সোমবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩
ক্যান্টিনের অন্দরে✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৩
লক্ষ্যভেদ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
লক্ষ্যভেদ
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
চলার পথ সুগম হবে,এটা আশা করা উচিত নয় বরং কোনো আশা না রাখাই শ্রেয়। শত বাধা বিপত্তি আসবে,সেগুলো উপেক্ষা করে এগিয়ে চলার মাঝেই রয়েছে চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছনোর আনন্দ। গরম চা খেতে গিয়ে জিভ যখন পুড়ে যায়, বাকি স্বাদকোরক গুলো বরং আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে, চায় তারা বাকি চা টুকুর উষ্ণ পরশ নিতে, তখন খাওয়া কিন্তু থামিয়ে রাখা যায় না। চলার সময় পথে বাঁধা বিপত্তির সম্মুখীন হলে থেমে যাওয়া যায় না। এগিয়ে যেতে হয় সেই কাটার পথ ধরে, পায়ের দগদগে ক্ষতগুলোই মনে করিয়ে দেয় লড়াই করে যেতে হবে, লক্ষ্যভেদ করতে হবে। তাই তো জীবনের মূলমন্ত্র হলো চরৈবতি। কোনোভাবেই ছাড়া যাবে না হাল,বেয়ে যেতে হবে জীবনতরী তবেই পাওয়া যাবে পাড়ে পৌঁছানোর আনন্দস্বাদ।
"দুর্গম পথ যতই ধরাক পায়ে জ্বালা,থেমে যাওয়া তো যাবেনা
লক্ষ্যে থেকে অবিচল,আস্থা রেখে নিজের ওপর জীবন করো চালনা।"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৩
সম্পূর্না✍️ ডা:অরুণিমা দাস
সোমবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৩
শিরোনাম - জীবনের পথ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম-বৌ হরণ✍️ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম-বৌ হরণ
✍️ডা: অরুণিমা দাস
আজ সেনগুপ্ত বাড়িতে মহা সমারোহ। এবাড়ির ছোট ছেলে বিজয়কৃষ্ণের আজ বিয়ে। পাশের পাড়ার শ্যামলীর সাথে। বাড়িতে খুব হৈচৈ। পুরনোদিনের বাড়ি। বাবা, কাকা, জেঠ্যা কাজের লোক সবাই মিলে প্রায় কুড়িজন মতো লোকজন এবাড়িতে বসবাস করে।ওরা নিজেরাও তো ভাইবোন অনেক। বিজয়কৃষ্ণ কলকাতায় থেকে পড়াশোনা করে । গরমের ছুটিতে বাড়িতে এসেছে। মা আগেই মেয়ে দেখে রেখে দিয়েছিল। তাই ছুটিতে আসার সাথে সাথেই বিয়ে। মেয়েকে একবার দেখেনি পর্যন্ত। তখন অবশ্য এমনই হতো।
যাইহোক বিয়ে তো মিটে গেল বেশ ভালোভাবেই। কিন্তু দুজনেই বেশ ছোট। তাই বিয়ের পরেই পাঠিয়ে দেওয়া হলো মেয়েকে বাপের বাড়িতে। বড় হবে , আর এদিকে বিজয়ের লেখাপড়া শেষ হবে , তখন মেয়ে আবার শশুর বাড়িতে আসবে। তখনকার দিনে এমন হতো। বিজয়ের ও তাই হলো ।
কিন্তু নিজের বিয়ে করা বৌকে একবার চোখের দেখাও দেখতে পেলো না কলকাতায় চলে যাওয়ার সময়। বড়দের সামনে দেখা করা যেতনা তখন।বড় লজ্জার ব্যাপার ছিল। এদিকে নতুন বৌ রেখে যেতেও ইচ্ছা করছে না। কিন্তু কি আর করা । বাধ্য হয়ে চলে যেতে হলো। কিন্তু মন তো বসছে না কিছুতেই কলকাতায়। তাই সে প্লান করলো বৌ চুরি করবে।
কিন্তু প্ল্যান তো একা করা যায় না। বিজয় বন্ধুদের জানালো ব্যাপারটা। বন্ধুরা সবাই মিলে উপায় ভাবতে লাগলো। কেউ বললো চল কালকের ট্রেনে তোর শ্বশুর বাড়ী। গিয়ে নিয়ে আসবি বউ কে। বিজয় বললো না এরকম হয় না, চুরি মানে চুরি ই করবো। ভাবতে দে একটু। সারারাত ধরে ভেবে বিজয় প্ল্যান করলো ছদ্মবেশে যাবে শ্যামলী দের বাড়ীতে। পরদিন বিজয় ফকির সেজে আর এক বন্ধুকে মেয়ে সাজিয়ে চললো শ্বশুর বাড়ী। বিজয় শুনেছিল শ্বশুরের দয়ার শরীর, কাউকে কখনো ফেরান না। পরদিন দুপুরে হাজির হলো শ্বশুর বাড়ী। দরজা খুললো শ্যামলী নিজেই। ফকির বাবা কে দেখে প্রণাম করে বললো আসুন বাবা ভিতরে আসুন। ফকির বলে উঠলো কিরে বেটি তোর মুখ এত শুকনো কেনো? কিছু হয়েছে নাকি? শ্যামলী কিছুক্ষন চুপ থেকে বললো হ্যা বাবা,আমার মনের মানুষ চলে গেছে অনেক দূরে। মন বড্ড খারাপ তার জন্য। কিন্তু আপনি কি করে জানলেন?
ফকির বললেন আমি সব জানি বেটি। বল কোথায় আছে তোর মনের মানুষ?
- সে তো শহরে আছে বাবা। অনেক দূরের পথ। আমি জানিও না কি ভাবে যাবো।
- আচ্ছা আমি আর আমার মেয়ে বেরিয়েছি তীর্থে যাবো বলে। আজ তো অনেক বেলা হলো। একটু জিরিয়ে নিয়ে কাল আবার বেরোব। তোর বাসায় একটু থাকতে দিবি?
ওদের কথার মাঝে শ্যামলীর বাবা এসে হাজির। ফকির কে দেখে প্রণাম করে বললেন কি চাই বাবা? শ্যামলী বললো ফকির বাবা আর ওনার মেয়ে আশ্রয় চান আজকের রাতটা। ওনারা তীর্থে যাবেন। শ্যামলীর বাবা বললেন হ্যাঁ কোনো অসুবিধে নেই। তুই যা তোর মাকে গিয়ে বল এনাদের খাবার ব্যবস্থা করতে। আমি সেরেস্তায় গেলাম। শ্যামলী ঘাড় নাড়লো। মাকে ডাক দিল। কাজের লোক নিয়ে এসে তাদের খাবার খেতে দিল শ্যামলীর মা। খাওয়া শেষে ফকির একটা কাগজ গুঁজে দিলো শ্যামলীর হাতে। শ্যামলী আড়ালে গিয়ে খুলে দেখলো লেখা আছে রাতে দরজা খুলে রেখো, আসবে তোমার মনের মানুষ। রাতের বেলা সকলে খাওয়া দাওয়া সেরে ফকির বাবা আর তার মেয়েকে অতিথি সদনে পাঠিয়ে ঘুমোতে গেলো। ঠিক রাত বারোটার সময় শ্যামলীর দরজায় টোকা পড়লো। দরজা ভেজানো ছিলো। দরজা খুলে দেখে ফকির বাবার মেয়ে দাড়িয়ে আছে। চট করে মেয়েটা ঘরে ঢুকে শ্যামলীকে একটা বোরখা দিলো।বললো এটা পরে নাও। নিচে বাগানে ফকির বাবা অপেক্ষা করছেন, যাও তার কাছে। শ্যামলী বললো কেনো? বেশি কথা বলো না, পরো বোরখাটা আর বেরিয়ে পড়ো। সকলের কাগজের লেখাটা মনে রেখো। আমায় বিশ্বাস করতে পারো। নিচের দারোয়ানদের ঘুম পাড়িয়ে রাখা আছে। তারা জেগে ওঠার আগে বেরোতে হবে তোমাদের। শ্যামলী বোরখা পরে বাগানে হাজির হয়। ফকির বাবা পেছন করে দাঁড়িয়ে ছিলো। শ্যামলী বললো বাবা আমায় ডেকেছেন? ফকির মুখ ঘুরিয়ে তাকালো। শ্যামলী অবাক! কোথায় ফকিরের গোঁফ দাড়ি? এযে তার মনের মানুষ। কিছু বলতে যাবে, ফকির তার মুখ চেপে বললো চলো শেষ ট্রেন টা ধরতে পারলে আমাদের আর কেউ ধরতে পারবে না। বিয়ের পর বৌ ছেড়ে থাকার থেকে বউ চুরি ঢের ভালো আর চুরি বিদ্যা মহা বিদ্যা যদি না পড়ে ধরা। শ্যামলী আর ফকির বাবা রাতের অন্ধকারে স্টেশনের দিকে রওনা হলো, বিজয়ের মুখে হাসির রেখা, শেষ অব্দি বউ চুরিতে সাকসেসফুল হলো সে।
বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৩
লড়াকু✍️ ডা:অরুণিমা দাস
শনিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৩
আরাধনা রাইট ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
আরাধনা
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
কোজাগরী পূর্ণিমা, চাঁদের আলোয় আলোকিত গগন
আলপনা দিয়ে লক্ষ্মীর পদচিহ্ন,হোক দেবীর আগমন।
দেবী বিরাজ করুন ঘরে ঘরে,সব দুঃখ ঘুচুক
মঙ্গল কামনা করে জনে জনে পুজোয় মাতুক।
মিষ্টান্ন ফলমূল সাজিয়ে প্রসাদের থালা করুক নিবেদন
সম্মুখে বসি পড়ে পাঁচালী,শুনেন যে লক্ষী নারায়ণ।
আশীষ দিও সবারে, গৃহ হোক ধনধান্যে পরিপূর্ণ
মনস্কামনা পূরণ কোরো সকলের,অভাব যেনো হয় নগণ্য।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৩
শুভ বিজয়া✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৩
মর্ত্যে আগমন লাইভ
বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৩
মনে ভক্তি রবে✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৩
মোকাবিলা
শিরোনাম-মোকাবিলা
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
বিপদ যখন আসার সংকেত দেয় মানুষের তখনি সতর্ক হওয়া উচিত। মনে মনে তৈরী হতে হবে যাতে বিপদকে দূর হটানো যায়। বিপদ যখন আসে শক্তি যেনো থাকে সাথে সেই বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়ার। জীবনের পথ পুরো সুগম কোনোদিন নয় কিন্তু পুরোটাই কণ্টকাকীর্ণ এমনটাও নয়। বিপদের আঁধারে ভয় পেয়ে পিছিয়ে আসা কোনোদিনই উচিত নয়। সর্বশক্তিমান ঈশ্বর শক্তি দিন যাতে দৃঢ়চেতা হয়ে সেই বিপদের মোকাবিলা করে বিপদ কাটিয়ে উঠতে পারে সকল মানুষ। বাঁধভাঙা দুঃখের দিনে আশার প্রদীপ নিভে যেনো না যায়। বুক চিতিয়ে লড়াই করার শক্তি যেনো সকলের থাকে। চক্রাকারে আবর্তিত সময় ঠিক বিপদ কাটিয়ে ভালো দিন নিয়ে আসবে। ভরসা রাখতে হবে শুধু সময়ের ওপর। সময়ের চেয়ে বলবান কেউ নয় কোনোদিন, বিপদও নয়।
"বিপদ যতই আসুক জীবনে,লড়তে হবে সাহস নিয়ে
মোকাবিলা করতে ডর পিছে ফেলে,যাও এগিয়ে।"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
ক্লাপিং টাইম✍️ ডা: অরুণিমা দাস
ক্লাপিং টাইম
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
গ্রীনিচের সময় যেমন ভারতের থেকে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পিছিয়ে তেমনি বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন টাইম টেবিল রয়েছে। মানুষের জীবনও ঠিক তাই, আজ খারাপ সময় যাচ্ছে পিছিয়ে পড়ছে কেউ তার মানে এই নয় যে সে সারাজীবন পিছিয়ে থাকবে। হয়তো তার চেষ্টায় কোনো গলদ ছিলো বা হয়তো তার এগিয়ে যাওয়ার সময় এখনো আসেনি। আর ঠিক সেই মুহূর্তে অন্য কারোর উন্নতি হলো,তার মানে সেই সময় তখন তার জন্য উপযুক্ত। কারোর উন্নতি দেখে হিংসে না করে সেখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে কি ত্রুটি ছিলো চেষ্টার যে পিছিয়ে পড়তে হলো! সময় নিজের গতিতে চলবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে নিজের মনকে, অধ্যবসায় আর চেষ্টা এই দুই হলো সাফল্যের চাবিকঠি। আজ খারাপ হয়েছে তো কি হলো? কাল না হলে পরশু ভালো তো হতেই পারে। মনে আশার আলো সর্বদা জ্বালিয়ে রাখতে হবে যাতে নিরাশার মেঘ না ঘনিয়ে আসে মনের কোণে।
"Untill its my time,i will clap for others"
অন্যের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হতে হবে, নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে, তবেই একদিন পৌঁছে যাবে সাফল্যের শিখরে। মনে হিংসার জন্ম নিলে নেগেটিভ চিন্তারও সঞ্চার হবে ক্রমশঃ পিছিয়ে যেতে হবে এর জন্য। তার চেয়ে স্বত প্রণোদিত চেষ্টায় যাতে সাফল্য অর্জন করা যায় সেদিকে মন দেওয়া উচিত,তখন অন্যেরা হাততালি দিয়ে তোমার জয়কে স্বাগত জানাবে, তোমায় আদর্শ করে নিজের লক্ষ্য স্থির করবে।
"অন্যের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে চলার পথ সুগম হোক
লক্ষ্য থাক সর্বদা শিখর ছোঁয়ার হিংসা দ্বেষ দূর হটুক।"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
পূণ্য হোক নিজের✍️ ডা: অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
ফেক স্মাইল✍️ ডা: অরুণিমা দাস
সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
বিশ্বকর্মা পুজো স্পেশাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
মানুষ ও মানসিকতা✍️ ডা: অরুণিমা দাস
মানুষ ও মানসিকতা
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
যতই দিন দিন মানুষের জীবন যাত্রার মানের উন্নতি হোক, মানসিকতার উন্নতি সেরকম হয়নি আজ অবদি আর হবে বলে আশা করাও উচিত নয়। উচ্চশ্রেণীর মানুষেরা নিম্নশ্রেণীর মানুষের ওপর চিরকাল অত্যাচার করে এসেছে, উপকারীর উপকারের প্রতিদান হিসেবে পিঠে ছুরি বসিয়েছে এটাই হয়ে চলেছে দিনের পর দিন। চিন্তাধারার কোন উন্নতি সেরকম ভাবে লক্ষ্য করা যায়না। নিম্নবিত্ত রা চিরকাল লাঞ্ছিত,নিপীড়িত। হয়তো দিন দিন উন্নতির শিখরে পৌঁছতে গিয়ে মস্তিষ্কের ইমোশনাল লোবে মরচে ধরেছে, তাই পশুর ন্যায় আচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে মানুষের মধ্যে। পশুদের হয়তো অত বুদ্ধি নেই কিন্তু কোনোদিন তারা নীচতা করেনি উপকারীর সাথে বা বিশ্বাসভঙ্গ করেনি। পশু চাইলে কোনোদিন মানুষ হয়ে উঠতে পারবে না কিন্তু দিন দিন বিকৃত রুচির পরিচয় দিয়ে মানুষ পশুতে খুব সহজেই রূপান্তরিত হতে পারে।
"সমাজের শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ,দাও পরিচয় উন্নত মানসিকতার
পশুর ন্যায় আচরণ করে ভোঁতা কোরোনা ক্ষুরধার বুদ্ধির।"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
শিরোনাম - জীবনের অঙ্ক✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
ফিরে দেখি যখন
ফিরে দেখি যখন
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
হারিয়ে যাওয়া জিনিস, সে তো অনেক কিছু! প্রথমেই মনে পড়ে ছোটবেলা,যেটা কোনোদিন ফিরে আসবেনা। আসবেনা ফিরে টেনশন ফ্রি দিন গুলো,পরীক্ষার আগে ঘুড়ি ওড়ানো দিন গুলো, টেনেটুনে ইতিহাস পাস করার দিন গুলো। ঠাকুমার ঝুলি থেকে বের হওয়া গল্পগুলো, শুনতে শুনতে কল্পনার পথ বেয়ে পৌঁছে যাওয়া রাজ্যে, রাত গুলোতে শিহরণ জাগানো গল্প শোনা আসবেনা সেসব ফিরে। সপ্তাহের শেষে মামাবাড়ি গিয়ে দিদার কাছে পিঠেপুলি আর আচারের আবদার, দাদুর কাছে একটা ডিউস বল কেনার জন্য দাবি করায় কুড়ি টা অঙ্ক কষতে বসা! সত্যিই ফিরবেনা সেসব দিন। স্কুল পালিয়ে বন্ধুদের সাথে চুরমুর খেতে যাওয়া, আজও হাতছানি দেয়। পারিনা শুধু ফিরে পেতে সেসব কিছু। মহালয়ার আগে টেপ রেকর্ডারে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের ক্যাসেট লাগিয়ে ঠিক ভোরবেলায় চালিয়ে দেওয়া,আসবেনা সেইসব। কালের ফেরে বড়ো হচ্ছি, বড্ড মন কেমন করে হারিয়ে যাওয়া জিনিস গুলো ফিরে পেতে, কিন্তু কোনোভাবেই সম্ভবপর নয় তা এখন। তাই ফটো এ্যালবাম আর স্মৃতির পাতায় চোখ রেখে বসে থাকা,এগুলোই ভরসা এখন।
হারিয়ে গেছে অনেক কিছু লিস্ট যে লম্বা বিশাল
খুঁজে বেড়াই তাদের হাতড়াই বুনি স্মৃতির জাল।
মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
শিক্ষকের প্রতি✍️ ডা:অরুণিমা দাস
শিক্ষকের প্রতি
✍️ ডা:অরুণিমা দাস
জন্মের পর বাবা মা ই হলেন প্রথম শিক্ষাগুরু
ওনাদের পরে শিক্ষকদের কাছে জ্ঞানার্জন শুরু ।
শিক্ষকই হলেন প্রকৃত মানুষ গড়ার প্রধান কারিগর
তার আদর্শেই অনুগামী আমরা, তিনিই আমাদের ঈশ্বর।
শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়ে প্রকৃত মানুষ গড়ার কর্মকাণ্ডে আপনারা সদা নিয়োজিত
মাথা উঁচু করে বাঁচতে শেখান, হতে দেন না কভু পরাজিত।
আঁধার থেকে আলোর পথে চলার দিশা দেখান তিনি
তাঁর কাছে আমরা ছাত্রগণ থাকবো চিরদিন ঋণী।
পিতামাতা দিলেন মোদের ছোট থেকে বড় হবার শিক্ষা
আর শিক্ষকেরা দিলেন মোদের মনুষ্যত্বের দীক্ষা।
জীবনে চলার পথে তিনিই যেনো হন আমাদের আদর্শ
জ্ঞানচক্ষু খুলুক মানুষের,সুশিক্ষা যেনো করে স্পর্শ।
জন্মেছিলেন এক মহামানব এই ভারতের ই ঘরে
ডা: সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন নাম তাঁর,যা সবার মুখে ফেরে।
পালন করি তার জন্মদিন শিক্ষক দিবস হিসেবে
সকল শিক্ষক শিক্ষিকার প্রতি মনে সদা ভক্তি রবে।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
শনিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৩
বীর বিক্রম✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বীর বিক্রম
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বিক্রম তুই রেডী তো? বন্ধুরা সব জিজ্ঞেস করছে। ইয়েস আমি রেডী। একটু ভয় বই লাগছে বৈকি! কিন্তু ল্যান্ডিং তো আমায় করতেই হবে সফল ভাবে।
গতবার আমার সিনিয়র ল্যান্ডিং না করতে পারায় সবাই খুব মুষড়ে পড়েছিল। তাছাড়া চাঁদ মামার বাড়িতে খুব মজা হবে সবাই বলছিলো। মামার মা মানে দিদা নাকি ওখানে চরকা কাটে। ওটা দেখতে পাবো ভেবেই বেশ এক্সসাইটেড লাগছে, বেশ একটা গান্ধীজি ফিলিং আসবে। হ্যা রে তোর খুব মজা,তাই না বিক্রম? হ্যা এতদিন ধরে আমায় ঘষে মেজে তৈরি করেছে এত মানুষ তাদের মুখ তো আমায় রাখতেই হবে রে ভাই! তোদেরকে সব খবর দেবো, বাকি গ্রহযানদের বললো বিক্রম।
সবার চোখ টিভির পর্দায়। বিক্রমের সফল ল্যান্ডিং হওয়ার অপেক্ষায়। সুপার এক্সসাইটেড হয়ে কেউ বলে ফেললো রাকেশ রওশনের নাম! যে নাকি প্রথম মহাকাশচারী ছিলো। গোটা দুনিয়া জুড়ে তোলপাড় চলছে,রওশন বাবুর বন্ধুরা বার বার ফোন করছে ওনাকে, কবে কিভাবে গেছিলেন উনি? বড্ড বিপদে পড়ে গেছেন উনি। বাড়িতে নাতি নাতনি ধরেছে দাদু গল্প বলো,কেমন অভিজ্ঞতা ছিলো? এই খবর রাকেশ শর্মা জানতে পেরে ভাবলেন আমার কষ্টের এই মূল্য পেলাম! সে এক কাণ্ড বটে!
এসবের মাঝেই কোনো মনোসংযোগে ব্যাঘাত না ঘটিয়ে বিক্রম পৌঁছে গেলো মামা বাড়ী। গিয়েই সে কি সাদর সম্ভাষণ পেলো। খুব খুশি সে এসব পেয়ে। এই সাফল্যের আনন্দ ছড়িয়ে পড়লো গোটা দেশে, ইসরোতে খুশির হাওয়া বয়ে গেলো। সকলের প্রশ্ন একটাই রওশন না শর্মা? উত্তর একটাই। যেটা দিতে পারেন একমাত্র চাঁদমামা।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০২৩
শিরোনাম - নিজের মতন করে ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শনিবার, ১২ আগস্ট, ২০২৩
শিরোনাম - যৌবনের অন্দরে✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৩
শিরোনাম - আশায় বাঁচি ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম - আশায় বাঁচি
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়,আড়ালে তার সূর্য হাসে
হারা শশীর হারা হাসি অন্ধকারেই ফিরে আসে।।
আশা নিয়েই তো মানুষ বেঁচে থাকে। জীবনের আকাশে নিরাশার মেঘ ঘনিয়ে এলেও মনের মাঝে আশা নিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। আশা নিরাশার চক্রাকারে আবর্তনই তো জীবনকে অর্থপূর্ণ করে তোলে। নিরাশার অন্ধকারে নিজেকে ডুবিয়ে দেওয়া মানে আশার দরজা বন্ধ করে দেওয়া। কথায় আছে একটা দরজা বন্ধ হলে ঠিক আরেকটা দরজা খুলে যায়। নিজের কাজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে, বুকের মাঝে আশাকে সঞ্চারিত করতে হবে সর্বদা। ঠকতে ঠকতে যেমন একদিন জিতে যাওয়া যায় তেমনি আশার আলো আমাদের নতুন করে বাঁচার পথ দেখায়। লড়াই তো চলতেই থাকবে,বাঁচতে হলে করতেও হবে লড়াই, তাই বলে নিরাশা যেনো কখনোই মনে বাসা না বাঁধে। নিজেকে নিরাশ কখনোই করা উচিত নয়, পজিটিভ চিন্তাশক্তি মনে রেখে এগিয়ে যেতে হবে সামনের দিকে,নিরাশার মেঘ কেটে আশার আলো দেখা ঠিকই যাবে একদিন। সেদিন মনে হবে ভাগ্যিস আশা নিয়ে এগিয়ে গেছিলাম নয়তো কোথায় হারিয়ে যেতাম।
আশার আলো জ্বালিয়ে মনে চলতে থাকো জীবন পথে
নিরাশাকে বাঁধতে দিওনা বাসা, চড়বে তবেই বিজয়রথে।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ৮ আগস্ট, ২০২৩
শিরোনাম-মুখোশের আড়ালে ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম-মুখোশের আড়ালে
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
হাসির আড়ালে দুঃখকে একপাশে করে
বিষন্নতার ছোঁয়াকে রেখেছে সে দূরে।
খুশীতে ভাসে যে সকল মানুষের মুখ
সুখী হওয়ার নাটকে তারা বিদায় করে দুখ।
বুঝবেনা কেউ মনের গহীনে থাকা যন্ত্রণা
মুখোশের আড়ালে কষ্ট লোকাতে নেই তাই মানা।
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৩
বইস্মৃতি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম-মোটিভেশন✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শনিবার, ২৯ জুলাই, ২০২৩
স্বপ্ন যদি সত্যি হতো✍️ডা: অরুণিমা দাস
শনিবার, ২২ জুলাই, ২০২৩
প্রযুক্তি বনাম ছাপা বই✍️ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই, ২০২৩
শিরোনাম - সমস্যা ও তার মোকাবিলা✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শনিবার, ১৫ জুলাই, ২০২৩
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
চিন্তাশক্তি,বুদ্ধি কিংবা বিশ্লেষণ ক্ষমতা মানুষের সহজাত। কিন্তু একটি যন্ত্রকে মানুষের মতো বুদ্ধিমত্তা দিয়ে, সেটিকে চিন্তা করানো কিংবা বিশ্লেষণ করানোর ক্ষমতা দেওয়ার ধারণাটিকে সাধারণভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়।
কিছুদিন আগেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ছিল দূর ভবিষ্যতের একটি কাল্পনিক বিষয়। কিন্তু সম্প্রতি এই দূরবর্তী ভবিষ্যতের বিষয়টি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হতে শুরু করেছে। তার প্রধান কারণ, পৃথিবীর মানুষ ডিজিটাল বিশ্বে এমনভাবে অভ্যস্ত হয়েছে যে, হঠাৎ করে অচিন্তনীয় পরিমাণ ডেটা সৃষ্টি হয়েছে এবং সেই ডেটাকে প্রক্রিয়া করার মত ক্ষমতাশালী কম্পিউটার আমাদের হাতে চলে এসেছে। এই ডেটা বা তথ্যকে প্রক্রিয়া করার জন্য বিজ্ঞানী এবং প্রযুক্তিবিদরা এমন একটি পদ্ধতি বেছে নিয়েছে যেটি মানুষের মস্তিষ্কের মতো করে কাজ করে। এটা নিউরাল নেট নামে পরিচিত। সহজভাবে বলা যায় এর একটি ইনপুট স্তর এবং আউটপুট স্তর রয়েছে যার মাঝখানের স্তরটি হচ্ছে ‘লুকোনো’ স্তর।
প্রথমে এই নিউরাল নেটকে ইনপুট এবং তার সাথে যুক্ত আউটপুট ডেটা দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তখন ‘লুকোনো’ স্তরটি এমনভাবে পরিবর্তিত হতে থাকে যেন প্রশিক্ষণের জন্য দেওয়া ইনপুটের জন্য সত্যি আউটপুটটি পাওয়া যায়। একবার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েগেলে এই নিউরাল নেটকে সম্পূর্ণ নতুন ইনপুট দিলেও সেটি সম্ভাব্য সঠিক আউটপুটটি দিতে পারবে। যত বেশি ডেটা দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে,নিউরাল নেটটি তত ভালো কাজ করবে। একটি স্তর না রেখে একাধিক স্তর দিয়ে এই নেটকে আরো অনেক বুদ্ধিমান করা সম্ভব। তখন নেটটি নিজেই ডেটা ব্যবহার করে শিখে নিতে পারবে। এই প্রক্রিয়ার নাম ‘ডিপ লার্নিং’ এবং বলা যেতে পারে একটি সত্যিকারের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে কাছাকাছি একটি প্রক্রিয়া।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানত Java, Python, SHRDLU, LISP, CLISP ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীতার ভিত্তিতে ডেভলপাররা তাদের পছন্দসই প্রোগ্রাম ব্যবহার করে থাকেন।
কদিন আগেও আমার পরীক্ষার আগে আমার এক বন্ধু চ্যাট জি পি টি নামক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর নাম বলে। ওখানে প্রশ্ন টাইপ করে উত্তর পাওয়া যায়। কিন্তু উত্তর গুলো দেখে আমার ঠিক ভালো লাগলো না। ওকে বললাম নিজের ইন্টেলিজেন্স কাজে লাগিয়ে এর চেয়ে অনেক ভালো উত্তর দিতে পারবো আমরা। আর এসব চ্যাট জি পি টি মানুষেরই আবিষ্কার। তো এসব না করে বই পড়ে উত্তর তৈরি করাটাই আসল ক্রেডিট। এসব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শুনতে বেশ ভালো লাগে কিন্তু ইনবর্ন ইন্টেলিজেন্স এর ভ্যালু অনেক, তাই এসব ভুলে পড়ায় মন দিই চল। পরে বই পরে বন্ধু বলেছিল অনেক ভালো উত্তর দেওয়া আছে।
ওসব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজে না লাগিয়ে নিজের পছন্দের কাজগুলো করলে এমনি ব্রেইন অনেক ডেভেলপড হয়, ইন্টেলিজেন্স বাড়ে।
"ডিভাইস অনেক রয়েছে,পাল্লা দিচ্ছে মানব বুদ্ধিকে
মস্তিষ্ক প্রসূত চিন্তাধারা কিন্তু ইউনিক সবদিক থেকে।"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
শুক্রবার, ৭ জুলাই, ২০২৩
শিরোনাম-স্বপ্ন সব সত্যি হোক✍️ ডা:অরুণিমা দাস
শনিবার, ১ জুলাই, ২০২৩
কবিতা: বাংলার রূপকার ডা:বিধান চন্দ্র রায় ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম - দুরত্ব✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম - দুরত্ব ✍️ ডা: অরুণিমা দাস আধুনিকতা মানেই অন্যরকম একটা ব্যাপার, উন্নতির পথে এগিয়ে যাবার সিড়ি তৈরি করে দেয় আধুনিকতা। আজকাল কেউ আ...
-
ঘোষ বুড়ী ©সুদেষ্ণা দত্ত গ্রামের নাম সুন্দরগ্রাম--বাংলা মায়ের কোল ঘেঁষা সুজলা,সুফলা,শান্তির নীড় ঘেরা এক গ্রাম।গ্রামের অধিকাংশ লোকই কৃষি...
-
আমার অকাজের লিস্টি ✍️ ডা: অরুণিমা দাস ২০২৫ এ পড়ে ফেলা বইগুলোর তালিকা তৈরী করেই ফেললাম। ভিন্ন স্বাদের সব বইগুলো। মন ভালো করে দেয়। তালিকা...
-
অণু গল্প ----সাথী হারা। কলমে-- পারমিতা মন্ডল। দীঘার সমুদ্রে একা একা হেঁটে চলেছে সৈকত । এই বালুকাবেলায় , রামধনু রং আকাশের দিকে তাকিয়ে মনটা বড়...