনীতে যোগ দিতে শুরু করতে থাকে। বাহিনীর অস্তিত্ব রক্ষায় মেয়েরাই যে যার গহনাপত্র সম্বল নিয়ে বাহিনীর পাশে দাঁড়িয়ে পড়ে। সম্পন্ন ও শিক্ষিত ঘরের মেয়েরা সংখ্যায় অল্পস্বল্প হলেও বাহিনীর অধিকাংশ সদস্যারা ছিলেন মালয়ের রাবার-বাগিচায় খেটে খাওয়া মেয়েরা। কারণ বাগিচায় তাঁরা বৈষম্যের শিকার হত,স্বামীর অত্যাচার হামেশাই লেগে থাকত। বরং বাহিনীতে অনেক নিরাপদ - আহার ও পুরুষদের সমান বেতন মিলত। আর প্রশিক্ষিত হতে বেশ ভালই লাগত।
শয্যা কাঠের তক্তার উপর বিছানা ও একটি বালিশ। খাওয়ার জন্য টিনের থালা। মঙ্গলসূত্র ছাড়া কোনো গহনা নিষিদ্ধ ছিল।
ভোর ছ'টায় প্রশিক্ষণ শুরু আজাদ হিন্দ্ পতাকা তুলে,রণসঙ্গীত ও বন্দেমাতরম গান গেয়ে। এরপর ৪৫ মিনিট শারীরিক কসরত। সাড়ে সাতটায় প্রাতঃরাশ - রুটি ও চা। পরবর্তী দু'ঘন্টা প্যারেড ও আগ্নেয়াস্ত্র চালনা শিক্ষা। তারপর দু'ঘন্টা সময় ধার্য ছিল - শৌচালয় পরিস্কার, পোশাক পরিচ্ছদ,স্নান খাওয়া। দুপুরের খাওয়া হিসেবে থাকত ভাত, রুটি, সবজি, মুসুরের ডাল। মাঝে মধ্যে ডিম। এরপর একঘন্টা বিশ্রাম। পরের দু'ঘন্টার ক্লাসে হিন্দুস্থানী,আজাদ হিন্দ সরকারের জাতীয় ভাষা শিক্ষা ছাড়াও ভারতের ইতিহাস শিক্ষা, মানচিত্র শিক্ষা চলত। ইতিহাস শিক্ষায় থাকত রাজিয়া সুলতানা, চাঁদবিবি,ঝাঁসির রাণী,রাণী ভবানীর কাহিনী। তারপর দু'ঘন্টা শারীরিক কসরত। তারপর পতাকা নামিয়ে বন্দেমাতরম গান গেয়ে সেদিনের মত কর্মসূচির ইতি। রাতে সাতটায় খাবার। তারপর বিনোদনে নাচ গান কখনো নাটক অভিনয়ের ব্যবস্থা থাকত। সাড়ে ন'টায় সবাইকে ঘুমাতে যেতে হত। সেই সাথে তৈরি হল সেবিকা বাহিনী। সেবিকা বাহিনীর নাম ছিল - 'চাঁদবিবি নার্সিং কর্পস।' এখানে গৌরী ভট্টাচার্য, লাবণ্য গাঙ্গুলি, জিয়ান কাউর প্রমুখ প্রায় ২০০ সেবিকা আই.এন.এ. এর হাসপাতালগুলিতে সেবিকা হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। মেয়েদের প্রশিক্ষণে দ্রুত উন্নতি দেখে সুভাষচন্দ্র অত্যন্ত খুশী হয়েছিলেন।
প্রশিক্ষণের শেষে আশি জনকে বেছে নেওয়া হয় সম্মুখসমরে প্রাণ দিতে বিন্দুমাত্র ভাববে না। বার্মাতে ত্রিশ জন মহিলাকে নিয়ে তৈরী হয় সিক্রেট সার্ভিস ইউনিট। এরা হলেন - শান্তি ভৌমিক, প্রতিমা সেন,মায়া গাঙ্গুলি, রাণী মোম্মাতা প্রমুখ ছিলেন অন্যতম। এঁরা আঙুল কেটে নেতাজীর কপালে রক্ততিলক কেটে শপথ নিয়েছিলেন মাতৃভূমিকে মুক্তির জন্য শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত উৎসর্গ করবেন।
নেতাজী রেজিমেন্ট বাহিনীর মেয়েদের মাতৃজ্ঞাণে সম্মান ও কোনো আজাদি সেনা নারীঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত হলে তাকে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। নারীবাহিনীতে কোনো পক্ষপাতিত্বের ঘটনা না ঘটে সেদিকে কড়া নজর রাখতেন। বাহিনীর অভিভাবক হয়ে উঠেছিলেন তিনি। সবার পরিবারের খোঁজ খবর রাখতেন। কারো প্রিয়জন বিয়োগের খবর এলে তার পাশে দাঁড়াতেন।
সংগ্রামে বাহিনীর মেয়েরা যতই আত্মোৎসর্গের গুপ্তিমন্ত্র পাঠ করুক না কেন তাদের সুরক্ষায় তিনি খুব সজাগ থাকতেন। একবার হয়েছে কি ১৯৪৪ এর ১৮ এপ্রিলে রেঙ্গুনের মিংগালাডানে নেতাজীর সামনে বাহিনী প্যারেড করছে যখন হঠাৎ মিত্রশক্তির বিমান হানাতে এক সেনার প্রাণ যায়। শেষ পর্যন্ত বাহিনী লড়াই করে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি গাছের গোড়ায় বসে থাকলেন। কেউ তাঁকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যেতে পারেনি। ১৯৪৫ এ বার্মায় আজাদ বাহিনীর পরাজয়ে ঝাঁসি বাহিনীর মেয়েদের নিরাপদে মেয়েদের ফেরাতে তাদের সঙ্গ নিয়েছিলেন। দীর্ঘ পথ যাত্রায় পায়ে ফোস্কা পড়া তুচ্ছ জ্ঞাণ করেছিলেন, মেয়েরা নিশ্চিন্তে ফেরার খবর পেয়ে তিনি পরম স্বস্তি লাভ করেছিলেন।
এই হলেন নারীর ভেতরে আত্মশক্তি জাগরণের বীরনায়ক। একটা পরাক্রম দিবস দিয়ে যত ঋণ শোধের কথা ভাবি না কেন,তত ঋণী হই,কেননা ফিরে দেখি যখন তখন নিজেদের ক্ষুদ্রতার ফাঁদে আটকে পড়া দেখি। নারীর যে মর্যাদার রাজপথ গড়ে দিয়ে গিয়েছিলাম কতটা সে পথের মান রাখতে পেরেছি!বরং তাঁকে নিয়ে রাজনীতি, প্রাদেশিক সঙ্কীর্ণতা বেশি করে বয়ে চলেছি। স্বাধীনতার ৭৫ বছরে নেতাজীকে নিয়ে রাজনীতির পাঠ যতটা জরুরী মনে করেছি তাঁর স্বপ্ন পূরণের কোনো অনুশোচনায় বিদ্ধ হই না,এটাতেই বরং পরাক্রমের জাহির দেখি।
*******
#কপিরাইট রিজার্ভ ফর মৃদুল দাস।
সুন্দর তথ্যভিত্তিক লেখা। জয় হিন্দ
উত্তরমুছুনখুব সুন্দর লিখেছেন দাদা।
উত্তরমুছুনঅসাধারণ দাদা।
উত্তরমুছুনশুরুটা এমন সুন্দর উক্তি দিয়ে লেখা।
উত্তরমুছুনঅসাধারণ লেখা মনকে আলোড়িত করে।💐💝
সুন্দর তথ্যবহুল লেখা। ভালো লাগলো।💐
উত্তরমুছুনতথ্যবহুল এক অনবদ্য লেখনী।আমাদের আবেগকে খুব সুন্দর করে গেঁথেছেন দাদা।
উত্তরমুছুনঅসাধারণ।🙏🙏💐💐
উত্তরমুছুন