মেটামরফোসিস মানে হলো রূপান্তর বা রূপান্তরিত আকৃতি।
যেমন একটা শুঁয়োপোকা বিভিন্ন পরিবর্তন পার করে একটা
প্রজাপতিতে রূপান্তরিত হয়।তাকে কিছু ধাপ অতিক্রম করেই
কিন্তু পরিপূর্ণতা লাভ করতে হয়।
সুতরাং মেটামরফোসিস বা রূপান্তর হলো বৃদ্ধি বা বিকাশের
একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া দ্বারা একটি জীবের আকার বা
ক্রিয়াকলাপের পরিবর্তন। যেমন ভ্রুণের মধ্যে কুলসুমের রূপক রূপটি,একটি ব্যাঙের মধ্যে ট্যাডপোলের,অথবা একটি
কুড়িয়ে ফুল ফোঁটায়।
যদি মেটামরফোসিসকে রূপক অর্থে ধরি,তাহলে মানুষেরও
কিন্তু রূপান্তর ঘটে।আমরা প্রত্যেকেই ছোটবেলা থেকে একটা
উপদেশ পেয়ে আসি-"মানুষ হও"।মানুষ হিসাবে আমরাও
কিন্তু অনেক পরিবর্তনের মাধ্যমে -শৈশবকাল,কৈশোরকাল,
য়ৌবনকাল পার করেই নিজেকে একজন মানুষ গড়ে তুলি।
এখানে নিজেকে গড়ে তোলার ব্যাপারটা কিন্তু নিজের উপরই
নির্ভর করে।যদিও এক্ষেত্রে অনেককিছু প্রভাবক হিসাবে
কাজ করে।কিন্তু সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু কিন্তু নিজে।
পারিপার্শ্বিক পরিবেশ এবং যাদের সাথে উঠা-বসা,তাদের
থেকেই কিন্তু আমাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলো গড়ে উঠে।
তাই সর্বদা নিজেকেই সজাগ রাখতে হবে কোনগুলো গ্রহন করবো আর কোনগুলোকে গ্রহণ করবো না।জীবনে চলার
পথে বেশির ভাগ প্রতিকূলতায় কিন্তু নিজেকে পার করতে হয়।
তাই নিজেকে শক্ত করে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে হবে।
জীবনের সব মূহুর্ত বা সময় কখনোই একরকম যায় না।শুধু
জানলে বা মেনে নিতে শিখলেই হবে না।খাপ খাইয়েইও নিতে
হবে।
টিকে থাকা নয় বরং নিজেকে পরিবর্তনের নিজের রপ্তে
আনতে পারা যায় সেই পন্থা খুজে বের করতে হবে।কোনো
প্রতিকূলতার কাছে হার মেনে না নিয়ে বরং তার সম্মুখীন
হতে হবে।নিজের সিদ্ধান্তগুলো সবসময় নিজে নেয়ার চেষ্টা
করতে হবে।
কারণ,নিজের জীবনের ক্ষেত্রে পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে
সেক্ষেত্রে অন্য কারো উপর নির্ভর করার সুযোগ নাই।
সবার জীবনের বিভিন্ন অধ্যায়ই সবাইকে শিক্ষা দেয় যার
কারণে কোন না কোন পরিবর্তন সবার মাঝে আসে।তবে,
তাতে যেন নিজস্বতার কোন পরিবর্তন না ঘটে।
Copyright © All Rights Reserved Nandini Tithi.

বেশ সুন্দর লিখেছিস। অসাধারণ! ধন্যবাদ। 👌👌👍👍❤❤
উত্তরমুছুনধন্যবাদ ধন্যবাদ।❤️🖤❤️🙏🙏
উত্তরমুছুনখুব ভালো লিখেছেন💖💐
উত্তরমুছুনঅনেক ধন্যবাদ।❤️🖤❤️❤️
উত্তরমুছুন