মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০২৩
শিরোনাম - ঠোকাঠুকি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০২৩
শিরোনাম - নেশা ✍️ ডা: অরুণিমা দাস
মোদের গর্ব বাংলা ভাষা✍️ডা: অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ, ২০২৩
শিরোনাম - লক্ষ্মী অর্চনা✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বুধবার, ৮ মার্চ, ২০২৩
নারী স্বাধীনতা- অপেক্ষার হোক অবসান ✍️ ডা:অরুণিমা দাস
সোমবার, ৬ মার্চ, ২০২৩
ছবি দেখে মনের কথা✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০২৩
শিরোনাম - পাওয়ার অফ উইল পাওয়ার✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ, ২০২৩
শিরোনাম - ভ্যালেন্টাইন ডে✍️ ডা:অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
চা ফোন আর পেপার ✍️ ডা:অরুণিমা দাস
শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
বোধবুদ্ধি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
শিরোনাম - ম্যাজিক অফ মেলোডি✍️ডা:অরুণিমা দাস
শিরোনাম - ম্যাজিক অফ মেলোডি
✍️ডা:অরুণিমা দাস
গান আমাদের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে আছে। গানের লিরিক্স গুলো শুনতে শুনতে তার সাথে একাত্ম হয়ে গেলে জীবনের মানে অন্য রকম হয়ে যায়। বুদ্ধিভিত্তিক অংশ সেরিব্রাম গানের কথার সাথে আগেকার স্মৃতি, জ্ঞান,চরিত্র ও ঘটনাকে তুলনা করে, শরীরের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণের অংশ সেরেবেলাম শরীরকে স্থির করে অথবা গানের বাজনার সাথে চালনা করে এবং হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতি মুহূর্তে গান আমাদের বাঁচার অনুপ্রেরণা যোগায়। কাজে এনার্জি পেতে গান দরকার। মানুষের মনে সুখানুভূতি সৃষ্টির অন্যতম কৌশল হলো সঙ্গীত। সুর আমাদের হৃদয়কে উদ্বেলিত করে তোলে,মনোযোগ দিতে সাহায্য করে এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাস রোধ করে।
নিউরোলজিস্টদের মতে, মস্তিষ্ক কাজ করে ছন্দের মাধ্যমে। গান শোনার ফলে মস্তিষ্কে আলফা ও থিটা তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। আলফা ও থিটা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক এবং থিটা তরঙ্গ প্রবাহের ফলে কর্টিসল হরমোনের প্রবাহ হ্রাস পায়। এই কর্টিসল স্ট্রেস হরমোন হিসেবে পরিচিত,যা মনোসংযোগ ব্যহত করে,দুঃখ ও দুশ্চিন্তার অনুভূতি জাগায়। তাই সুর শোনার ফলে মানসিক চাপ হ্রাস পায়। ছোট বেলায় গান চর্চা করলে ঐ ব্যক্তির শব্দপ্রক্রিয়া করার ক্ষমতা সাধারণের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে।সুর মানুষকে শান্ত ও ধীরস্থির করে তোলে। তবে গান শোনার চেয়ে বাদ্যযন্ত্র বাজানোর ফলে মস্তিষ্ক আরও বেশি তৎপর হয়ে থাকে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে উচ্চমানের গীত সৃষ্টির সময় মস্তিষ্কের অল্প অংশ সক্রিয় থাকে,নিউরাল কানেকশন কম থাকে। ফলে বাড়তি শক্তি জমা হয় এবং এই শক্তি ব্যবহার নিউরাল সার্কিটকে আরো সক্রিয় করে তোলে ও সঙ্গীত মস্তিষ্ককে ক্ষুরধার করে তোলে।
সার্বিক জনসংখ্যার তিন থেকে পাঁচ শতাংশ মানুষ সঙ্গীত ঘৃণা করে,একে বলা হয় মিউজিক্যাল অ্যানহেডোনিয়া। এ ধরনের মানুষের মস্তিষ্কের রিওয়ার্ড সিস্টেমের সাথে শ্রবণ অংশের যোগাযোগ কম।
সঙ্গীত শিল্পের চমৎকার একটি মাধ্যম হলেও এর ক্ষতিকর কিছু দিক রয়েছে
কিছু গান মানুষকে আত্মহত্যার দিকে প্ররোচনা দেয় বলে জানা গেছে। Gloomy Sunday নামক একটি গান এই কারণে বহুল আলোচিত। অতিরিক্ত হেভি মেটাল শুনলে স্মৃতিশক্তি বাড়ার বদলে কমতে থাকতে পারে। সঙ্গীত কখনো কখনো হিংস্রতা উদ্বুদ্ধ করতে পারে।
বর্তমানে অ্যালজাইমার্স রোগের একমাত্র প্রতিকার মিউজিক থেরাপি। অটিজমে এর ব্যবহার করা যায় কিনা তা নিয়ে গবেষণা চলছে। ডিপ কোমায় থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে বর্তমানে মিউজিক থেরাপি দেয়া হয়ে থাকে।
এই জন্যই
বলা হয়ে থাকে গান মানুষের শরীরের জন্য একটি যাদু। যে যাদু হঠাৎ করে পৃথিবীর সব জরাজীর্ণতা,ক্লান্তি,অবসাদ,চাপ ও দুশ্চিন্তাকে প্রশমিত করে মনকে ফুরফুরে করে এবং কাজের জন্য আবার মনকে সজীব ও সতেজ করে।
সঙ্গীত মস্তিষ্কের ব্যায়াম। সুর,বাজনা ও কথার সাথে মস্তিষ্কের প্রায় সব অংশ উদ্দীপ্ত হয়।
"সঙ্গীতের মূর্ছনায় রয়েছে যে ম্যাজিক অফ মেলোডি
গানে জীবন হবে চাপমুক্ত,হবে না কোনো ট্র্যাজেডি।"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
শিরোনাম -যোগ বিয়োগ✍️ ডা:অরুণিমা দাস
শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
সময়ে জেগে ওঠা প্রয়োজন✍️ ডা: অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৩
শিরোনাম - ইচ্ছে✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৩
টার্গেট✍️ ডা: অরুণিমা দাস
টার্গেট
✍️ ডা: অরুণিমা দাস
পছন্দের খেলা ছিলো দুটো, ক্রিকেট আর ক্যারম। একটা আউটডোর গেম আর একটা ইনডোর গেমস। যাইহোক টিভি তে যখন ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে শচীন কে নামতে দেখতাম মাঠে, বেশ একটা অন্য রকম অনুভুতি হতো। আর নিজে যখন বাড়ির পাশের মাঠে খেলতে যেতাম আমার বন্ধুদের শর্ত দিতাম আমি শুধু ব্যাট ই করবো, বল করবো না। ওরা মাঝে মাঝেই প্রতিবাদ করতো, আমি শুনতাম না। আরও বলতাম যেদিন আমি খেলতে আসবো না সেদিনও আমার এম আর এফ ব্যাটটা দিয়ে ওদের খেলতে দেবো। কিন্তু যেদিন আসবো সেদিন ব্যাট আমার, যতক্ষণ ইচ্ছে ব্যাট করবো কিন্তু বল করবো না। বাড়িতে সবাই আমার এসব দুষ্টুমির জন্য বকা দিতো কিন্তু আমি গায়ে মাখতাম না। বন্ধুরা নাম দিয়েছিল হিটলার শচীন। বড়ো হবার পর ওদের বলেছিলাম ব্যাটটা কে মনে করি জীবনের হাল, কোনোদিন কোনো অবস্থাতেই ওটা ছাড়বো না। শচীন হতে পারবোনা হয়তো কোনোদিন কিন্তু জীবনের ইনিংস গুলো খেলতে হয়তো পারবো বা পারতে হয়তো হবেই। বন্ধুরা চুপ করে শুনেছিল। আজও দেখা হলে বলে ওই দিন গুলো খুব মিস করি, আমিও বলি সত্যি খুব মিস করি রে দিন গুলো। আজও গুছিয়ে রাখা আছে সেই ব্যাট টা। সময় পেলে ক্রিজে নেমে পড়ি।
আর ক্যারম টাও সময় পেলে খেলতে বসে পড়ি কলেজ কমন রুমে। ছোটবেলায় লাল গুটি জালে না পড়া অবদি খেলতাম। অন্য কেউ লাল গুটি ফেলে দিলে আমি আবার সেটা তুলে বোর্ডে রাখতাম আর টার্গেট করতাম ওটা ফেলার। সবাই হাসতো কিন্তু আমি আজও ভাবি ওই লাল গুটির মতন জীবনের টার্গেট পূরণ না করা অবদি লড়ে যাওয়া উচিত সবারই। আজকাল কার দিনে সময়ের অভাবে মাঠে নেমে খেলা ধুলা অনেক কমে গেছে। বাচ্চা রা পাহাড় প্রমাণ সিলেবাস শেষ করতে করতে হাপিয়ে উঠেছে, কিন্তু বিকেলে ১-২ ঘণ্টা নিয়ম করে খেলতে দেওয়া উচিত ওদের। প্রকৃতির সাথে একটা সংযোগ হবে এতে,জীবনের লড়াই টাও কিছুটা হলেও বুঝতে পারবে ওরা।
"হাতে থাক ব্যাট আর লড়তে থাকি জীবনের লড়াই
চলার পথ ক্রিজ হোক,সবার সাপোর্ট থাকা চাই।"
©️ রিজার্ভ ফর অরুণিমা দাস
রবিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৩
সাত শব্দের শিরোনাম✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৩
শিরোনাম - সময়✍️ ডা: অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৩
শিরোনাম - উপলব্ধি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২
শিরোনামঃ চিত্রালোচনা নামঃ ভবিষ্যৎ কলমেঃ নন্দিনী তিথি
গড়তে সুন্দর জীবন, দেখালে আমায় পৃথিবীর অপরূপ মুখ,
দেখি এসে তোমাদের দ্বন্দের উপর বসবাস।
যেখানে, একটু একটু করে পালাতে বাধ্য হচ্ছে প্রতিনিয়ত, বিরাজমান সুখ।
দুইপাল্লারই ভারী রেষের মাঝে,
হচ্ছি আমি শেষ, বসে।
শিখাবে যেখানে আমায় শৃঙ্খলা, আদর্শতা ও ভালোবাসা।
সেখানে অনুশীলন করিয়ে যাচ্ছো প্রতিনিয়ত, ইগো আর দ্বন্দের বইয়ের বিশালতা।
একে অন্যের দেমাগের কারিশমা, সবই ফলছে আমার উপরে।
এরই প্রভাবে গড়ে উঠছি দিন দিন আমি প্রতিবন্ধী আর অবাধ্যের নেতা।
এখন কোথাও আমার যাবার নেই মানা,
মেতেছি উচ্ছন্নে, উল্লাসে, বেপরোয়া হয়ে!
আর মনে মনে চলছি খুঁজে,
পৃথিবীর মাঝে একটু নির্ভেজাল ভালোবাসা।
Copyright ©️ All Right reserved Nandini Tithi
মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২
শিরোনাম - সেতু✍️ডা: অরুণিমা দাস
মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২২
চিত্রালোচনা নামঃ দৃঢ়তা কলমেঃ নন্দিনী তিথি
সূর্য উঠিয়াছে, তবু নাহি তাঁহার রশ্মির দেখা, চারদিকে ধূধূ করিতেছে কুয়াশা।
কুয়াশা দলেদেরকে তেজে পুড়িয়া, পারিতেছে না করিতে রঙিনভোর।
আজি কুয়াশার কাছে সূর্যের তেজও মানিয়াছে হার!
তবু ওইদিকে মানে নাই গায়ের লোকেরা হার,
তাহারা পদব্রজে চলিতেছে এক প্রান্তর হইতে আরেক প্রান্তর।
স্কন্ধে স্কন্ধ মিলাইয়া, দিগন্তের পানে চাহিয়া।
রঙিন ভোরের আলো ফুটাইতে ব্যস্ত তাহারা,
সকলকিছুকে না করিয়া পরোয়া।।
Copyright ©️ All Right reserved Nandini Tithi.
সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২২
শিরোনাম - ঘুঙুর✍️ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম - কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২২
শিরোনাম - তৃষিত সকলে✍️ ডা: অরুণিমা দাস
অজুহাতের দোহাই✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২২
শিরোনাম - নিঃসঙ্গতা ও একটা বাড়ী✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২২
ঈর্ষা আমারো তো হয়
আমি চাই তুমি সবার সাথে কথা বলো,
কিন্তু কিছু সময় তো আমারো রাখো
সেদিন তুমি তাকিয়ে ছিলে ঐ যে হালকা বেগুনী রঙের জামা পড়া মেয়েটার দিকে
কখনও আমার দিকে কেন তাকাও না অপলকে,
আর প্রতি রাতে যখন হাঁটতে বের হয়ো একলা পথে
কি হয়?যদি আমায় একটু সঙ্গে নিতে।
যখন দেখি সবার সাথে মিসছো তুমি হেসে হেসে
হিংসা আমার ও হয় কেন আসো না আমায় একটু ভালোবেসে।।
🙏🙏
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২২
নামঃ জীবিকা কলমেঃনন্দিনী তিথি
পড়ছে কাঁপানো শীত, পড়ছে ঘন সাদা কুয়াশা।
তবুও বেড়োতে হবে, নাইলে যে গাইবে পেটে ক্ষুধার গীত।
কেউ নিয়ে সবজি, কেউ নিয়ে মাছ, এমন করে চলছে তাঁরা পায়ে হেঁটে বাজারের পথে।
রোজকারের থেকে একটু বেশি লাভের আশা নিয়ে।
পরনে কারো আছে পাতলা পুরোনো চাদর, কারো হয়তো একটা তালি লাগানো সোয়েটার, আর প্যান্ট হিসাবে তো আছে সবারই লুঙ্গি!
এই নিয়েই চলছে তাঁরা জীবিকা নির্বাহের জন্য।
দিনশেষে, পরিবারের সবার মুখে হাসি ফোটানোর জন্য।
নিজের কষ্ট লুকিয়ে রেখে, সবাইকে ভালো রাখার তাগিদে,
ছুটছে ওরা এই হাড় কাঁপানো শীতের মৌসুমে।
Copyright ©All Rights reserved Nandini Tithi.
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২
শিরোনাম - বাজি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২২
গ্রন্থালোচনা✍️ডা: অরুণিমা দাস
বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২
শিরোনাম - গানোলজি✍️ ডা: অরুণিমা দাস
বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২২
মনের খবর ✍️ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম - দুরত্ব✍️ ডা: অরুণিমা দাস
শিরোনাম - দুরত্ব ✍️ ডা: অরুণিমা দাস আধুনিকতা মানেই অন্যরকম একটা ব্যাপার, উন্নতির পথে এগিয়ে যাবার সিড়ি তৈরি করে দেয় আধুনিকতা। আজকাল কেউ আ...
-
ঘোষ বুড়ী ©সুদেষ্ণা দত্ত গ্রামের নাম সুন্দরগ্রাম--বাংলা মায়ের কোল ঘেঁষা সুজলা,সুফলা,শান্তির নীড় ঘেরা এক গ্রাম।গ্রামের অধিকাংশ লোকই কৃষি...
-
আমার অকাজের লিস্টি ✍️ ডা: অরুণিমা দাস ২০২৫ এ পড়ে ফেলা বইগুলোর তালিকা তৈরী করেই ফেললাম। ভিন্ন স্বাদের সব বইগুলো। মন ভালো করে দেয়। তালিকা...
-
অণু গল্প ----সাথী হারা। কলমে-- পারমিতা মন্ডল। দীঘার সমুদ্রে একা একা হেঁটে চলেছে সৈকত । এই বালুকাবেলায় , রামধনু রং আকাশের দিকে তাকিয়ে মনটা বড়...

